× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সংসদ

গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে উচ্চকক্ষ গঠিত হোক

মো. কামরুজ্জামান

প্রকাশ : ২৪ আগস্ট ২০২৫ ১২:৪০ পিএম

গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে উচ্চকক্ষ গঠিত হোক

সরকারের গঠিত সংশ্লিষ্ট সংস্কার কমিশন বিদ্যমান এক কক্ষবিশিষ্ট সংসদের পরিবর্তে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদের প্রস্তাব প্রধান উপদেষ্টার কাছে দিয়েছে। এ দ্বিকক্ষ সংসদের উচ্চকক্ষ ১০৫ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে বলে প্রস্তাবে বলা হয়েছে। এ প্রস্তাব মতে, এর মধ্যে ১০০ জন সদস্য মনোনীত হবেন রাজনৈতিক দলগুলো থেকে নিম্নকক্ষ সংসদ নির্বাচনে প্রদত্ত মোট ভোটের মধ্যে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধি পদ্ধতির ভিত্তিতে। বাকি পাঁচজন সদস্য করবেন রাষ্ট্রপতি তথা প্রেসিডেন্ট সমাজের নির্দলীয় বিশিষ্ট নাগরিকদের মধ্য থেকে।

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন বিগত বছরের ডিসেম্বর মাসে নির্বাচন বিষয়ে একটি জাতীয় জনমত জরিপ সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মাধ্যমে সংস্কার প্রস্তাব তৈরির জন্য চালায়। এ জরিপের খসড়া প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে কমিশনের ওয়েবসাইটে। এ জরিপের ফলাফলে দেখা যায়, ৬৮.২৮ শতাংশ মানুষ জনগণের সরাসরি ভোটে নির্দলীয় ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপ্রধান তথা প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে চায় এবং ৬৯.৭১ শতাংশ মানুষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে করার পক্ষে।

নির্বাচন সংস্কার কমিশন তাদের প্রস্তাবিত দ্বিকক্ষ সংসদের নিম্নকক্ষ সংসদ সদস্য নির্বাচনে পূর্বের এক কক্ষবিশিষ্ট সংসদের মতো রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণের ব্যবস্থা অব্যাহত রেখেছেন। এ সংস্কার কমিশন সংসদ সদস্যদের জনগণের সরাসরি ভোটে দলীয়ভাবে না নির্দলীয়ভাবে নির্বাচিত হওয়ার ব্যাপারে কোনো জাতীয় জনমত জরিপ চালিয়েছেনÑ এমন কোনো তথ্য উক্ত খবরে নেই। প্রতীয়মান হয়, এ ব্যাপারে কোনো জাতীয় জনমত জরিপ করা হয়নি; যদি করা হতো তাহলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনও স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি নির্বাচনের মতো নিম্নকক্ষ সংসদ সদস্যদেরও জনগণের সরাসরি ভোটে নির্দলীয়ভাবে নির্বাচিত করার পক্ষে জনগণের মতামত আসত।

দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদের উচ্চকক্ষ স্বাভাবিকভাবেই বেশি মর্যাদা সম্পন্ন ও বেশি উপযুক্ত হওয়ার প্রয়োজন বিধায় সংস্কার কমিশন উচ্চকক্ষ সদস্য হওয়ার জন্য বয়স কমপক্ষে ৩৫ বছর এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক করার প্রস্তাব দিয়েছে। অন্যদিকে নিম্নকক্ষ সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ২১ বছর সুপারিশ করেছে এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার নিম্নতম পক্ষে স্নাতক করার এমন প্রস্তাব দেয়নি। এ থেকে সুস্পষ্টভাবে বোঝা যায়, উচ্চকক্ষ নিম্নকক্ষ থেকে বেশি যোগ্যতা সম্পন্ন ও বেশি মর্যাদা সম্পন্ন। কিন্তু সংস্কার কমিশন তাদের প্রস্তাবিত ১০৫ জন উচ্চকক্ষ সদস্যের মধ্য হতে ১০০ জনকে যে প্রক্রিয়ায় উচ্চকক্ষ সদস্য করার প্রস্তাব করেছে তাতে নিম্নকক্ষ থেকে কম যোগ্যতা সম্পন্ন রাজনৈতিক দলীয় ব্যক্তিদের দ্বারা উচ্চকক্ষ গঠিত হবে। এ অবস্থায় উচ্চকক্ষ তখন হবে নিম্নকক্ষ থেকে কম মর্যাদাপূর্ণ ও কম যোগ্যতা সম্পন্ন। এর কারণÑ সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব হচ্ছে, নিম্নকক্ষ সদস্যদের বেশিরভাগের সমর্থনে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবেন, যিনি রাষ্ট্রের সরকার পরিচালনা করবেন। তাই স্বাভাবিকভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য রাজনৈতিক দলগুলো নিম্নকক্ষের সদস্য পদে যত বেশি তাদের মনোনীত প্রার্থী নির্বাচনে জিততে পারে তার জন্য তারা তাদের সর্বোত্তম প্রার্থীকে নিম্নকক্ষের সদস্য পদের জন্য নির্বাচনে প্রার্থী করবে। এ ছাড়াও রাজনৈতিক দলগুলো নিম্নকক্ষে বেশি ভোট পাওয়ার জন্যও তাদের সবচেয়ে উপযুক্ত সদস্যদেরকে নিম্নকক্ষে দাঁড় করাবে, যাতে উচ্চকক্ষে তাদের সদস্য সংখ্যা বেশি করতে পারে। 

রাজনৈতিক দলগুলোর তাদের দলীয় এজেন্ডা উচ্চকক্ষে অনুমোদন পাওয়ার জন্যও এটি তাদের খুবই প্রয়োজন। দলের মধ্যে বেশি যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও যারা নিম্নকক্ষে নির্বাচনে জিততে পারবে না এবং যারা কম যোগ্যতার জন্য নিম্নকক্ষ সংসদ নির্বাচনে দল থেকে প্রার্থী মনোনীত হতে পারবেন না, তাদের উভয়ের মধ্য থেকে রাজনৈতিক দলগুলো নিম্নকক্ষের সংসদ সদস্যদের নির্বাচনে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যানুপাতিক হারে উচ্চকক্ষের সদস্য নির্বাচিত করবেন বলে ধারণা করা যায়। এ থেকে দেখা যায়, সংস্কার কমিশন উচ্চকক্ষ সংসদ যেভাবে গঠন করার প্রস্তাব দিয়েছে, তাতে তা নিম্নকক্ষ থেকে কম যোগ্যতাসম্পন্ন দলীয় ব্যক্তিদের দ্বারা গঠিত হবে। এ অবস্থায় নিম্নকক্ষে রাজনৈতিক দলগুলো যে ভূমিকা নেবে সে একই ভূমিকা তাদের মনোনীত উচ্চকক্ষের সদস্যগণ উচ্চকক্ষে নেবে। অর্থাৎ উচ্চকক্ষের তখন উচ্চ যোগ্যতা ও উচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন বিশেষ স্বাতন্ত্র্য থাকবে না। উচ্চকক্ষ তখন হবে নিম্নকক্ষের নিম্নমানের ডুপ্লিকেট কপি।

তদুপরি উচ্চকক্ষের রাজনৈতিক দলের সদস্যগণ সরাসরি রাজনৈতিক দল থেকে মনোনয়ন পেয়ে উচ্চকক্ষের সদস্য হলে তাদের নিজ দলের প্রতি দায়বদ্ধতা বেশি থাকবে। এ ছাড়া তারা যদি তাদের রাজনৈতিক দলের সিদ্ধান্তের বাইরে উচ্চকক্ষে স্বাধীন ভূমিকা নেয় তখন তাদেরকে তাদের দল বহিষ্কার করতে পারে। এতে তাদের উচ্চকক্ষের সদস্য পদও চলে যাবে। তাহলে তারা কি স্বাধীনভাবে উচ্চকক্ষ সংসদের কাজে বিজ্ঞ ভূমিকা রাখবে? এটা কি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আশা করা যায়? এ অবস্থায় সংসদের উচ্চকক্ষ যে উদ্দেশ্যে সংস্কার কমিশন করতে চাচ্ছে তা পূরণ হবে কি? এর উত্তর হচ্ছে না।

উচ্চকক্ষের প্রস্তাবিত ১০৫ জন সদস্যের মধ্যে পাঁচজন সদস্যকে সংস্কার কমিশন নির্দলীয় জাতীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্য থেকে করার জন্য যে প্রস্তাব দিয়েছে তার দ্বারা কি কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে? রাজনৈতিক দলের উচ্চকক্ষের ১০০ জন সদস্যের বিপরীতে এ পাঁচজন সদস্য বিশেষ কোনো ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আশা করা যায় না। এদেশের প্রায় বিশিষ্ট প্রতিভাবান দেশবরেণ্য বুদ্ধিজীবী ও বিশিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ রাজনৈতিক দল করেন না। কেন করেন না, তার জন্য এখানে একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করছি। সম্ভবত ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মিরপুর থেকে ড. কামাল হোসেনকে নির্বাচনে দাঁড় করায়। কিন্তু তিনি নির্বাচনে একজন অশিক্ষিত বা অল্প শিক্ষিত কিন্তু খুবই ধনী লোকের কাছে পরাজিত হন। ড. কামাল হোসেন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইন বিশেষজ্ঞ ও নীতিবান এবং বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট সম্মানিত ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও নির্বাচনে জিততে পারেননি।

ড. কামাল হোসেন পরবর্তীতে একসময় গণফোরাম নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। কিন্তু তার দল নির্বাচনে কোনো সফলতা দেখাতে পারেনি। বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তি ও বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর ইউনূসও ২০০৭-২০০৮ সালে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করতে চেয়েছিলেন বা করেছিলেন। বাস্তবে কোনো সফলতার সম্ভাবনা না দেখে তিনি এ দলটি গঠন করেননি বা এ দলটি কোনো সফলতা লাভ করতে না পারায় পরে এ দলটি আর আলোর মুখ দেখেনি। এমন এ বাস্তবতায়, বাংলাদেশে নির্বাচন বাদে দেশের জনগণের স্বার্থে শুধুমাত্র দেশবরেণ্য বিশিষ্ট গণ্যমান্য প্রতিভাবান ব্যক্তিদের দ্বারা উচ্চকক্ষ গঠন করাই সমীচীন। এখানে উল্লেখ্য যে, গ্রেট ব্রিটেনে অর্থাৎ যুক্তরাজ্যে নির্বাচন ছাড়াই বিজ্ঞ, অভিজ্ঞ ও বিশিষ্ট সম্মনিত ব্যক্তিদের দ্বারা উচ্চকক্ষ গঠিত হয়।

বর্তমানে এদেশে কেউ কেউ মনে করেন এবং প্রচার চালান যে ড. ইউনূস আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিভাবান ব্যক্তি ও নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেও দেশ পরিচালনায় অনেকটাই সফল নন। তাই তাদের মতে, খুবই প্রতিভাবানদের, জ্ঞানীদের দেশ ভালোভাবে চালানোর জন্য যে প্রয়োজন তা ঠিক নয়। তাদের এ ধরনের ধারণার জবাবে জানাচ্ছি যে, ডক্টর ইউনূস ব্যর্থ হননি; তিনি প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও দেশ পরিচালনা করে এগিয়ে যাচ্ছেন তা এ বছরের রমজান মাসের ঘটনা থেকে বোঝা যায়। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর, বিগত ৫৪ বছরের প্রতি বছরে রমজানের সময় জিনিসপত্রের দাম বাড়াটা ছিল একটি স্বাভাবিক ঘটনা, যদিও অন্যান্য মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্রে জিনিসপত্রের দাম রোজাদারদের স্বার্থে এ সময় কম রাখা হয়। এ বছরের রমজান মাসে এদেশে কিছু জিনিসপত্রের দাম বিগত মাসের তুলনায় কমে গিয়েছিল এবং গত বছরের রমজান মাসের তুলনায় অনেক জিনিসপত্রের দাম অনেক কম ছিল, যা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এটি ড. ইউনূস সরকারের অভাবনীয় সাফল্য। এ ছাড়াও এবার রমজান মাসে যারা ঢাকা থেকে ঈদ উপলক্ষে বাড়িতে যান তাদেরকে যানজটের অসহনীয় বিড়ম্বনাতে পড়তে হয়নি, যা বাংলাদেশের জন্য একটি নজিরবিহীন ইতিবাচক ঘটনা।

ইসলামী গণতন্ত্রে তথা ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় কোনো রাজনৈতিক দল নেই। এ ব্যবস্থায় সংসদকে বলা হয় মজলিসে শূরা। এ মজলিসে শূরা হচ্ছে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট। নিম্নকক্ষ মজলিসে শূরাকে বলা হয় মজলিসে আম; আর উচ্চকক্ষ মজলিসে শূরাকে বলা হয় মজলিসে খাস। এ মজলিসে খাস অর্থাৎ উচ্চকক্ষ সম্মানিত বিশিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তিদের দ্বারা গঠিত হতো। এরই আলোকে বাংলাদেশে উচ্চকক্ষ সংসদ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ের ও পেশার যেমনÑ প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট, প্রাক্তন সংসদ স্পিকার, প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি, প্রাক্তন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রাক্তন মুখ্য সচিব, প্রাক্তন প্রধান সেনাপতি, প্রাক্তন পুলিশ প্রধান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীগণ ও বিশিষ্ট ধর্মীয় ব্যক্তিত্বগণ, যেমনÑ বায়তুল মোকাররম মসজিদের খতিব ও প্রধান ইমাম, চট্টগ্রাম আন্দরকিল্লা জামে মসজিদের খতিব, চট্টগ্রাম দারুল উলুম হাটহাজারি মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক, বাংলাদেশের হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানÑ এ তিনটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রত্যেকটি সম্প্রদায় থেকে যদি ধর্মীয়ভাবে বাধা না থাকে তাহলে বাংলাদেশের ধর্মীয় প্রধান যেমন হিন্দু সম্প্রদায়ের ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দিরের প্রধান পুরোহিত ও প্রত্যেকটি ধর্মীয় সম্প্রদায় থেকে একজন করে জাতীয়ভিত্তিক সমিতির সভাপতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ভাইস চ্যান্সেলরগণ, ঢাকা প্রেস ক্লাব, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি, জাতীয় অর্থনীতি সমিতি, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ কৃষিবিদ সমিতি, জাতীয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান সমিতি, জাতীয় হিসাববিজ্ঞান সমিতিসহ জাতীয় ভিত্তিক রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পেশাজীবী সমিতি ও বিভিন্ন ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতিগণসহ বিশিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ দ্বারা গঠন করা যায়।

এ উচ্চকক্ষ সংসদ তথা মজলিসে খাসের কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই। ইসলামী গণতন্ত্র তথা ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থার আলোকে বর্তমানে যে উচ্চকক্ষ সংসদ গঠন করা যায় তা নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবিত সংসদের উচ্চকক্ষের তুলনায় হবে বুদ্ধিদীপ্ত, যুগোপযোগী ও জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনগণের প্রতি অতীব কল্যাণকর।

  • প্রকৌশলী ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা
শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা