× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ব্যাংকিং খাত

ক্রিপ্টো এখন এশিয়ার দিকে, প্রয়োজন পূর্বপ্রস্তুতির

নিরঞ্জন রায়

প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:২২ পিএম

 ক্রিপ্টো এখন এশিয়ার দিকে, প্রয়োজন পূর্বপ্রস্তুতির

বিগত কয়েক বছর ধরে যে দুটো বিষয় বিশ্বে সবচেয়ে বেশি আলোচনার জায়গা দখল করে আছে, তার একটি হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স) এবং আরেকটি হচ্ছে ক্রিপ্টো কারেন্সি। এআই এখন আলোচনার ক্ষেত্র ছাড়িয়ে অফিস আদালতে ব্যবহার হতে শুরু করেছে। এআই যদিও কম্পিউটার প্রযুক্তির সর্বোচ্চ মাত্রার অ্যাপ্লিকেশন, তারপরও এর ব্যবহার নিয়ে শুরুর দিকে যথেষ্ট সংশয় ছিল। সব আলোচনা, সমালোচনা এবং সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে এআই এখন ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য, উৎপাদন খাত, সরকারি অফিসসহ সর্বত্র। এআই প্রযুক্তির এত ব্যাপক ব্যবহার এবং বিশাল সম্ভাবনা দেখে এই খাতে কয়েক ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ হবে বলে বিশেষজ্ঞরা প্রত্যাশা করছেন। যদিও গত বছরের শেষের দিকে এআই খাতে ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ পরিকল্পনা হাতে নেওয়া ওরাকল কোম্পানির শেয়ারের ব্যাপক দরপতন হওয়ায়, এআই বোদ্ধা, তথ্যপ্রযুক্তিবিদ এবং বিনিয়োগকারীরা কিছুটা হোঁচট খেয়েছেন এবং সামান্য হলেও একটা ভাবনার মধ্যে পড়ে গেছেন। তবে এ কথাও ঠিক যে সামান্য একটি কোম্পানির শেয়ারের দরপতনের কারণে ট্রিলিয়ন-ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ সম্ভাবনা জাগানো এআই খাত নিশ্চয়ই এই পর্যায়ে এসে থেমে যাবে না, বরং বেশ দাপটের সঙ্গেই এগিয়ে যাবে আগামী কয়েক বছর ধরে। যাহোক এআই আজ আমার লেখার বিষয় নয়, তাই এটি নিয়ে আলোচনা দীর্ঘ করে লেখার কলেবর বাড়াতে চাই না এবং আগামীতে সুযোগমতো বিষয়টি নিয়ে লেখার চেষ্টা করব।

যে ক্রিপ্টো কারেন্সি নিয়ে আজ লিখতে বসেছি, সেটি মূলত একটি ভার্চুয়াল মুদ্রা। ক্রিপ্টো কারেন্সিকে অনেকে আবার ভার্চুয়াল সম্পদও বলে থাকে। এই ক্রিপ্টো কারেন্সি ডলারের মতো যেকোনো ধরনের লেনদেন নিষ্পত্তিতে ব্যবহৃত না হলেও, অনেক ধরনের লেনদেন নিষ্পত্তিতে, বিশেষ করে অনেক বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে এই ভার্চুয়াল কারেন্সি ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে। সবচেয়ে অবাক করার মতো বিষয় হচ্ছে যে, এই ভার্চুয়াল মুদ্রা এখনও পুরোপুরি বৈধতা পায়নি। আমেরিকাসহ বিশ্বের কোনো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ক্রিপ্টো কারেন্সিকে বৈধ মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। এমনকি এই ভার্চুয়াল মুদ্রাকে কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থার অধীনে নিয়ে এসে একে নিয়ন্ত্রণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এলোমেলো এবং বিচ্ছিন্নভাবে কিছু ক্রিপ্টো কারেন্সির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যেমন, অনেক ক্রিপ্টো কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত কোম্পানি করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, আবার অনেক ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ চালু করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে ভার্চুয়াল মুদ্রা হিসেবে ক্রিপ্টো কারেন্সি পুরোপুরি বৈধতা না পেলেও, এই খাত ফুলেফেঁপে কয়েক ট্রিলিয়ন ডলারের বাজারে পরিণত হয়েছে। আমার ভাবতে অবাক লাগে যে, আমেরিকায় একটি সেলুন দিতে গেলেও কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিকট থেকে সনদ নিতে হয় এবং কিছু বিধিবিধান মেনে চলতে হয়। অথচ সেই আমেরিকায় ক্রিপ্টো কারেন্সি কর্তৃপক্ষের চোখের সামনে কোনোরকম নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই বিশাল এক মার্কেটে পরিণত হয়ে গেছে। মার্কেটের আকার এখন এতটাই বিশাল যে আমেরিকার নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই ভার্চুয়াল মুদ্রার স্বীকৃতি না দিয়ে থাকতে পারবে না। এবং সেই প্রক্রিয়া বেশ জোরেশোরেই শুরু হয়েছে অনেক আগে থেকেই। যেহেতু গত বাইডেন সরকার ক্রিপ্টো কারেন্সির সহায়ক ছিল না, তাই এই ক্রিপ্টো কারেন্সিকে বৈধতা দিয়ে মূল আর্থিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার কাজটি সেভাবে এগোতে পারেনি।

এখন অবস্থার যথেষ্ট পরিবর্তন হয়েছে এবং ভার্চুয়াল মুদ্রাকে বৈধতা দিয়ে মূল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার প্রক্রিয়া দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। বিশেষ করে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর এ ব্যাপারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। কেননা ট্রাম্প নিজে একজন ক্রিপ্টো কারেন্সির সমর্থক। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কিংগ্রেসম্যানও ক্রিপ্টো কারেন্সির সমর্থক। এক কথায় বলা যায় যে, পুরো ট্রাম্প প্রশাসন এখন ক্রিপ্টোসহায়ক। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই বেশ কিছু ক্রিপ্টো কারেন্সি সহায়ক বিধিবিধান জারি করা হয়েছে। এমনকি কয়েকটি ক্রিপ্টো কোম্পানিকে আমেরিকায় ব্যাংক চালু করার জন্য অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে। এসব কারণে ক্রিপ্টো কারেন্সিতে বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে মানুষের মাঝে যথেষ্ট আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা ছিল যে এসব ক্রিপ্টোসহায়ক পদক্ষেপ গ্রহণ এবং বিনিয়োগকারীদের মাঝে আগ্রহ সৃষ্টি হওয়ায় গত বছর শেষের দিকে ক্রিপ্টো কারেন্সির পর্যাপ্ত মূল্যবৃদ্ধি ঘটবে। কিন্তু বাস্তবে তেমনটা ঘটেনি। গত বছর ক্রিপ্টো কারেন্সির মূল্য সেভাবে বৃদ্ধি পায়নি, অথচ এই একই সময়ে শেয়ার মূল্য রেকর্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে ক্রিপ্টো কারেন্সিতে বিনিয়োগকারীদের মাঝে কিছুটা হাতাশাও দেখা দিয়েছে।

বিনিয়োগকারীদের হতাশা কাটিয়ে ক্রিপ্টো কারেন্সিতে বিনিয়োগের আগ্রহ ধরে রাখার উদ্দেশ্যে ক্রিপ্টো কোম্পানির নির্বাহীরা এখন এই খাতকে বৈশ্বিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এই ভার্চুয়াল মুদ্রা মূলত আমেরিকা এবং ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে উন্নত বিশ্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। এখন ক্রিপ্টো কোম্পানিগুলো এই বিনিয়োগ সুবিধা আমেরিকার বাইরে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এই উদ্দেশ্যে তারা প্রথমেই লক্ষ্য করেছে মধ্যপ্রাচ্য। গত বছরের শেষের দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ক্রিপ্টো সম্মেলন। সেই সম্মেলনে অনেক ক্রিপ্টো কোম্পানির উচ্চপদস্থ নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বের বেশ কয়েকটি বৃহৎ ব্যাংকের নির্বাহীরাও এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন। সবচেয়ে বড় কথা আবুধাবির এই সম্মেলনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে। এমনকি ক্রিপ্টো কারেন্সিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সরকারি বিনিয়োগের আশ্বাস প্রদান করা হয়েছে। এর ফলে সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে এই ক্রিপ্টো কারেন্সিতে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

ক্রিপ্টো কোম্পানিগুলো অনেক হিসাবনিকাশ করেই এই খাতের বিনিয়োগ সুবিধা মধ্যপ্রাচ্যে নিয়ে এসেছে। কেননা এখানে বিনিয়োগের অনেক সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। প্রথমত, সংযুক্ত আরব আমিরাত বিনিয়োগবান্ধব হওয়ায় এখানকার নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পাওয়া অনেক সহজ হয়। দ্বিতীয়ত, সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিবন্ধন পেলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে এই বিনিয়োগ সুবিধা ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। তৃতীয়ত, মধ্যপ্রাচ্যে পর্যাপ্ত বিনিয়োগযোগ্য অর্থ আছে, যা খুব সহজেই ক্রিপ্টো কারেন্সিতে বিনিয়োগ হতে পারে। চতুর্থত, মধ্যপ্রাচ্যে অসংখ্য কর্মজীবী মানুষ আছে, যারা এখানে কাজের প্রয়োজনে থাকে কিন্তু কখনই স্থায়ীভাবে বসবাস করবে না। এত বিপুলসংখ্যক কর্মজীবী মানুষ তাদের উপার্জনের বড় একটি অংশ দেশে প্রেরণ করে। ক্রিপ্টো কোম্পানি যদি এসব কর্মজীবী মানুষের মাঝে সঠিক ক্রিপ্টো বিনিয়োগ সুবিধা দিতে পারে, তাহলে ভাল অঙ্কের বিনিয়োগ হতে পারে এই খাতে।

ক্রিপ্টো কারেন্সি মধ্যপ্রাচ্যে তাদের বিনিয়োগ কার্যক্রম বিস্তৃত করলেও এটি যে মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, তা খুব সহজেই অনুমেয়। বরং মধ্যপ্রাচ্যকে কেন্দ্র করে এই ভার্চুয়াল মুদ্রা খুব সহসাই এশিয়ায় জায়গা করে নিতে শুরু করবে। এশিয়া হচ্ছে, বর্তমান বিশ্বে বিশাল এক ইমার্জিং মার্কেট বা উদীয়মান অর্থনীতি। চীন, ভারত, হংকং, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন এবং ভিয়েতনামে এই ভার্চুয়াল মুদ্রার ব্যাপক প্রচলন শুরু হতে পারে এবং এখানে মানুষ আগ্রহভরেই এই খাতে বিনিয়োগ করতে শুরু করবেÑ এমনটাই ক্রিপ্টো বিশেষজ্ঞদের প্রত্যাশা। এই ক্রিপ্টো কারেন্সি যদি এশিয়ায় যায়, তাহলে এর প্রভাব যে আমাদের দেশেও পড়বে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। বিনিয়োগের ধরনই এমন। বিনিয়োগ সুযোগ থাকলে মানুষ সেখানে বিনিয়োগ করবেই। এমনকি বিনিয়োগ জোয়ার শুরু হলে মানুষ এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঝুঁকির কথাও ভুলে যায়। সে কারণেই দেশের মানুষকে সাবধানী বিনিয়োগকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হয়।

যেভাবে ক্রিপ্টো কারেন্সি বৈধতা পেয়ে মূল অর্থনীতির অংশ হতে চলেছে এবং যেভাবে মধ্যপ্রাচ্য থেকে এশিয়ার দিকে এই বিনিয়োগ সুবিধা বিস্তৃত হতে চলেছে, তাতে এই ভার্চুয়াল মুদ্রা আগামীতে ব্যাপক হারে লেনদেন নিষ্পত্তিতে ব্যবহৃত হবে। অবস্থা যদি এমন দাঁড়ায় যে ডলারের পাশাপাশি এই ক্রিপ্টো কারেন্সিতেও আন্তর্জাতিক লেনদেন সম্পন্ন হচ্ছে, তাতে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। বিশেষ করে যখন ডলার সংকট দেখা দেবে তখন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য করার ক্ষেত্রে এই ক্রিপ্টো কারেন্সি ভালো কাজ দিতে পারে। এমনকি নিষেধাজ্ঞা বা স্যাংশন থাকায় ডলারে লেনদেন করতে সমস্যা হলে, এই ক্রিপ্টো কারেন্সিতে সেই লেনদেন খুব সহজেই সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। মোটকথা আগামী দিনে ডলারের পাশাপাশি ক্রিপ্টো কারেন্সিতে লেনদেন এবং এই খাতে বিনিয়োগ একটি অনিবার্য বাস্তবতা। আর এই ভার্চুয়াল মুদ্রার লেনদেন এবং এই খাতে বিনিয়োগের সুবিধা নিতে চাইলে আগে থেকেই ভালো প্রস্তুতি থাকা প্রয়োজন।

যেসব দেশ আগে থেকে ভালো প্রস্তুতি নিয়ে রাখবে তারাই এই খাতে নিরাপদ লেনদেন এবং কম ঝুঁকির বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে পারবে। আমাদের দেশের পুঁজিবাজারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ, ব্যাংকিং খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ এবং ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা মিলে এই খাতের বর্তমান অবস্থা এবং আগামীতে কেমন সম্ভাবনা হতে পারে, সেই বিষয়গুলো ভালোভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করে একটি গাইডলাইন নির্ধারণ করা উচিত। এমনকি একটি ছোট পরিসরের বিশেষজ্ঞ টিম তৈরি করা যেতে পারে, যাদের দায়িত্ব হবে এই ভার্চুয়াল মুদ্রার গতিপ্রকৃতি অনুসরণ করা এবং হালনাগাদ সব তথ্য ও মতামতসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষের কাছে নিয়মিত উপস্থাপন করা। মোটকথা হচ্ছে, ক্রিপ্টো কারেন্সি এখন এশিয়ার দিকে, তাই পূর্বপ্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু করা প্রয়োজন।


নিরঞ্জন রায়

সার্টিফাইড অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরন্টো, কানাডা

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা