× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বারভিডা

আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে নির্বাচনের প্রস্তুতি, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২০ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৯:২৩ পিএম

আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে নির্বাচনের প্রস্তুতি, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকেলস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নির্বাচন বন্ধে উচ্চ আদালতে রিট করা হলেও আদালতকে বিভ্রান্তি করে একটি পক্ষ ২১ ডিসেম্বর নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছে। অথচ এ নির্বাচনের সঙ্গে জড়িত নেতৃত্বে থাকা কতিপয় বক্তিদের বিরুদ্ধে সংগঠনের অর্থ আত্মসাতসহ নানা অনিয়মেরও অভিযোগ রয়েছে। সেই চক্রই একটি পাতানো নির্বাচন নিয়ে পুনরায় অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করতে চায়।

শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘অবৈধভাবে’ বারভিডা’র নির্বাচনের প্রস্তুতির প্রতিবাদে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীদের পক্ষে আইনজীবী আমান উল্লাহ এসব তথ্য তুলে ধরেন।

এডভোকেট আমান উল্লাহ বলেন, উচ্চ আদালতকে বিভ্রান্ত করেছে চক্রটি। ক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্য পর্দার আড়ালে থেকে আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন দিয়ে ২১ ডিসেম্বর বারভিডা’র পাতানো নির্বাচন সম্পন্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত তারা। এসব বিষয় উল্লেখ করে বারভিডায় প্রশাসক নিয়োগ, স্বাধীন নির্বাচনী বোর্ড ও নির্বাচন আপীল বোর্ড গঠন করে নির্বাচন সম্পন্ন করার দাবি ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের।

তিনি বলেন, একইসঙ্গে বর্তমান আজ্ঞাবহ নির্বাচন বোর্ড বাতিল এবং নির্বাচনী তফসিল বাতিলের দাবি জানিয়ে গত ১ ডিসেম্বর একটি আবেদন করা হয়। বারভিডার কুচক্রি মহলের প্ররোচনায় আবেদনটি জরুরি ভিত্তিতে বিবেচনায় না নিলে বারভিডার একজন সদস্য বাদী হয়ে মহামান্য সুপ্রীম কোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন। গত ৯ ডিসেম্বর তা বিবেচনায় নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করার জন্য বাণিজ্য সংগঠনের মহাপরিচালককে এক নির্দেশনামূলক আদেশ প্রদান করেন উচ্চ আদালত। আদেশটি গত ৯ ডিসেম্বর মন্ত্রণালয়ের আইনগত পদ্ধতিতে ই-মেইলের মাধ্যমে অবগত করা হয়। আদালতের এই আদেশকে অকার্যকর করার নিমিত্তে মন্ত্রণালয় আগামী ২৩ ডিসেম্বর বারভিডাকে শুনানির নোটিশ প্রদান করেন। যা তার আগে ২১ ডিসেম্বর বারভিডার পাতানো নির্বাচন সম্পন্নের চক্রান্ত বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন ব্যবসায়ীদের আইনজীবী।

আমান উল্লাহ বলেন, কুচক্রী মহল ও মন্ত্রণালয় পরস্পর যোগসাজসে যখন দেখতে পায় যে, মহামান্য উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য হচ্ছে, তখনই  এক নোটিশের মাধ্যমে গত ১৫ ডিসেম্বর কোনও প্রশাসক নিয়োগ না করে নির্বাচন স্থগিত করেন। আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে গত ১৭ ডিসেম্বর বিকাল ৫টায় মন্ত্রণালয় এক নোটিশের মাধ্যমে অভিযোগকারীকে জানান, ১৮ ডিসেম্বর সকালে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। রিটকারী সদস্যকে কোনও ধরনের প্রস্তুতির সময় না দিয়ে এই নোটিশ প্রদান করে ১৯২৭ সালের পাবলিক ডিমান্ড রিকোভারি অ্যাক্ট পরিপন্থী কাজ করেছে মন্ত্রণালয়। চট্টগ্রামের অধিবাসী হিসেবে রিটকারী ব্যক্তি চট্টগ্রামে থাকায় ওই শুনানিতে অংশ গ্রহণ করতে পারেননি।  যদিও আদালত নির্দিষ্ট করে অভিযোগটি নিষ্পিত্তি করার কথা বলেছেন। তারপরও মন্ত্রণালয় তাড়াহুড়ো করে অভিযোগকারীর শুনানি গ্রহণ না করে তা গত ১৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় একতরফাভাবে নিষ্পত্তি করেন।

আইনজীবী বলেন, তার আগে ১৯ ডিসেম্বর বেলা ১টা ৫৫ মিনিটে আইনজীবী হিসেবে আমি নিজে মন্ত্রণালয়ে উপস্থিত হয়ে রিটাকারীর পক্ষে লিখিত নোটিশ প্রদান করে জানাই, আব্দুল হক গংদের পক্ষের আইনজীবীগণ অন্যান্য রিটকারীদেরও রিট শুনানিতে আদালতকে অবহিত করেন যে, বর্তমানে বারভিডার নির্বাচন স্থগিত রয়েছে। তখন আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে বলেন, যেহেতু নির্বাচন স্থগিত রয়েছে, তাই আদালতের শীতকালীন ছুটির আগে বারভিডার নির্বাচন বিষয়ে শুনানির প্রয়োজন নেই। প্রকারন্তরে দেখা যায় যে, আদালতের সঙ্গে প্রতারণা করে আব্দুল হক গং মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় অভিযোগ নিষ্পত্তি না করে নির্বাচনের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়েছেন এবং আদালতকে বিভ্রান্ত করেছেন। যদি এই পাতানো নির্বাচন দ্রুত সময়ের মধ্যে বন্ধ করা না হয় তাহলে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন। পাশাপাশি আব্দুল হক গংদের বিরুদ্ধে প্রমাণিত অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে যদি মন্ত্রণালয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ না করে তাহলে মহামান্য উচ্চ আদালতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন ব্যবসায়ীরা।

তিনি আরও বলেন, বারভিডা’র নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালের শুরুতে। কিন্তু সংগঠনের নেতৃত্বে নানা অপতৎপরতা চালায় আব্দুল হকের নেতৃত্বাধীন আজ্ঞাবহ কমিটি। বাণিজ্য সংগঠনের আইন অনুসারে দৈব দুবির্পাক বা সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ বর্হিভূত অন্য কোনও কারণে যথা সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানে ব্যর্থ হলে মহাপরিচালক স্বীয় কারণ উল্লেখ করে সময় বৃদ্ধি করতে পারবেন। অন্যথায় সরকারি প্রশাসক নিয়োগ বাধ্যতামূলক। কিন্তু বাস্তবে এ ধরণের কোনো দৈব দুর্বিপাক না ঘটলেও ওই কমিটিকে বহাল রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কতিপয় দুষ্কৃতিকারী কর্মকর্তা পরস্পর যোগসাজসে স্বৈরাচারের আর্শীবাদপুষ্ট কমিটিকে বহাল রাখার অপচেষ্টা করেন। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা