রাষ্ট্র পরিচালনা
ড. ফরিদুল আলম
প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০২৪ ১৩:২৬ পিএম
নতুন,
পুরান ও অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে আওয়ামী লীগের নতুন মন্ত্রিসভা যাত্রা শুরু করলো। বেশ কিছু
নতুন মুখ এসেছেন, যাদের মাধ্যমে নতুন সরকারের কিছু অগ্রাধিকারমূলক বিষয় ফুটে উঠেছে।
মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়া পুরোনোদের দক্ষতার ঘাটতি ছিল না। কয়েকজনের পদোন্নতি ঘটেছে।
যাদের পদোন্নতি ঘটেছে, বলার অপেক্ষা রাখে না তারা নিজেদের দক্ষতারই পুরস্কার পেয়েছেন।
এবার ব্যাপক পরিবর্তন এনেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগের মন্ত্রিসভার ৩০ জন মন্ত্রী,
প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রী নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পারেননি। মন্ত্রিসভার সার্বিক
অবয়বেই স্পষ্ট এবার প্রধানমন্ত্রী কোনো পরীক্ষানিরীক্ষায় আগ্রহী নন।
বৈশ্বিক
অর্থনৈতিক মন্দাবস্থার কিছুটা বিরূপ প্রভাব পড়েছে আমাদের অর্থনীতিতেও। প্রধানমন্ত্রী
নতুন কিছু চাইছেন, যা হতে পারে আমাদের সার্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো, যেখানে
অবশ্যই অভ্যন্তরীণ ব্যয় সংকোচন উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া দেশের সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার
মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে যদ্দুর সম্ভব বৈদেশিক নির্ভরতা কমানো। এই বিবেচনাতেই সম্ভবত
তিনি পরিবর্তন এনেছেন পররাষ্ট্র এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে এবং এ মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে
সমন্বয় সাধনের বিষয়টিও তিনি নিশ্চয়ই বিবেচনায় নিয়েছেন। বেশ কিছুদিন ধরেই ভোগ্যপণ্যের
মূল্যবৃদ্ধি এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় সরকার কিছুটা দুর্বল অবস্থানে ছিল। এই বিবেচনাতেই
সম্ভবত খাদ্য ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চ্যালেঞ্জ নিতে সক্ষম এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি।
সবকিছু মিলিয়ে বৈশ্বিক এবং অভ্যন্তরীণ প্রতিকূলতা মোকাবিলার লক্ষ্যে যে মন্ত্রিসভা
গঠিত হয়েছে, আগামী এক বছরের মধ্যে তাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যদি দৃশ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো
মোকাবিলা করা যায়, তাহলে সরকার অনেকটাই স্বচ্ছন্দে দেশ পরিচালনায় সক্ষম হবে। মন্ত্রিসভায়
কয়েকজন সদস্য রয়েছেন, যারা এবারই প্রথম। তাদের কাছে বিষয়টি নিঃসন্দেহে যেমন আনন্দের,
তেমন কাজের ক্ষেত্রেও উদ্যমী করে তুলতে সহায়ক হবে। নতুন অন্তর্ভুক্ত মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীরা
ইতোমধ্যে নিজ নিজ অবস্থানে যথেষ্ট যোগ্য এবং তাদের নিয়ে বিতর্কও নেই। সেদিক থেকে চিন্তা
করলে সরকারের ভাবমূর্তির জন্য এ মন্ত্রিসভা এক নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
অনেক
শঙ্কা আর আশঙ্কা পাশ কাটিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন। নির্বাচনের দুই
দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক গ্যাজেট প্রকাশ হয়েছে এবং বৃহস্পতিবার শপথ নিয়েছে
নতুন মন্ত্রিসভা। নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থবারের মতো সরকার
গঠন করল এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টানা চতুর্থসহ মোট পাঁচবার সরকারপ্রধানের
দায়িত্ব নিলেন। প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভাকে অভিনন্দন। এবারের নির্বাচন এমন প্রেক্ষাপটে
অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে পশ্চিমা কিছু রাষ্ট্রের সুস্পষ্ট বাঁকাদৃষ্টি ছিল। নির্বাচনব্যবস্থা
নিয়ে এবং সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে ছিল তাদের অবিশ্বাস। এ সবকিছু অতিক্রম করে নির্বাচন
কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের চ্যালেঞ্জে জয়ী হয়েছে। অভিনন্দন নির্বাচন কমিশনকেও।
হাতেগোনা কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া নির্বাচন নিয়ে মোটা দাগে অসন্তোষের কথা জানা যায়নি।
২০২১ সালের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে দেশ দুর্বার গতিতে ছুটছে ২০৪১ সালের লক্ষ্যমাত্রার
দিকে। দেশের একটি বড় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নামসর্বস্ব হাতেগোনা কয়েকটি দল তাদের ভাষায়
তথাকথিত সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে সরকারের বিরুদ্ধে সরব ছিল, এর সঙ্গে
যুক্তরাষ্ট্র এবং তার নেতৃত্বে পশ্চিমা কয়েকটি দেশের বারবার বাংলাদেশের নির্বাচনব্যবস্থা
নিয়ে ব্যবস্থাপত্র দেওয়া এবং গণতন্ত্রের জন্য মায়াকান্নার নামে বাংলাদেশকে বিভিন্ন
হুমকি দেওয়ার পরও সংবিধানের ভেতর থেকে যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়টি বেশ চ্যালেঞ্জিং
হয়ে উঠছিল। সরকারের দৃঢ়সংকল্প এবং নির্বাচন কমিশনের সুদক্ষ ব্যবস্থাপনায় সবকিছু অতিক্রম
করে অবশেষে নির্বাচনটি শেষ হলো। দেশের ভেতর সচেতন মানুষ এবং গণমাধ্যম যেমন তীক্ষ্ণ
দৃষ্টি রাখছিল, দেশের বাইরের গণমাধ্যমেও বাংলাদেশের নির্বাচনের প্রতি দৃষ্টি ছিল। নির্বাচন
পর্যবেক্ষণে আসা বিভিন্ন দেশ এবং সংস্থার প্রতিনিধির বক্তব্যেও বাংলাদেশের নির্বাচন
অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। বড় বিষয় হচ্ছে, এত দিনের সব অপপ্রচার
ডিঙিয়ে সত্যিকার অর্থে জয়ী হয়েছে বাংলাদেশ এবং জয় হয়েছে গণতন্ত্রের।
নির্বাচনটি
বেশ কিছু দিক দিয়েই ব্যতিক্রম এবং এটি ভিন্নতরভাবে বিশ্লেষণের দাবি রাখে। বাংলাদেশে
নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা দলগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায় সংসদ সদস্যপদে আসীন ব্যক্তিবর্গের
ক্ষেত্রে মনোনয়নবঞ্চিত হওয়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটলেও এবারের মতো এত বেশি সংখ্যায় সংসদ সদস্যের
মনোনয়নবঞ্চিত হওয়ার ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি। এর বাইরে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নিজ দলের
মনোনয়নবঞ্চিতরা চাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে পারবেনÑএমন ঘোষণার পর
মাঠপর্যায়ে অনেক নেতার নিজেদের জনপ্রিয়তা পরখ করার যেমন সুযোগ হয়েছে, তেমন দলের মনোনীত
প্রার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় সত্যিকার অর্থে কতটুকু জনপ্রিয় এবং নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার
সামর্থ্য রাখেন তারও একটা মহড়া হয়ে গেছে। নির্বাচনের সার্বিক ফলাফলে দেখা গেল, দল মনোনীত
উল্লেখযোগ্যসংখ্যক প্রার্থী পরাজিত হয়েছেন এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে এবার এত বেশি সংখ্যায়
স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয় লাভ করেছেন। দলগতভাবে জাতীয় পার্টি ১১টি আসনে জয়লাভ করে দ্বিতীয়
অবস্থানে থাকলেও তারাই যে সংসদের বিরোধী দলের মর্যাদা পেতে যাচ্ছে, এমনটি এখনই ভাবার
সুযোগ নেই। এ ক্ষেত্রে বড় চমক দেখাতে পারেন স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিতরা। তাদের সবাই
মিলে না হলেও অন্তর ১২ জন যদি একত্র হয়ে আলাদা মোর্চা গঠন করেন, তাহলে তাদের মনোনীত
নেতাই হতে পারেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা। এদিক দিয়ে এ নির্বাচনটি তাই এক অনন্য ইতিহাস
সৃষ্টি করেছে।
নির্বাচনটি
প্রশ্নবিদ্ধ করার লক্ষ্যে কিছু জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা সুস্পষ্টভাবে লক্ষণীয়
ছিল। পশ্চিমা সম্প্রদায়, বিশেষত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বারবার বিভিন্ন পর্যায়ের
সরকারি প্রতিনিধিদল পাঠিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়াটি প্রকারান্তরে বর্জনকারী প্রধান রাজনৈতিক
দলের মনের মতো করে অনুষ্ঠানের জন্য প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ অনেক চাপ প্রয়োগ করতে দেখেছি।
সর্বশেষ বাংলাদেশের জন্য আলাদা ভিসানীতি ঘোষণা করা হলেও পরে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের
নামে সন্ত্রাসী আচরণ করা হলেও সরকারের প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে এ নীতির কোনো
প্রয়োগ না হওয়ার মধ্য দিয়ে জনগণের কাছে বিষয়টি অনেকটা স্পষ্ট হয়ে যায় যে বাইডেন প্রশাসনের
কাছে বর্তমান সরকারের স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ নীতির চেয়ে তোষামোদের নীতি বেশি কাঙ্ক্ষিত
এবং তা বাস্তবায়নের জন্য তাদের পছন্দের সরকার বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন হোকÑএটাই তাদের বেশি
প্রত্যাশা। তবে এ ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচনটি অবাধ এবং সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের
জন্য সব ধরনের প্রতিশ্রুতির পরও যখন বিএনপি অংশ নিল না, সে অবস্থায় মার্কিন সরকার অপেক্ষায়
থাকে নির্বাচন অনুষ্ঠানে কোনো ধরনের ত্রুটি আবিষ্কার করা যায় কি না।
আমাদের
জন্য স্বস্তির, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসা বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধির সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
পর্যবেক্ষকরাও দিনশেষে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে স্বীকার
করে সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ দলের অন্যতম সদস্য সাবেক কংগ্রেসম্যান
জিম বেটস এক মন্তব্যে বলেন, ‘আমি যেটি দেখেছি, সেটি হচ্ছে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, অবাধ
ও সুষ্ঠু হয়েছে। বাংলাদেশে ভোট গ্রহণের সময় পৃথিবীতে সবচেয়ে কম। পৃথিবীর অন্য কোনো
দেশে আট ঘণ্টায় ভোট হয় না।’ এই সঙ্গে তিনি আরও মন্তব্য করেন, ‘আমি অবশ্যই বলতে চাই,
আমার দেশের গণমাধ্যম বাংলাদেশের গণমাধ্যমের মতো অনুসন্ধানী ও সৎ নয়। যেটি বাস্তবে হয়,
সেটির বিষয়ে তারা রিপোর্ট করে।’ আরেক পর্যবেক্ষক এবং মার্কিন গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিসের
প্রধান নির্বাহী আলেকজান্ডার গ্রে বলেন, ‘আমি নিজের চোখে যা দেখেছি, সেটি হচ্ছে অবাধ
ও সুষ্ঠু নির্বাচন। নির্বাচন দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হয়েছে। ভোটাররা উৎসাহের সঙ্গে
কেন্দ্রে গেছেন। আমরা সন্তুষ্ট যে নির্বাচন অত্যন্ত দক্ষতা ও সততার সঙ্গে পরিচালনা
করা হয়েছে।’
এ
নির্বাচন বর্জনের মধ্য দিয়ে রাজপথের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি যেমন সরকার গঠন বা সংসদে
প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলো, একইভাবে নির্বাচন বর্জন বা বয়কটের পক্ষে
তাদের প্রচারে জনগণের সাড়া না মেলায় নিশ্চিতভাবেই তারা চূড়ান্তভাবে হতাশ হয়েছে। এ হতাশা
কেবল একটি ব্যর্থ আন্দোলনের হতাশা নয়, জনগণ কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার হতাশা। এ হতাশা
রাতারাতি কাটিয়ে উঠে তারা দলের নেতাকর্মীদের চাঙা করে আবারও রাজনীতিতে নিজেদের সরব
করতে পারবেÑএমন নিশ্চয়তা নেই বললেই চলে। নির্বাচন ঘিরে পশ্চিমা দেশগুলোর কোনো ব্যবস্থাপত্র
গৃহীত হয়নি এবং এটি সম্পূর্ণভাবে আমাদের সাংবিধানিক কাঠামো অনুসরণ করে অনুষ্ঠিত হওয়ায়
বেশ কিছু পশ্চিমা দেশ সরকারিভাবে পর্যবেক্ষক পাঠায়নি। তবে ব্যক্তিগতভাবে এবং বিভিন্ন
সংস্থার ব্যানারে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পর্যবেক্ষকের উপস্থিতি এবং তাদের মতামতের প্রতি
তারা শ্রদ্ধাশীল থেকে বাংলাদেশ এবং এ দেশের সরকার সম্পর্কে নিজেদের ভুল সংশোধন করে
নেবে বলেই প্রত্যাশা করছি। এরপর যদি কোনো রাষ্ট্রের সরকারের পক্ষ থেকে এবারের নির্বাচনের
গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি নিয়ে কোনো ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক হয়, তাহলে তাদের দিক থেকে বাংলাদেশের
সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করার প্রয়াসটিই আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
নতুন
মন্ত্রীসভা নিশ্চিতভাবেই যোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত হবে এমন প্রত্যাশা আমাদের ছিল।
আওয়ামী লীগ একটি মহিরুহ। এ সরকারকে কেবল পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত ভাবলে চলবে
না। এ সরকারের কর্মকাণ্ডের দক্ষতা এবং যোগ্যতার ওপরই নির্ভর করছে আমাদের ২০৪১ সালের
লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিষয়টি। সেই সঙ্গে ২০২৬ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে নিজের
পায়ে দাঁড়ানোর একটি লক্ষ্যমাত্রা তো রয়েছেই। রয়েছে অনেক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। রাশিয়া-ইউক্রেন
ও হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় সংকট এবং এর ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক
মন্দাবস্থা কাটিয়ে জনগণের মধ্যে আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করার বিষয়টি রয়েছে। বর্তমান সরকার
রাষ্ট্র পরিচালনায় ইতোমধ্যে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে, এর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দূরদৃষ্টিসম্পন্ন
নেতৃত্বের সমন্বয় সব অনিশ্চয়তা পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশকে নিয়ে যাবে সমৃদ্ধির পথেÑএ শুভকামনা
রইল।