প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:৩৪ পিএম
ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি (বাঁয়ে), মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া (মাঝে) এবং শহিদ আসাদ (ডানে)। কোলাজ ছবি
পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসন, নিপীড়ন ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি পুলিশের গুলিতে শহিদ হন আসাদ। তার শাহাদাত বাংলার গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে মানুষের মনে অমিত সাহস ও শক্তি জাগিয়েছিল—এমন মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)।
শহিদ আসাদ দিবস উপলক্ষে সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, শহিদ আসাদের আত্মত্যাগেই ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান গতি পায়।
তারা বিবৃতিতে বলেন, এই গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। তাই শহিদ আসাদের চেতনা কখনও নিঃশেষ হওয়ার নয়।
দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় সেই চেতনাকে আরও শানিত করতে হবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
নেতৃদ্বয় শহিদ আসাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রাম কেবল নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধেই সীমাবদ্ধ নয়; এর ইতিহাস দীর্ঘ।
৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানই একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধের পথ প্রস্তুত করে দেয়। তাদের ভাষায়, ’৫২-এর ভাষা আন্দোলন বাঙালিকে সচেতন করেছিল, আর ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান তাকে নিজের ঠিকানা খুঁজে দেয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাম্রাজ্যবাদ ও সামন্তবাদবিরোধী সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ’৬৯ একটি বড় মাইলফলক। শহিদ আসাদ তাই জনগণের মুক্তির প্রেরণা ও ঊনসত্তরের দিশারী।
মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতিপর্বে গণ-অভ্যুত্থান ও শহিদদের আত্মদান নতুন প্রজন্মের কাছে অফুরন্ত অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তাই সঠিক ইতিহাস জানা এবং শহীদদের আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাই গণতান্ত্রিক চেতনা জাগ্রত রাখার প্রধান শর্ত মনে করেন তারা।