প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:১১ পিএম
সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) নিয়োগ করার বিষয়ে রবিবার ইসির কাছে আপত্তি জানিয়েছে বিএনপি। ছবি: ভিডিও থেকে
সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) নিয়োগ করার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে বিএনপি।
ঢাকার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নজরুল ইসলাম খান।
বিএনপির এই নেতা বলেন, “ইয়াং বয়সে এত ছাত্র তারা তাদেরকে সংসদ নির্বাচনের মত একটা জটিল রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করা ঠিক হবে না। এই কাজে যুক্ত হলে তারা এবং তার প্রতিষ্ঠান বিতর্কিত হতে পারে। সেজন্য বেটার হবে যেন তাদেরকে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করা না হয়”।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে আইনে যাদের উল্লেখ আছে তাদেরকে নির্বাচনের কাজে রাখা উচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ এটা যদি করা যায় আর কি তাহলে এরপরে বলা হবে স্কাউটদেরকে এ কাজে নিযুক্ত করা হোক। এর কদিন পরে আবার হয়তো বলা হবে আর কি যে গার্লস গাইড গার্লস গাইডকে যুক্ত করা হোক। তা আমরা মনে করি যেটা, সেটা হলো আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বলে আইনে যাদেরকে উল্লেখ আছে যাদের তাদেরকেই নির্বাচনের কাজে রাখা উচিত। তারা আমাদের কথার যৌক্তিকতা স্বীকার করেছেন এবং এ ব্যাপারে তারা আলোচনা করবেন এবং করে সিদ্ধান্ত নেবেন”।
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন আসনে অস্বাভাবিক ‘ভোটার মাইগ্রেশন’ এবং নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের মতো অভিযোগ করেন তিনি।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, “গত এক দেড় বছরে ঢাকা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর ভোটারের মাইগ্রেশন হয়েছে (ভোটার স্থানান্তর)। বিশেষ বিশেষ কিছু এলাকায় অনেক নতুন ভোটার হয়েছে, যেটা অস্বাভাবিক। এটা কখনো আগে হয়নি”।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিইসির সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল। আলোচনায় বিএনপির প্রতিনিধি দল ভোটার মাইগ্রেশনের বিষয়টি তুলে ধরলে ইসি তাদেরকে জানান, তারা সংশ্লিষ্ট বিভাগে খোঁজ করে জানতে পেরেছেন কোনো আসনে দু তিন হাজারের বেশি ভোটার স্থানান্তর হয়নি।
ইসির এমন বক্তব্যে বিএনপি সন্তুষ্ট নয় জানিয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, “তারা নিশ্চিত জানেন, প্রকৃতপক্ষে অনেক বেশি ভোটার মাইগ্রেশন হয়েছেন। যারা ইসিকে এ সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করেছেন, তারা সঠিক তথ্য দেননি”।
বিভিন্ন জায়াগায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করে নজরুল ইসলাম খান বলেন, “কেউ কেউ কোনো দলের পক্ষে বক্তৃতা করতে ধর্মীয় আবেগ ও বিশ্বাসকে আঘাত করছেন। কিন্তু ইসি কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না”।