প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৭:১৬ পিএম
আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৯:১৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
পতিত স্বৈরাচার আবার ক্ষমতা দখলের দিবাস্বপ্ন দেখছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন। শনিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ভয়েস অব টাইমস আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংস করতে ভারত ও পতিত আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্র করছে। ভিয়েনা কনভেনশন লঙ্ঘন করে সহকারী হাইকমিশনে হামলা, জাতীয় পতাকা অবমাননা করেছে ভারতের উগ্রবাদীরা।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুধুমাত্র চিন্ময়ের জন্য তা নয়। এই ষড়যন্ত্র বাংলাদেশের অস্তিত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। দেশ দখলের দিন শেষ। ১৮ কোটি মানুষের ৩৬ কোটি হাত থাকার পরও দেশ দখলের স্বপ্ন দেখা দিবাস্বপ্ন। ৩৬ কোটি হাত প্রতিরোধ করবে। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখার জন্য শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে চেষ্টা করবে।’
জাহিদ হোসেন বলেন, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন দিল্লিতে গিয়ে বলেছিলেন, আমাদেরকে আরেকটু ক্ষমতায় রাখেন। তারা দেশের জনগণকে ক্ষমতায় রাখার কথা বলেননি, জনগণের ভোট তারা বিশ্বাস করেনি। আর সেকারণেই ‘১৪, ‘১৮ ও ’২৪ এ নির্বাচন কি হয়েছে দেশের মানুষ দেখেছে। পতিত স্বৈরাচারকে জায়গা দিয়েছে এখন তাদের গাত্রদাহ।’
তিনি বলেন, ‘তাদের (ভারত) দেশের কয়েক লাখ মানুষ এই দেশে চাকরি। অথচ আমাদের দেশের যুবকরা চাকরি পায় না। প্রতিবছর পাঁচ বিলিয়ন ডলার আমাদের দেশ থেকে ব্যাংকের মাধ্যমেই তারা পাঠায়। আর ব্যাংকের বাইরে হুন্ডির মাধ্যমে যা পাঠায় তা হিসাব করলে ১০ বিলিয়ন ডলার হবে। যা প্রতিবছর তারা বাংলাদেশ থেকে ইন্ডিয়াতে রেমিট করে।’
নিজের দেশে সংখ্যালঘুরা নির্যাতিত, সেখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিশ্চুপ বলেও মন্তব্য করেছেন বিএনপির এই নেতা।
তিনি বলেন, ‘ভারত বাংলাদেশের মানুষকে বিপথগামী করার চেষ্টা করছে। উস্কানি দিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের মানুষকে বিভাজনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। জনগণ কোনও ষড়যন্ত্র মেনে নেবে না উল্লেখ করে ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘খুন, লুটপাট আর নির্যাতনের কারণে বিচারের মুখোমুখি হবে ভেবেই আওয়ামী লীগ দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।’
ভয়েস অব টাইমসের সভাপতি ফারুকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিনের নায়েবে আমীর হেলাল উদ্দিনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।