ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন
ড. মোসলেহউদ্দিন আহমেদ
প্রকাশ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:৩৩ পিএম
দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই দিনে আজ দুটো ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং অপরটি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট। এর আগে দেশের ইতিহাসে দুইবার গণভোট আয়োজিত হলেও এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। এবার আলাদা দুটো ব্যালটে ভোটাররা ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। একটি ব্যালটে ভোটাররা তার নিজ নিজ আসনের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন। অপরটিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জনমত প্রয়োগ করবেন। এই দুটো বিষয় নিয়েই সারাদেশের মানুষের মনে রয়েছে সীমাহীন কৌতূহল। অন্তত সংবাদমাধ্যমগুলোতে চোখ বুলালে তাই মনে হয়। একটি অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ভোট আয়োজনের বিষয়ে ইসি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। কিন্তু আমি বরাবরই বলে এসেছি, দেশের ইতিহাসে সব সমীকরণই পালটে যায় ভোটের দিন। আমরা ভোটের আগমুহূর্তের নানা রাজনৈতিক ঘটনাকে হয়তো বিশ্লেষণ করতে পারি, পর্যবেক্ষণ করতে পারি আতশি কাচের তলে ফেলে। কিন্তু ভোটের দিনটিই বলে দেয় আগামী পাঁচটি বছর কেমন হতে চলেছে। সে নিরিখে আজকের দিন ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি এবং ভোটকেন্দ্রগুলো পরিচালনার অবস্থাই নির্ধারণ করবে আগামী পাঁচ বছর বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামো কোনদিকে এগিয়ে যাবে।
দেশের ইতিহাসে এবারের নির্বাচনটি নানা কারণেই উল্লেখযোগ্য। প্রধাণত
গণতন্ত্রের যে সুষ্ঠু ও মজবুত ভিত্তি নিয়ে ‘বাংলাদেশ’ নামক রাষ্ট্রের সামনে এগিয়ে
চলার কথা, সেই পথ চলা মসৃণ হয়নি। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং বারবার রাষ্ট্রকাঠামোর
ছন্দপতনের নেতিবাচক প্রভাব দেশের জনগণ বারবার মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেছে। স্বাধীনতার
অর্ধশতাব্দী পরও আমাদের রাষ্ট্রে সিভিল ব্যুরোক্রেসি এবং স্থানীয় সরকার কাঠামো
স্বচ্ছভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি। অথচ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা যে
স্বশাসনের সুযোগ পেয়েছি তা থেকে এটুকু স্পষ্ট যে, সিভিল ব্যুরোক্রেসি এবং স্থানীয়
সরকারকাঠামোকে শক্তিশালী করা গেলে জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতিও নানাভাবে লাভবান হতো।
এর সুফল রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান তো বটেই, জনগণও ভোগ করত। কিন্তু এখনও প্রশাসনিক,
রাজনৈতিক এবং রাষ্ট্রকাঠামোগত পর্যায়ে আমরা এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারিনি। পারিনি
বলেই দেশে গণতান্ত্রিক চর্চার পথে প্রতিবন্ধকতা বেড়েছে।
বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে
বরাবরই স্বৈরশাসন একটি বড় সংকট হিসেবে জিইয়ে ছিল। ১৯৫৮ সালে অবিভক্ত পাকিস্তানের
অধীনে এই ভূখণ্ড দীর্ঘদিন সামরিক শাসনের অধীনে ছিল। তারপর একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের
মাধ্যমে বাংলাদেশিরা স্বশাসনের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে। কিন্তু এরপরও কী আমরা
স্বৈরশাসন থেকে মুক্ত হতে পেরেছি? একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এদেশের মানুষ
যখন একটি সংবিধান পেয়েছিল, তখন তাদের মনে একটিই প্রত্যাশা ছিল, তারা পূর্ণ
গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির মধ্যেই বসবাস করতে পারবেন। দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলাদেশ পাকাপোক্তভাবে
গণতান্ত্রিক ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে পারেনি। এর ফলে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক,
প্রাতিষ্ঠানিক, অর্থনৈতিক এমনকি সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও দলীয়করণের একটি প্রভাব
পড়েছে। এই প্রভাবের ফলে দেশে কর্তৃত্ববাদী শাসন মাথাচাড়া দিয়েছে বারবার। আর এই
কর্তৃত্ববাদী শাসনকে বারবারই দেশের মানুষ প্রতিহত করেছে। তারা রাজপথে নেমেছে। কেন
নেমেছে? স্বশাসন এবং পূর্ণ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি যেন দেশে গড়ে ওঠে এবং রাষ্ট্রের
কর্ণধার হিসেবে জনগণ যেন তার সুফল ভোগ করতে পারে।
আমরা দেখেছি, ২০২৪ সালে জুলাই অভ্যুত্থানের আগে তিনটি জাতীয়
নির্বাচন আয়োজিত হয়েছে। এ তিনটি নির্বাচনই নানা কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। কারণ,
এসব নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়নি। আবার এসব ভোটে অনেক
ক্ষেত্রে ভোটারের ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রেও নানা প্রতিবন্ধকতা গড়ে তোলা হয়েছে।
পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছিল যে, এই দেশের মানুষের মনে এক ধরনের হতাশা
জেগে উঠেছিল। তারা ভাবছিল, হয়তো আমরা এই কর্তৃত্ববাদী শাসন থেকে আর মুক্ত হতে পারব
না। কিন্তু দেশের মানুষ বরাবরই স্বচ্ছ গণতান্ত্রিক পরিবেশকে শ্রদ্ধা করে। শ্রদ্ধা
করে বিধায় আমরা দেখেছি, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান। জুলাই অভ্যুত্থান নতুন করে দেশের প্রশাসনিক,
রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং অর্থনৈতিক কাঠামোকে রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কিত করেছে। ফলে
একদিকে রাজনৈতিক দলগুলো যেমন তাদের মতাদর্শিক জায়গা থেকে গণতন্ত্র চর্চা শুরু করতে
পেরেছে। অন্যদিকে, দেশের মানুষও রাজনৈতিক কার্যক্রমের প্রতি কৌতূহলী হয়ে উঠেছে।
আমরা এও দেখেছি, ১৯৯০ সালের পর যখন বাংলাদেশে আবার নতুন করে
গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অভিযাত্রার পথ সুগম হতে শুরু করে তখনও রাজনৈতিক অঙ্গন কিছুটা
ভিন্নপথে পরিচালিত হয়েছে। দেশের শাসকরা বরাবরই গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে
প্রতিষ্ঠার বদলে পেশিশক্তির মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের লড়াইকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছে।
স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে দেশে জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক
অংশীজনরা উদ্যোগ নিয়েছেন এমনটা দেখা যায়নি। বরং আমরা এক ধরনের কর্তৃত্ববাদী শাসনই
দেখেছি যেখানে রাজনৈতিক বিরোধী পক্ষকে দমনের আকাঙ্ক্ষাই ছিল জোরালো। এসবের প্রভাব
পড়েছে জনজীবনে। ফলে দেশের মানুষ রাজনীতিবিমুখ হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু সেই অবস্থার
পরিবর্তন ঘটে চব্বিশে। মানুষ আবার নতুন করে নিজ অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠেছে।
এই সচেতনতা মূলত স্বশাসনের। অর্থাৎ, তাদের একটি ভোটও যে গুরুত্বপূর্ণ, এ বিষয়টি
এখন জনমনে প্রবলভাবে কাজ করছে। বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছে রাজনৈতিক দলগুলোও। আর
উপলব্ধি করেছে বলেই নির্বাচনের আগে প্রচারণায় সবাই চেষ্টা করেছে জনমত আদায়ের। একটি
পরিসংখ্যান দিয়ে বিষয়টি বোঝানো যেতে পারে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচনী হলফনামা বিশ্লেষণ
করে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে মোট ২ হাজার ২৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করছেন। এই প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। তবে ইতিবাচক বিষয় হলো,
এবার নির্বাচনে নিবন্ধিত ৫১টি দল থেকে মনোনয়ন নিয়ে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করছেন। এর আগে ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাত্র ১২টি নিবন্ধিত
রাজনৈতিক দল থেকে মনোনয়ন নিয়ে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। অর্থাৎ আগের
নির্বাচনের তুলনায় এবারের নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক এবং প্রতিযোগিতামূলক বলেই
প্রতীয়মান হচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোও বুঝতে পেরেছে যে, জনকল্যাণমুখী রাজনীতির
মাধ্যমেই তারা এদেশের শাসনকাঠামোতে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে। সেই নিরিখেই আমরা
সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি, প্রার্থীরা নানাভাবে প্রচারণা
চালিয়েছেন এবং জনগণের সমর্থন আদায় করার চেষ্টা করেছেন। তারা কতটা সফল হয়েছেন তার
ফল মিলবে আজ।
দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষেত্রে আমার একটি পর্যবেক্ষণ হলো,
সব দলই নির্বাচনব্যবস্থাকে ভ্রান্ত দৃষ্টিতে দেখে। নির্বাচন আসলে যে গণতন্ত্রে
উত্তরণের একটি উপায়, তা দীর্ঘদিন দলগুলো যেন বুঝতে পারেনি। বুঝতে পারেনি বিধায়
বিগত সময়ে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনগুলো একদলীয় আকার ধারণ করেছিল। ভোটকেন্দ্র
দখল, ভোট কারচুপির এই সংস্কৃতি কর্তৃত্ববাদী অভ্যাসে পরিণত হয়। এর প্রভাব নাগরিক
জীবনে কতটা ভয়াবহভাবে পড়ে তা জনপ্রশাসন, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক অঙ্গনের বিগত পনেরো
বছরের ইতিহাসের দিকে তাকালেই স্পষ্ট হয়। সে সংকট থেকে আমরা কিছুটা হলেও মুক্ত হতে
পেরেছি বলেই মনে হচ্ছে। রাজনীতিতে বিচার, বুদ্ধি ও সুস্থ যুক্তিতর্কের কোনো অবকাশ
থাকে না, এমন একটি ধারণা সবার মধ্যেই তাই কাজ করেছে। এমনটি হলে রাজনৈতিক দলের
মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল বাড়ে আবার নানা উপদল তৈরি হয়। এমনটি হলে রাজনৈতিক দলের
অস্তিত্বই বিপন্ন হয়ে যায়। তার জলজ্যান্ত উদাহরণ পতিত আওয়ামী লীগ। আমরা যখন দেখি
আদর্শগত বা রাজনৈতিক কোনো কারণ নেই, অথচ একটি দলের মধ্যে নেতৃত্বের জন্য কোন্দল
অব্যাহত আছে, তখন আমাদের ভেবে দেখতে হয় কেন এসব কোন্দল। আদর্শগত ও রাজনৈতিক কারণ
যদি না থাকে তাহলে বুঝতে হবে বৈষয়িক চাওয়া-পাওয়ার কারণে এসব ঘটনা ঘটে।
দেশের মানুষ বিগত তিনটি নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের
অধিকারের ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধকতা দেখেছে। তারই প্রতিবাদে হয়েছে জুলাই
অভ্যুত্থান। যখনই বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মানুষের মৌলিক অধিকার খর্ব হয়েছে, তখনই মানুষ
রাজপথে নেমে রাজনৈতিক অধিকার আদায় করেছে। কিন্তু রাজনৈতিক অঙ্গনের সঙ্গে যদি
প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোকে শক্তিশালী না করা যায়, তাহলে এই অধিকার আদায়ের সুফল
দীর্ঘস্থায়ী হয় না। সে ক্ষেত্রে আমার পর্যবেক্ষণ হলো, যদি জাতীয় নির্বাচনের আগে
স্থানীয় সরকার কাঠামোর নির্বাচন আয়োজন করা যেত তাহলে অনেক কিছুই সহজ হয়ে যেত। আবার
যে গণভোট আয়োজিত হবে সেটির বিষয়েও সাধারণ মানুষের মনে স্পষ্ট ধারণার অভাব রয়েছে।
গণভোটের বিষয়ে মানুষের কৌতূহল রয়েছে ঠিকই। কিন্তু প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে অনেকের
স্বচ্ছ ধারণা নেই। এ ক্ষেত্রে ভোটার প্রশিক্ষণের বিষয়ে ইসি পদক্ষেপ নিতে পারত। তবে
স্বল্প সময়েও ইসি যে ভূমিকা রেখেছে তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।
দেশের নির্বাচনব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক কাঠামো নিয়ে দীর্ঘদিন
ধরেই নানা অভিযোগ রয়েছে। রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে ভোটারের দূরত্ব তৈরি
হয়েছে। এজন্য এখনও জনপ্রশাসন নাগরিক পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার কাজটি সুষ্ঠুভাবে করতে
পারছে না। এটিকে অনেকে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা বললেও সাধারণ মানুষের জীবনে ভোগান্তিই
হয়ে উঠছে। প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে জনগণের দূরত্বের সুযোগ নিয়েই বেড়েছে প্রশাসনিক
দুর্নীতি ও অনিয়ম। এমনকি প্রশাসনের ক্ষমতাও নানাভাবে রাজনৈতিক প্রভাবে হ্রাস
পেয়েছে বলে অতীতে অভিযোগ ছিল এবং এখনও রয়েছে। এসব সমস্যা দূর করার জন্যই এই পুরনো
কাঠামোর সংস্কার জরুরি, পরিবর্তন নয়। পরিবর্তন মানে একদমই নতুনভাবে গড়া। কিন্তু
আমাদের যে কাঠামোর ক্ষতি হয়েছে, তা সংস্কার করলে আমরা কাঙ্ক্ষিত ব্যবস্থা পেতে
পারি। তারপরও সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন বলে মনে করি।
এ মুহূর্তে ঢালাওভাবে আমরা ইসি কিংবা জনপ্রশাসনকে আমূল বদলে ফেলার কথা বলতে পারি
না।
আমরা শুধু চ্যালেঞ্জগুলো শনাক্ত করতে পারি। তবে এই চ্যালেঞ্জগুলো আসলে কেমন তা বলে দিবে আজকের দিনের ভোটপর্ব সম্পন্ন হওয়ার শুরু থেকে শেষ অবধি ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো। কারণ এই নির্বাচনের মাধ্যমেই আমরা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পথে উত্তরণ করবÑ এমন এক প্রত্যাশা জনমনে প্রবলভাবে কাজ করছে। কাজ করছে বিধায় এই ভোট নিয়ে গোটা বিশ্বেরই মনোযোগ বেড়েছে। তবে অতীতের তুলনায় এবারের ভোট একেবারেই ব্যতিক্রম। কারণ অতীতে বিদেশি হস্তক্ষেপের এক অভিযোগ বারবারই উঠে আসত। তা থেকে যেন আমরা বেরিয়ে এসেছি। এখন দেখার বিষয়, ভোটপর্বটুকু কতটা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।
ড. মোসলেহউদ্দিন আহমেদ
রাজনীতি ও স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ এবং সাবেক উপাচার্য, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়