মহিউদ্দিন খান মোহন
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ২৯ মিনিট আগে
মহিউদ্দিন খান মোহন; সহকারী সম্পাদক, প্রতিদিনের বাংলাদেশ। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
স্বনামধন্য রাজনীতিবিদ, সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ইহলোক ত্যাগ করেছেন গত ১ জুন।
৮২ বছর বয়স হয়েছিল তার। বয়সের বিবেচনায় বলা যায়, পরিণত বয়সেই তিনি ইন্তেকাল করলেন। তোফায়েল আহমেদ জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৯৪৩ সালে ব্রিটিশশাসিত পূর্ববঙ্গের ভোলায়। আর ইন্তেকাল করলেন স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। দুটি স্বাধীনতা দেখেছেন তোফায়েল আহমেদ। এক. ১৯৪৭ সালের ভারত বিভক্তির মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের জন্ম। দুই. সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়। ব্রিটিশ শাসন থেকে পাকিস্তানের জন্ম-স্মৃতি তোফায়েল আহমেদের মনে না থাকারই কথা। মাত্র চার বছর বয়সী একটি শিশুর স্মৃতিপটে সেসব থাকা সম্ভবও নয়। তবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সঙ্গে তার নাম জড়িত রয়েছে ওতপ্রোতভাবে। মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক হিসেবে ইতিহাসে নিজের জায়গা করে নিতে পেরেছেন তিনি।

গ্রাম থেকে উঠে আসা এক সার্থক ও সফল রাজনীতিবিদ ছিলেন তোফায়েল আহমেদ।
ছাত্রজীবনে জড়িয়েছিলেন রাজনীতিতে। নেতা হিসেবে পেয়েছিলেন শেখ মুজিবুর রহমানকে। তাঁরই
স্নেহ-সান্নিধ্যে থেকে নিজেকে শিশুবৃক্ষ থেকে মহীরুহে পরিণত করতে পেরেছিলেন। ডাকসু
ভিপি থাকাকালীন ১৯৬৯ সালে আইয়ুববিরোধী ছাত্র-গণআন্দোলনের অন্যতম রূপকার হিসেবে তিনি
ইতিহাসখ্যাত। মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে সংগঠিত সে গণআন্দোলন
গণঅভ্যুত্থানে রূপ নিয়ে পতন ঘটিয়েছিল স্বৈরশাসক ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের। সে গণঅভ্যুত্থানের
প্রেক্ষিতে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে রেহাই পান শেখ মুজিবুর রহমান। জেলমুক্ত শেখ
মুজিবকে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) প্রদত্ত গণসংবর্ধনায়
‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন তোফায়েল আহমদ।
তোফায়েল আহমেদের রাজনৈতিক জীবন পর্যালোচনা করলে তাকে বর্ণাঢ্য না
বললে অবিচার করা হবে। বঙ্গবন্ধু যেমন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর স্নেহছায়ায় থেকে নিজেকে
গড়ে তুলেছিলেন, তোফায়েল আহমেদও তেমনি শেখ মুজিবুর রহমানের স্নেহধন্য শিষ্য হিসেবে নিজেকে
তৈরি করার সুযোগ পেয়েছিলেন। বাস্তবিক, একজন রাজনীতিকের বেড়ে ওঠার পেছনে বড় একজন নেতার
আশীর্বাদ থাকতে হয়। শেখ মুজিবুর রহমানের আরেক ভাবশিষ্য সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী শাহ
মোয়াজ্জেম হোসেন একটি ঘটনার কথা বলেছিলেন। পাকিস্তান আমল। আইয়ুব খানের সামরিক শাসন
চলছে। শেখ মুজিব এবং শাহ মোয়াজ্জেম দুজনই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারগারে বন্দি। দুপুরে খাওয়ার
পরে প্রায় প্রতিদিনই মোয়াজ্জেম ভাই চলে যেতেন নেতার কক্ষে। একদিন শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন
ফ্লোরে শুয়ে আছেন, চৌকিতে শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি ছাদের দিকে তাকিয়ে কিছু একটা ভাবছিলেন।
মোয়াজ্জেম ভাই জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী ভাবছেন লিডার?’ শেখ মুজিব বললেন, ‘ভাবছি সেদিন যদি
সোহরাওয়ার্দী সাহেবের সঙ্গে আমার দেখা না হতো, তাহলে আমি ‘মজিবর’ কী হতে পারতাম? বড়জোর
এলাকার সর্দার-মাতব্বর। কিন্তু তার সঙ্গে সাক্ষাৎ আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিল। আজ আমি
এখানে।’
ভুল বলেননি শেখ মুজিবুর রহমান। কীভাবে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে
শেখ মুজিবুর রহমানের সাক্ষাৎ ঘটেছিল সে কাহিনি অনেকেরই জানা। সোহরাওয়ার্দী-শেরে বাংলা
এ কে ফজলুল হকের জনসভা ভেঙে দিতে গোপালগঞ্জের হিন্দু জমিদারদের চক্রান্ত ও হামলা প্রতিরোধে
তরুণ শেখ মুজিবের সাহসিকতায় মুগ্ধ সোহরাওয়ার্দী তাকে বলেছিলেন মেট্রিকুলেশন পাসের পর
কলকাতায় গিয়ে দেখা করতে। তারপর সেখানে ইসলামিয়া কলেজে ভর্তি, হোস্টেলে থাকার ব্যবস্থা
এবং রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়ার পেছনে শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ভূমিকার কথা এখন ইতিহাসের অংশ।
বাস্তবিক যদি সেদিন সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে শেখ মুজিবের দেখা না হতো, তাহলে এক গ্রাম্য
যুবকের ‘বঙ্গবন্ধু’ হয়ে ওঠা এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতিতে পরিণত হওয়া হয়তো সম্ভব
হতো না। তেমনি শেখ মুজিবুর রহমানের স্নেহপুষ্ট তোফায়েল আহমেদ আপন দক্ষতায় উঠে গেছেন
রাজনীতির শীর্ষ পর্যায়ে।
মরহুম তোফায়েল আহমেদকে দেখেছি দূর থেকে। দূর বলতে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ
পরিচয় বা ঘনিষ্ঠতা কখনোই ছিলনা আমার। তবে, সেই বাল্যকালেই তার নাম শুনছি। ১৯৬৯ সালের
গণআন্দোলনে যখন আমাদের থানা সদর শ্রীনগরে বড় ভাইদের সঙ্গে গলা মিলিয়ে ‘আইয়ুব-মোনেম
দুই ভাই/ এক রশিতে ফাঁসি চাই’ স্লোগান দিয়েছি, তখনই নামটা শুনি- ‘তোফায়েল আহমেদ’। আরও
কয়েকটি নাম তখন শুনতে পাই- রাশেদ খান মেনন, মতিয়া চৌধুরী, মাহবুবউল্লাহ প্রমুখ। তারা
সবাই তখন ছাত্রনেতা এবং আইয়ুববিরোধী গণআন্দোলনের সিপাহসালার। সে সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ছাত্র-ছাত্রী সংসদ-ডাকসু ভিপি ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। ১৯৭০ সালে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান
জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের মনোনয়নে। তারপর ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের
সংগঠক হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। তবে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতায় মুক্তিবাহিনীর
প্যারালাল হিসেবে ‘বেঙ্গল লিবারেশন ফোর্স’ বা বিএলএফ, যেটা ‘মুজিব বাহিনী’ হিসেবে পরিচিত,
তা গঠনে ভূমিকার জন্য সমালোচিতও হয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রচয়িতারা এটা নিশ্চিত
করেছেন যে, শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনির নেতৃত্বে তোফায়েল আহমেদ,
সিরাজুল আলম খান, আবদুর রাজ্জাক গং প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের
চরম বিরুদ্ধাচরণ করেছিলেন; যা প্রকারান্তরে অন্তর্ঘাততুল্য।
তারপরও মুক্তিযুদ্ধের একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক হিসেবে তোফায়েল আহমেদের
নাম সমুজ্জ্বল থাকবেÑ এটা অস্বীকার করা যাবে না। তবে রাজনীতিবিদ হিসেবে ‘বঙ্গবন্ধুর
তোফায়েল’ এবং ‘আওয়ামী লীগের তোফায়েল’ তকমা তার নামের সঙ্গে এমনভাবে লেপ্টে গিয়েছিল
যে, তা থেকে বের হয়ে আসতে পারেননি। আর সেজন্যই ‘জাতীয় নেতা’ হয়ে উঠতে পারেননি, রয়ে
গেছেন আওয়ামী লীগ নেতাই। একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে দেশ ও জাতির নানা সংকটে তার
যে ভূমিকা প্রত্যাশিত ছিল, অনেকাংশেই তিনি তা পূরণ করতে পারেননি। কেন পারেননি, সে প্রশ্নের
মীমাংসায় এখানে যাব না। যাওয়াটা সমীচীনও নয়। বিশেষত মৃত্যুর পরে তিনি চলে গেছেন সব
সমালোচনার ঊর্ধ্বে। তবে জীবদ্দশায় বা রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা অবস্থায় তার কৃতকাজের পর্যালোচনা
হতেই থাকবে। আলোচনা করার সময় স্মরণে রাখতে হবে, তোফায়েল আহমেদ একটি রাজনৈতিক আদর্শে
বিশ্বাস করতেন এবং আজীবন সে আদর্শে অবিচল ছিলেন। একজন সংবাদকর্মী এবং সাবেক একজন সক্রিয়
রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি যে কারও রাজনৈতিক আদর্শে অবিচল থাকাকে সম্মান ও শ্রদ্ধা
করি। ফলে আজ মৃত তোফায়েল আহমেদকে নিয়ে কতিপয় মানুষ যেসব নেতিবাচক প্রচারণায় মেতে উঠেছে,
তাতে আমি বিস্মিত। একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর লোকজন ১৯৬৯ সালে সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের
জন্য তোফায়েল আহমেদকে এমনভাবে দায়ী করে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছে, যেন তিনি
স্বহস্তে সে ব্যক্তিটিকে হত্যা করেছিলেন। ইসলামী ছাত্র সংঘের (বর্তমান ইসলামী ছাত্রশিবির)
নেতা আবদুল মালেক প্রতিপক্ষ ছাত্রলীগ কর্মীদের ধাওয়ার মুখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি
থেকে পালাতে গিয়ে রেসকোর্স ময়দানে গণপিটুনির শিকার হন এবং তিন দিন পরে মারা যান। ঘটনাটি
দুঃখজনক সন্দেহ নেই। তবে তার সঙ্গে তোফায়েল আহমেদের সম্পৃক্তি প্রমাণিত নয়। পরিবর্তিত
রাজনৈতিক পরিস্থতিতে একটি অপ্রমাণিত অভিযোগ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে একজন স্বনামধন্য
রাজনীতিবিদের চরিত্র হননের অপচেষ্টা কোনো বিচারেই গ্রহণযোগ্য বলে আমি মনে করি না।
রাজনীতিক হিসেবে তোফায়েল আহমেদ এ দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের পক্ষে
যে ভূমিকা রেখেছেন, সেজন্য তিনি অবশ্যই স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। পাশাপাশি প্রতিপক্ষের সমালোচনা
করতে গিয়ে কখনেও কখনও আপত্তিকর মন্তব্যও করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক প্রেসিডেন্ট শহীদ
জিয়াউর রহমান সম্পর্কে তার কিছু উক্তি বিবেকবান মানুষকে হতবাক করে দিয়েছে। সম্ভবত দলীয়
নেতৃত্বের নেকনজর আকর্ষণ কিংবা পদ-পদবি অক্ষত রাখার তাগিদেই তিনি তা করে থাকবেন। তা
সত্ত্বেও শেষ পর্যায়ে এসে দলে অনেকটাই অপাঙ্ক্তেয় হয়ে পড়েছিলেন তোফায়েল আহমেদ। একান্তে
সে কথা বলেছেনও কাউকে কাউকে। প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খানের এক লেখায়
তা প্রতিভাত হয়ে উঠেছে। ২০১৩ সালে তাদের আকস্মিক দেখা হওয়ার পর কুশল বিনিময়ের একপর্যায়ে
তার প্রতি দল ও নেত্রীর অবজ্ঞা ও অবহেলার কথা বলেছিলেন। এমনকি বঙ্গভবনের অনুষ্ঠানেও
তিনি দাওয়াত পান না বলে আক্ষেপ করেছিলেন। ‘এত অপমান সয়েও তাহলে আওয়ামী লীগে পড়ে আছেন
কেন?’- এ প্রশ্নের জবাবে তোফায়েল আহমেদ বলেছিলেন, ‘আমি কোথায় যাব বলো? আওয়ামী লীগ ও
আমি সিনোনিমাস (সমার্থক) হয়ে আছি। যত যাই হোক, আমি যে বঙ্গবন্ধুর তোফায়েল, আওয়ামী লীগের
তোফায়েল।’ (প্রতিদিনের বাংলাদেশ, ২৩ মে, ২০২৬)। আমার বিবেচনায় এটাই তোফায়েল আহমেদের
রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। তিনি ‘আওয়ামী লীগের তোফায়েল’ পরিচয় নিয়ে জীবন পার
করতে পেরেছেন।
বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অবসানান্তে তোফায়েল আহমেদের নিষ্প্রাণ দেহ
আজ জন্মস্থান ভোলায় তার মা ও স্ত্রীর পাশে সমাহিত। ঢাকায় ধানমন্ডির একটি মসজিদে ও ভোলায়
দুটি জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিটি জানাজায় বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি ছিল। তবে
চিরাচরিত রাষ্ট্রীয় প্রথা অনুসারে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তা হয়নি। জানা গেছে,
কর্তৃপক্ষ অনুমতি দেয়নি। এ নিয়ে সচেতন মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সর্বমোট নয়বার যে মানুষটি
জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, সংসদ প্লাজায় তার জানাজায় অনুষ্ঠানের অনুমতি না
দেওয়াটা কতটা নৈতিকতা সম্পন্ন কাজ, এ প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। কেউ কেউ যুক্তি দিচ্ছেন,
তোফায়েল সাহেবরা, মানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে অন্য অনেকের জানাজাও সংসদ প্লাজায়
করতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু একটি খারাপ কাজের দৃষ্টান্ত উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করে আরেকটি
খারাপ কাজকে যে বৈধতা দেওয়া যায় না, রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের তা কে বোঝাবে? আসলে
আমরা যতই নীতি-নৈতিকতার কথা বলি না কেন, কোনো ফায়দা নেই। কেউ তা শুনতে বা মানতে চায়
না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে যেটা করেছে, এখনকার ক্ষমতাসীনরাও যদি সেটাই করে, তাহলে
ওদের সঙ্গে এদের পার্থক্যটা থাকল কোথায়?
একজন রাজনৈতিক নেতা সবার কাছে গ্রহণীয় হতে পারেন না। মত ও পথের পার্থক্যই এর কারণ। তবে দেশ ও জাতির জন্য তাদের অবদান অবশ্যই স্বীকার্য। সম্মানটাও তাদের প্রাপ্য। তা প্রদর্শনে কার্পণ্য চরম সংকীর্ণতারই বহিঃপ্রকাশ। আর পরিশীলিত রাজনীতিতে সংকীর্ণতা পরিহার্য।
মহিউদ্দিন খান মোহন
সহকারী সম্পাদক, প্রতিদিনের বাংলাদেশ