আকরাম হোসেন
প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ০৯:৩৯ এএম
আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ০৯:৪০ এএম
ফাইল ফটো
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ডিসেম্বরে আয়োজনের আশ্বাস দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে যে ডিসেম্বর মাস ধরে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। আর সার্বিক হিসাবনিকাশ করে চলতি বছরেই নির্বাচন হচ্ছে এমনটা ধরে নিয়ে ভোট-প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। দলগুলো নিজেদের মতো করে জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি দিয়ে ছুটছেন মাঠে। গণসংযোগ করছেন, ভোটারদের কাছে যাচ্ছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। দিচ্ছেন প্রতিশ্রুতি।
পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দেশে নির্বাচনের স্বাভাবিক ধারা বলতে কিছু ছিল না। যেকোনোভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকতে তারা নির্বাচনব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়। সুদীর্ঘ সময় মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেনি। ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের সম্ভাবনা দেখছে রাজনৈতিক দলগুলো।
বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ ধর্মভিত্তিক দলগুলো মাঠ পর্যায়ে কর্মতৎপরতা বাড়িয়ে চলেছে। নানা কর্মসূচি দিয়ে জনগণের কাছে নিজেদের পরিকল্পনা তুলে ধরছে তারা। এর পাশাপাশি চলতি মাসের শেষের দিকে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের নতুন রাজনৈতিক সংগঠন। তারাও সারা দেশে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা বলছেনÑ আসন্ন নির্বাচনে ভোটাররাই বড় ফ্যাক্টর। ভোটারের মন জয় ছাড়া ক্ষমতায় যাওয়ার অন্য রাস্তা নেই। তাই ভোটারের আস্থা অর্জন করতে হবে। তাদের সুখ-দুঃখের কথা শুনতে হবে, পাশে থাকতে হবে।
ইতোমধ্যে সারা দেশের ৬৭ সাংগঠনিক জেলায় ধারাবাহিকভাবে সমাবেশ শুরু করেছে বিএনপি। শুরুতে গতকাল বুধবার ৬ জেলায় সমাবেশ করেছে দলটি। সমাবেশগুলো থেকে দ্রুত নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানাচ্ছেন দলটির নেতারা।
পূর্বঘোষণা অনুযায়ী চলতি মাসের মধ্যেই বাকি জেলাগুলোতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। জেলা পর্যায়ে সমাবেশ কর্মসূচি শেষ হলে বিভাগীয় ও মহানগরে সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হবে।
এদিকে ভোট সামনে রেখে তৃণমূলে ছুটছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা। সভা-সমাবেশ, কর্মিসভা, উঠান বৈঠকসহ নানা কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে দলটি। বিএনপিঘোষিত ৩১ দফা নিয়ে সারা দেশে কর্মশালা করছে। আসনভিত্তিক প্রার্থীরা নিজেদের মতো করে গণসংযোগ চালাচ্ছেন। ভোটারের আস্থা অর্জনে কাজ করছেন। পাশাপাশি মনোনয়নের দৌড়ে এগিয়ে যেতে কেন্দ্রে ইতিবাচক কাজ দেখানোর চেষ্টা করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনমুখী একটি দল। সব সময় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত আছে।’
বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘বিএনপি বার বারই বলছে যে একটা যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচন হওয়া দরকার। বিএনপি একটি জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী দল। তিনশ সংসদীয় আসনের প্রতিটিতে একাধিক যোগ্য নেতা প্রার্থী হতে প্রস্তুত। নির্বাচনের প্রস্তুতির কোনো সমস্যা নেই।’
জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রদের সম্ভাব্য নতুন রাজনৈতিক দল, গণঅধিকার পরিষদ, এবি পার্টি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, নাগরিক ঐক্য, ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল, বামধারার রাজনৈতিক দলগুলোও বসে নেই। প্রতিটি দল নিজেদের মতো করে নির্বাচনী প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। নিজ নিজ আসনে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন দলগুলোর সম্ভাব্য প্রার্থীরা। কেন্দ্রীয় নেতারা প্রতিদিন তৃণমূলে যাচ্ছেন। সভা-সমাবেশ করছেন।
জামায়াতে ইসলামী আজ বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসছে। দলটির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, জোটগত নির্বাচন না করলে তারা ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেবে। ইতোমধ্যে তারা ৭৯টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নামও ঘোষণা করেছে।
পাশাপাশি নির্বাচনকেন্দ্রিক জোট গঠনেরও জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোকে তারা একটি জায়গায় আনতে চায়। সে ক্ষেত্রে জোট না হলেও ধর্মভিত্তিক দলগুলো মিলে আসনভিত্তিক একজন প্রার্থী দেবে। এর মধ্য দিয়ে এই বলয়ের সব ভোট এক বাক্সে আনার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। জামায়াতে ইসলামীর এমন চেষ্টায় অধিকাংশ ধর্মভিত্তিক দলের সায় রয়েছেÑ এমনটা জানা যাচ্ছে।
ওদিকে নতুন রাজনৈতিক দলের ঘোষণা দিতে যাচ্ছেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা। সে লক্ষ্যে সারা দেশে সাংগঠনিক কাজ করছে জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে নতুন এই রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ হতে পারে। আত্মপ্রকাশের পাশাপাশি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়েও ভাবছে তারা।
জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘আমরা বলেছি সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হওয়া যাবে না। সেই নির্বাচন চলতি বছরের জুন বা ডিসেম্বর অথবা ২০২৬ সালের জুনÑ যখনই হোক না কেন। আমরা দেখতে চাইব সংস্কারের প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন। সংস্কার বা গণঅভ্যুত্থানের যে দাবি, সেগুলো বাস্তবায়ন ছাড়া শুধু রাজনৈতিক দলের চাপে নির্বাচন দিলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। সংকটও কাটবে না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা স্বতন্ত্রভাবে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের চেষ্টা করছি। নির্বাচন নিয়ে আমাদের সাংগঠনিক প্রস্তুতি রয়েছে। আরও প্রস্তুতি নিচ্ছি। ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি আছে আমাদের।’
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের যে আশ্বাস দিয়েছেন তাকে আমরা স্বাগত জানাই। রাজনৈতিক দলগুলো তো আরও আগেই নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছে। একটা গ্রহণযোগ্য, বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের দাবি গত ১৬ বছর ধরেই মানুষ জানিয়ে আসছে।’
তিনি বলেন, ‘পুরা আন্দোলনটাই ছিল ভোটাধিকারের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য। সেই জায়গা থেকে নির্বাচন আয়োজনের কোনো বিকল্প নেই। সংস্কার কমিশনের সুপারিশ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে ন্যূনতম বোঝাপড়ার জায়গায় পৌঁছা সম্ভব।’
সাইফুল হক আরও বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে আমাদের এক ধরনের প্রস্তুতি আছে। ২০০৮ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে আমরা যেসব আসনে প্রার্থী দিয়েছিলাম, তার অধিকাংশ আসনে এবার নির্বাচন করব। প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এর বাইরেও বেশকিছু আসনে নির্বাচন করার লক্ষ্য আছে আমাদের। আমরা মোট একশ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছি। সেসব জায়গায় রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করেছি। আমাদের দলীয় প্রতীক ‘কোদাল’ নিয়ে নির্বাচন করার প্রত্যাশা রয়েছে। পাশাপাশি জোটগত নির্বাচন নিয়ে গণতন্ত্র মঞ্চ ও বিএনপির সঙ্গে আমরা কথা বলব।”
আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘সরকার আন্তরিক হলে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করা সম্ভব। আমরা নিবন্ধনের জন্য কাজ করেছি। নির্বাচনের জন্য আমাদের আগে থেকেই প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা চেষ্টা করব ম্যাক্সিমাম আসনে প্রার্থী দেওয়ার। কাজ মোটামুটি গুছিয়ে এনেছি। কয়েকদিনের মধ্যে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো যাবে।’
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না অবশ্য ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে এখনও পুরোপুরি আস্থাশীল নন। প্রতিদিনের বাংলাদেশকে তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের আশ্বাস দিয়েছেনÑ এমনটা মনে হয়নি। সরকার বলেছেÑ সবাই যদি একমত হয় তবে ডিসেম্বরে নির্বাচন দেবে। সবাই একমত হওয়ার মতো খবর তো এখনও জানি না। দ্বিমতের খবর আছে সবার কাছে। সবাই ডিসেম্বরে নির্বাচন চাচ্ছে না। সবাই খুব তাড়াতাড়িও নির্বাচন চাচ্ছে না। সরকার বলছে সবাই একমত হলে ডিসেম্বরেই নির্বাচন দেবে। তাহলে এটাকে আশ্বাস দিয়েছে বলা যায় না।’
তিনি বলেন, ‘ডিসেম্বরে নির্বাচন হলে নির্বাচন করব। প্রস্তুতি এখনই নিয়ে রেখেছি বিষয়টি তেমনও নয়। যখন নির্বাচন হবে তখন করতে হবে। আমরা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যাচ্ছি। যখনই ঘোষণা আসবে তখনই আমরা নির্বাচন করব।’
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। প্রতিনিয়ত তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বসছেন, আলোচনা করছেন, সবকিছুর খোঁজখবর রাখছেন। রাষ্ট্র যেন কোনোভাবেই ব্যর্থ না হয়, তৃতীয় পক্ষ যাতে সুযোগ না পায়Ñ সেজন্য তিনি ডিসেম্বরে নির্বাচনের কথা বলছেন বলে মনে করি। তার এ বক্তব্যকে আমরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছি।’
তিনি বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দলের সব সময় প্রস্তুতি থাকে। ভেতরে-বাইরে সব জায়গায় আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। আমাদের দলে যারা প্রার্থী হতে চান তারা নিজ নিজ এলাকায় কাজ করছেন। তারা গণযোগাযোগ করছেন, মানুষের কাছে যাচ্ছেন। আমাদের সমাবেশগুলোতে মানুষের ভালো সাড়া পাচ্ছি। এককভাবে নির্বাচন ও ৩০০ আসনে আমরা প্রার্থী দিতে চাই। নির্বাচনের এখনও দেরি আছে। নির্বাচনের সময়ের পরিবেশ-পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তখন কী সিদ্ধান্ত হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে এখন পর্যন্ত আমাদের এককভাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত আছে।’
গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, ‘নির্বাচনের আগে প্রধান উপদেষ্টার উচিত হবে জাতীয় সংলাপের আয়োজন করা। সে সংলাপে নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখ, রোডম্যাপ এবং রাষ্ট্র সংস্কারের চার্টার অবশ্যই থাকবে। সংস্কারের চার্টারে সব রাজনৈতিক দলের স্বাক্ষর থাকতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কার শুরু করবে, পরবর্তীতে নির্বাচিত হয়ে যে দল সরকার গঠন করবে সে সংস্কারের বাকিটা বাস্তবায়ন করবে।’
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে গত সোমবার বৈঠক করে বিএনপি। বৈঠক শেষে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, অতি দ্রুত তারা নির্বাচনের ব্যবস্থা করছেন। তিনি (উপদেষ্টা) বলেছেনÑ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের ব্যবস্থা করার জন্য তারা কাজ করছেন।’ তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করব, প্রধান উপদেষ্টা অতি দ্রুত নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করবেন। ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি। জনগণও প্রত্যাশা করছে।’
এদিকে চলতি বছরের ডিসেম্বর মাস ধরে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গত মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ইউএনডিপির প্রতিনিধিসহ ১৮টি উন্নয়ন সহযোগী দেশের রাষ্ট্রদূতরা।
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘বর্তমান কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই জানিয়ে আসছে যে, নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার অভিপ্রায় অনুযায়ী কাজ করছে ইসি। চলতি বছরের ডিসেম্বর মাস ধরে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন। নির্বাচন নিয়ে কোনো চ্যালেঞ্জও দেখছে না ইসি।’
জাতীয় নির্বাচনের আগে কোনোভাবেই স্থানীয় সরকারের ভোট করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন ইসি সানাউল্লাহ। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তবে সরকার চাইলে বাধ্য হয়েই জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকারের ভোট করবে কমিশন।