প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ নভেম্বর ২০২৫ ০৯:৪০ এএম
আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০২৫ ০৯:৪২ এএম
ছবি: সংগৃহীত
জমে উঠেছে কথামালার রাজনীতি। কথামালার এই আসর জমিয়ে তুলেছেন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্বশীল নেতারা। কখনও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে, কখনও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাকে ঘিরে, কখনও-বা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশকে নিয়ে তারা পরস্পরের বিরুদ্ধে ছুড়ে দিচ্ছেন তির্যক বাক্যবাণ। কেউ সোচ্চার হয়ে উঠেছেন নির্বাচনে ধর্মকে ব্যবহারের আশঙ্কার বিরুদ্ধে। কেউ দলীয় দাবি আদায়ের লক্ষ্যে হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন রাজপথে নামার। কারও কারও মুখে শোনা যাচ্ছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের তীব্র সমালোচনা। তারা বলছেন, কমিশন ঐক্যের কথা বললেও কার্যত অনৈক্যকে উস্কে দিয়েছে। কেউ বলছেন, গণভোট আর সংসদ নির্বাচন একই দিনে মেনে নেওয়া হবে না; কেউ বলছেন, এক দিনেই হবে। বলা ভালো, ঐতিহ্যগতভাবেই এদেশের রাজনীতিতে কথামালার দাপট রয়েছে। এবার নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে রাজনীতির এই কথামালা যেন রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার মতপার্থক্য ও দ্বন্দ্ব ক্রমশ শানিত করে তুলছে। যার গন্তব্য কোনখানে তা বলা মুশকিল।
মওদুদীর ইসলামে বিশ্বাস করি না : সালাহউদ্দিন আহমদ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘দেশে নির্বাচন এলেই ধর্মকে ব্যবহারের চেষ্টা দেখা যায়। বাংলাদেশের ৯২ শতাংশ মানুষ মুসলমান। আমরা মদিনার ইসলামকে বিশ্বাস করি, আমাদের নবীর (সা.) ইসলামকে বিশ্বাস করি। আমরা মওদুদীর ইসলামে বিশ্বাস করি না। যারা ফিতনা তৈরি করে বিভাজন তৈরি করতে চায়, তাদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।’
গতকাল শনিবার বিকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে আজমতে সাহাবা সম্মেলনে অংশ নিয়ে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, ‘এখানে বয়ান করার যোগ্যতা আমার নেই। আমি এখানে এসেছি বিশিষ্ট আলেমদের বক্তব্য শুনতে। যারা ইসলাম নিয়ে রাজনীতি করে না, তারা এখানে আছেন। যারা দীনকে প্রথম এবং দুনিয়াকে পর মনে করেন তারা এখানে আছেন। এ কারণে আমি এখানে এসেছি।’
যারা ইসলামকে ব্যবহার করে রাজনীতিতে বিভ্রান্তি তৈরি করতে চায়, তাদের থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘রাজনৈতিক কারণে কেউ বক্তব্য দিতেই পারে, সেটাকে স্বাগত জানাই। তবে কেউ যেন আমাদের দ্বীনকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে।’ তিনি বলেন, ‘হাসিনার সরকার ইসলামবিদ্বেষী ছিল, মুসলিমবিদ্বেষী ছিল। তারা আলেমদের নির্যাতন করেছে। আল্লাহর হুকুমে কীভাবে তাদের রাজনীতির অবসান হয়েছে, আমরা তার সাক্ষী। আমরা যেন এমন রাজনীতি করি, যাতে আওয়ামী অপরাজনীতি বিলুপ্ত হয়। বাংলাদেশে আমরা আদর্শিক রাজনীতি কয়েম করব।’
আরপিও সংশোধন হলে রাজপথে নামব : মো. তাহের
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) পুনরায় সংশোধন করার চেষ্টাকে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের ‘অন্যায়-অযৌক্তিক আবদারের কাছে নতিস্বীকার’ বলে আখ্যায়িত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি এই সিদ্ধান্ত মানবে না বলেও ঘোষণা দিয়েছে।
গতকাল শনিবার দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো এক জরুরি ভিডিও বার্তায় দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এই কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে গৃহীত আরপিওকে পুনরায় সংশোধন করা একটি দলের অন্যায়-অযৌক্তিক আবদারের কাছে নতিস্বীকার করার শামিল বলেই আমরা মনে করি।’ তিনি অভিযোগ করেন, আরপিওতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জন্য নিজ নিজ প্রতীকে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হলেও একটি দলের চাপে তা পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে।
জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা লন্ডনে গিয়ে একটি অসম ও অবৈধ চুক্তি, একটি দলের চাপে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা এবং সর্বশেষ একই উপদেষ্টা পরিষদে গৃহীত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মার্কা ব্যবহারের বিষয়ে, আবার সেটা পুনর্বিবেচনার নামে একটি দলের প্রতি যে আনুগত্য প্রকাশ করেছে সরকার, নিঃসন্দেহে এতে এ সরকারের নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন হয়েছে।’ তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমরা এ সিদ্ধান্ত মানি না এবং এ সিদ্ধান্ত গ্রহণের নিন্দা জানাচ্ছি।’
মো. তাহের জোর দিয়ে বলেন, নির্বাচন কমিশন এবং উপদেষ্টা পরিষদে ‘প্রতিটি দলকে নিজ নিজ প্রতীকে নির্বাচন করতে হবে’ বলে যে দুটি সিদ্ধান্ত হয়েছিল, জামায়াতে ইসলামী সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত এবং জাতিও একমত। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, ‘আমরা গত বৈঠকে গৃহীত সেই সিদ্ধান্তকে আবার পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। অন্যথায় এর বিরুদ্ধে রাজপথে প্রতিবাদ হবে।’
নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জামায়াত নেতা বলেন, ‘সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিএনপি নতুন করে যে পরিস্থিতি তৈরি করেছে এটি একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত।’ তিনি মনে করেন, হঠাৎ এরকম রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা-উত্তাপ তৈরি করা ফেব্রুয়ারির নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে।
প্রধান উপদেষ্টার ভূমিকার সমালোচনা করে তাহের বলেন, ‘এরকম অশুভ চক্রের কাছে প্রধান উপদেষ্টা নতিস্বীকার করবেন, বশ্যতা স্বীকার করবেন এবং ষড়যন্ত্রের কাছে নতিস্বীকার করে উনি সনদকে আইনি ভিত্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে পিছিয়ে যাবেন, এটা আমরা আশা করি না।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, প্রধান উপদেষ্টা তার নিজস্ব ‘সংস্কার-রিফর্ম’ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবেন না। তিনি বলেন, যদি প্রধান উপদেষ্টা সেই ওয়াদা ভঙ্গ করেন, তবে জাতি মনে করবে তিনি জাতির সঙ্গে ‘খেলাপ’ করছেন।
কমিশনের সুপারিশ ‘অশ্বডিম্ব’ : সিপিবি সভাপতি
বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশকে ‘অশ্বডিম্ব’ (ঘোড়ার ডিম) হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তার মতে, আট মাস আলোচনার পরও এই সুপারিশ কার্যকর হওয়ার প্রক্রিয়ায় যে জটিলতা তৈরি হয়েছে, তা উদ্বেগজনক।
গতকাল শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘পলিটিকস ল্যাব : পাবলিক ডায়লগ’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘এই সংকটের জন্য ঐকমত্য কমিশনকে দায়ী করা যায়। সমাধান কী হবে? গণভোট কীভাবে হবে? জুলাই সনদ কার্যকর হবে কীভাবে? এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। ৮৪টি পয়েন্টের মধ্যে ২০টিতে একমত হয়েছে, বাকিগুলোতে একমত হয়নি। তাহলে কোন বিষয়ে ভোট হবে?’
সাজ্জাদ জহির বলেন, ‘জুলাই সনদে স্বাক্ষর হয়েছে। এরপর সর্বশেষ সংস্কার কমিশন আবার নতুনভাবে ব্যবস্থা করছে। তারা বলছে যে নোট অব ডিসেন্ট থাকবে না, ভিন্নমত থাকবে না। কিন্তু আমার ভিন্নমত আছেÑ কেন তা থাকবে না?’ গণভোটের প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ‘সংবিধানে গণভোটের কোনো নির্দিষ্ট বিধান নেই। আছে ১৪২ ধারা, যা নির্বাচিত সংসদে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তীব্র মতবৈষম্য থাকলে জনগণকে আহ্বান করার সুযোগ দেয়। তবে এই মুহূর্তে প্রস্তাবিত গণভোট সংবিধানসম্মত নয়।’
কমিশন অনৈক্যের দলিল হাজির করেছে : জহির উদ্দিন স্বপন
একই সংলাপ অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘ঐকমত্য কমিশনের কাজ ঐকমত্য তৈরি করা হলেও তারা আনুষ্ঠানিকভাবে অনৈক্যের দলিল হাজির করেছে।’ তিনি বলেন, ‘যতটুকু ঐক্য নিশ্চিত করা যায়, ততটুকুই ঐকমত্য কমিশনের কাজ। বাকিটা ঐক্যের চেষ্টার জন্য রেখে দিতে হবে।... কিন্তু তা না করে যখন এ রকমভাবে হাজির করা হচ্ছে সিদ্ধান্তের নামে, তখন মূলত বিরোধে লিপ্ত হওয়ার জন্য একটা পরোক্ষ আহ্বান এবং একটা বিরোধের এজেন্ডাকে কিন্তু হাজির করা হয়।’
সংলাপে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘ঐকমত্য কমিশনই জাতির সামনে জানাল যে ঐক্য নাই। ঐকমত্যের কাজই হবে যতটুকু ঐক্য আছে, সেটাকে উত্তোলন করা, যতটুকু নাই ততটুকুকে জানিয়ে রাখাÑ এর চাইতে বেশি কোনো কাজ নাই। কমিশন শব্দটার মধ্যেই তো রয়েছে যে তারা অথরিটি নয়।’ জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা থেকে যদি প্রকৃত অর্থে সংস্কারই উদ্দেশ্য হয়, তাহলে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি মেনে চলার ওপর জোর দেন তিনি।
গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একই দিনে হবে : সুব্রত চৌধুরী
‘ফেব্রুয়ারিতে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একই দিনে হবে। যারা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কথা বলেন, তাদের বলব জাতীয় নির্বাচনে ৭০ শতাংশ ভোট পড়লেই তা অংশগ্রহণমূলক হবে।’ গতকাল শনিবার এফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আইনি কাঠামো অপেক্ষা রাজনৈতিক সদিচ্ছা বেশি জরুরি’ শীর্ষক ছায়া সংসদে এসব কথা বলেন গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী। তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘গণভোট ইস্যুতে বিএনপি ও জামায়াতের মতভেদ নিয়ে সংঘাতের শঙ্কা নেই।’
রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আগামীতে কোনো মনোনয়ন ও পদবাণিজ্য না করার আহ্বান জানিয়ে সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘মেধাবীদের সমন্বয়ে একটি কার্যকর সংসদ হওয়া উচিত। জুলাই যোদ্ধাদের জুলাই সনদে স্বাক্ষর না করা তাদের দ্বিচারিতা। এনসিপির উচিত দরকষাকষি না করে জুলাই সনদে সই করা।’ তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার কিছু তরুণকে নানা সুযোগ-সুবিধা দিয়ে বিপথগামী করেছে। ডিসি ও ইউএনও অফিসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে তারা খবরদারি করছে। সরকারের ভেতরে সরকার তৈরি হয়েছে। যার ফলে সংস্কার ও আইনের শাসন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।’
গণফোরামের শীর্ষ এ নেতা বলেন, শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার অব্যাহতভাবে চলবে। ভারতকে বলব– তাকে আশ্রয় দিয়ে উস্কানিমূলক কথা বলার সুযোগ দেবেন না, তাকে থামান। আমাদের সঙ্গে বৈরী সম্পর্ক সৃষ্টি করবেন না।
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণের সভাপতিত্বে এই ছায়া সংসদে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজকে পরাজিত করে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি বিজয়ী হয়।
সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সরকার বদ্ধপরিকর : ইসি আনোয়ারুল
নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, ‘সরকার সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সরকার বদ্ধপরিকর।’ তিনি বলেন, ‘এবার আরপিওতে সংশোধন আনা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তারা চাইলে দায়িত্বরত আসন ও প্রিসাইডিং অফিসার ভোটগ্রহণ স্থগিত করতে পারবেন।’
গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় কুয়াকাটায় ‘নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে চ্যালেঞ্জসমূহ নিরূপণ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘রিটার্নিং অফিসারের আইনি ক্ষমতা আছে। তার অর্থ এই নয়, যেনতেনভাবে একটি আসনের নির্বাচন বাতিল করে দেব। মনে রাখতে হবে, এই নির্বাচনের পেছনে একটি টাকাও সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের টাকা। এই নির্বাচনে কোটি কোটি টাকা ব্যয় হবে। সেটির অপব্যবহার যাতে না হয়Ñ সেদিকেও আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে পোস্টার থাকবে না। এবারের নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসারের অনেক ক্ষমতা থাকবে। সেই ক্ষমতাটা কী? প্রিসাইডিং অফিসার যদি অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসারকে বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বলেনÑ আমি সেন্টারের ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত ফলাফল দেওয়ার মতো অবস্থায় ছিলাম না, সুতরাং আমি সেন্টার বাতিল ঘোষণা করলামÑ তাহলে আমরা অ্যাকসেপ্ট করে নেব।’ কর্মশালায় তিনি আগামী নির্বাচনে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের নির্ভয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
কুয়াকাটা কোডেক ট্রেনিং সেন্টার সভাকক্ষে বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনÑ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ, পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপু সরোয়ার ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপপ্রধান মুহাম্মদ মোস্তফা হাসান। কর্মশালায় পটুয়াখালী জেলার আট উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তা ও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রায় ৬০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।