এবি পার্টির আলোচনা সভা
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২০:৫২ পিএম
আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২১:০৭ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়েছে মাত্র
এক মাস হলো। এর মধ্যেই বিভিন্ন বিষয়ে অসংখ্য প্রস্তাব আসছে। এ অবস্থায় সরকারকেই দেশ
ও মানুষের মৌলিক প্রয়োজন কী, তা নির্ধারণ করে কাজ এগিয়ে নিতে হবে। নাগরিকদের ভাবনাকে
প্রাধান্য দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের বিরাজমান সমস্যা নিরসন করতে হবে। রবিবার রাজধানীতে
এক আলোচনা সভায় বক্তারা এ পরামর্শ দেন। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিলনায়তনে
এবি পার্টি আয়োজিত ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এক মাস : কেমন গেল, কেমন যেতে পারত!’
শীর্ষক এ আলোচনা সভা হয়।
পরে এবি পার্টির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তড়িৎ ও দৃঢ় সিদ্ধান্ত
গ্রহণে ব্যর্থতা অন্তর্বর্তী সরকারের সাফল্য নিয়ে জনমনে হতাশার জন্ম দিচ্ছে বলে মনে
করেন দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা। তারা আশঙ্কা ব্যক্ত করে বলেছেন, প্রয়োজনীয়
পদক্ষেপ গ্রহণে সরকারের দ্বিধা ও ধীরগতি জনগণের আশাভঙ্গের কারণ হতে পারে।
সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন,
দেশের প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষ তরুণ যুবক, তাদের চিন্তাকে ধারণ না করে বাংলাদেশে কেউ রাজনীতি
করতে পারবে না। নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এক মাসে অনেকেই নানা
প্রস্তাব নিয়ে হাজির হচ্ছেন। শত শত প্রস্তাব আসছে, আসবে, কিন্তু সরকারকে ঠিক করতে হবে
এই সময়ে দেশ ও দেশের জনগণের মৌলিক প্রয়োজন কী? সেটা নির্ধারণ না করলে সঠিকভাবে আপনারা
এগোতে পারবেন না। কোনো বিতর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাজ নয়
বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী বলেন,
অনেকে বলছেন এটা একটা বিপ্লবী সরকার। আসলে এটা গণঅভ্যুত্থানপরবর্তী সরকারÑ যেহেতু এই
সরকার বর্তমান সংবিধানকে মেনে চলছে। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল
হক শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি শুনে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান
সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, সরকারকে অবশ্যই গণহত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
এবি পার্টির আহ্বায়ক এএফএম সোলায়মান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব
মজিবুর রহমান মঞ্জুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের
হাসনাত কাইয়ুম, খেলাফতে মজলিসের আহমদ আব্দুল কাদের, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, গণঅধিকার
পরিষদের মিয়া মোহাম্মদ মশিউজ্জামান, ইসলামী আন্দোলনের আশরাফ আলী আকন, জাতীয়তাবাদী সমমনা
জোটের ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, এবি পার্টির আব্দুল ওহাব মিনার ও বিএম নাজমুল হক প্রমুখ।