প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২৪ ১৭:১৩ পিএম
আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০২৪ ১৭:২৮ পিএম
বৃহস্পতিবার জামায়াতের কার্যালয়ে ১২ দলীয় জোটের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রবা ফটো
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘গত ৫ আগস্ট দীর্ঘ সাড়ে পনেরো বছর যাবৎ জাতির ঘাড়ে চেপে বসা স্বৈরশাসকের অবসান ঘটেছে। এ দিনটিকে বলা হচ্ছে দ্বিতীয় স্বাধীনতা দিবস। এজন্য তরুণসমাজকে কৃতজ্ঞতা জানাই। হাজার প্রাণের বিনিময়ে আমরা এই দ্বিতীয় স্বাধীনতা পেয়েছি।’
বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর মগবাজারের জামায়াতের কার্যালয়ে ১২ দলীয় জোটের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াতে ইসলামের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
সভায় দেশের আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, কোটা সংস্কার আন্দোলনে গণহত্যার বিচার, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পাচারকৃত টাকা ফেরত আনা, আইনের শাসন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠাসহ দেশের বিরাজমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয় বলে জানা গেছে।
জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, ‘দেশ গড়ার কাজে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১২ দলীয় জোট, আলেম সমাজের কী ভূমিকা হওয়া উচিত সে সম্পর্কে আমরা আলোচনা করেছি। আমাদের এ আলোচনা অব্যাহত থাকবে। আমরা বিশ্বাস করি জনগণের ঐক্য সুদৃঢ় হবে এবং ছাত্র-জনতার সঙ্গে একাকার হয়ে যেকোনো ষড়যন্ত্র এবং চক্রান্ত আমরা মোকাবিলা করব।’
১২ দলীয় জোট প্রধান ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, ‘জাতির এক ক্রান্তিকাল যুগসন্ধিক্ষণে আমরা জামায়াতে ইসলামীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে তাদের দপ্তরে এসে মতবিনিময় করেছি। জাতীয় জীবনে বিরাজমান সংকটে একটি ধাপ আমরা অতিক্রম করেছি কিন্তু বাকি রয়ে গেছে আরও অনেক সমস্যা। এ সংকট মোকাবিলা করার জন্য আগামী দিনে একসঙ্গে আমরা কীভাবে অগ্রসর হতে পারি সে বিষয়ে আলোচনা করেছি।’
সভায় জামায়াতের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, দলটির নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের ও মাওলানা আনম শামসুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য আব্দুর রব।
১২ দলীয় জোটের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, জোটপ্রধান ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও সাবেক এমপি আহসান হাবিব লিংকন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মহিউদ্দিন ইকরাম, বিকল্পধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. নুরুল আমিন বেপারী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির (একাংশ) চেয়ারম্যান মঈন মোহাম্মদ ফারুক, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন পারভেজ, ইসলামী ঐক্য জোটের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুর রাকিব, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব অধ্যাপক আব্দুল করিম, ইসলামিক পার্টির মহাসচিব আবুল কাশেম, পিএনপির চেয়ারম্যান ফিরোজ মোহাম্মদ লিটন, নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি মাস্টার এম এ মান্নান, এলডিপির সহসভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহীম রনক, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মহাসচিব আবু হানিফ।