প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৪ ২০:৫১ পিএম
আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০২৪ ২১:০৫ পিএম
মহাখালীতে সাবেক রাষ্ট্রদূত সিরাজুল ইসলাম সবুজের স্মরণসভায় বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রবা ফটো
শুধু গেল দুই মাসেই নয়, ১৫ বছর ধরে ফ্যাসিস্টদের হাতে অসংখ্য মানুষ শহীদ হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (২৩ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর মহাখালীতে সাবেক রাষ্ট্রদূত সিরাজুল ইসলাম সবুজের স্মরণসভায় যোগ দিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সবুজও লড়াই করেছে। ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশের পর আমরা যখন গ্রেপ্তার হলাম, একটা ভেক্যুয়াম তৈরি হলো। আমরা ভেবেছিলাম বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ রক্ষা করা যায়। ঠিক এ সময়টায় সবুজ এগিয়ে আসে। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে জনগণের বিজয় হলে সবুজ ফোন করে বলেছিল- দোস্ত আমাদের বিজয় হলো।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ একজন দেশপ্রেমিক কূটনৈতিক হারিয়েছে। তিনি দেশের সব সংকটে এগিয়ে এসেছিলেন।’
দি ঢাকা ফোরাম (টিডিএফ)-এর আয়োজনে এই স্মরণসভায় অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মাহবুবউল্লাহ, অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য দেন।
সভায় বিএনপির অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, মিজানুর রহমান মিনু, আবদুল হালিম, আবদুল কাইয়ুম, নজমুল হক নান্নু, সুজা উদ্দিন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, নূর মোহাম্মদ খান, জহির উদ্দিন স্বপন, শ্যামা ওবায়েদ, আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, সাবেক কূটনীতিক ইফতেখার করীম, শাহেদ আখতারসহ অবসরপ্রাপ্ত কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে মরহুমের সহধর্মিণী নাসরিন ফোজিয়া, দুই কন্যা মৌসুমী ইসলাম সাবরিনা ও নওরিনসহ মরহুমের স্বজনরা ছিলেন।
গত ১১ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে মারা যান সিরাজুল ইসলাম। গত ১৮ আগস্ট ঢাকার বনানীতে তাকে দাফন করা হয়।
পাকিস্তান ফরেন সার্ভিসে যোগ দিয়ে সিরাজুল ইসলাম কূটনীতিক পেশায় কাজ শুরু করেন। কর্মজীবনে ক্যানবেরা, নয়াদিল্লি, ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ে বাংলাদেশ মিশনে কাজ করেছেন। এ ছাড়া তিনি মিসর ও জাপানেও দায়িত্ব পালন করেন। দক্ষিণ এশিয়া ও সুদূর প্রাচ্যের মহাপরিচালকের দায়িত্বেও ছিলেন সিরাজুল ইসলাম।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগ দেওয়ার আগে তিনি ১৯৬৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মান ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পরে সেখানেই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে লেকচারার হিসেবে যোগ দেন।
‘হলিডে’, ‘দ্য ইনডিপেনডেন্ট’, ‘ডেইলি সান’ ও ‘ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস’ পত্রিকার কলাম লেখক ছিলেন তিনি।