× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বিশ্লেষণ

পরিবেশ রক্ষায় চিরায়ত বাস্তুতাত্ত্বিক জ্ঞান

বিধান চন্দ্র দাস

প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ১০:৫৪ এএম

পরিবেশ রক্ষায় চিরায়ত বাস্তুতাত্ত্বিক জ্ঞান

চিরায়ত জ্ঞান, ঐতিহ্যগত জ্ঞান, লোকায়ত জ্ঞান, দেশজ জ্ঞান, প্রচলিত জ্ঞান, স্থানীয় জ্ঞান, আদিবাসী জ্ঞান, লোকপ্রজ্ঞাÑ এই পরিভাষাগুলোর প্রকৃত অর্থ ও ইংরেজি ভিন্ন ভিন্ন হলেও, এগুলোকে একটি অভিন্ন ধারণাগত ক্ষেত্রের (সিম্যান্টিক ডোমেইন) মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। সবগুলো পরিভাষা একটি বৃহত্তর বৃত্তের অংশ। যেটিকে বলা যায়, সময়ের ব্যবধানে মানবসমাজের অভিজ্ঞতা ও সংস্কৃতি থেকে উদ্ভূত জ্ঞানব্যবস্থা। তবে, পরিভাষাগুলোর সংজ্ঞা ও অর্থ এক নয়। কিন্তু দেখা যায় যে, অনেক সময়, অনেক লেখার শিরোনামে ব্যবহৃত এসব পরিভাষা ভিন্ন হলেওÑ কিছু ব্যতিক্রম বাদে সেই লেখাগুলোর বক্তব্য ঘুরেফিরে একই রকম হয়ে থাকে। এমনকি অনেক লেখক এসব পরিভাষার সংজ্ঞা ভিন্ন ভিন্ন দিলেও, লেখার মূল বিষয়ে খুব একটা ভিন্নতা দেখা যায় না। ফলে পাঠকের মনে এক ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হয়।

এসব বিভ্রান্তি এড়াতে বর্তমান লেখাটির শিরোনামে ‘চিরায়ত বাস্তুতাত্ত্বিক জ্ঞান’ (ট্র্যাডিশনাল ইকোলোজিক্যাল নলেজ) ব্যবহার করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, উপরিউক্ত পরিভাষাগুলোর সঙ্গে ‘বাস্তুতত্ত্ব’ (ইকোলজি) যোগ করলে অর্থ ও সংজ্ঞা অনেকটা নির্দিষ্ট হয়ে যায় (ডব্লিউআইপিও : ২০০২)। ফলে, বিভ্রান্তি এড়ানো সহজ হয়। উল্লেখ্য, ‘চিরায়ত বাস্তুতাত্ত্বিক জ্ঞান’Ñ এই বিষয়টি বর্তমানে জীবসংরক্ষণবিদ্যা (কনজারভেশন বায়োলজি) থেকে শুরু করে, প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, সুস্থায়ী উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিযোজন, বাস্তুতাত্ত্বিক নৃতত্ত্ব ইত্যাদি শাখায় বহুল ব্যবহৃত ও পরিচিত একটি বিষয়।

‘চিরায়ত বাস্তুতাত্ত্বিক জ্ঞান হলো’ একটি সামগ্রিক পুঞ্জীভূত জ্ঞান, চর্চা এবং বিশ্বাসের সমষ্টি, যা অভিযোজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিকশিত হয় এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে জীবকুলের (মানুষসহ) একে অপরের সঙ্গে এবং তাদের পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি সাংস্কৃতিক সঞ্চালনের দ্বারা বাহিত হয় (বার্কেস ও অন্যান্য, ২০০০)। বলা হয়ে থাকে যে, চিরায়ত জ্ঞান (ট্রাডিশনাল নলেজ) ধারণা থেকেই উদ্ভব হয়েছে ‘চিরায়ত বাস্তুতাত্ত্বিক জ্ঞান’। কিন্তু ঠিক কবে এবং কার বা কাদের দ্বারা সেই উদ্ভব ঘটেছিল, তার কোনো দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যায় না (কিম ও অন্যান্য, ২০১৭)। ১৯৮৯ সালে ড. রবার্ট ই. জোহানেস সম্পাদিত এবং আইইউসিএন (ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন ফর নেচার) প্রকাশিত ‘চিরায়ত বাস্তুতাত্ত্বিক জ্ঞান : প্রবন্ধ সংকলন’ গ্রন্থটির মাধ্যমে ‘চিরায়ত বাস্তুতাত্ত্বিক জ্ঞান’ বিষয়টির সঙ্গে অনেকের প্রথম পরিচয় ঘটে।

সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত বিভিন্ন গবেষণা প্রবন্ধ, গ্রন্থ পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে পৃথিবীর বহু দেশের বহু কোটি মানুষ জীবন যাপন, জীবন ধারণ তথা পরিবেশ রক্ষার জন্য কমবেশি চিরায়ত বাস্তুতাত্ত্বিক জ্ঞানের ওপর এখনও নির্ভরশীল। উদাহরণ হিসেবে ‘কালচারাল বার্নিং’ (সাংস্কৃতিক আগুন চর্চা)-এর কথা উল্লেখ করা যায়। একটি গোষ্ঠী (যেমন, পরিবার ইউনিট, উপজাতি, আদিবাসী ইত্যাদি) কর্তৃক ইতিবাচক উদ্দেশ্য এবং ফলাফলের জন্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে আগুনের ব্যবহার করাকে ‘কালচারাল বার্নিং’ বা ‘সাংস্কৃতিক আগুন চর্চা’ বলা হয়ে থাকে (ক্লার্ক ও অন্যান্য ২০২১)। এই পদ্ধতিতে অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা স্থান, মৌসুম, আর্দ্রতা ও বাতাসের দিক বিবেচনা করে ছোট ছোট ভাগে ধীরে ধীরে বনভূমি কিংবা তৃণভূমিতে আগুন লাগান। এটি সাধারণত বাতাসের বিপরীতে ও অল্প তাপে পরিচালিত হয়, যাতে মাটি ও বন্যজীবন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়ে উদ্ভিদ-পুনর্জন্ম, ভূমি-পুনরুজ্জীবন ও বন-নিয়ন্ত্রণের ভারসাম্য রক্ষা পায়। আগুনের সময় এই বিষয়ে প্রশিক্ষিত দল উপস্থিত থাকে। ফলে আগুন নির্দিষ্ট সীমানা ছাড়িয়ে যেতে পারে না।

পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধরে ‘কালচারাল বার্নিং’ প্রথার প্রচলন ছিল। কিন্তু আধুনিক যুগের নীতি নির্ধারকদের কারণে পৃথিবীর বহু জায়গায় এই চর্চাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। ফলে, সেইসব জায়গায় পরিবেশের ওপর নেতিবাচক অভিঘাত সৃষ্টি হয়। কিন্তু এখন গবেষকরা বলছেন যে, ‘কালচারাল বার্নিং’ পরিবেশের জন্য অত্যন্ত উপকারী (লং ও অন্যান্য, ২০২১; ক্লার্ক ও অন্যান্য ২০২১)। বিশেষ করে, উদ্ভিদ ও কৃষিজ ফসলের পুনর্জন্ম, জীববৈচিত্র্য বৃদ্ধি ও তাদের বাসস্থান পুনর্গঠন, পোকামাকড় ও রোগ নিয়ন্ত্রণ, মাটির উর্বরতা ও আর্দ্রতা বৃদ্ধি, দাবানল নিয়ন্ত্রণ, বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিশীলতা ও বৈচিত্র্যময়তা, ঝোপজাতীয় উদ্ভিদ বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক অধিকার রক্ষা ইত্যাদি কারণে ‘কালচারাল বার্নিং’ চর্চা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। মজার ব্যাপার হচ্ছে, বর্তমানে বহু জায়গায় (অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, নিউজিল্যান্ড, ব্রাজিল) ‘কালচারাল বার্নিং’-এর অনুমোদন সরকারিভাবে দেওয়া হয়েছে এবং তা করা হচ্ছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার কোনো কোনো অঞ্চলে স্কুল পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রমে এটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। 


পৃথিবীর অনেক জায়গায় এখনও ঘূর্ণিঝড় কিংবা বা বড় ঝড়ের মতো দুর্যোগ মোকাবিলায় ‘চিরায়ত বাস্তুতাত্ত্বিক জ্ঞান’ ব্যবহারে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জাপান, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা প্রভৃতি দেশে বড় ঝড়ের মতো দুর্যোগ (ঝড়ের আগে ও পরে) মোকাবিলায় ‘চিরায়ত বাস্তুতাত্ত্বিক জ্ঞান’ ব্যবহারের কথা গবেষণাপত্রে উঠে এসেছে (ইনোয়ে, ২০১৭; মইল, ২০২৫; আপিএআর, ২০২১)।

বিখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা ‘স্প্রিঙ্গার’ থেকে ২০২৪ সালে প্রকাশিত একটি গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত একটি প্রবন্ধে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের উপকূলীয় দ্বীপাঞ্চলের স্থানীয় জনগণ এখনও ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস, দুর্যোগ-পরবর্তী টিকে থাকা এবং জলবায়ু অভিযোজনের ক্ষেত্রে তাদের চিরায়ত বাস্তুতাত্ত্বিক জ্ঞানের ওপর নির্ভর করেন। প্রবন্ধে চিরায়ত বাস্তুতাত্ত্বিক জ্ঞানের সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় করার কথা বলা হয়েছে (বড়ুয়া ও অন্যান্য, ২০২৪)।

‘চিরায়ত বাস্তুতাত্ত্বিক জ্ঞান’ বিষয়ে সুন্দরবনের একটি উদাহরণ উল্লেখ করা যায়। সুন্দরবনের প্রকৃত মৌয়ালরা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সঞ্চালিত জ্ঞানের সাহায্যে বিপদ সংকুল সুন্দরবনে মৌচাক খুঁজে বের করা, মধু সংগ্রহ করা এবং তা সংরক্ষণ করার কৌশল প্রয়োগ করেন। ঘন তীক্ষ্নশুলো (ম্যানগ্রোভের শিকড়), বন্যার জল, ঝোপালো জঙ্গল এবং বন্যপ্রাণী হলো মধু সংগ্রহের প্রধান বাধা। মধুর চাক খোঁজা শুধু কঠিনই নয়, এটি জীবন বিপন্নকারী একটি কাজও বটে। চাক থেকে মধু সংগ্রহের বিষয়টিও সহজ নয়। মধুর চাক খোঁজা, চাক থেকে মধু বাস্তুতত্ত্ব/পরিবেশবান্ধব বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সংগ্রহ এবং মধু সংরক্ষণের জন্য প্রকৃত মৌয়ালিরা তাদের চিরায়ত জ্ঞান ব্যবহার করেন (রায়, ২০১৫)।

প্রকৃত মৌয়ালরা পুরো চাক নয়, শুধু চাকের একাংশের মধুযুক্ত অংশ কাটা, বংশবৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় মোম কোষ (ব্রুড কম) অক্ষত রাখা, মৌমাছির আচরণ ও আবহাওয়ার অবস্থা দেখে ধোঁয়া ব্যবহার করা, চাকের চারপাশের উদ্ভিদ সংরক্ষণ করা, বছরে একই জায়গা থেকে একাধিকবার মধু সংগ্রহ না করা, চাকের পাশে নতুন মৌচাক তৈরির জন্য জায়গা রেখে দেওয়া ইত্যাদি কাজগুলো করে থাকেন। সুন্দরবনের গহিন অরণ্য থেকে এ ধরনের সুস্থায়ী উপায়ে মধু আহরণের জন্য এখনও পর্যন্ত মৌয়ালিদের এ সম্পর্কিত চিরায়ত বাস্তুতাত্ত্বিক জ্ঞানের কোনো বিকল্প সৃষ্টি করা সম্ভব হয়নি।

প্রশ্ন উঠতে পারে যে, একুশ শতকের এই সময়ে যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই’ প্রবলগতিতে সবকিছুতে আধিপত্য নিতে চলেছে, তখন শতাব্দী প্রাচীন ‘চিরায়ত বাস্তুতাত্ত্বিক জ্ঞান’-কে পরিবেশ রক্ষার জন্য বিবেচনায় নেওয়ার আদৌ কি প্রয়োজন আছে? এর উত্তর দেওয়ার আগে ‘এআই’ সম্পর্কে কয়েকটি প্রশ্ন উত্থাপন করা যায় : ১. বড় পরিসরে ডেটা বিশ্লেষণ, মডেলিং, রিয়েল-টাইম মনিটরিং ইত্যাদি ‘এআই’ দিয়ে করা সম্ভব হলেও তা দিয়ে স্থানীয় পরিসরের সূক্ষ্ম বাস্তুতান্ত্রিক চিত্র এবং তার সঙ্গে স্থানীয় সামাজিক সাংস্কৃতিক সম্পর্ক কি নির্ভুলভাবে তুলে ধরতে পারে? 

২. ‘এআই’-এর অ্যালগারিদমে দেওয়া তথ্যসমূহ কি ক্ষেত্র বিশেষে পক্ষপাতদুষ্ট হয় না? 

৩. দুর্গম বা প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেখানে আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত ডেটা বা নজরদারি নেই, সেখানে ‘এআই’ কতটা কার্যকর? 

৪. ‘এআই’ মডেল ভুল ভবিষ্যদ্বাণী করলে (যেমন, একটি বাস্তুতন্ত্রকে ভুলভাবে ‘সুস্থ’ বলে চিহ্নিত করা), মডেলের মধ্যে ভুলযুক্ত স্থান খুঁজে বের করা বা সংশোধন করা কি সম্ভব? 

৫. পরিবেশ রক্ষায় মানব সম্পর্ক, সম্প্রদায়ের অংশীদারত্ব, সংস্কৃতি, এথিকসÑ এসব বিষয়কে কি ‘এআই’ সহজাতভাবে যুক্ত করতে পারে? 

৬. ‘এআই’ এবং ‘এআই’ সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি পরিচালনায় পরিবেশ পদভার (এনভায়রনমেন্টাল ফুটপ্রিন্ট : বিদ্যুৎ, মিঠা পানি, ই-ওয়েস্ট, মাইনিং ইত্যাদি) কি তাৎপর্যপূর্ণ নয়?

এই প্রশ্নগুলো তোলার উদ্দেশ্য এই নয় যে, পরিবেশ রক্ষায় ‘এআই’-কে খারিজ করে দিতে হবে। প্রশ্নগুলো তোলার উদ্দেশ্য হচ্ছে, তার সীমাবদ্ধতাকে বিবেচনায় নেওয়া। বর্তমান বাস্তবতায় অনেক ক্ষেত্রে ‘এআই’ গুরুত্বপূর্ণ এবং সেই কারণে তাকে ‘চিরায়ত বাস্তুতাত্ত্বিক জ্ঞান’-এর সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশের মতো দেশে এই বিবেচনা বড় বেশি প্রয়োজন। বাংলাদেশের বিপুল জনসংখ্যার অভিঘাত, দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রাকৃতিক পরিবেশ, অর্থনৈতিক সংকট, অবকাঠামোগত দুর্বলতা ইত্যাদি বিষয়গুলো অস্বীকার করা যায় না। কিন্তু এটাও অস্বীকার করা যায় না যে, এই দেশটির মানুষরা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে অর্জন করেছে বাস্তুতাত্ত্বিক অভিজ্ঞতা। এই অঞ্চল তথা মহাজনপদসমূহের (ষোড়শ জনপদ) মানুষদের প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরের সঞ্চিত অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে খনা (খনার বচন), বরাহমিহির (পঞ্চসিদ্ধান্তিকা, বৃহৎসংহিতা) এবং পরাশর (পরাশর হোরাশাস্ত্র, পরাশর স্মৃতি) গড়ে তুলেছিলেন প্রাকৃতিক পরিবেশ, কৃষি, জ্যোতির্বিদ্যা ও সামাজিক জীবনবোধের অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানের সমৃদ্ধ ভান্ডার। বহু শতাব্দী পর্যন্ত সেগুলো পথ দেখিয়েছে এই মহাজনপদসমূহের অধিবাসীদের। প্রকৃতির উপাদানসমূহ এবং তাদের জটিল বিন্যাসের নিত্য নতুন পর্যবেক্ষণে মানুষ হয়েছে সমৃদ্ধ। কাজেই, ‘এআই’-কে বাদ দিয়ে নয়, বরং যুক্তিসংগত কারণেই তার সঙ্গে সমন্বয় করে পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।


বিধান চন্দ্র দাস

অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা