সাতক্ষীরা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২৫ ২২:০৫ পিএম
বিএনপি নেতা ড. মনিরুজ্জামান বলেছেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে গত ১৭ বছর ধরে বিএনপি সক্রিয় ছিল। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যখন ডাক দিয়েছেন, তখন সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছি। গত ১৭ বছরে বিএনপির অনেক নেতাকর্মী জেল-জুলুমের শিকার হয়েছে। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে কথাগুলো বলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ড. মনিরুজ্জামান।
ড. মনিরুজ্জামান বলেন, এই সাতক্ষীরাকে একটি দলের স্পেসিক ট্যাগ দেওয়া হয়। সাতক্ষীরায় বিএনপির অপার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তাতে বিএনপি একটি তারুণ্যনির্ভর দল হবে। বিএনপি দেশের বৃহৎ দল। এ দলের কেউ চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব করলে দল তাদের বহিষ্কারসহ নানা ব্যবস্থা নিয়েছে। কিন্তু অন্যদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে আমরা কখনও শুনিনি, তারা কোনো ব্যবস্থা নিয়েছে।
নির্বাচন প্রসঙ্গে ড. মনিরুজ্জামান বলেন, সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। একটি পক্ষ নির্বাচনকে বারবার বিলম্বিত করার চেষ্টা করছে। তারা কারা, যারা এদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে। তারা এখনও জাতির কাছে ক্ষমা না চেয়ে পিআর পদ্ধতির নামে নতুন ষড়যন্ত্রে মেতেছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে জনগোষ্ঠীর প্রায় ২৮ শতাংশ ইয়াং জেনারেশন। সবাইকে তো ঘরে ঘরে চাকরি দেওয়া সম্ভব না। দল যদি আমাকে মনোনায়ন দেয় এবং নির্বাচিত হলে যারা লেখাপড়া থেকে ছিটকে পড়েছে বা বেকার বসে আছে, তাদের নিয়ে একটি পরিকল্পনা আছে। বেকারদের ফ্রি ট্রেনিং দিয়ে প্রতিঘরে একজনকে স্বাবলম্বী করব।
নিজ এলকায় পরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছি, সাতক্ষীরায় টেকসই বেঁড়িবাধ লাগবে, সুপেয় পানি লাগবে। সুন্দরবনকে দেশের বুকে বৃহৎকারে কীভাবে পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলা যায়, সেটা করব। গ্রামকে কীভাবে উন্নয়ন করা যায়, সেটা করব।
সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামানের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় সাতক্ষীরায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।