× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

অর্থনীতি

বিনিয়োগ সংকটে বাংলাদশ

ড. মো. আইনুল ইসলাম

প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:৫৮ এএম

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:০৪ এএম

বিনিয়োগ সংকটে বাংলাদশ

বর্তমানে বাংলাদশের অর্থনীতি এক চরম বিনিয়োগ সংকটের আবর্তে নিমজ্জিত, যা কেবল পরিসংখ্যানগত অবনমন নয় বরং একটি গভীর কাঠামোগত ও নীতিগত ব্যর্থতারই প্রতিফলন। তথ্য ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার বিশ্লেষণ বলছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিনিয়োগ প্রস্তাব নিবন্ধন অস্বাভাবিকভাবে ৫৮ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে- যা মূলত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের পর থেকে দেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন স্তরে পৌঁছেছে। এই বিনিয়োগ স্থবিরতার নেপথ্যে আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরাজমান রাজনৈতিক অস্থিরতা, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ মূল্যস্ফীতি, সুদের উচ্চহার এবং আর্থিক খাতের দীর্ঘমেয়াদি সুশাসনের অভাব এক বিষচক্র তৈরি করেছে। বিশেষ করে বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের (এফডিআই) ক্ষেত্রে যে চিত্রটি ফুটে উঠেছে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক; নতুন ইকুইটি ক্যাপিটাল প্রবাহ প্রায় ১৭ শতাংশ কমে বর্তমানে মাত্র ৫৫ কোটি ৪৭ লাখ ডলারে ঠেকেছে, যা মোট জিডিপির মাত্র ০.৩৩ শতাংশ। এই সামগ্রিক পরিস্থিতি কেবল বর্তমানের সংকট নয় বরং আগামী এক দশকের জন্য এক দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক ও সামাজিক শঙ্কার মেঘ ঘনীভূত করছে।

বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতির প্রতিটি প্রধান সূচকই এখন চাপের মুখে রয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলছে। ডিসেম্বর ২০২৫-এর তথ্য অনুযায়ী মূল্যস্ফীতি ৮.৪৯ শতাংশে স্থির থাকলেও খাদ্য ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের বাজারে এর প্রভাব আরও অনেক বেশি অনুভূত হচ্ছে, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের সঞ্চয়কে কার্যত শূন্যে নামিয়ে তাদের জীবনকে ধারকর্জ-নির্ভরতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের জানুয়ারি ২০২৬-এর গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস রিপোর্টে বাংলাদেশের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৪.৬ শতাংশে সংশোধন করা হয়েছে, যা পূর্ববর্তী অনুমানের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম এবং এটি মূলত অভ্যন্তরীণ চাহিদা হ্রাস ও বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহের চরম ধীরগতিরই ফল। যদিও চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১৮.১২ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স প্রবাহ কিছুটা স্বস্তির জায়গা তৈরি করেছে, কিন্তু উৎপাদনশীল খাতে গতি না ফেরায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে, বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ৬.২৯ শতাংশে নেমে আসা নির্দেশ করে যে, উদ্যোক্তাদের মধ্যে নতুন কোনো কারখানা স্থাপন বা ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য বিন্দুমাত্র উৎসাহ নেই।

বাংলাদেশের অর্থনীতির সবচেয়ে গভীর ক্ষতটি এখন দৃশ্যমান হচ্ছে এর রুগ্‌ণ ব্যাংকিং খাতে, যা মূলত সুপরিকল্পিত প্রাতিষ্ঠানিক ধ্বংসযজ্ঞ ও অলিগার্কিক নিয়ন্ত্রণের এক করুণ ট্র্যাজেডি। সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের হার মোট বিতরিত ঋণের ৩৫.৭৩ শতাংশে পৌঁছেছে, যা দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে সর্বোচ্চ। এই বিপুল পরিমাণ অনাদায়ী ঋণের বড় অংশই নির্দিষ্ট কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এবং তাদের সহযোগীরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে শরিয়াহ ভিত্তিক ব্যাংকগুলো থেকে স্রেফ ডাকাতি করে নিয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক পাঁচটি অতি দুর্বল ব্যাংক একীভূত করে ‘ইউনাইটেড ইসলামী ব্যাংক’ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এতে করদাতাদের ৩৫,০০০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন হিসেবে জোগানের পরিকল্পনা করেছে। কিন্তু শঙ্কার বিষয় হলো, কেবল নাম পরিবর্তন বা একীভূতকরণ করে যদি প্রকৃত লুটেরাদের শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে এই বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ নতুন করে অপচয় হবে এবং সাধারণ আমানতকারীদের আস্থাহীনতা আরও বৃদ্ধি পাবে, যা ইতোমধ্যেই পুঁজিবাজারে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার শেয়ার মূল্য নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে, যা পুঁজিবাজারের দীর্ঘমেয়াদি রক্তক্ষরণের মাধ্যমে অর্থনীতির আয়নাকে অত্যন্ত ঝাপসা ও হতাশাজনক করে তুলেছে এবং দেশের আর্থিক খাতের সামগ্রিক ভঙ্গুরতাকে বিশ্বদরবারে উন্মোচিত করেছে।

তাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের বর্তমান বিনিয়োগ সংকটকে অর্থনীতি, সমাজবিজ্ঞান ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের তিনটি প্রধান ধারণার সমন্বয়ে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা সম্ভব, যা পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করতে সাহায্য করে। প্রথমত, জন মেইনার্ড কেইনসের ‘এনিমেল স্পিরিটস’ তত্ত্ব অনুসারে মানুষের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তগুলো কেবল গাণিতিক হিসাব নয় বরং আবেগ, প্রবৃত্তি এবং আস্থার ওপর নির্ভর করে; বর্তমানে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে এই ‘এনিমেল স্পিরিটস’ বা আত্মবিশ্বাস চরমভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ব্যাংক খাতের বিশৃঙ্খলার কারণে। দ্বিতীয়ত, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ‘স্টেট ক্যাপচার’ বা রাষ্ট্রীয় দখলদারত্ব তত্ত্বের আলোকে দেখা যায় যে, গত দুই-আড়াই দশকে দেশের প্রতিটি স্বাধীন রেগুলেটরি বডি এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান একটি নির্দিষ্ট অলিগার্কিক গোষ্ঠীর সেবায় নিয়োজিত ছিল, যার ফলে বাজারে অবাধ প্রতিযোগিতার বদলে একচেটিয়া লুটপাটের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। তৃতীয়ত, সমাজবিজ্ঞানের ‘সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট’ বা সামাজিক চুক্তি তত্ত্ব অনুযায়ী, রাষ্ট্রের সঙ্গে জনগণের যে আস্থা ও নিরাপত্তার অঙ্গীকার থাকে তা আজ অত্যন্ত ভঙ্গুর; উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং মজুরি অনমনীয়তার কারণে শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যে বঞ্চনার বোধ তৈরি হয়েছে, তা একটি ‘সামাজিক চুক্তির ভাঙন’ নির্দেশ করে এবং যেকোনো মুহূর্তে গণরোষে রূপ নিতে পারে।

ভবিষ্যৎ শঙ্কার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হলো ২০২৬ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে চূড়ান্তভাবে উত্তরণ, যা বর্তমানের ভঙ্গুর প্রস্তুতিতে অর্থনীতির জন্য এক অগ্নিপরীক্ষা হয়ে দাঁড়াবে। এলডিসি উত্তরণের ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন বাজারে আমরা যে শুল্কমুক্ত বাজার প্রবেশাধিকার সুবিধা বাংলাদেশ পেত, তা ধীরে ধীরে প্রত্যাহার হয়ে যাবে। এতে করে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি ৭ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে। বিশেষ করে, তৈরি পোশাক খাত, যা বৈদেশিক মুদ্রার ৮৪ শতাংশের জোগানদাতা, তা বিশ্ববাজারে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়বে। কারণ উৎপাদন খরচ ইতোমধ্যে উচ্চ জ্বালানি মূল্য ও মজুরি চাপের কারণে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্যিক অস্থিরতা এবং ভিসা সংকটের কারণে দ্বিপাক্ষিক রপ্তানি ইতোমধ্যেই ৬.৬৮ শতাংশ কমে গেছে, যা আঞ্চলিক বাণিজ্যিক নিরাপত্তার জন্য নতুন হুমকি। এই বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার মতো প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা ও কৌশলগত প্রস্তুতি এখনও দেশের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অনুপস্থিত, যা ভবিষ্যতের জন্য এক ঘোর অন্ধকারের সংকেত দিচ্ছে।

২০২৪-এর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে দেশে আইনের শাসনের যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে তা ‘মব জাস্টিস’ বা গণপিটুনির মতো ভয়াবহ প্রবণতাকে উস্কে দিয়েছে, যেখানে ফেসবুক ও টিকটকের মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলো গুজব ও সামাজিক মেরুকরণ ছড়ানোর শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ২০২৬ সালের গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের জন্য ‘সোশ্যাল পোলারাইজেশন’ বা সামাজিক বিভাজন এবং ‘মিস-ইনফরমেশন’ বা ভুল তথ্যকে অন্যতম শীর্ষ ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

একসময় ‘অবিনিয়োগযোগ্য’ হিসেবে চিহ্নিত শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান বর্তমানে সাহসী কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জনে বাংলাদেশের চেয়ে অনেক এগিয়ে গেছে। শ্রীলঙ্কা তাদের ২০২২ সালের ভয়াবহ সংকট কাটিয়ে ২০২৬ সালে ১.৫ থেকে ২ বিলিয়ন ডলার সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণ করছে, যেখানে ২০২৫ সালের প্রথমার্ধেই তাদের নতুন বিনিয়োগ প্রস্তাব ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মুদ্রাস্ফীতি মাত্র ২.৭ শতাংশে নেমে এসেছে। একইভাবে পাকিস্তান তাদের মুদ্রাস্ফীতিকে ৩৭ শতাংশ থেকে ৪ শতাংশে নামিয়ে এনে এক বিস্ময়কর পুনরুদ্ধার ঘটিয়েছে, যার ফলে ৭৫ শতাংশেরও বেশি বিদেশি বিনিয়োগকারী দেশটিকে এখন বিনিয়োগের জন্য নিরাপদ গন্তব্য হিসেবে সুপারিশ করছেন। বিপরীতে, বাংলাদেশে বেসরকারি বিনিয়োগ গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে (জিডিপির ২২.৪৮ শতাংশ) নেমে এসেছে এবং নতুন ইক্যুইটি ক্যাপিটাল প্রবাহ ১৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সমপর্যায়ের দেশ ভিয়েতনাম ২০২৫ সালে ৩৮.৪২ বিলিয়ন ডলারের বিপুল এফডিআই আকর্ষণ করেছে এবং ভারত তাদের এফডিআই প্রবাহে ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করে ২০২৬ সালে ৮০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করার পথে রয়েছে। এই দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের মূল দুর্বলতাগুলো অত্যন্ত গভীরে প্রোথিত এবং তা মূলত সুশাসনের অভাব ও প্রাতিষ্ঠানিক ভঙ্গুরতার সঙ্গে জড়িত। যেখানে ভিয়েতনাম বা ভারতের মতো দেশগুলো ‘চায়না প্লাস ওয়ান’ কৌশলের পূর্ণ সুবিধা নিয়ে তাদের শিল্পভিত্তি শক্তিশালী করছে, সেখানে বাংলাদেশের কথিত নির্মোহ সরকার কাঠামোগত সংস্কারের সম্ভাবনাকেও সময় ও ভবিতব্যের হাতে ছেড়ে দিয়েছে।

এই বহুমুখী সংকট থেকে উত্তরণের পথ অত্যন্ত কঠিন হলেও অসম্ভব নয় এবং এর জন্য প্রয়োজন এক সাহসী ও স্বচ্ছ সংস্কারের রোডম্যাপ। সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ফেরাতে বাংলাদেশ ব্যাংককে প্রকৃত অর্থেই স্বায়ত্তশাসন প্রদান করতে। ব্যাংকিং খাতের ক্ষত সারাতে কেবল ব্যাংক একীভূতকরণ যথেষ্ট নয় বরং প্রতিটি অনিয়মের ফরেনসিক অডিট নিশ্চিত করে লুটেরাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে ব্যবসার খরচ কমানো, ওয়ান স্টপ সার্ভিসের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং করব্যবস্থার সরলীকরণ করতে হবে, যাতে উদ্যোক্তারা তাদের ‘এনিমেল স্পিরিটস’ ফিরে পান। শ্রমিকদের জন্য একটি ‘নতুন সামাজিক চুক্তি’ বাস্তবায়ন করা এখন সময়ের দাবি যেখানে জীবনধারণের উপযোগী ন্যূনতম মজুরি এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। মনে রাখতে হবে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কেবল ইটের ওপর ইটের ইমারত নয় বরং এটি একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক শাসনব্যবস্থার ফল। আসলে জাতীয় নির্বাচন এবং তার পরবর্তী সময়ের সিদ্ধান্তগুলোই নির্ধারণ করবে, ক্রমেই জনমিতিক লভ্যাংশ সমাপ্তির দিকে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ কি একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে, নাকি অলিগার্কদের সীমাহীন লোভের কাছে জিম্মি হয়ে একটি ব্যর্থ অর্থনীতির পথে এগিয়ে যাবেÑ ইতিহাসের এই সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, নীতিনির্ধারকদের সেটাই সর্বাগ্রে ভেবে দেখতে হবে।


ড. মো. আইনুল ইসলাম

অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা