নির্বাচনি ইশতেহার
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:২২ পিএম
আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:০৪ পিএম
ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শুক্রবার বিকালে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইশতেহার ঘোষণা করেন। ছবি: বিএনপি ফেসবুক পেজ
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৪৪ পৃষ্ঠার নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শুক্রবার বিকালে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ ইশতেহার ঘোষণা করেন।
পাঁচটি অধ্যায়ে ৫১টি বিষয়ের সমন্বয়ে তৈরি এই ইশতেহারে গণমাধ্যম খাতকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইশতেহারের পঞ্চম অধ্যায়ের চতুর্থ অনুচ্ছেদে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বেশ কিছু বৈপ্লবিক পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
গণমাধ্যম নিয়ে বিএনপির প্রধান অঙ্গীকারসমূহ
গণমাধ্যমকর্মীদের কাজের সুরক্ষা ও পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ
বিএনপি নির্ভীক ও পক্ষপাতহীন সাংবাদিকতাকে সম্মান করে। সাংবাদিকরা গণতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করেন। বিএনপি অবশ্যই তাদের কাজের সুরক্ষা ও স্বীকৃতি প্রদান করবে। বিএনপি বস্তুনিষ্ঠ সমালোচনাকে সব সময় স্বাগত জানায়। সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং গঠনমূলক ও বস্তুনিষ্ঠ সমালোচকের নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সে দায়িত্ব পালনে বিএনপি সর্বদা স্বচেষ্ট থাকবে।
আইনি জটিলতা ও হয়রানি দমন
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পুনঃনিরীক্ষণ করা হবে।
গণমাধ্যমের উপর আগ্রাসনরোধ
দেশের সকল প্রকার গণমাধ্যম, গণমাধ্যমকর্মী ও গণমাধ্যম অফিসের নিরবিচ্ছিন্ন সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিএনপি বদ্ধপরিকর। গণমাধ্যমের ওপর যেকোনো ধরনের আক্রমণ ও আগ্রাসন কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
জবাবদিহিমূলক নিয়ন্ত্রন কাঠামো গঠন
মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা, শিশু, নারী ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা এবং গণমাধ্যমে নৈতিকতা ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করার লক্ষে একটি স্বাধীন, শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক মিডিয়া রেগুলেটরি কাঠামো গড়ে তোলা হবে, যার লক্ষ্য। ফ্যাক্ট চেকিং সংস্থার সাথে সমন্বয় করে গুজব ও ভুয়া খবর রোধ করা, ঘৃণামূলক বক্তব্য ও অপপ্রচার রোধ করা হবে। পাশাপাশি, এ সংক্রান্ত বিষয়ে নাগরিকদের অনলাইনে অভিযোগ দাখিল করার সুযোগ এবং ৩০ দিনের মধ্যে দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি বাধ্যতামূলক করা হবে।
হত্যা ও নির্যাতনের বিচার নিশ্চিতকরণ
সকল সাংবাদিক নির্যাতন ও হত্যার বিচার নিশ্চিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে রুজুকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা হবে। সাংবাদিক নির্যাতনরোধে বিশেষ সেল গঠন করা হবে।
জাতীয় সাংবাদিক অবসর কল্যাণ বোর্ড গঠন
সাংবাদিকদের কল্যাণে নানামুখী প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। 'জাতীয় সাংবাদিক অবসর কল্যাণ বোর্ড' গঠন করা হবে।
রাজনৈতিক পক্ষপাতের অবসান ঘটানো
সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন বরাদ্দে রাজনৈতিক পক্ষপাতের অবসান ঘটানো হবে।