× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ফিলিস্তিন সংকট

ইসরায়েলের তাণ্ডবে মানসপটে উঠে আসে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ

ড. নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ

প্রকাশ : ০২ নভেম্বর ২০২৩ ০০:০৫ এএম

ইসরায়েলের তাণ্ডবে মানসপটে উঠে আসে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ

যুদ্ধভিত্তিক বহু চলচ্চিত্র প্রামাণ্যচিত্রে একেকটি জনপদ ধ্বংসের দৃশ্য দেখা কোনো বিরল ঘটনা নয় তবে হঠাৎ করে বছরের শেষে একদিকে ইসরায়েল, অন্যদিকে ফিলিস্তিনি আরব মুসলিম বিশ্বের মধ্যে বিরোধ কেন্দ্র করে মৃত্যুর মিছিল আর মসজিদ, গির্জা, হাসপাতালসহ একটি জনপদ মাটিতে মিশিয়ে দেওয়ার সাম্প্রতিক নির্মম, অকল্পনীয় মর্মস্পর্শী দৃশ্যগুলো কোনো চলচ্চিত্র বা প্রামাণ্যচিত্রের জন্য ধারণকৃত নয়, বাস্তবে এমনটাই ঘটছে গাজা তথা ফিলিস্তিনে এখন প্রায় ১০০ বছরের পুরোনো বৈশ্বিক সংঘাতের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, রাশিয়া আমেরিকার বড় অংশ জড়িত হামাসের দ্বারা নিহত বা অপহৃত ইসরায়েলি নাগরিক এবং গাজা উপত্যকায় ইসরায়েল সেনাবাহিনীর প্রতিশোধমূলক হামলার শিকার ফিলিস্তিনি নাগরিকরা আপাতদৃষ্টিতে সাম্প্রতিক কালের করুণতম অন্তহীন ট্র্যাজেডি সবচেয়ে বড় শিকার পর্যন্ত হাজারের বেশি নাগরিক যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছে আহত হয়েছে আরও কয়েক হাজার গাজাবাসী ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত যেসব শিশু ইতোমধ্যে নির্মমতার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছে, তাদের বড় একটা অংশ জন্মসনদ পাওয়ার আগেই মৃত্যুসনদ পেয়েছে আহা, কী নির্মম!

দীর্ঘকাল ধরে ফিলিস্তিনিদের অমানবিকতাকে আলিঙ্গন করে বাঁচতে হচ্ছে তার পরও ইসরায়েলি সমাজ ফিলিস্তিনিদের ওপর ক্রোধে উন্মত্ত এবং অক্টোবর হামাস যোদ্ধাদের দ্বারা ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিক হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য তারা আদিম উন্মত্ততায় মেতে উঠেছে তুরস্কের আঙ্কারায় অবস্থিত রাষ্ট্রচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি  ২৪ অক্টোবর এক সংবাদে ফিলিস্তিনি ছিটমহলের মিডিয়া অফিসের বরাতে জানায়, ইসরায়েল অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ১২ হাজার টনের বেশি বিস্ফোরক ফেলেছে বিস্ফোরকগুলোর শক্তি ১৯৪৫ সালে জাপানের হিরোশিমায় ফেলা পারমাণবিক বোমার সমতুল্য ইসরায়েল তার আগ্রাসন শুরুর পর থেকে ৩৬৫ বর্গকিলোমিটারের ফিলিস্তিন ছিটমহলে প্রতি বর্গকিলোমিটারে গড়ে ৩৩ টন বিস্ফোরক ফেলেছে গাজায় বর্তমানে ২৩ লাখ মানুষের বসবাস সংবাদ সংস্থাটি আরও জানায়, হামাসের আন্তঃসীমান্ত আক্রমণের পর ইসরায়েল ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে নিরলস বোমা হামলা চালায়, ছিটমহলের বাসিন্দাদের সম্পূর্ণ অবরোধ এবং খাদ্য, জ্বালানি চিকিৎসা সরবরাহ বন্ধ করে দেয়

১৯৯১ সালের মাদ্রিদ সম্মেলন থেকে শুরু করে একটি দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধান (টু স্টেট্ সল্যুশন) বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে অনেক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা হয়েছে ১৯৯৩ সালের অসলো চুক্তি, ২০০০ সালের ব্যর্থ ক্যাম্প ডেভিড সম্মেলন এবং ২০০১ সালের প্রথম দিকে মিসরের সিনাই অঞ্চলে অনুষ্ঠিত তাবা আলোচনার পর ২০০২ সালে আরব লিগ আরব শান্তি উদ্যোগের প্রস্তাব দেয় সর্বশেষ উদ্যোগ, যা ব্যর্থ হয়েছে তা ছিল ২০১৩-১৪ সালের শান্তি আলোচনা ২০২১ সালে পরিচালিত একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যসংক্রান্ত বিশেষজ্ঞের ৫২ শতাংশ বিশ্বাস করেন, দুই রাষ্ট্র সমাধান আর অর্জনযোগ্য নয় ৭৭ শতাংশ বিশ্বাস করেন, যদি দুই রাষ্ট্র সমাধান অর্জিত না হয়, ফল হবে বর্ণবাদের মতো এক-রাষ্ট্রীয় বাস্তবতা ২০২১ সালের একটি জনমত অনুসারে, ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি ইহুদিদের মধ্যে একটি দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের জন্য সমর্থন যথাক্রমে ৪৩ ৪২ শতাংশে হ্রাস পেয়েছে মধ্যপ্রাচ্যসংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ ডেভিড পোলক ক্যাথরিন ক্লিভল্যান্ডের ২০২১ সালের ধারণামতে, বেশিরভাগ ফিলিস্তিনি ১৯৬৭ সালের আগের ইসরায়েলসহ সব ঐতিহাসিক ফিলিস্তিন পুনরুদ্ধার করতে চায় আরব ইহুদিদের সমান অধিকারসহ একটি এক রাষ্ট্রÑ এমন সমাধান দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে

আরব-মুসলিম বিশ্ব ইহুদি রাষ্ট্রের দ্বন্দ্বটি কঠিন হয়ে ওঠার মূল কারণ দ্বন্দ্বের নেপথ্যে কার কী স্বার্থ তা স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায় না বিতর্কিত অঞ্চলে ৯০ লাখের বেশি বাসিন্দা রয়েছে অনেক ফিলিস্তিন আমেরিকা ইউরোপের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় বাসিন্দা বা উদ্বাস্তু হিসেবে বসবাস করেন আবার অনেক ফিলিস্তিনি হামাসকে সমর্থন করেন, যারা ইসরায়েলের অস্তিত্বের অধিকার অস্বীকার করেন অন্যরা ইসরায়েলের অস্তিত্ব মেনে নিয়েছেন এভাবেই আরব-মুসলিম বিশ্ব ইহুদি রাষ্ট্রের সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের সম্পর্কের বিষয় স্পষ্টভাবে বিভক্ত আরব বিশ্বের কিছু দেশ (যেমন মিসর, জর্ডান) এখন ইসরায়েলকে নিকটবর্তী প্রতিবেশী মেনে শান্তিতে বসবাস করছে অন্যদিকে ইরাক এবং বিশেষ করে ইরান ইসরায়েলের সঙ্গে শত্রুতা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলি এবং অন্যান্য দেশে বসবাসকারী ইহুদিরাও বিভিন্ন বিষয়ে একমত নন উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদিরা সব সময় ইসরায়েলকে সমর্থন করেছে একই সময়ে নেতানিয়াহুর সরকার এবং কট্টরপন্থি ফিলিস্তিনি কার্যকলাপের সমালোচনা করার সময় মার্কিন ইহুদির অনেকেই ইসরায়েলি ফিলিস্তিনিদের শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থানের জন্য দৃঢ়ভাবে সচেষ্ট ছিলেন ফিলিস্তিন ট্র্যাজেডির আরেকটি উদ্বেগজনক দিক হলো ইউরোপের ভূমিকা ভিয়েনার সাংবাদিক থিওডর হার্জলই তার ডের জুডেনস্টাট’ (১৮৯৫) বইয়ে একটি ইহুদি রাষ্ট্রের প্রস্তাব করেছিলেন, যা প্যালেস্টাইনে এমনকি আর্জেন্টিনায়ও হতে পারে প্যারিসে প্রচণ্ড ইহুদিবিদ্বেষ প্রত্যক্ষ করার পর তিনি এমন প্রস্তাব করেন ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ ফিলিস্তিনের জন্য বিভাজন পরিকল্পনা করে এবং ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি স্থাপিত হয়

রাষ্ট্র সৃষ্টির ধারণাটি অবশ্য আরব বিশ্বের কাছে সাধারণভাবে এবং ফিলিস্তিনের কাছে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল শতাব্দী ধরে অটোমান সাম্রাজ্য দ্বারা শাসিত হওয়ার সময় জেরুজালেম এবং পবিত্র ভূমি অন্যান্য অংশে ইহুদি, মুসলিম খ্রিস্টান সম্প্রদায়গুলো শান্তিপূর্ণভাবেই সহাবস্থান করছিল দুঃখজনক হলেও সত্য, ইহুদিবাদের লক্ষ্য এবং ফিলিস্তিনি আরবদের ঐতিহ্য মানসিকতা কখনোই এক হতে পারেনি প্রথম দিকে ইহুদি বসতি স্থাপন এবং ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্রের সৃষ্টির পর থেকে অনেক কিছু পরিবর্তিত হয়েছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রিটিশ ফরাসিদের দ্বারা প্রবর্তিত রাষ্ট্রের ইউরোপীয় মডেল এখন একটি প্রতিষ্ঠিত সত্য ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তিগুলোর সৃষ্ট কৃত্রিম সীমানা আরব বিশ্বের উপজাতি এবং ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলোকে বিভক্ত করেছে, যার ফলে সংঘর্ষের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে এমন সংঘর্ষের অন্যতম উদাহরণ হল ইরাক ইরানের মধ্যে দুটি উপসাগরীয় যুদ্ধ এখন নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র এখন কোনো শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারবে কি না ভূমধ্যসাগরীয় উপকূল এবং জর্ডান নদী (যা আজ খুব কমই জল বহন করে) মধ্যবর্তী অঞ্চল তথা ফিলিস্তিন ভূখণ্ডটি আজ আর বড় প্রশ্ন নয় আঞ্চলিক সমঝোতা খুঁজে পাওয়ার ইচ্ছা অনেকেরই কমে গেছে বরং কয়েক দশকের সংঘাত, ক্রমাগত রক্তপাত, অপমান বহিষ্কারের মাধ্যমে সৃষ্ট তিক্ততা নিরসন করে দুই জনগোষ্ঠীর জন্য কীভাবে একটিশান্তিপূর্ণ সহাবস্থান’-এর পরিস্থিতি অর্জন করা যেতে পারে, এটাই বড় প্রশ্ন এখন বেশিরভাগ ইউরোপীয় রাষ্ট্র ক্রমবর্ধমানভাবে অভিবাসনের মুখোমুখি হচ্ছে, যা তাদের সীমানার মধ্যে বিভিন্ন ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘু নিয়ে বসবাসের মতো বাস্তবতার দিকে নিয়ে যাচ্ছে নিঃসন্দেহে এমন বাস্তবতা জাতিসত্তার ভিত্তিতে বা সমজাতীয়দের জন্য রাষ্ট্র গড়ার ইচ্ছাশক্তিতে আরও পরিবর্তন ঘটাবে সম্ভবত এমন বাস্তবতায় একদিন ইসরায়েল-ফিলিস্তিন দ্বন্দ্বের স্বরূপ বদলে যাবে ততদিন পর্যন্ত হয়তো আমাদের নতুন নতুন সংঘাত রক্তপাতের ট্র্যাজেডি প্রত্যক্ষ করতে হবে

বাংলাদেশ থেকে ফিলিস্তিনের দূরত্ব প্রায় সাড়ে হাজার কিলোমিটার হলেও দেশের ১৭ কোটি মানুষের হৃদয়ে ফিলিস্তিনের ২৩ লাখ নাগরিকের এক আবেগময় উপস্থিতি রয়েছে একাত্তরে ৩০ লাখ মানুষের জীবন আর লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের ইতিহাস জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বারবার আমাদের ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহমর্মী করে তোলে দেশের কোটি মানুষ বাস্তুভিটা ছেড়ে নয় মাসের জন্য ভারতে শরণার্থীজীবন যাপন করতে বাধ্য হয়েছিল ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের মলিন মুখে তাই ভেসে ওঠে আমাদেরই অগ্রজদের মুখচ্ছবি সেই আশির দশকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের যুগান্তকারী উপস্থাপক ফজলে লোহানী যদি কিছু মনে না করেনশীর্ষক অনুষ্ঠানে ফিলিস্তিনের করুণ চিত্র তুলে ধরে দেশব্যাপী সাড়া জাগিয়েছিলেন গভীর আবেগে তিনি একজন ফিলিস্তিনি কবির বরাতে এক শিশুর কথা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, ‘পাখিরও একটা বাসা আছে, যেখানে দিন শেষে পাখিটি ফিরে যায় কিন্তু আমাদের তেমনটাও নেই এমন কথা শুনে সেদিন কেঁদেছিল কোটি দর্শকের হৃদয় অতিসম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি শিশুকে দেখা যায় বোমার আঘাতে মৃত্যুপথযাত্রী তার ভাইয়ের কানে কানে কলমা উচ্চারণ করছে এবং তাকে বারবার কলমা পড়ানোর চেষ্টা করছে আর আহত শিশুটি আপ্রাণ চেষ্টা করছে ভাঙা ভাঙা শব্দে কলমা উচ্চারণ করতে এমন দৃশ্য দেখে দেশের মানুষ আবারও চোখ ভিজিয়েছে ফিলিস্তিনের মুসলমান শিশুর অনেকেরই ধারণা, দিনে ছয়বার নামাজ আদায় করতে হয় প্রধান নামাজ পাঁচবার আর দিন শেষে সমস্ত মৃতদেহ একত্র করে জানাজার নামাজ আদায় করাই অন্যতম নামাজ তাই তাদের ধারণা, নামাজ দিনে ছয়বার সামাজিক মাধ্যমে পাওয়া এমন তথ্য দেশের মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতেও নাড়া দেয়

এর আগে অধিকৃত ভূমি উদ্ধারের জন্য মিসর সিরিয়া যৌথভাবে অক্টোবর ১৯৭৩ সালে ইসরায়েল আক্রমণ করে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ : অক্টোবর ১৯৭৩নামে পরিচিত যুদ্ধের সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেন, ‘আরবরা আমাদের স্বীকৃতি দিক না দিক, তারা আমাদের ভাই তাদের ন্যায্য সংগ্রামে আমরা তাদের পাশে আছি ঘোষণার পর সিরিয়ার রণাঙ্গনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি মেডিকেল টিম মিসরীয় বাহিনীর জন্য চা-পাতা পাঠানো হয়েছিল সিরিয়ার দামেস্ক নগরীর পশ্চিম দিকে দারুসসালাম নামক স্থানে বাংলাদেশের মেডিকেল টিমটি মোতায়েন করা হয় সেখানে মূলত সিরিয়ার আধাসরকারি বাহিনী প্যালেস্টাইনি যোদ্ধাদের চিকিৎসা দেওয়া হতো ইসরায়েল বাহিনী ১৯৮১ সালে লেবাননে অবস্থিত ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের ওপর ব্যাপক আক্রমণ পরিচালনা করেছিল, যার ফলে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি লেবানিজ হতাহত হন লেবাননে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের চিকিৎসাসেবা প্রদানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি মেডিকেল টিম লেবাননে পাঠানো হয় মেডিকেল টিমটি দক্ষিণ লেবাননের সিডনে অবস্থিত সাইদা হাসপাতালে আহত ফিলিস্তিনিদের চিকিৎসা প্রদান করে

বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালের চতুর্থ ন্যাম সম্মেলনে, ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তাঁর প্রথম ভাষণে এবং ১৯৭৪ সালে ওআইসির দ্বিতীয় সম্মেলনে ফিলিস্তিনি জনগণের সংগ্রাম আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানান সেই ধারাবাহিকতা আজও অব্যাহত আছে বাংলাদেশ সরকার ফিলিস্তিনি ছাত্রদের বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজগুলোয় শিক্ষাগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করেছে ফিলিস্তিনের কিছু সামরিক সদস্যকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের মধ্যে সামরিক সম্পর্কও তৈরি হয়েছে সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে বর্তমান সরকার আবারও ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেছে অবরুদ্ধ গাজায় ফিলিস্তিনিদের জন্য ত্রাণসহায়তা পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ অক্টোবর আক্রমণের পর থেকেই ফিলিস্তিনিদের জন্য বাংলাদেশের মসজিদে মসজিদে অশ্রুসিক্ত চোখে অনবরত দোয়া করছে ধর্মপ্রাণ মুসলমান নিকট অতীতে শারদীয় উৎসবে মন্দিরে মন্দিরেও প্রার্থনা হয়েছে ফিলিস্তিনিদের জন্য বিশ্ববিবেক জাগ্রত হোক ফিলিস্তিনিরা তাদের অধিকার ভূমি ফিরে পাক


  • নিরাপত্তা বিশ্লেষক  গবেষক অবসরপ্রাপ্ত মেজর
শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা