প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৪ ২০:১৩ পিএম
বিএনপি লোগো। ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদে গায়েবানা জানাজা শেষে অরাজকতা সৃষ্টির অভিযোগের মামলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ বিএনপির ২১ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মো. তোফাজ্জল হোসেন এই দেওয়ার পর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্টন মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আসামিপক্ষে আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহসহ কয়েকজন তাদের জামিন চেয়ে শুনানি করেন। আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্থ, দারুস সালাম থানার ১০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল কাইয়ুম খান জুয়েল, তুরাগ থানার বিএনপির আহ্বায়ক মো. আমান উল্লাহ ভূঁইয়া তামান, দিল মোহাম্মদ, মো. নওয়াব আলী, দারুস সালাম থানায় ১২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল সেক্রেটারি শেখ মর্তুজা আলী, রূপনগর থানার শ্রমিক দলের সেক্রেটারি মো. শামছুল আলম মিন্টু, বিএনপি নেতা এস এম মশিউর রহমান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন আহম্মেদ, মো. আবুল বাশার ভুইয়া, ফজলুর রহমান, ইকতারুল ইসলাম মিতু, মো. মাছুম, আমির হোসেন, মনির হোসেন, পটুয়াখালী জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন সুজন, মো. কামরুল হাসান, মো. হামিদুর রহমান হাম্মাদ রারিব, রফিকুল ইসলাম, মো. ফয়েজ আহমেদ এবং সৈয়দ ইসমাইল হোসেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, মঙ্গলবার কোটা সংস্কারের আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে বুধবার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে একটি গায়েবানা জানাজা হয়। জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৪০০ থেকে ৫০০ নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। নামাজ শেষে তারা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেট দিয়ে বের হয়ে মিছিলসহ অরাজকতা সৃষ্টি করেন।
বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে দিতে পল্টন মোড়ে এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য তাদেরকে অনুরোধ করে পুলিশ।
তারা অনুরোধ অমান্য করে পুলিশের প্রতি ‘চরম মারমুখী ভূমিকায়’ অবতীর্ণ হয় এবং তাদের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় ও রাস্তায় পাকা যানবাহনে ভাঙচুর করে।
এ ঘটনায় পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. আলাউল হক পল্টন থানায় মামলা করেন। এতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেলসহ ৩৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও অনেককে আসামি করা হয়।