বেগম খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি
সকলকে আজ একটা তথ্য দিই। বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মাত্র এক টাকা বেতন বা রেমুনারেশন নিতেন। মাইনের পুরো টাকাটাই তিনি দিয়ে দিতেন এতিমখানায়। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের নিরাপস নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ’৯০-এর ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানে এরশাদের পতনের পর ’৯১-এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিতে প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ওই সময়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার প্রাপ্য বেতন থেকে মাত্র এক টাকা নিয়ে বাকিটা পুরোই এতিমখানায় দিয়ে দিতেন।
পরে তিনি আবার প্রধানমন্ত্রী হন এবং দুদফায় বিরোধীদলীয় নেত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সে সময়গুলোতেও তিনি যে বেতন পেতেন তার একটা বড় অংশ চ্যারিটিতে খরচ করতেন। দুস্থ, দরিদ্র ও এতিমদের সাহায্য করতেন। চিকিৎসা করাতেন। দরিদ্র পরিবারের অনেক মেধাবী সন্তানের লেখাপড়ার খরচ বহন করতেন। তবে তিনি চাইতেন না এসব প্রচার হোক।
ছোট্ট একটা উদাহরণ দিই। ২০০১ সালে ম্যাডাম জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় জানতে পারেন যে, অতিশয় দরিদ্র পরিবারের একটি ছেলে এসএসসিতে ফার্স্ট স্ট্যান্ড করেছে। তবে তার পক্ষে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আর্থিক সঙ্গতিহীন সেই ছেলেটির লেখাপড়ার সব ব্যয়ভার গ্রহণ করেন বেগম খালেদা জিয়া। ছেলেটি কৃতিত্বের সঙ্গে উচ্চশিক্ষা অর্জনের পর বিসিএস পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হয়। বর্তমানে সে সরকারের একজন যুগ্ম সচিব।