গোলাম কিবরিয়া
প্রকাশ : ০৮ ডিসেম্বর ২০২২ ১৩:৫৯ পিএম
আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর ২০২২ ১৪:২৮ পিএম
স্বেচ্ছাসেবী কাজের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়
মহামারি-পরবর্তী সহায়তা ও স্বেচ্ছাসেবী কাজের মাধ্যমে সংহতি জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য যৌথভাবে ২০ জন সেরা স্বেচ্ছাসেবককে আন্তর্জাতিক ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড বাংলাদেশ ২০২২ পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছে।
সোমবার (৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের মিলনায়তনে ‘আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস-২০২২’ উপলক্ষে ইউএন ভলান্টিয়ার বাংলাদেশ, ইউএনএফপিএ, ওয়াটারএইড আয়োজিত 'স্বেচ্ছাসেবী কর্মের মাধ্যমে উন্নয়নের জন্য সংহতি জোরদার' শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
‘স্বেচ্ছাসেবী কর্মের মাধ্যমে উন্নয়নের জন্য সংহতি জোরদার করা’ (স্ট্রেংদেনিং সলিডারিটি ফর ডেভেলপমেন্ট থ্রু ভলান্টিয়ারিং অ্যাকশন) শীর্ষক মূল অনুষ্ঠানটি সোমবার ঢাকার এলজিইডি অডিটোরিয়াম ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। এ বছরের আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘‘স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে সংহতি’ (সলিডারিটি থ্রু ভলান্টিয়ারিং)। এ ছাড়া এ বছর দ্বিতীয় বারের মতো বাংলাদেশে কর্মরত ২০ জন চ্যাম্পিয়ন জাতিসংঘ স্বেচ্ছাসেবককেও (ইউএন) তাদের বিশেষ অবদানের জন্য সম্মানিত করা হয়।
মো. তাজুল ইসলাম, মাননীয় মন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মুহম্মদ ইব্রাহিম, সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ; মিস ভ্যান গুয়েন, ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ, ইউএনডিপি; মিস দোহ ইওং আ, কান্ট্রি ডিরেক্টর, কেওআইসিএ , সেখ মোহাম্মদ মহসিন, প্রধান প্রকৌশলী, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর; মিস শিখা সরকার, অতিরিক্ত সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
‘আন্তর্জাতিক ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড বাংলাদেশ ২০২২’ প্রথম পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন মোহাম্মদ আল্ মামুন রাকিব। নুপুর আক্তার নোভা ও কায়সার হামিদ যথাক্রমে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় পুরস্কারে সম্মানিত হন।

দ্বিতীয় হওয়া দয়িতা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা নুপুর আক্তার নোভা বলেন, ‘প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে উঠে আসা মেয়ে আমি। এমন জায়গায় নিজেকে কখনও কল্পনা করিনি। তবে এ অর্জন আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল। সবসময় আমার চেষ্টা থাকে নিজের দেশের জন্য নিজের সর্বস্ব দিয়ে কাজ করবার এবং আমি সর্বদা নিজের সেরাটা দিয়ে কাজ করে যাব।’
এ ছাড়া পুরস্কৃত হন শাহ্ ওয়াকিলর রহমান, সাঞ্জানা হক, প্রিয়াঙ্কা হালদার, মোস্তাকিম সরকার নিলয়, মোহাম্মদ জামাল হোসেন, মোহাম্মদ খালিদ হাসান, সাথী রায়, রাফাত জাহান মউমিতা, ইয়ুথ ভয়েস চট্টগ্রাম, মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান সাকি, মাসরুর ইসরাক, তারিন তানি বাশার, মোহাম্মদ আল্ভি শেখ, শাইন শাইন মিয়া সনি, নুরজাহান, সানজিদা ইসলাম ইরা ও ফারিহা ফেরদৌস খান ।
বিজয়ীরা পুরস্কার হিসেবে একটি করে ক্রেস্ট, মেডেল, সার্টিফিকেট ও প্রাইজ মানি গ্রহণ করেন। প্রথম পুরস্কার বিজয়ী প্রাইজ মানি হিসেবে পান ১ লাখ টাকা। এ ছাড়া প্রাইজ মানি হিসেবে দ্বিতীয় পুরস্কার বিজয়ী ৬০ হাজার, তৃতীয় পুরস্কার বিজয়ী ৩৫ হাজার, চতুর্থ পুরস্কার বিজয়ী ২০ হাজার, পঞ্চম পুরস্কার বিজয়ী ১৫ হাজার, ষষ্ঠ পুরস্কার বিজয়ী ১০ হাজার, সপ্তম পুরস্কার বিজয়ী ৮ হাজার, অষ্টম পুরস্কার বিজয়ী ৭ হাজার, নবম পুরস্কার বিজয়ী ৬ হাজার এবং দশম পুরস্কার বিজয়ী ৫ হাজার টাকা পেয়েছেন।