আরিফুল আমিন
প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১১:৫৩ এএম
প্রাণিজগতের আর্থ্রোপোডা পর্বের Bombyx গণের এক প্রকার পতঙ্গ। এই পতঙ্গের শূককীট দশার শেষ পর্যায়ে, এদের শরীরের লালা গ্রন্থি নিঃসৃত রস বাতাসের সংস্পর্শে এলে তা বিশেষ ধরনের আঁশে পরিণত হয়। এই আঁশকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় সুতায় পরিণত করা। এই সূতাই রেশমসুতা নামে পরিচিত। এই কারণে রেশম উৎপাদনকারী পতঙ্গ বা পোকাকে 'রেশম পোকা' বলা হয়।
রেশম পোকার জীবনে চারটি পর্যায়। তা হল ডিম, শূককীট, মূককীট ও পূর্ণাঙ্গ পোকা। পূর্ণাঙ্গ পোকার নাম মথ। পোকারা নিশাচর অর্থাৎ রাতের বেলায় চলাফেরা করে।
বর্তমানে রেশম সুতা উৎপন্নের জন্য এই পোকার বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়। এই পোকা প্রতিপালনের জন্য সাধারণত তুঁত গাছ ব্যবহার করা হয়। মূলত তুঁত কাছের পাতা খেয়ে এদের শূককীট বড় হয়ে উঠে এবং রেশমগুটি তৈরি করে। বাংলাদেশের যেসব উঁচু স্থানে তুঁত গাছ জন্মানো যায়, সেসব স্থানে রেশমপোকার চাষ করা হয়। সাদা তুঁত গাছই রেশম পোকার সবচেয়ে পছন্দের। তুঁত গাছ একবার লাগালে ২০-২৫ বছর ধরে পাতা দেয়। বিভিন্ন উচ্চতায় কেটে তুঁত গাছকে ‘ঝুপি’, ‘ঝাড়’ ও ‘গাছতুঁত’ হিসেবে চাষ করা যায়।