শেরপুর-৩ আসন
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:২৪ এএম
আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:১৪ পিএম
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন। ছবি: সংগৃহীত
আসন্ন সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন। দীর্ঘদিন কিডনি রোগে ভোগার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ময়মনসিংহের স্বদেশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৫২ বছর।
জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বাদল দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগে ভুগছিলেন। শেরপুর জেলা জামায়াতের আমির হাফিজুর রহমান জানান, রাত ১০টার দিকে অসুস্থতা বাড়লে তাকে প্রথমে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
পরে তাকে ময়মনসিংহে নিয়ে স্বদেশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানান তিনি।
তার মৃত্যুর খবরে শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল এবং এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে শোক জানান।
শেরপুর-১ সদর আসনে জামায়াতের প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম জানাজা ও দাফনের কর্মসূচি জানান।
প্রথম জানাজা বুধবার বেলা ২টায় শেরপুর শহিদ দারোগ আলী পৌর পার্কে অনুষ্ঠিত হবে। এবং দ্বিতীয় জানাজা বিকাল ৫টায় শ্রীবরদী সরকারি কলেজ মাঠে হওয়ার কথা রয়েছে। জানাজা শেষে তাকে শ্রীবরদী পৌর শহরের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
জানাজায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাসুম ও সাংগঠনিক সম্পাদক সামিউল হক ফারুকীরও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে বলে জানান তিনি।
আসনটিতে নুরুজ্জামান বাদলসহ মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন। তবে নিয়ম অনুযায়ী, এ আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম এখন বাতিল হয়ে যাবে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে বলা হয়েছে, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় পার হওয়ার পর বৈধ প্রার্থী মারা গেলে নির্বাচন বাতিল করতে হবে।
গণবিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচন কার্যক্রম বাতিলের বিধান রয়েছে। বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থীর মৃত্যুর বিষয়টি কমিশনকে জানাবেন বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং অফিসার।
এরপর নির্বাচন কমিশন ওই আসনের জন্য নতুন তফসিল ঘোষণা করবে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী নির্বাচনি কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
তবে আগে মনোনয়নপত্র দাখিলকারীদের নতুন করে মনোনয়ন দিতে হবে না। তাদের জামানতের অর্থও পুনরায় জমা দিতে হবে না।
এ পরিস্থিতিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ হবে।