রাজশাহী অফিস
প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:৫২ পিএম
আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:৫২ পিএম
রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্বাচনি জনসভায় তারেক রহমান । ছবি: ফোকাস বাংলা নিউজ
ক্ষমতায় গেলে রাজশাহী অঞ্চলের কৃষি ও পানি সমস্যার সমাধানে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
দুই সপ্তাহ পর যে সংসদ নির্বাচন হতে যাচ্ছে, তার প্রচারে বৃহস্পতিবার রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানের জনসভায় তিনি এ অঙ্গিকার করেন।
পদ্মাসহ অন্যান্য অনেক নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, “ধানের সরকার গঠন করলে ইনশাআল্লাহ আমরা পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের কাজে হাত দিতে চাই। পদ্মা ব্যারেজ যদি ইনশাল্লাহ আমরা তৈরি করতে পারি, এলাকার মানুষের পুরা এই এলাকার মানুষের উপকার হবে রাজশাহী শহর নাটোর চাপাই সবাই ইনশাআল্লাহ আমরা পদ্মা ব্যারাজের কাজে হাত দিব”
খাল খননের পাশাপাশি পদ্মা নদীও খনন করতে চান উল্লেখ করে তিনি বলেন, “রাজশাহী বললেই কোনটা বুঝায়? পদ্মা নদী। এখন কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে এই যে পদ্মাই বলেন, তিস্তাই বলেন, ব্রহ্মপুত্রই বলেন, যেই নদী বলেন, পানি আছে কোনো? কোনো পানি নাই। পদ্মার সাথে যেই খালগুলো, সেগুলোতে কোনো পানি আছে? কোনো পানি নাই।
“আমাদের নদীতে পানি দরকার। কেন পানি দরকার এই রাজশাহী সহ এই বিভাগটা এই বিভাগে এই যে বরেন্দ্র প্রকল্প যেটা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চালু করেছিলেন এই বরেন্দ্র প্রকল্প চালু করার পরেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় দেশ খাদ্যে দ্বিগুন উৎপাদন করে, দ্বিগুন খাদ্য উৎপাদন করে। এখন সেই সেই বরেন্দ্র প্রকল্প প্রায় আজ বন্ধ বন্ধ অবস্থা। সঠিকভাবে আবার এই এলাকার খালগুলোকে আমরা খনন করতে চাই, পদ্মা নদীকে আমরা খনন করতে চাই,”- বলেছেন তারেক রহমান।
এছাড়া বিএনপি বিজয়ী হলে কৃষকের ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণ সুদ সমেত মওকুফ করে দেয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান। সেই সঙ্গে সার, বীজ ও কীটনাশকসহ কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।
কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে বিএনপির পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন তারেক রহমান বলেন,“আসন্ন নির্বাচনে বিএনপিকে বিজয়ী করা হলে যেসব কৃষকের ১০ হাজার টাকার মধ্যে কৃষি ঋণ রয়েছে সুদ সমেত তাদের কৃষি ঋণ মওকুফ করে দেয়া হবে। সেই সাথে স্যার, বীজ ও কীটনাশকসহ সেচের পানি সহজলভ্য করতে কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডের ব্যবস্থাও করা হবে।”
রাজশাহী অঞ্চলের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ আম সংরক্ষণের বিষয়ে তিনি বলেন, “এখানে আম সংরক্ষণের কোনো হিমাগার নেই। আমাদের পরিকল্পনায় আছে, কীভাবে আম বেশি দিন সংরক্ষণ করা যায়। আমরা এ অঞ্চলে আমের জন্য বিশেষ হিমাগার তৈরি করতে চাই।'