× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

অগ্নিনিরাপত্তা পরিকল্পনা, সুরক্ষাবিধি সবই কাগুজে দলিল

ড. আদিল মুহম্মদ খান

প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ০৪:১৫ এএম

অলঙ্করন : জয়ন্ত জন

অলঙ্করন : জয়ন্ত জন

আবারও রাজধানীতে বহুতল ভবনে আগুন। এবার নগরীর অন্যতম অভিজাত এলাকা গুলশান দুই নম্বরে ১২ তলাবিশিষ্ট ভবনের সপ্তম তলায় আগুন লাগে। প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এর প্রতিবেদন বলছে, ১৯ ফেব্রুয়ারি আনুমানিক সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভবনটিতে আগুন লাগে। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঠেকাতে ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৪ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। উদ্ধার অভিযানে বিমানবাহিনীর একটি দল এবং সেনাবাহিনীর ৩৫ সদস্যের একটি দলও অংশ নেয়। গুলশানের মতো পরিকল্পিত এলাকায় বহুতল স্থাপনাটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা একটি বিষয় স্পস্ট করে, যথাযথ প্রস্তুতির অভাবের পাশাপাশি অগ্নিনির্বাপণ সক্ষমতায় আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সম্প্রতি ফায়ার সার্ভিসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকা ও চট্টগ্রামে যথাক্রমে ৫৪.৬৭ এবং ৫৩.২৯ শতাংশ ভবন অগ্নিঝুঁকিতে রয়েছে। প্রতিবেদনটির জন্য ফায়ার সার্ভিস সাধুবাদ পেতে পারে। কিন্তু নগরব্যবস্থায় অগ্নিঝুঁকিতে থাকা ভবনের তদারকি, কর্তৃপক্ষকে অবহিতকরণ এবং সচেতনতা কার্যক্রমের দায়িত্বও কিন্তু ফায়ার সার্ভিসের। ফায়ার সার্ভিসের প্রতিবেদন আমাদের উদ্বেগের বার্তা দিচ্ছে ঠিকই; কিন্তু এ বিষয়ে আমাদের যা করণীয় রয়েছে তার দিকনির্দেশনা দিচ্ছে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অগ্নিঝুঁকিতে নিজের প্রাণের নিরাপত্তার ভার অবস্থানকারীর ওপর ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তোলাই হয় মানুষের জীবনের ঝুঁকি যতটা সম্ভব কমিয়ে আনার লক্ষ্যে।

দেশের বহুতল ভবনগুলো মানবসৃষ্ট দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক। গুলশান এলাকায় ছয়তলা যে ভবনগুলো অগ্নিঝুঁকি নিরসনে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের জনবল সংকট, আধুনিক সরঞ্জামের অভাব, এমনকি আর্থিক সংকট থাকলেও তা স্পষ্ট করা জরুরি। কারণ নাগরিক নিরাপত্তায় রাষ্ট্র সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়। তাই প্রত্যেকটি দায়িত্বশীল সংস্থাকে প্রতিনিয়ত এ বিষয়ে স্বীয় অবস্থানের কথা জানাতে হবে এক সময় ছিল বা এখনও আছে, সেগুলোর অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত কম। কারণ এমন ভবনে অগ্নিকাণ্ড ঘটলে অবস্থানকারীরা দ্রুত ভবন ত্যাগ করতে পারেন। কিন্তু বহুতল ভবনে অবস্থানকারীদের সে সুযোগ কম। নগর পরিকল্পনার দৃষ্টিকোণে বহুতল ভবন নির্মাণের সময় অগ্নিদুর্যোগ মোকাবিলায় চারটি ব্যবস্থা রাখা প্রয়োজন। প্রথমত, অগ্নিকাণ্ড ঘটলে বেরুনোর বিকল্প পথ। এক্ষেত্রে ভবনগুলোতে আলাদা সিঁড়ি রাখা প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, বহুতল ভবনের প্রতিটি স্তরে কিছু উপকরণ রাখা- যেন প্রাথমিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণ করা যায়। দুঃখজনক হলেও সত্য, দেশের অধিকাংশ বহুতল ভবনেই রেসপন্ডিং ক্যাপাসিটির প্রয়োজনীয় উপকরণ নেই। তৃতীয়ত, অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের সংখ্যা কমাতে এবং ভবনে অবস্থানকারীদের উদ্বেগ কমাতে নিয়মিত অগ্নিমহড়ার আয়োজন করা। বিধিবদ্ধ আইন অনুসারে প্রতিবছর অগ্নিমহড়া করার নির্দেশ থাকলেও এ ব্যাপারে আমরা উদাসীন। অভিযোগ আছে, এক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নজরদারিতেও রয়েছে ঘাটতি। চতুর্থত, বিল্ডিং কোড ভবনের গাঁথুনির ক্ষেত্রে অনুসরণ করা হলেও আপৎকালীন সময়ে ক্ষয়ক্ষতি ঠেকানোর পর্যাপ্ত কাঠামো তৈরি করা হয় না। এ জন্য আমাদের যেকোনো বহুতল ভবনে আগুন লাগলে হতাহতের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়। যদিও গুলশানের ওই ভবনে হতাহতের সংখ্যা মাত্র ২, কিন্তু এ সংখ্যা দিয়ে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা অনুমান করলে ভুল হবে। অগ্নিনিরাপত্তার ক্ষেত্রে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতাকে এড়িয়ে যাওয়ারও অবকাশ নেই।

গত এক দশকে রাজধানীতেই অনেক মর্মস্পর্শী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিটি ঘটনার পর তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের উৎস চিহ্নিত করে কিছু প্রস্তাব ও সুপারিশ করা হয়। কিন্তু এসব প্রস্তাব বা সুপারিশ বাস্তবায়নে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই। সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের উদাসীনতাই কি এ জন্য দায়ী- এমন প্রশ্ন নানা মহলে ঘুরপাক খাচ্ছে। স্মরণে আছে, বনানীর এফআর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিদুর্ঘটনার পর রাজউক নিজ উদ্যোগে দুই হাজার ভবনে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে। এমন উদ্যোগ প্রশংসাযোগ্য হলেও তালিকাভুক্ত ভবনগুলো অগ্নিঝুঁকি নিরসনে উপযুক্ত কি না, এ বিষয়টি খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। প্রতিটি তদন্তের ক্ষেত্রে ফলোআপ না থাকায় সমস্যার সমাধান হয় না। ভবন নির্মাণ করার সময় নির্মাণাধীন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়বদ্ধতা থাকে। এ ছাড়াও সিটি করপোরেশন, ফায়ার সার্ভিস এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকেও নিয়মিত তদারকি করা প্রয়োজন। তদারককারী প্রতিষ্ঠান বাদেও ভবনে অবস্থানরত ব্যবহারকারী এবং কর্তৃপক্ষেরও এ বিষয়ে সচেতনতার যথেষ্ট অভাব রয়েছে। তাদের দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেও কিছু করণীয় রয়েছে, যা অধিকাংশ সময়েই তারা পালন করেন না। এক্ষেত্রে সচেতনতার মাত্রাটি আমাদের বুঝতে হবে। কারণ ভবন নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টদের এক ধরনের সচেতনতা, তদারককারী প্রতিষ্ঠানের আরেক ধরনের সচেতনতা এবং ভবনে বসবাসকারী কিংবা কর্মরত ব্যক্তিদের আরেক ধরনের সচেতনতা- এ তিনটি আলাদা সচেতনতার মাত্রা অনুধাবন করা জরুরি। সমস্যা হলো, আমরা কেউই দায়বদ্ধতার জায়গাটি পূরণ করছি না। যে তিনটি সচেতনতার আঙ্গিকের কথা বললাম তা প্রয়োগ কিংবা অনুসরণ করতে বাধ্য করার দায়িত্ব সরকারের। দায়বদ্ধতার বিষয়টি যেন যথাযথভাবে পূরণ হয়, সে জন্য সরকারকেই এগিয়ে আসতে হবে। এ বিষয়গুলো দেখভাল করার দায়িত্ব যাদের হাতে ন্যস্ত, সেই দায়িত্বশীলরাই তদারককারী প্রতিষ্ঠান ও কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেবে- মানুষের জীবনরক্ষার চেষ্টাকে প্রাধান্য দিতে হবে আগে। অথচ যাদের জবাবদিহির আওতায় আনা প্রয়োজন, অনেক সময় তাদের সঙ্গেই আপসের চেষ্টা করা হয়। আর এই আপসের পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে তার সাম্প্রতিক নজির তুরস্ক-সিরিয়ার ভূমিকম্প। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংস্থার জরিপ অনুসারে ৭ হাজার ভবন নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। আমরা এও জানতে পেরেছি, সেখানে অনেকেই জরিমানা দিয়ে কিংবা নানা অবৈধ পন্থায় অনুপযুক্ত ভবন বৈধ করেছেন। কিন্তু ভূমিকম্প কাউকে ক্ষমা করেনি।

ঢাকার ক্ষেত্রেও যেকোনো দুর্যোগে একই অবস্থা হতে পারে। অভিযোগ রয়েছে, আমাদের এখানে ভবন কিংবা অবকাঠামো নির্মাণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নিয়মনীতির তোয়াক্কা করেন। না। এক্ষেত্রে দায়িত্বশীলদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে, তবেই নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান দায়বদ্ধ হবে। ঢাকায় মানবসৃষ্ট দুর্যোগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে পুরান ঢাকা। বলা যায়, বিস্ফোরকের ওপর দাঁড়িয়ে আছে জায়গাটি। নিমতলী ও চুড়িহাট্টার মতো মর্মন্তুদ অগ্নিকাণ্ডের দীর্ঘদিন পরও ঝুঁকি নির্মূল অর্থাৎ পুরান ঢাকা থেকে রাসায়নিক গোডাউন সরানোর ব্যাপারে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই। নিমতলী ট্র্যাজেডির পর পুরান ঢাকার গোডাউনগুলো মুন্সীগঞ্জে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে স্থানান্তরকরণে প্রকল্প নির্ধারণ করা হলেও এর অগ্রগতি দুর্বল। পুরান ঢাকার ক্ষেত্রে অগ্নিঝুঁকি হ্রাসকরণে প্রশাসনিক উদাসীনতা বরাবরই লক্ষণীয়। অধিকাংশ দেশে এমন ঝুঁকির শঙ্কা থাকলে ঝুঁকিপূর্ণ উপাদানকে একটি নিরাপদ অবস্থানে স্থানান্তর করার প্রক্রিয়া দ্রুত বাস্তবায়ন করা হয়। পুরান ঢাকায় স্থানীয় নানা প্রতিবন্ধকতা এবং প্রশাসনিক দুর্বলতা ও উদাসীনতাই এক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ হিসেবে বলা হয়। কিন্তু তাই বলে কি এর সমাধান নেই? আমাদের বহু সরকারি-বেসরকারি আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের পর এখনও খালি আছে। আবার এমন অনেক স্থান আছে যেখানে পরিকল্পিত আবাসন হয়নি। সেসব স্থানে পুরান ঢাকার নিবাসীদের স্থানান্তর করার চেষ্টা সরকার কয়েক মাসের মধ্যেই করতে পারে। এ ছাড়া যতদিন পর্যন্ত রাসায়নিক গোডাউন সরানোর বিষয়টি নিশ্চিত না হচ্ছে, ততদিন নিরাপত্তার স্বার্থে সরকার স্থানীয়দের জন্য বিকল্প আবাসন প্রকল্প চালু করতে পারে। পরে রাসায়নিক গোডাউন সরানোর কাজ সম্পন্ন হলে আবার স্থানীয় অধিবাসীদের ফিরিয়ে আনা যেতে পারে। কিন্তু মানুষের জীবনকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে না। শুধু পুরান ঢাকা কেন, দেশের অনেক জেলা শহরেই অনুমোদনহীন রাসায়নিক গোডাউন রয়েছে। আমরা শুধু পুরান ঢাকার দিকেই মনোযোগ দিচ্ছি। কিন্তু জেলাগুলোয় আবাসিক এলাকার ভেতরেই এমন বহু অগ্নিগর্ভ গোডাউন রয়েছে। সেগুলোর কোনো একটি বিস্ফোরিত হলেও দায় সংশ্লিষ্ট কেউ এড়াতে পারেন না। সমস্যা হলো, আমাদের রেস্পন্ডিং ক্যাপাসিটি অত্যন্ত দুর্বল। কারণ দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণে আমাদের সমন্বিত পরিকল্পনা বা কাঠামো নেই।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সরকারের মধ্যে সমন্বয় ও যোগাযোগের পথ মসৃণ করা গেলে তারা সমন্বিতভাবে দুর্যোগ মোকাবিলায় তাৎক্ষণিকভাবে কাজ করতে পারবে। বড় দুর্ঘটনা ঘটলেই সংবাদমাধ্যমে তা গুরুত্ব দিয়ে ছাপানো হয়; কিন্তু এ বিষয়ে দেখভালের দায়িত্ব যাদের তারা সমন্বয় ও ধারাবাহিকতার বিষয়ে কতটা পরিকল্পনা করছেন তা এক প্রশ্ন বটে। সোজা কথায়, অগ্নিকাণ্ডের ক্ষেত্রে আমাদের রেস্পন্সের ক্ষমতা বাড়াতে হবে। ২০২০ সালে বিল্ডিং কোড চূড়ান্ত হওয়ার পর ভবনের ঝুঁকি এড়ানোর লক্ষ্যে একটি অথরিটি তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়, যাকে বিডিআরএ বলা হয়। কিন্তু এখনও তা গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যদি প্রত্যেকটি ভবনে এমন অথরিটি তৈরি না করা যায়, তাহলে অগ্নিঝুঁকি কমবে না। প্রতিটি ভবন প্রতিনিয়ত পর্যবেক্ষণ করা একক কর্তৃপক্ষের জন্য কঠিনই। তাই দ্রুত বিল্ডিং কোড অনুসারে বিডিআরএ তৈরি করা প্রয়োজন। এমনকি অগ্নিঝুঁকি নিরসনে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের জনবল সংকট, আধুনিক সরঞ্জামের অভাব, এমনকি আর্থিক সংকট থাকলেও তা স্পষ্ট করা জরুরি। কারণ নাগরিক নিরাপত্তায় রাষ্ট্র সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়। তাই প্রত্যেকটি দায়িত্বশীল সংস্থাকে প্রতিনিয়ত এ বিষয়ে স্বীয় অবস্থানের কথা জানাতে হবে। না হলে অগ্নিঝুঁকি নিয়ে পরিসংখ্যান হবে কিন্তু করণীয় নির্ধারণ হবে না। মানুষের জীবন অমূল্য- এ ধারণা লালন করলে রাজনৈতিক সদিচ্ছাও অবারিত হবে।


  • নগর পরিকল্পনাবিদ ও নির্বাহী পরিচালক ইনস্টিটিউট ফর প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইপিডি)
শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা