ইমরান হোসেন ইমু
প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৫:০৬ পিএম
আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৬:২৮ পিএম
ভোজনরসিকদের কাছে খুবই মজার ও আকর্ষণীয় এক খাবার শুঁটকি। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও বিপুলসংখ্যক মানুষের কাছে জনপ্রিয় খাবার শুঁটকি। বাংলাদেশে শুঁটকির একটি বড় অংশ উৎপাদন হয় কক্সবাজারে। বিশাল সমুদ্র উপকূলে কয়েকশ একর জায়গা নিয়ে অবস্থিত শুঁটকিপল্লী। পুরো এলাকার বাতাসে শুঁটকির ঘ্রাণ।

কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকা মহেশখালীর সোনাদিয়া, গোরকঘাটা, তাজিয়াকাটা, কুতুবজোম; কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ, খুদিয়ারটেক, আলী আকবর ডেইল, অংজাখালী, পশ্চিম ধুরুং, টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ, সেন্টমার্টিন, জালিয়াপাড়া; সদর উপজেলার নাজিরারটেক, খুরুশকুল, সমিতিপাড়া, চৌফলদণ্ডিসহ বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকায় বিপুল পরিমাণ শুঁটকি তৈরি হয়।

এসব শুঁটকির মধ্যে সামুদ্রিক রূপচাঁদা, ছুরি লাক্কা, কোরাল, সুরমা, লইট্যা, চিংড়ি এবং মিঠাপানির মাছের মধ্যে শোল, কাচকি, কুচো চিংড়ি, মলা, গইন্যা, বাইলা, ফাইস্যাসহ প্রায় ২০ প্রজাতির মাছের শুঁটকি হয়।

কক্সবাজারে শুঁটকি শুকানোর সবচেয়ে বড় মহাল কক্সবাজার শহরসংলগ্ন পশ্চিম সাগরের তীরে নাজিরারটেক। এটি নতুন চর এলাকা। বছরজুড়ে এখানে চলে শুঁটকি মাছের উৎপাদন। প্রায় শত একরের বিশাল এলাকাজুড়ে শত শত বাঁশের মাচায় নানান জাতের মাছ শুকানো হয়।

চট্টগ্রামে শুঁটকিপল্লী নামে পরিচিত কর্ণফূলী ব্রিজের এপার-ওপার। একটা সময় বিশাল পরিসরে শুঁটকি উৎপাদন করা হতো কিন্তু ইদানীং শুঁটকি মাচা অনেক কমে গেছে। যদিও এখন শুঁটকি উৎপাদন হয় বাণিজ্যিকভাবে, বিশাল কলেবরে। শুঁটকি রপ্তানি করে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে বাংলাদেশ।
শুঁটকির ওপর ঝুড়িতে বসে আছে এক শিশু। প্রবা ফটো