ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকীতে বক্তারা
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ নভেম্বর ২০২৪ ২০:১৪ পিএম
আপডেট : ১৫ নভেম্বর ২০২৪ ২০:১৭ পিএম
‘মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর আদর্শকে ধারণ করে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকার এবং সাম্য প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে যেতে হবে। জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে সৃষ্টি হওয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে দেশে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত দরকার।’
শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির উদ্যোগে মওলানা ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সমাবেশ ও র্যালিতে বক্তারা এসব কথা বলেন।
সমাবেশে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, মওলানা ভাসানী জনগণের গণঅভ্যুত্থানকেই সবসময় জনগণের দাবি আদায়ের পথ হিসেবে দেখেছেন। জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান তাই একদিকে যেমন মওলানা ভাসানীর দেখানো পথের অনুসারি, তেমনি অভ্যুত্থান পরবর্তী পথ নির্ধারণেও তার দেখানো পথ অনুসরণ করতে হবে। বিশেষ করে শ্রমিক-কৃষক-মেহনতী মানুষের ধর্ম-শ্রেণি-বর্ণ-লিঙ্গ-জাতি নির্বিশেষে সকলের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকার এবং সাম্য প্রতিষ্ঠায় তার দেখানো পথেই এগিয়ে যেতে হবে। এজন্য নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তা ছাড়া জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
মওলানা ভাসানী, আসামসহ এই উপমহাদেশের রাজনীতিতে অবিসংবাদিত নেতা বলে উল্লেখ করে দলটির নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল বলেন, তিনি এই অঞ্চলের মজলুম বিশেষত কৃষকদের রাজনীতির মূলধারায় নিয়ে এসেছেন। তিনি উপমহাদেশের রাজনীতিতে গণমুখী ধারাকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রামের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু, এরপর তিনি বাংলা ও আসামের কৃষক আন্দোলন, পাকিস্তান আন্দোলন, বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, স্বাধীন দেশে লুণ্ঠন, চোরাকারবারির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ, দুর্ভিক্ষাবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলন, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও প্রাণ প্রকৃতি রক্ষায় ফারাক্কা মার্চের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এসব আন্দোলনের মাধ্যমে রাজনৈতিক সংগ্রামের গতিমুখ নির্ধারণে ভূমিকা রেখেছেন তিনি।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন- দলটির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু, তাসলিমা আখতার, হাসান মারুফ রুমি, মনির উদ্দীন পাপ্পু এবং সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভুইয়া, ফাল্গুনী সরকার, জুলহাসনাইন বাবু, মুরাদ মোর্শেদ, দীপক রায়, দীপক রায়, তরিকুল সুজন ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অঞ্জন দাস, সৈকত মল্লিক এবং নারী সংহতির সাধারণ সম্পাদক অপরাজিত চন্দ প্রমুখ।