× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

এক্সপ্লেইনার

বিএসইসির মূল দায়িত্ব কী: বাজার উন্নয়ন নাকি কঠোর তদারকি?

আহমেদ তোফায়েল

প্রকাশ : ১ ঘণ্টা আগে

আহমেদ তোফায়েল; বিজনেস এডিটর, প্রতিদিনের বাংলাদেশ। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

আহমেদ তোফায়েল; বিজনেস এডিটর, প্রতিদিনের বাংলাদেশ। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

আমাদের দেশের অর্থনীতিতে প্রায়ই নানা সংকট দেখা দেয়। ব্যাংকিং খাত থেকে শুরু করে ডলারের বাজার—সবখানেই অস্থিরতা চলে। তবে এই সংকটের সবচেয়ে বড় প্রতিফলন ঘটে দেশের পুঁজিবাজারে।

একটু সমস্যা হলেই শেয়ারবাজারের সূচক হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা দ্রুত তলানিতে গিয়ে ঠেকে। বাজারে দৈনিক লেনদেনে তীব্র খরা দেখা দেয়। তখন বাজার ধরে রাখতে বিভিন্ন কৃত্রিম উপায়ের সাহায্য নেওয়া হয়।

কখনও ফ্লোর প্রাইস দেওয়া হয়, কখনও বা ব্যাংকগুলোকে শেয়ার কিনতে বাধ্য করা হয়। কিন্তু এসব সাময়িক ওষুধে বড় কোনো রোগ সারে না।

কারণ আমাদের পুঁজিবাজারের মূল সমস্যাটি গভীরে। এর প্রধান সমস্যা হলো কাঠামোগত স্থবিরতা।

সম্প্রতি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। 

সেখানে সংগঠনটির নবনির্বাচিত সভাপতি সাইফুল ইসলাম বাজারের সংস্কারের জন্য বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেন। 

তার এই প্রস্তাবগুলো দেশের পুঁজিবাজারের বর্তমান বাস্তবতায় প্রাসঙ্গিক ও সময়োপযোগী। তিনি শুধু সমস্যার কথা বলেননি, বরং তা থেকে উত্তরণের পথও দেখিয়েছেন। বাজারকে যদি সত্যি টেকসই করতে হয়, তবে শুধু প্রতিদিনের সূচকের ওঠানামা দেখলে হবে না। আমাদের নজর দিতে হবে বাজারের মৌলিক কাঠামোর দিকে। অবকাঠামো শক্তিশালী না হলে বাজার কখনো বড় হতে পারবে না।

২০১৩ সালে দেশের পুঁজিবাজারে একটি বড় পরিবর্তন আনা হয়েছিল। সেটি হলো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ‘ডিমিউচুয়ালাইজেশন’ বা মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা পৃথকীকরণ।

এই প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল বাজারকে আরও পেশাদার ও স্বচ্ছ করা। এর দর্শন ছিল সহজ—ব্রোকারদের ব্যক্তিগত স্বার্থ যেন স্টক এক্সচেঞ্জের বড় নীতিনির্ধারণে বাধা না হয়।

কিন্তু আজ এক যুগ পর এসে আমাদের হিসাব মেলানোর সময় এসেছে। এই রূপান্তর কি আসলেই বাজারকে গতিশীল করতে পেরেছে? নাকি এটি বাজারকে আরও আমলাতান্ত্রিক করে তুলেছে?

ডিবিএ সভাপতি সভায় একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেছেন। ডিমিউচুয়ালাইজেশন স্কিম যখন তৈরি করা হয়, তখন একটি শর্ত ছিল।

বলা হয়েছিল, পাঁচ বছর পর এই পুরো আইন ও কাঠামো পর্যালোচনা করা হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, গত ১২ বছরেও সেই পর্যালোচনা করা হয়নি।

ফলে স্টক এক্সচেঞ্জ তার অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। পুঁজিবাজারের মূল অংশীজন বা স্টেকহোল্ডারদের মতামতকে প্রায়ই উপেক্ষা করা হয়েছে। অংশীজনদের বাদ দিয়ে যে প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি হয়েছে, তা অনেক ক্ষেত্রে ধীরগতির।

বাজারকে শক্তিশালী করতে হলে ডিএসইর সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্বিন্যাস করা জরুরি। ব্রোকাররা বড় কোনো আইন পরিবর্তনের কথা বলছেন না। তারা চান প্রয়োজনীয় কিছু সংশোধন, যা ডিএসইকে আরও স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা দেবে।

পুঁজিবাজারের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকানা নিয়েও বড় প্রশ্ন উঠেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) এবং সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি বাংলাদেশ (সিসিবিএল)।

এই দুটি প্রতিষ্ঠানের আয় এবং মালিকানার মধ্যে এক ধরনের বড় অসমতা রয়েছে। এটি পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক বাণিজ্যিক নিয়মের পরিপন্থী।

প্রথমে সিডিবিএলের কথা ধরা যাক। দুই দশক আগে যখন এই প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়, তখন ডিএসইর আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না। ফলে তারা সিডিবিএলের মাত্র ১৩ শতাংশ শেয়ার কিনতে পেরেছিল।

কিন্তু আজ বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। গত ২০ বছরে সিডিবিএলের মোট আয়ের প্রায় ৯০ শতাংশই এসেছে ডিএসইর লেনদেন থেকে।

অথচ ডিএসইর মালিকানা সেই ১৩ শতাংশেই আটকে আছে। এটি কোনোভাবেই একটি ন্যায্য বা যৌক্তিক মডেল হতে পারে না। যে প্রতিষ্ঠানের আয়ের মূল উৎস ডিএসই, সেখানে ডিএসইর মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোই যুক্তিযুক্ত।

একই অবস্থা দেখা যাচ্ছে সিসিবিএলের ক্ষেত্রেও। ২০১৮ সালে এই প্রকল্পটি শুরু করার জন্য ডিএসই ১৩৫ কোটি টাকা দিয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ আট বছর পেরিয়ে গেলেও এই প্রকল্পের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।

অথচ অন্যান্য উৎস থেকে আরও প্রায় ৩০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। সিসিবিএলের আয়ের প্রায় ৯৮ শতাংশ আসবে ডিএসইর লেনদেন থেকে। তাই নিয়ম অনুযায়ী এটি ডিএসইর একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান হওয়া উচিত।

বর্তমানে এখানে ডিএসইর অংশীদারত্ব মাত্র ৪৫ শতাংশ, যা অত্যন্ত কম। এটিকে বাড়িয়ে অন্তত ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ করা উচিত। বাকি ১০ শতাংশ শেয়ার সিডিবিএল বা অন্য অংশীদারদের মধ্যে রাখা যেতে পারে।

এখানে ব্যয়ের অপচয় নিয়েও কথা বলা প্রয়োজন। ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সিসিবিএলের প্রযুক্তি স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

কিন্তু আমাদের প্রতিবেশী দেশ শ্রীলঙ্কা বা পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা ভিন্ন। তারা এর অর্ধেক খরচে একই ধরনের উন্নত প্রযুক্তি স্থাপন করতে পেরেছে।

এত বিশাল বাজেটের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ডিবিএ সভাপতি প্রশ্ন তুলেছেন। নতুন পরিচালনা পর্ষদকে এই ব্যয়ের যৌক্তিকতা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখতে হবে।

আমাদের পুঁজিবাজারের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো ভালো শেয়ারের অভাব। সাধারণ বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘদিন ধরে আইপিও (প্রাথমিক গণপ্রস্তাব) সংকটে ভুগছেন।

বাজারে ভালো মুনাফা দেবে এমন কোম্পানির সংখ্যা খুবই কম। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা ভালো কোম্পানিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করতে পারছেন না। তারা শুধু স্বল্পমেয়াদি ফাটকাবাজির দিকে ঝুঁকে পড়ছেন।

বেসরকারি খাত থেকে রাতারাতি ভালো কোম্পানি বাজারে আনা সম্ভব নয়। কারণ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বাজারে আসতে অনেক আইনি প্রক্রিয়া পার হতে হয়। 

তাদের অভ্যন্তরীণ হিসাব বিবরণী ঠিক করতেই কমপক্ষে ৯ মাস থেকে এক বছর সময় লেগে যায়। তাহলে এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে সমাধান কী? সমাধান রয়েছে সরকারের হাতে।

সরকারের অধীনে এমন বহু কোম্পানি আছে, যেগুলো লাভজনক। এগুলো বছরের পর বছর ধরে বিশাল অঙ্কের মুনাফা করছে। এই লাভজনক সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করা উচিত। সরকারের পক্ষ থেকে অতীতে এমন বহু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় কোনো বাস্তব অগ্রগতি হয়নি।

যদি সরকার সত্যিই আন্তরিক হয়, তবে চলতি বছরের মধ্যেই বাজারে বেশ কয়েকটি বড় আইপিও আনা সম্ভব। এতে বাজারের তারল্য সংকট অনেকটাই দূর হবে। সিডিবিএল নিজেই একটি পরিপক্ব এবং লাভজনক প্রতিষ্ঠান। 

বাজারে যখন আইপিওর এত বড় অভাব, তখন সিডিবিএল তালিকাভুক্ত না হওয়ার কোনো কারণ নেই। প্রয়োজনে একে সরাসরি তালিকাভুক্তি বা ডিরেক্ট লিস্টিংয়ের মাধ্যমে বাজারে আনা যায়। এতে ব্রোকারদের কোনো আপত্তি নেই। এটি বাজারের গভীরতা বাড়াতে দারুণ সাহায্য করবে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভূমিকা

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) মূল দায়িত্ব কী, তা নিয়ে নীতিগত বিতর্ক রয়েছে।

বিগত বছরগুলোতে দেখা গেছে, কমিশন তার মূল আইনি দায়িত্বের বাইরে গিয়ে ‘বাজার উন্নয়ন’ করতে চেয়েছে। তারা নিজেরাই আইপিও আনা বা বিনিয়োগ প্রচারণার মতো কাজে জড়িয়ে পড়েছে। বিএসইসির উদ্যোগে অতীতে ‘রোডশো’র নামে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যয়বহুল কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল।

এসব জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের জন্য বাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে জোর করে অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। কিন্তু এসব রোডশো থেকে বাজারে কোনো দীর্ঘমেয়াদি বিদেশি বিনিয়োগ আসেনি।

বিশ্বের কোনো উন্নত বাজারে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এই ধরনের কাজ করে না। বিএসইসির মূল দায়িত্ব হলো বাজারে কঠোর সুশাসন নিশ্চিত করা।

তারা আইন তৈরি করবে এবং কেউ আইন ভাঙলে কঠোর শাস্তি দেবে। বাজার উন্নয়ন করা, নতুন আইপিও আনা বা রোডশো করার দায়িত্ব অন্য অংশীজনদের। এই কাজগুলো মূলত মার্চেন্ট ব্যাংক এবং স্টক এক্সচেঞ্জের করা উচিত।

যদি বর্তমান মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো ভালো আইপিও আনতে ব্যর্থ হয়, তবে নতুন দক্ষ মার্চেন্ট ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু কাজটির দায়িত্ব তাদের ওপরেই থাকতে হবে।

একইভাবে ব্রোকিং কার্যক্রম ব্রোকারদের হাতে এবং মিউচুয়াল ফান্ড পরিচালনার দায়িত্ব অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির কাছেই থাকা উচিত।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা সব কাজ নিজের হাতে নিলে বাজারে ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট হয়। নতুন কমিশনের উচিত হবে এই নীতিগত ভুল থেকে দ্রুত সরে আসা।

তারা নিজেদের একটি নিরপেক্ষ ও কঠোর নিয়ন্ত্রক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে—এটাই সবার প্রত্যাশা।

পুঁজিবাজারকে যদি আমরা আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যেতে চাই, তবে প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে। সব দায়িত্ব একজন বা একটি সংস্থার ওপর চাপিয়ে দিলে সুশাসন নিশ্চিত করা কঠিন।

এই ক্ষেত্রে বাজার মধ্যস্থতাকারীদের তদারকির জন্য একটি ‘স্ব-নিয়ন্ত্রক সংস্থা’ বা সেলফ রেগুলেটরি অর্গানাইজেশন (এসআরও) গঠন করা যেতে পারে।

জাপানের ‘জাপান সিকিউরিটিজ ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন’ (জেএসডিএ) এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘ফিনরা’ এর আদলে বাংলাদেশেও এমন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভব।

এই ব্যবস্থা চালু হলে বাজারের দৈনন্দিন ব্রোকিং কার্যক্রম ও মধ্যস্থতাকারীদের ছোটখাটো ভুলের তদারকি করবে সেই এসআরও। এর ফলে বিএসইসির ওপর থেকে কাজের অতিরিক্ত চাপ কমবে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা তখন দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি, নতুন আইন প্রণয়ন এবং বড় বড় আর্থিক অপরাধ দমনে বেশি মনোযোগ দিতে পারবে। এতে পুরো বাজারের কর্মদক্ষতা বহুগুণ বেড়ে যাবে।

বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখন একটি বড় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বাজারের নতুন নীতিনির্ধারকদের সামনে এখন বড় সুযোগ এসেছে। তারা অতীতের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে বাজারকে একটি মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে পারেন। 

বাজারের এই সংকট কাটাতে হলে কয়েকটি কাজ অবিলম্বে করতে হবে।

প্রথমত, সরকারি লাভজনক কোম্পানিগুলোর দ্রুত তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, সিডিবিএল ও সিসিবিএলে ডিএসইর ন্যায্য অংশীদারত্ব ও নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দিতে হবে। তৃতীয়ত, নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে তার মূল তদারকির জায়গায় ফিরিয়ে আনতে হবে। পুঁজিবাজারকে যদি আমরা ফাটকাবাজির বৃত্ত থেকে বের করতে না পারি, তবে দেশের দীর্ঘমেয়াদি শিল্পায়ন বাধাগ্রস্ত হবে। সরকারের নীতিগত সমর্থন এবং বিএসইসির সাহসী পদক্ষেপের মাধ্যমেই কেবল এই বাজারকে একটি নির্ভরযোগ্য ও প্রকৃত বিনিয়োগবান্ধব অর্থনৈতিক চালিকাশক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।


লেখক: বিজনেস এডিটর, দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা