× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ব্যাংকিং খাত

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য ব্যাংকঋণ সুবিধা

নিরঞ্জন রায়

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৪৩ এএম

আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৪৭ এএম

নিরঞ্জন রায়

নিরঞ্জন রায়, সার্টিফায়েড অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরন্টো, কানাডা। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

নিরঞ্জন রায় নিরঞ্জন রায়, সার্টিফায়েড অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরন্টো, কানাডা। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

বিগত দেড় বছরের অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনীতিতে যে ভয়াবহ ক্ষতি হয়েছে সেখান থেকে বাদ যায়নি দেশের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত মানুষও। বরং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত মানুষ অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যদিও তাদের খারাপ অবস্থার কথা সেভাবে আলোচনা হয়নি। কেননা এসব ব্যবসায়ীর সাংগঠনিক অবস্থা ততটা শক্ত নয়। ফলে আলোচনা এবং সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের ক্ষেত্রে তাদের অবস্থা খুবই দুর্বল। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, তাদের অবস্থান দেশব্যাপী এবং প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত। রাজধানী, বৃহৎ নগরী এবং বিশেষ অঞ্চলের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের খারাপ অবস্থার খবর কিছু মিডিয়াতে উঠে এলেও দেশব্যাপী বিস্তৃত বিশাল ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের দুরবস্থার খবর অগোচরেই রয়ে গেছে। যে কারণে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সংকটে থাকার বিষয়টি নতুন সরকারের অগ্রাধিকারের নিচেই পড়ে থাকতে পারে।

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অন্যতম সমস্যা হচ্ছে মূলধন। মূলধন ব্যবস্থাপনা কীভাবে করতে হয়, তা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা একেবারেই জানে না। নিজের জমানো অর্থ দিয়ে ব্যবসা শুরু করার সংখ্যা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাঝে খুবই নগণ্য। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত মানুষ আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে ব্যক্তিগত ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করে। অনেকে স্থানীয় ধনাঢ্য ব্যক্তি বা এনজিও থেকে উচ্চসুদে ঋণ নিয়ে থাকে। ফলে তাদের শুরুটাই হয় মূলধন সমস্যা দিয়ে। এই ঋণের সুদ পরিশোধ করতে তাদের লাভের বড় একটি অংশ চলে যায় এবং শুরুতে নেওয়া ঋণ আর কখনোই পরিশোধ হয় না। কখনও যদি ঋণ পরিশোধ করতেই হয়, তখন অন্য উৎস থেকে ঋণ নিয়ে সেটা করতে হয়। ফলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা শুরু থেকেই একটা উচ্চসুদের ঋণের দুষ্টচক্রে আটকে থাকে। 

ব্যবসা পরিচালনার অন্যতম একটি উপাদান চলতি মূলধন বা ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল, যে ব্যাপারে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কোনো ধারণাই নেই। তারা জানেই না যে চলতি মূলধন কী এবং তাদের ব্যবসার জন্য কেন প্রয়োজন। এসব ব্যবসায়ী অধিকাংশ ক্ষেত্রে সরবরাহকারীদের কাছ থেকে বাকিতে পণ্যদ্রব্য ক্রয় করে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে বিক্রি করে, যার বড় একটি অংশ আবার বাকিতেই বিক্রি হয়। একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর সরবরাহকারীদের পাওনা টাকা ঠিকই পরিশোধ করতে হয় কিন্তু তাদের বাকিতে বিক্রির অর্থ নিয়মিত আদায় হয় না। ফলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা সব সময়ই আর্থিক টানাপড়েনের মধ্যে থাকে। অথচ বিষয়টি যে চলতি মূলধন ব্যবস্থাপনার একটি অংশ, সেটাও তারা বুঝতে পারে না। এই চলতি মূলধন সঠিকভাবে ম্যানেজ করতে না পারার কারণে অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ব্যবসা শুরুর চার/পাঁচ বছরের মধ্যেই তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়। 

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মূলধন এবং আর্থিক সংকট লাঘব করে নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনায় সহযোগিতা করার উদ্দেশ্যে তাদের ব্যাংকঋণের সুযোগ অবারিত করা প্রয়োজন। ক্ষুদ্র এবং মাঝারি ব্যবসার জন্য বর্তমানে যে ব্যাংকঋণের সুযোগ আছে, তা খুব সীমিত এবং এক জটিল পদ্ধতি। এই পদ্ধতি খুব সহজ এবং বিস্তৃত করা প্রয়োজন, যাতে যেকোনো ব্যবসায়ী, যেমনÑ গ্রামের একজন চায়ের দোকানদার বা রিকশাচালক এই ঋণ পেতে পারে। তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বা উপার্জনের মাধ্যম সচল থাকলেই প্রয়োজন মোতাবেক এই ঋণ পেতে পারবে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো সব সময়ই অনীহা প্রকাশ করে। এর অবশ্য কারণ আছে। কেননা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে ঋণ প্রদান করলে তা খুব সহজেই খেলাপি হতে পারে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে সমগ্র বিশ্বেই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেশি। এ কারণেই পরোক্ষ জামানতের ব্যবস্থা করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণ প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ইনস্যুরেন্স গ্যারান্টি হতে পারে এই ধরনের পরোক্ষ জামানত।

বিভিন্ন ইনস্যুরেন্স কোম্পানি ‘ক্ষুদ্র এবং আত্মকর্মসংস্থান ঋণ গ্যারান্টি’ নামের একটি প্রডাক্ট চালু করতে পারে, যা তাদের জন্য নতুন এক লাভজনক ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি করবে। ব্যাংকগুলো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণ প্রদানের সময় ইনস্যুরেন্স কোম্পানি থেকে এই গ্যারান্টি ক্রয় করবে, যা প্রদত্ত ঋণের পরোক্ষ জামানত হিসেবে জমা থাকবে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের ভালো করে বুঝায়ে সচেতন করে তুলবে। তাদেরকে বোঝাতে হবে যে, তারা যদি নিয়মিত ঋণ পরিশোধ করতে পারে, তাহলে তাদের ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম ক্রমান্বয়ে কমে আসবে এবং সেই সঙ্গে ভবিষ্যতে অধিক পরিমাণে ঋণগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পক্ষান্তরে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে প্রিমিয়ামের পরিমাণ বাড়তে থাকবে এবং ঋণগ্রহণের পরিমাণ হ্রাস পেতে থাকবে। এভাবে একাধিকবার ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে ঋণগ্রহণের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে কয়েক বছরের জন্য। ক্ষুদ্রঋণের জন্য ঢালাওভাবে ওভার ড্রাফট ঋণ দেওয়ার সুযোগ নেই। এ ক্ষেত্রে মঞ্জুর করতে হবে পুনর্বায়নযোগ্য মেয়াদি ঋণ বা রিভলভিং টাইম লোন অথবা মাসিক কিস্তিতে পরিশোধযোগ্য টার্ম লোন। এসব ঋণের মধ্যকার পার্থক্য এবং এর সুবিধা-অসুবিধা একটি ভিন্ন প্রসঙ্গ বিধায়, এখানে আলোচনার সুযোগ নেই, তাই অন্য কোনো পরিসরে বিস্তারিত আলোচনার চেষ্টা করব। 

ইনস্যুরেন্স গ্যারান্টি রেখে ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ করা হলে, ঋণগ্রহীতা যদি ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয় তখন ঋণদাতা ব্যাংক সেই ইনস্যুরেন্স গ্যারান্টির বিপরীতে প্রদত্ত ঋণের টাকা ইনস্যুরেন্স কোম্পানি থেকে আদায় করে নিতে পারবে। এই ধরনের ঋণের ক্ষেত্রে সুবিধা হচ্ছে ব্যাংকের এই ঋণের বিপরীতে কোনোরকম প্রভিশন রাখার প্রয়োজন নেই। কেননা এই ঋণ মূলত জামানত দ্বারা নিশ্চিত বা সিকিউরড ঋণ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে এ ক্ষেত্রে ইনস্যুরেন্স কোম্পানির দাবি পরিশোধে কোনোরকম দীর্ঘসূত্রতা বা গড়িমসি করার সুযোগ থাকবে না। কোনো ঋণদাতা ব্যাংক ক্রয় করা ইনস্যুরেন্স গ্যারান্টির বিপরীতে অর্থ দাবি করা মাত্র সেই ইনস্যুরেন্স কোম্পানি বিনাবাক্যে তা পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবে। এ কারণে এই ধরনের ইনস্যুরেন্স প্রডাক্টের প্রিমিয়াম তুলনামূলক বেশি হয়ে থাকে।

অনেকে ভাবতে পারেন যে, এজন্য প্রিমিয়াম বাবদ অনেক টাকা বাড়তি খরচ হবে। বিষয়টি মোটেই সেরকম নয়। ব্যাংক যদি সিকিউরড ঋণ হিসেবে কম সুদের হারে এই ঋণ প্রদান করে, তাহলে ঋণগ্রহীতা কম সুদ প্রদানের কারণে যে অর্থ সাশ্রয় করবে, তার সঙ্গে সামান্য পরিমাণ অর্থ যোগ করে প্রিমিয়াম পরিশোধ করতে পারবে। আর ব্যাংক যদি অন্যান্য বাণিজ্যিক ঋণের মতো উচ্চহারে সুদ আদায় করে, তখন ব্যাংক নিজেরাই প্রিমিয়াম সরাসরি ইনস্যুরেন্স কোম্পানিকে প্রদান করবে। এতে ব্যাংকের সেরকম ক্ষতি হবে না। কেননা এই ঋণের ক্ষেত্রে কোনোরকম রিক্স প্রিমিয়াম থাকবে না এবং কোনোরকম প্রভিশনও রাখার বাধ্যবাধকতা থাকবে না। বিষয়টি একটু জটিল বিধায় একটি কাল্পনিক উদাহরণের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। 

ধরা যাক, একটি ব্যাংক ক্ষুদ্র এবং আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত ব্যবসায়ে ১০০ কোটি টাকার ঋণ প্রদান করেছে। গড়ে প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে দুই লাখ টাকা করে ঋণ প্রদান করলে, মোট ঋণগ্রহীতার সংখ্যা হবে ৫ হাজার। এই ১০০ কোটি টাকার পুরো ঋণের বিপরীতে ইনস্যুরেন্স গ্যারান্টি নেওয়া থাকবে। যেহেতু এই খাত অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, তাই বিতরণ করা ১০০ কোটি টাকার ৪০%, অর্থাৎ ৪০ কোটি টাকা খেলাপি হতে পারে। এই ৪০ কোটি ঋণ তো আর প্রথম বছরেই খেলাপি হবে না এবং ধরে নেওয়া যেতে পারে যে আগামী চার বছরে এই ৪০ কোটি ঋণ খেলাপি হবে। সে ক্ষেত্রে প্রতিবছর খেলাপি ঋণের পরিমাণ হবে ১০ কোটি টাকা, যা ৫ হাজার ঋণগ্রহীতার মাঝে ভাগ করে দিলে প্রতি ঋণগ্রহীতার ওপর প্রিমিয়াম হবে বছরে মাত্র ২০ হাজার টাকা। পক্ষান্তরে ঋণগ্রহীতা যেহেতু ঋণের পরোক্ষ জামানত হিসেবে ইনস্যুরেন্স গ্যারান্টি প্রদান করবে তাই তারা ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের ওপর ধার্য ১৫% সুদের পরিবর্তে ঝুঁকিমুক্ত ঋণের ওপর ১০% হারে সুদ প্রদান করবে। ফলে ক্ষুদ্র এবং আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত ব্যবসায়ীরা গৃহীত ঋণের ওপর ৫% সুদ কম দিবে, যার পরিমাণ হবে বছরে ১০ হাজার টাকা। এই কম সুদের বিষয়টি বিবেচনায় নিলে ইনস্যুরেন্স গ্যারান্টির প্রকৃত বা নেট প্রিমিয়ামের পরিমাণ দাঁড়াবে বছরে মাত্র ১০ হাজার টাকা। এই সামান্য অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে দেশের ক্ষুদ্র এবং আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত ব্যবসায়ীদের সহজে ব্যাংক থেকে ঋণগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা তাদের মূলধন এবং আর্থিক সংকট কাটাতে ভালো ভূমিকা রাখবে। 

আমি আলোচনার সুবিধার্থে খুবই সাধারণ হিসাবের মাধ্যমে বিষয়টি ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু যারা ইনস্যুরেন্স বা অ্যাকচুয়ারি বিশেষজ্ঞ, তারা সঠিক সূত্র প্রয়োগ করে হিসাব করলে, এই প্রিমিয়ামের পরিমাণ আরও কম হবে। তা ছাড়া ক্ষুদ্র এবং আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত ব্যবসায়ীরা ধনাঢ্য ব্যক্তি বা এনজিও থেকে যে উচ্চহারে ঋণ নিয়ে থাকে, তার তুলনায় এই প্রিমিয়ামের পরিমাণ অনেক সাশ্রয়ী হবে। এভাবে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে ঋণ প্রদান করার অনেক ভালো দিক আছে। প্রথমত, ব্যাংকগুলো স্বাচ্ছন্দ্যে ঋণ প্রদান করতে পারবে এবং এতে খেলাপি ঋণের ঝুঁকি থাকবে না। দ্বিতীয়ত, ইনস্যুরেন্স কোম্পানিগুলোর ভালো ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি হবে। তৃতীয়ত, ক্ষুদ্র এবং আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত ব্যবসায়ীদের ব্যাংকঋণ গ্রহণের সুযোগ অবারিত হবে। 

এই কাজের জন্য অবশ্য প্রযুক্তিনির্ভর একটি বিস্তৃত বা কম্প্রিহেনসিভ অ্যাপলিকেশন তৈরি করতে হবে, যার মাধ্যমে সম্পূর্ণ ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থাপনার কাজটি সম্পন্ন করা হবে। ফলে এখানে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কোনোরকম নিয়মের ব্যত্যয় ঘটানোর সুযোগ থাকবে না। দেশের অর্থনীতি সচল করতে হলে ক্ষুদ্র এবং আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত ব্যবসাকে উৎসাহিত করতে হবে। আর এটা করতে হলে তাদের জন্য ব্যাংকঋণের সুযোগ অবারিত করা প্রয়োজন।


নিরঞ্জন রায়

সার্টিফায়েড অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরন্টো, কানাডা 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা