× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বিতর্কিত স্লোগানের দায় সংশ্লিষ্ট পক্ষকেই নিতে হবে: এনসিপি

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১২ মে ২০২৫ ১৯:১৩ পিএম

বিতর্কিত স্লোগানের দায় সংশ্লিষ্ট পক্ষকেই নিতে হবে: এনসিপি

সাম্প্রতিক ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে একটি পক্ষের বিতর্কিত স্লোগানকে কেন্দ্র করে যে রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, তাতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

সোমবার (১২ মে) জাতীয় নাগরিক পার্টি, এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়। বিবৃতিটি এনসিপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে দলটি বলেছে, এই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দল, মত ও সাধারণ ছাত্র-জনতা ইতিহাসসচেতন ভূমিকা রাখলেও একটি পক্ষ সচেতনভাবে এমন কিছু স্লোগান দিয়েছে, যা বাংলাদেশের জনগণের ঐতিহাসিক সংগ্রামের পরিপন্থী। এনসিপির দাবি—এই স্লোগানগুলো আন্দোলনের পরবর্তী ধাপে জাতীয় ঐক্য নবায়নের সম্ভাবনাকে বাধাগ্রস্ত করেছে।

বিবৃতিতে দলটি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়েছে, এনসিপির কোনো সদস্যই আন্দোলনের সময় দলীয় স্লোগান কিংবা ইতিহাসবিরোধী বক্তব্য দেয়নি। যেসব আপত্তিকর স্লোগান নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, তার দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট পক্ষকেই নিতে হবে বলে মনে করে এনসিপি।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় নাগরিক পার্টির বক্তব্য ও স্লোগানে ১৯৪৭, ১৯৭১ এবং ২০২৪ সালের জনগণের সংগ্রামের চেতনা পরিস্ফুট হয়েছে।

এনসিপি আরও দাবি করেছে, আন্দোলনকারীদের মধ্যে থেকেই কেউ কেউ জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময় আপত্তি জানিয়েছিল, কিন্তু আন্দোলনকারীরা দৃঢ়তার সঙ্গে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন। এতে স্পষ্ট হয়, এই আন্দোলনের কেন্দ্রে ছিল একটি ঐক্যবদ্ধ জাতিগত চেতনা, যা কিছু বিভ্রান্তিকর স্লোগানের বিপরীতে অবস্থান নিয়েছে।

বিবৃতিতে জাতীয় নাগরিক পার্টি বলেছে, বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির ইতিহাস, বিশেষত ১৯৪৭ সালের উপনিবেশবিরোধী সংগ্রাম, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান—এই তিনটি অধ্যায়ের যথাযথ স্বীকৃতি ও মর্যাদা দেওয়া না হলে এ দেশে গণমুখী রাজনীতি সম্ভব নয়। এনসিপি মনে করে, যারা ১৯৭১ সালে জনগণের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল এবং যাদের বিরুদ্ধে গণহত্যায় সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে, তাদের উচিত হবে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে জাতির সামনে ব্যাখ্যা দেওয়া। এই আত্মসমালোচনার মধ্য দিয়েই জাতীয় ঐক্য ও চব্বিশের অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

এনসিপির ভাষ্য অনুযায়ী, চব্বিশের অভ্যুত্থানে যেসব নাগরিক, সংগঠন ও দল নির্যাতিত হয়ে গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, তাদের উচিত হবে বাংলাদেশপন্থী রাজনৈতিক ভূমিকা অব্যাহত রাখা। অতীতের বিভাজনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে সব পক্ষের উচিত হবে নিজেদের স্পষ্ট অবস্থান জনগণের সামনে উপস্থাপন করে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের দিকে এগিয়ে যাওয়া। একমাত্র এই ঐক্যের মাধ্যমেই মুজিববাদকে পরাস্ত করে একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণ সম্ভব।

সবশেষে এনসিপি সকল রাজনৈতিক শক্তির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন দায়িত্বশীল আচরণ ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান জানায়।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা