× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

প্রতিবেশী

মিয়ানমারের গৃহদাহে আমাদের সতর্কতা

ড. নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ

প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৪ ১০:৪২ এএম

ড. নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ

ড. নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ

মিয়ানমারের শান রাজ্যে জান্তাবিরোধী সশস্ত্র বিদ্রোহী তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মির প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের একটি সচিত্র প্রতিবেদন ২৭ জানুয়ারি প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এ প্রকাশিত হয়। ওই সশস্ত্র গোষ্ঠীর দখলে এখন প্রায় পুরো শান রাজ্য। পাশাপাশি অন্যান্য রাজ্যেও সশস্ত্র বিদ্রোহীদের শক্তিবৃদ্ধির চিত্র দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেশী মিয়ানমারে গৃহদাহ চরম আকার ধারণ করেছে। মিয়ানমার সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরেই পরিস্থিতি উত্তেজনাকর। এমন প্রেক্ষাপটে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন, সীমান্তে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি। মিয়ানমারে দ্বন্দ্ব-সংঘাতের ইতিহাস নতুন নয় কিন্তু এই রক্তাক্ত ইতিহাসের দায়ভার আমাদের ওপর চেপেছে। এর নজির বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার এ দেশে আশ্রয়। মিয়ানমারের রাখাইনে দেশটির সামরিক জান্তাদের সঙ্গে অনেকগুলো বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠীর তুমুল লড়াই চলছে।

মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী লড়াই ক্রমেই জোরদার হচ্ছে।  এই লেখাটি যখন লিখছি তখন বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সেনাবাহিনী গুলিতে পূর্ববর্তী দুই দিনে অন্তত ১২ জন রোহিঙ্গা নিহত হওয়ার খবর জানা যায়।   রোহিঙ্গা-অধ্যুষিত রাখাইনের বুচিডং ও ফুমালি এলাকায় উভয় পক্ষের লড়াইয়ে আরও হতাহতের  খবর এর আগেও মিলেছে।  বাংলাদেশ সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ায় এই সংঘাত আমাদের জন্যও উৎকণ্ঠার বিষয়ে হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংবাদমাধ্যমেই জানা গেছে, মিয়ানমারের বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠীর সন্ত্রাসীদেরও শিকড়বাকড় রয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে। নিপীড়িত-নির্যাতিত ও স্বভূম ত্যাগকারী ১১ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রিত দীর্ঘদিন ধরে। তাদের প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা চলমান থাকলেও সৃষ্ট নতুন পরিস্থিতি  এ ব্যাপারে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারে। সংগত কারণেই প্রশ্ন দাঁড়ায়, রোহিঙ্গারা কি ক্রমেই আমাদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। পাশাপাশি মিয়ানমারে বিদ্যমান পরিস্থিতি আমাদের নিরাপত্তার জন্য কতটা উদ্বেগের কারণ তা-ও আমলে রাখা জরুরি।

যেকোনো ঘটনার প্রেক্ষাপট থাকে। হঠাৎ করে কোনো কিছু ঘটে না। রোহিঙ্গা সংকটও হঠাৎ করে ঘটেনি। আমরা জানি, ২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংঘটিত গণহত্যা থেকে বাঁচতে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। মিয়ানমারে গণহত্যার প্রেক্ষাপট তৈরি হওয়ার পর রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আগমন থেকেই মূলত নানাবিধ জটিল সংকট সৃষ্টি হয়। মিয়ানমারে সৃষ্ট বিদ্যমান প্রেক্ষাপট থেকে দুটো উদ্বেগের কারণ খুঁজে পাওয়া যায়। দীর্ঘদিন ধরে আশ্রিত রোহিঙ্গারাও চায় নিজের দেশে ফিরে যেতে। মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীরা এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তরুণ জনগোষ্ঠীকে দলে ভেড়ানোর চেষ্টা তারা করতে পারে। এর ফলে বাংলাদেশের আঞ্চলিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার শঙ্কা থাকে। ইতোমধ্যে এর কিছু আলামতও পাওয়া যাচ্ছে। কক্সবাজারে বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবৈধ অস্ত্রের অনুপ্রবেশ এবং খুনখারাবির ঘটনা প্রায়ই সংবাদমাধ্যমে উঠে আসছে।

২৬ জানুয়ারি পত্রিকান্তরে প্রকাশ, কক্সবাজারের টেকনাফ-উখিয়ার ২০ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পশ্চিমে অবস্থিত লাল পাহাড় থেকে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরসার আস্তানায় অভিযান চালিয়ে র‍্যাব বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ উদ্ধার এবং আরসার গান গ্রুপের কমান্ডার উসমানসহ কয়েকজনকে আটক করেছে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, ২০২১ সালে আরসায় যোগ দিয়ে সে বাংলাদেশে চলে আসে। তার নেতৃত্বেই লাল পাহাড়ে আরসার এই গ্রুপটি আস্তানা গেড়ে খুন, আধিপত্য বিস্তারসহ নানা অপরাধ করে আসছিল। ধারণা করা হচ্ছে, মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর শিকড়বাকড় ইতোমধ্যে ক্যাম্পে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ বিষয়ে আমাদের কাছে উপযুক্ত তথ্য নেই। মিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ২৬ জানুয়ারি আমাদের সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন রাখাইনে কয়েক দিন ধরে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে আরাকান আর্মির সংঘর্ষের কথা তিনি নানাভাবে জানলেও এ বিষয়ে তার কাছে বিস্তারিত কোনো তথ্য নেই। মিয়ানমারের একটি জনগোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য অংশ বিতাড়িত হয়ে যেখানে আমাদের এখানে আশ্রিত এবং মিয়ানমারের সঙ্গে এ নিয়ে আমাদের টানাপড়েন চলছে এই প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রদূতের বিদ্যমান পরিস্থিতি সম্পর্কে অজ্ঞতার বিষয়টি দুঃখজনক। প্রতিটি ঘটনার প্রেক্ষাপট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে নিরাপত্তা প্রস্তুতি নেওয়া সহজ হয়।

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বে ও মিয়ানমারের পশ্চিমে দুই দেশের মধ্যে সীমান্তরেখা রয়েছে। অতীতে বহুবার মিয়ানমার সেনাবাহিনী সীমান্তবর্তী অঞ্চলে মাইন পুঁতে রাখে। মিয়ানমার সীমান্তে সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার শঙ্কা বেড়ে গেছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থায় এগুলে সেখানে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে। তখন অসহায় মানুষ উপায়ান্তর না দেখে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে আসতে পারে, এমন আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা জান্তা সরকার বিদ্রোহীদের জন্য এখনই ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়াবে তা-ও বলা যাচ্ছে না। অর্থাৎ সংঘাত-সহিংস পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত জঙ্গলাকীর্ণ এলাকা। সেখানে সমুদ্র এবং নদীও রয়েছে। ফলে এই ঘন জঙ্গলে অনুপ্রবেশ করার সুযোগ বেশি। সীমান্তে সংঘাতজনিত কারণে ভয়াবহ কোনো অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটলে তা আমাদের পক্ষে ঠেকানো অনেকটা কঠিন হবে। এমন প্রেক্ষাপটে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।সৃষ্ট পরিস্থিতিতে কূটনীতির দৃষ্টিভঙ্গিও বদলানো দরকার হতে পারে। সৃষ্ট পরিস্থিতি আমাদের জন্য উৎকণ্ঠার বাড়তি কারণ।  প্রতিটি ঘটনা ও পরিস্থিতি সম্পর্কে আমাদের সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রয়োজন। তথ্যগুলোর ভিত্তিতে দায়িত্বশীলরা যেকোনো পরিকল্পনা সাজাতে পারবেন। নিরাপত্তা কঠোর করার বিষয়টি তো রয়েছেই, একই সঙ্গে গোয়েন্দা নজরদারি কঠোর করার বিকল্প নেই।

মিয়ানমারে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে চীনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। চীন জান্তা সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে তা তো বহুল শ্রুত কথা। একই সঙ্গে তারা দেশটিতে বিদ্রোহরত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকেও পৃষ্ঠপোষকতা করছে, এমন খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেই প্রকাশিত হয়েছে। কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠী, বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী কিংবা জঙ্গিবাহিনী হঠাৎ করেই এমন একটি বড় সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে না। এজন্য প্রস্তুতি ও আন্তর্জাতিক পৃষ্ঠপোষকতা জরুরি। বিভিন্ন মহলের অভিযোগ, চীন নানাভাবে এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে। কারণ যে অস্ত্র ও গোলাবারুদ দিয়ে তারা সংঘাতে জড়াচ্ছে তা আন্তর্জাতিক কোনো পক্ষের সহায়তা ছাড়া তাদের পক্ষে সংগ্রহ করা কঠিন। এক্ষেত্রে সন্দেহের তীর চীনের দিকেই যায়। ভূরাজনৈতিক এই প্রেক্ষাপটের গুরুত্ব বিবেচনা করে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি কঠোর করতে হবে। পাশাপাশি কূটনৈতিক চ্যানেলেও অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। চীনের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বাড়ানোও জরুরি, যাতে সার্বিক তথ্য সম্পর্কে আমরা ওয়াকিবহাল হতে পারি।

আমরা দেখছি, ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থের কারণে মিয়ানমারের জান্তা সরকারকে বিশ্বের কয়েকটি শক্তিশালী রাষ্ট্র তাদের নিজেদের স্বার্থে নানাভাবে সমর্থন জানাচ্ছে এবং বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের দাবি জানানো সত্ত্বেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে তারা কোনো ভূমিকা রাখছে না। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কেন সম্পন্ন হচ্ছে না এর পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। অতীতে দেশি-বিদেশি অনেক সংস্থা মিয়ানমারে চলমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে গিয়েছিল। তখন বলা হয়, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই প্রত্যাবাসন কর্মসূচি চালু হবে। কিন্তু পর্যবেক্ষণের পর এ বিষয়ে অগ্রগতি হয়নি। মিয়ানমারের পরিস্থিতি রোহিঙ্গাদের জন্য নিরাপদÑ এ বিষয়ে পর্যবেক্ষকরা সন্তুষ্ট হতে পারেননি। তা ছাড়া দেশটির মধ্যকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে রোহিঙ্গারাও সন্তুষ্ট নয়। শুধু তা-ই নয়, রোহিঙ্গা সংকট ঘিরে বৃহৎ রাষ্ট্রগুলোর সম্ভবত নিজস্ব স্বার্থগত পরিকল্পনা রয়েছে। ভূরাজনৈতিক স্বার্থের কারণেই রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ এখনও নেওয়া হচ্ছে না। তা ছাড়া মনে রাখতে হবে, রোহিঙ্গারা মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ। ধর্মীয় উগ্রবাদী কোনো পক্ষ রোহিঙ্গা যুবকদের বেপরোয়া করে তুললে তা বাংলাদেশ তো বটেই আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত এমনকি মিয়ানমারের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগের বড় কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

রোহিঙ্গারা আমাদের অভ্যন্তরীণ জননিরাপত্তার জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতময় পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন হুমকির মুখে পড়ছে, এমন অভিমত অনেকের। তবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে সঠিক কৌশলে কাজ হচ্ছে কি না, এ নিয়ে প্রশ্ন আছে। রোহিঙ্গা সংকটকে নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিনিয়ত লেখা হয়। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, নৃতত্ত্ব কিংবা সামাজিক বিজ্ঞানের মতো বিভাগ নানা সেমিনারের আয়োজনও হয়। কিন্তু এসব কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নেই। যদি তা নিয়মিত করা যেত তাহলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আমরা সংকটজনিত পরিস্থিতি আরও সহজভাবে তুলে ধরতে পারতাম। কূটনৈতিক চ্যানেলকে এ নিয়ে আরও কৌশলী হতে হবে। রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু জননিরাপত্তার সংকট না ভেবে আমাদের জাতীয় সংকট হিসেবে ভাবতে হবে। এ বিষয়টিকে সরকার গুরুত্ব দিয়ে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও কর্মকৌশল গড়ে সমন্বয়ের পথে হাঁটতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এই সংকটকে বারবার তুলে ধরতে হবে। তাহলে রোহিঙ্গা সংকট সম্পর্কে তারা অবহিত থাকবে।

রোহিঙ্গারা আমাদের পাসপোর্ট নিয়ে বিদেশে কর্মসংস্থানে যাচ্ছে, এমন খবর সংবাদমাধ্যমে পাওয়া গেছে। রোহিঙ্গারা আমাদের পরিবেশের ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার অঞ্চলে পর্যটন খাতের সম্ভাবনায় অভিঘাত লাগছে। নিরাপত্তা সংকট এবং পরিবেশজনিত কারণে পর্যটন খাতের সম্ভাবনাময় অঞ্চলগুলোর প্রতি পর্যটকদের আগ্রহ হারাচ্ছে। তাই এই সংকটকে জাতীয় সংকট হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। কূটনৈতিক পর্যায়, গবেষণা, আঞ্চলিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে সমন্বয় গড়তে হবে। মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাত-সহিংস পরিস্থিতি দেখে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব নয়, এমনটি ভাবা যাবে না।

  • অবসরপ্রাপ্ত মেজর, নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও গবেষক
শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা