প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০২:০১ এএম
ছবি : সংগৃহীত
মন্দিরে হামলা ও প্রতিমা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিবিরোধী বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, যারা মন্দিরে হামলা ও প্রতিমা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত, যেই রাজনৈতিক দল বা ধর্মের অনুসারী হোক না কেন, তারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিবিরোধী, বাংলাদেশবিরোধী। সারা দেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন মন্দিরে হামলা ও প্রতিমা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনারও দাবি জানান তিনি।
রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর আজিমপুরের ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ ও মহানগর সার্বজনীন পূজা উদ্যাপন কমিটির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এসব কথা বলেন।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে সব সম্প্রদায়ের, সব নাগরিকের মানবাধিকার, নাগরিক অধিকার ও সমান মর্যাদা নিশ্চিত করা হয়নি। তাই অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠন করতে সবার সমান মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এক বছর ধরে সরকারের কাছে যেসব দাবিদাওয়া পেশ করেছেন, সেগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা এবং যৌক্তিক দাবিগুলো পূরণ করতে হবে। এনসিপিও দেশের বিভিন্ন সম্প্রদায় বিশেষ করে সনাতন সম্প্রদায়ের দাবিদাওয়া পূরণে কাজ করে যাবে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হলেও দেশে গণতন্ত্রের সমস্যা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট, নাগরিক অধিকার না পাওয়াসহ বিভিন্ন সমস্যা রয়ে গেছে। এসব সমস্যা দূর করেই সামনে এগিয়ে যেতে হবে। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকলে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। তবেই বাংলাদেশের সব স্তর থেকে বৈষম্য ও বিভাজন দূর করা যাবে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন বিচারহীনতার সংস্কৃতির শিকার হয়ে আসছে। সেটি দূর করতে হবে। সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি বেদখল পুনরুদ্ধারে কমিশন গঠন করতে হবে- এই দাবির সঙ্গে পূর্ণ সমর্থন রয়েছে এনসিপির। এনসিপির ২৪ দফা কর্মসূচিতেও বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের উপদেষ্টা ও গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব প্রীতম দাস, গণতান্ত্রিক ছাত্র ঐক্যের যুগ্ম আহ্বায়ক জয় বিশ্বাস প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন মহানগর সার্বজনীন পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি জয়ন্ত কুমার দেব।