প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ০০:২৭ এএম
স্বল্প পুঁজি ও যথাযথ দিকনির্দেশনা পেলে নারীরা সমাজে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে সক্ষম। সভায় বলা হয়, নারীর উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন তারা নিজস্ব সক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত হন এবং আয়-রোজগার করতে পারেন। নারীদের যদি অর্থায়ন করা হয় এবং সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া যায়, তাহলে সমাজে তারা গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনয়নে সক্ষমতা হয়।
বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের ২১তম বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) নারী উন্নয়ন শক্তি আয়োজিত ‘দুস্থ নারী সদস্যদের উন্নয়ন ও সফলতার গল্প বলা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তারা এসব কথা বলেন। বিএনএফ-নাস প্রকল্পের আওতায় সুবিধাভোগী নারীরা তাদের জীবনের সংগ্রাম, অগ্রগতি ও অর্জনের না অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে নারী উন্নয়ন শক্তির নির্বাহী পরিচালক ড. আফরোজা পারভীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ফোরাম ফর কালচার অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক ড. সুলতান মাহমুদ রাজ্জাক।
যৌতুকের কারণে নির্যাতিত ও তালাকপ্রাপ্তা নূপুর আক্তার বলেন, বিপদগ্রস্ত অবস্থায় নারী উন্নয়ন শক্তির সহায়তা পেয়ে স্বল্প পুঁজিতে ব্যবসা শুরু করি। দুটি হাটে এবং অনলাইনে আমি কাপড় বিক্রি করি। বর্তমানে আমি একজন সফল পোশাক বিক্রেতা। ফ্ল্যাট ভাড়া করে সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে নিরাপদে বসবাস করছি এবং তার শিক্ষার ব্যয়ও বহন করতে পারছি।
উপকারভোগী জেসমিন বলেন, স্বল্প পুঁজিতে একটি গামলায় টুলের ওপর মুড়ি বিক্রি দিয়ে আমার পথচলা শুরু। পরে একটি খাবারের দোকান দিতে পেরেছি। এখন দোকানে হালিম, চটপটি, আলুর দম, ফুচকা, নুডলসসহ নানা খাবার। তিন সন্তান নিয়ে কঠিন সময় পাড়ি দিলেও আজ আমি নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারছি। দোকানের আয়ে ৪টি রিকশা কিনে ব্যবসা চালাই। এখন আমাদের জীবন অনেক সুখের।