আহমেদ তোফায়েল
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ২ ঘণ্টা আগে
গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
বাংলাদেশে পুঁজিবাজারের ইতিহাসে ২০০৯-২০১০ সালের মহাধসের ক্ষত আজও শুকায়নি।
বিগত দেড় দশকে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নেতৃত্বে বারবার পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু বাজার তার কাঙ্ক্ষিত স্থিতিশীলতা পায়নি। ২০২৬ সালের জুনের এই সময়ে এসে বহুজাতিক কোম্পানির অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব মাসুদ খানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন কমিশন এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এটি কেবল একটি প্রশাসনিক রদবদল নয়, বরং এটি ভেঙে পড়া পুঁজিবাজারকে টেনে তোলার চেষ্টা।
১. পুঁজিবাজার
একটি দেশের অর্থনীতির দর্পণ। কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই দর্পণটি দীর্ঘদিন ধরে ধূলিধূসরিত।
২০১০ সালের ধসের পর থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিএসইসির শীর্ষ নেতৃত্বে চারবার বড় ধরনের
পরিবর্তন এসেছে। বিগত ১৬ বছরে এম খাইরুল হোসেন, শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম এবং অতি সম্প্রতি
খন্দকার রাশেদ মাকসুদের কমিশন দায়িত্ব পালন করেছে। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতা ও
আস্থার সংকট দূর হয়নি।
নতুন চেয়ারম্যান
মাসুদ খানের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো একটি সম্পূর্ণ অচল ইকোসিস্টেমকে পুনরুজ্জীবিত
করা। বিগত কমিশনগুলোর নীতিগত অদূরদর্শিতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার কারণে সাধারণ
বিনিয়োগকারীরা বাজারবিমুখ হয়েছেন। কেবল ব্যক্তি পরিবর্তন করলেই বাজারের গুণগত পরিবর্তন
আসে না। পরিবর্তন আনতে হলে কাঠামোগত এবং নীতিগত সংস্কারের বিকল্প নেই।
২. বিগত দেড় দশকের
বিএসইসির কার্যক্রম বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রতিটি কমিশনের আমলেই নির্দিষ্ট কিছু
কাঠামোগত বিচ্যুতি ছিল। অধ্যাপক খাইরুল হোসেনের দীর্ঘ মেয়াদে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা
আইপিও অনুমোদনের ক্ষেত্রে চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। দুর্বল, নামসর্বস্ব এবং
অস্তিত্বহীন কোম্পানিকে প্রিমিয়ামসহ বাজারে আসার সুযোগ দেওয়া হয়। এর ফলে আইপিও বাজারটি
তার মৌলিক আকর্ষণ হারায়।
পরবর্তীতে শিবলী
রুবাইয়াত-উল-ইসলামের মেয়াদে সেকেন্ডারি বাজারটি সুনির্দিষ্ট কিছু কারসাজিকারক চক্র
বা সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দাম বাড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের
টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উৎসব চলে। সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হলো, এই দুই মেয়াদে বিএসইসির
কর্মকর্তাদের একটি বড় অংশ এই অনিয়মের অংশীদার হয়ে পড়ে।
সর্বশেষ খন্দকার
রাশেদ মাকসুদের স্বল্পকালীন সময়ে দুর্নীতির বড় অভিযোগ না থাকলেও নেতৃত্বের চরম দুর্বলতা
প্রকাশ পায়। কর্মকর্তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং সমন্বয়হীনতা বিএসইসিকে অকার্যকর করে
তোলে। এমনকি ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কমিশনের শীর্ষ নেতৃত্ব নিজস্ব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
হাতে নাজেহাল হওয়ার মতো নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে। এই ধারাবাহিক ব্যর্থতা প্রমাণ করে, শক্ত
জবাবদিহিতা ও সুশাসনের অভাবে পুরো নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল।
৩. একটি পুঁজিবাজার
সচল থাকে মূলত বিনিয়োগকারীদের বিশ্বাসের ওপর ভর করে। যখন একজন বিনিয়োগকারী বুঝতে পারেন
যে বাজারটি সাধারণ নিয়মে নয়, বরং ইনসাইডার ট্রেডিং ও কারসাজির মাধ্যমে চলছে, তখন তিনি
বাজার থেকে পুঁজি তুলে নেন। বিগত বছরগুলোতে ঠিক এই ঘটনাটিই ঘটেছে।
আস্থার এই চরম
সংকটের ফলে দেশের পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি রক্তক্ষরণ শুরু হয়। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে
দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে। উদ্যোক্তারা দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের জন্য ব্যাংকের ওপর নির্ভরশীল
হয়ে পড়েছেন, যা ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পাহাড় তৈরি করেছে। অন্যদিকে, পুঁজিবাজার
গভীরতা হারানোর কারণে বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।
ভালো কোম্পানিগুলো বাজারে তালিকাভুক্ত হতে ভয় পাচ্ছে, কারণ তারা মনে করে স্বচ্ছ ব্যবসা
করে কারসাজির বাজারে টিকে থাকা সম্ভব নয়।
৪. নতুন চেয়ারম্যান
মাসুদ খান দায়িত্ব নিয়েই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেনÑ ‘স্মার্ট নিয়ন্ত্রণ’।
অতীতে দেখা গেছে, বিএসইসি যখনই বাজার পড়ে যেত, তখনই কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দাম ধরে রাখার
জন্য ‘ফ্লোর প্রাইস’ বা অন্যায্য মূল্য সীমার মতো বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিত। এটি বাজারের
স্বাভাবিক গতিকে রুদ্ধ করত এবং আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ভাবমূর্তি
ক্ষুণ্ন করত।
নতুন কমিশনের
দর্শন হওয়া উচিত বাজারের মূল্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ না করে, বাজারের প্রক্রিয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ
প্রতিষ্ঠা করা। স্মার্ট রেগুলেশন মানে হলো এমন একটি আইনি কাঠামো তৈরি করা, যা সাধারণ
বিনিয়োগকারীকে সুরক্ষা দেবে কিন্তু বাজারের স্বাভাবিক তারল্য প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করবে
না। যেখানে প্রয়োজন সেখানে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং যেখানে অপ্রয়োজনীয় আমলাতান্ত্রিক
জটিলতা রয়েছে, সেখানে নিয়ম সহজ করাই হলো এই দর্শনের মূল কথা।
৫. ঐতিহাসিকভাবে
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে কারসাজিকারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার
অনেক পরে। তদন্ত কমিটি গঠন, প্রতিবেদন জমা এবং আইনি প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতার সুযোগে
অপরাধীরা ততদিনে বাজার থেকে শত শত কোটি টাকা লোপাট করে চলে যেত।
নতুন কমিশন এই
জায়গায় ‘রিয়েল-টাইম’ বা প্রকৃত সময়ভিত্তিক ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ট্রেডিং সফটওয়্যারের
মাধ্যমে অস্বাভাবিক লেনদেন চিহ্নিত করা সম্ভব। যদি কোনো নির্দিষ্ট শেয়ারে অস্বাভাবিক
ভলিউম বা মূল্যের উত্থান দেখা যায়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে সেই অ্যাকাউন্টের লেনদেন স্থগিত
বা তদন্ত শুরু করতে হবে। বিশেষ করে ‘জেড’ ক্যাটাগরির দুর্বল কোম্পানিগুলোর শেয়ার নিয়ে
যে জুয়াখেলা চলে, তা বন্ধ করতে রিয়েল-টাইম নজরদারি হবে সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার।
৬. বিএসইসির ভেতরের
একটি বড় সমস্যা হলো সনাতন আমলাতান্ত্রিক কার্যপদ্ধতি। ফাইল আটকে থাকা, আইপিও অনুমোদনের
দীর্ঘসূত্রতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক অস্বচ্ছতার কারণে বিনিয়োগকারী ও অংশীজনরা প্রতিনিয়ত
হয়রানির শিকার হন। নতুন কমিশনের জন্য অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো সম্পূর্ণ সংস্থাকে
প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তোলা।
ডিজিটালাইজেশন
কেবল কাগজের কাজ কমানো নয়, এটি প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে। সব ধরনের আবেদন,
নিরীক্ষা এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া অনলাইনে আনা হলে কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত
প্রভাব খাটানোর সুযোগ কমে যাবে। একটি দ্রুত, সচ্ছল ও প্রযুক্তি-নির্ভর কমিশন গড়ে তুলতে
পারলে তা অংশীজনদের আস্থা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
৭. বাংলাদেশের
পুঁজিবাজারের অন্যতম প্রধান দুর্বলতা হলো এখানে ভালো ও মৌল ভিত্তিসম্পন্ন শেয়ারের তীব্র
সংকট। বাজারে সিংহভাগ কোম্পানিই মাঝারি বা দুর্বল মানের। নতুন কমিশনকে বাজারে প্রাণ
ফেরাতে হলে ভালো কোম্পানি নিয়ে আসতে হবে।
বহুজাতিক কোম্পানি
দীর্ঘকাল ধরে দেশের বাজারে ব্যবসা করলেও অনেকে তালিকাভুক্ত হতে অনাগ্রহী। এর কারণ হিসেবে
তারা কর হারের স্বল্প ব্যবধান এবং অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রক জটিলতার কথা উল্লেখ করে। নতুন
কমিশনকে সরকারের রাজস্ব বিভাগের সাথে সমন্বয় করে তালিকাভুক্ত ও অতালিকাভুক্ত কোম্পানির
কর হারের ব্যবধান বাড়াতে হবে। একই সাথে, সরকারের লাভজনক রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোকে
(যেমন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও টেলিযোগাযোগ খাতের কোম্পানি) পুঁজিবাজারে নিয়ে আসার জোরালো
উদ্যোগ নিতে হবে। বাজারে ভালো শেয়ারের সরবরাহ বাড়লে প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা
স্বতঃস্ফূর্তভাবেই ফিরে আসবেন।
৮. বিশ্বের যেকোনো
উন্নত পুঁজিবাজারে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা সরাসরি শেয়ার কেনাবেচা না করে মিউচুয়াল ফান্ডের
মাধ্যমে বিনিয়োগ করেন। এটি তাদের ঝুঁকির মাত্রা কমিয়ে দেয়। কিন্তু বাংলাদেশে মিউচুয়াল
ফান্ড খাতটি সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখে পড়েছে। ফান্ডের মেয়াদ বৃদ্ধি, লভ্যাংশ না দেওয়া
এবং ফান্ডের অর্থ ব্যবস্থাপকদের (Asset Management Companies) অনিয়মের কারণে সাধারণ
মানুষ এই খাতের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছে।
নতুন কমিশনের
অন্যতম প্রধান এজেন্ডা হওয়া উচিত এই মুখ থুবড়ে পড়া মিউচুয়াল ফান্ড খাতকে মেরামত করা।
ফান্ডের লভ্যাংশ নীতি কঠোর করতে হবে এবং সম্পদ ব্যবস্থাপকদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে
হবে। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের যদি এই খাতে ফিরিয়ে আনা যায়, তবে বাজারে স্থায়ী এবং স্থিতিশীল
তহবিলের জোগান নিশ্চিত হবে।
৯. পুঁজিবাজার
কখনও এককভাবে চলতে পারে না। এটি দেশের মুদ্রানীতি এবং রাজস্ব নীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে
জড়িত। অতীতে দেখা গেছে, বিএসইসি এক ধরনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, আর বাংলাদেশ ব্যাংক বা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) তার বিপরীতমুখী নীতি গ্রহণ করছে। এই সমন্বয়হীনতার মাশুল
দিতে হয়েছে বাজারকে।
নতুন কমিশনের
সফলতার জন্য সরকারের বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সুসমন্বয় অপরিহার্য। বিশেষ করে
ব্যাংকগুলোর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সীমা (এক্সপোজার লিমিট) নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ
ব্যাংকের সাথে যৌক্তিক সমঝোতায় আসতে হবে।
১০. একটি টেকসই
ও বৈষম্যহীন পুঁজিবাজার গঠনে নতুন কমিশনের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের রূপরেখা
বা রোডম্যাপ হতে পারে-
আইপিও প্রক্রিয়ার
সংস্কার :
বুক বিল্ডিং এবং ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতির ত্রুটিগুলো দূর করে আন্তর্জাতিক মানের অ্যাকাউন্টিং
স্ট্যান্ডার্ড নিশ্চিত করতে হবে। কোনো কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদনে মিথ্যা তথ্য প্রমাণিত
হলে সংশ্লিষ্ট অডিটর ও মার্চেন্ট ব্যাংককে আজীবন নিষিদ্ধ করতে হবে।
ইনসাইডার ট্রেডিং
ও কারসাজির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি : কেবল জরিমানা নয়, বড় ধরনের বাজার কেলেঙ্কারির সাথে
জড়িতদের ফৌজদারি আইনের আওতায় এনে কঠোর কারাদণ্ডের ব্যবস্থা করতে হবে। শাস্তির এই বার্তাটি
বাজারে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ফেলবে।
কমিশনের অভ্যন্তরীণ
শুদ্ধি অভিযান
: বিগত দিনে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়া দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের চিহ্নিত
করে অপসারণ বা শাস্তিমূলক বদলি করতে হবে। প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা ফিরে না এলে বাইরের
বাজারে শৃঙ্খলা আনা অসম্ভব।
বিনিয়োগকারী
শিক্ষা কার্যক্রম
: সাধারণ বিনিয়োগকারীদের গুজবের ভিত্তিতে বিনিয়োগ না করে কোম্পানির আর্থিক অবস্থা দেখে
বিনিয়োগ করার জন্য দেশব্যাপী সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।
পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক হলেও মাসুদ খানের নেতৃত্বাধীন নতুন কমিশনের সামনে এটি একটি ঐতিহাসিক সুযোগ। অতীতের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে, কঠোর পেশাদারত্ব ও সততার সাথে কাজ করলে এই বাজারকে দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের মূল উৎসে পরিণত করা সম্ভব। তাই নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে সাধারণ বিনিয়োগকারীÑ সবার চোখ এখন এই নতুন কমিশনের দূরদর্শী পদক্ষেপের দিকে।
আহমেদ তোফায়েল
বিজনেস এডিটর, প্রতিদিনের বাংলাদেশ