× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

জাতীয় নির্বাচন

জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ সুষ্ঠু নির্বাচনের পূর্বশর্ত

ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী

প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৫ ১২:২২ পিএম

জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ সুষ্ঠু নির্বাচনের পূর্বশর্ত

সুদূর অতীতকাল থেকে চলমান সময় পর্যন্ত সভ্যতার ক্রমবিকাশের সঙ্গে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রয়াস স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় উপনীত। উন্নত-উন্নয়নশীল-অনুন্নত সব রাষ্ট্রকাঠামো পরিচালনায় জনগণ কর্তৃক ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে সরকার প্রতিষ্ঠা নৈমিত্তিক বিষয়। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। মহান স্বাধীনতার এই দীর্ঘ প্রেক্ষাপটে একটি গণতান্ত্রিক-অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই ছিল জনগণের মৌলিক আকাঙ্ক্ষা। বিরোধ-বিচ্ছেদ-সহিংসতা-অরাজকতা পরিহার করে অতীতে সব রাজনৈতিক দলের অভীষ্ট লক্ষ্য ছিল গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান। এটি কঠিন সত্য যে, এই নির্বাচন নিয়ে কখনও কোনো দেশ বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকেনি। কমবেশি নানামুখী অভিযোগ সত্ত্বেও যথাযথভাবে রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনায় সরকারসমূহ অবিচল ছিল। শতভাগ সফলতা দাবি বিশ্বের কোনো রাষ্ট্রই করতে পারবে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ-সংশয় রয়েছে। পরিপূর্ণ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় সরকার বা নির্বাচন কমিশন প্রধানত দায়িত্বপ্রাপ্ত হলেও জনগণের সচেতনতা ও রাজনৈতিক দলের ভূমিকাই মুখ্যত প্রাধান্য পেয়ে থাকে। 

শহর-নগর-বন্দর-গ্রাম-গঞ্জের সব স্থানে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন ও সামগ্রিক জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে নির্বাচন এক ধরনের প্রহসনে পরিণত হয়। দেশে-বিদেশে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় উন্নয়নের পদযাত্রাকে ব্যাহত করে। প্রতিহিংসা-প্রতিশোধপরায়ণতা সংহার করে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ, রাজনৈতিক শিষ্টাচার অনুসরণ ও দেশপ্রেমের প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সবার সংযত আচরণই কাম্য। দলকানা না হয়ে দলীয় কর্মীর মতো ব্যবহার পরিত্যাগ করে দলনিরপেক্ষ ও জনগণের প্রত্যাশিত নির্বাচনই সমধিক গুরুত্বপূর্ণ। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় সরকার কাঠামো নির্ধারিত হয় একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশে প্রাপ্তবয়স্ক ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের কল্যাণে। জনগণের অধিকাংশ রায় নির্বাচনে জয়-পরাজয় সব প্রার্থী সাদরে বরণ করা বাঞ্ছনীয়। নির্বাচনে কারচুপি-শক্তি-অর্থ ও ক্ষমতা প্রয়োগ বর্জন করে স্বাধীন মতামত প্রকাশের জন্য সাবলীল-শাশ্বত পরিবেশ একান্ত জরুরি। কোনো ধরনের সাম্প্রদায়িকতা-সন্ত্রাসী কার্যক্রমের রসায়নে সহিংসতামুক্ত নির্বাচনই সর্বত্র প্রত্যাশিত।

এটি সর্বজনবিদিত যে, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের যথার্থ ধারণ ও পরিচর্যা আধুনিক জাতিরাষ্ট্রে উন্নয়ন-অগ্রগতির প্রণিধানযোগ্য অনুষঙ্গ। আপামর জনগণের সামষ্টিক চিন্তা-চেতনার প্রতিফলনে বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়ায় অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি দ্বারা পরিচালিত রাষ্ট্রব্যবস্থাই প্রগতিশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রকৃষ্ট পরিচায়ক। মূলত সব দল-মতের সম্মিলিত অংশগ্রহণ-সমর্থনে নেতৃত্ব বাছাই এবং সঠিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে সরকার গঠন ও রাষ্ট্র পরিচালনা গণতন্ত্রকে শক্তিমান করে। গণতন্ত্র হলো আধুনিক বিশ্বের সর্বাপেক্ষা সমাদৃত শাসনব্যবস্থা, যা বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিক থেকে শুরু করে বিশ্বের সর্বত্রই সর্বোচ্চ জনপ্রিয়তা অর্জনে সক্ষম হয়েছিল। বিপুল পরিবর্তন-পরিমার্জনের মধ্য দিয়ে বর্তমানেও গণতন্ত্র সমধিক জনপ্রিয় শাসনব্যবস্থার রূপ পরিগ্রহ করে চলছে। গণতন্ত্র যেকোনো সমাজে পরিশুদ্ধ পন্থায় সমগ্র জনগোষ্ঠীর কল্যাণ সাধনে রাষ্ট্র বা সরকার পদ্ধতিকে নির্দেশিত করে। একনায়কতন্ত্র বা রাজতন্ত্রের বিপরীতে জনগণের শাসন বা শাসন নীতির ইচ্ছানুসারে পরিচালিত রাষ্ট্রব্যবস্থা গণতন্ত্রের ধারণা-ধারাবাহিকতার সুস্পষ্ট বহির্প্রকাশ। প্রকৃতপক্ষে গণতন্ত্রের ঐতিহ্যিক সৌকর্যের তাৎপর্যপূর্ণ ভিত্তি হচ্ছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান।

রাষ্ট্র পরিচালনার বিষয়টি সুদূর প্রাচীনকাল থেকেই পরিশুদ্ধ সমাজ বিনির্মাণে চলমান সক্রিয়তায় পরিপুষ্ট। আদিম মানবগোষ্ঠীর সহজ-সরল শাসনব্যবস্থাকে স্বাভাবিক ধরে রাজতন্ত্র বা একনায়কতন্ত্র নামক অস্বাভাবিক রাষ্ট্রব্যবস্থার বিপরীতে জনগণ জীবনব্যবস্থা রূপে গণতন্ত্রকে বেছে নেবে, এই ইঙ্গিত প্রায় সব সমাজ ও রাষ্ট্র দিয়ে গেছে। আমরা জানি, প্রাচীন গ্রিস ও রোমের সরকার পরিচালনায় নাগরিকের অংশগ্রহণের অধিকার প্রচলিত ছিল। প্রাচীন গ্রিসে সীমিত সংখ্যক জনসংখ্যা অধ্যুষিত ছোট ছোট নগরকেন্দ্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকেরা সরাসরি ভোট দিত। কিন্তু এসব গণতন্ত্রে নিম্নবিত্ত কিংবা ক্রীতদাসদের কোনো স্থান ছিল না। আধুনিককালে প্রাপ্ত বয়স্কদের ভোটাধিকার প্রয়োগে নির্বাচিত ব্যক্তিবর্গের আইন পরিষদে প্রতিনিধিত্ব করার মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার যে ব্যবস্থা, তাকেই বর্তমানে গণতন্ত্রের মূল প্রত্যয় হিসেবে অভিহিত করা হয়। মূলত এর উৎপত্তির পেছনে রয়েছে শিল্পবিপ্লবের ধারাবাহিকতায় ফরাসি বিপ্লবের যে দার্শনিক ভিত্তির গোড়াপত্তন তথা সাম্য-মৈত্রী-স্বাধীনতার চেতনার বাস্তব অভিব্যক্তি।

আধুনিক গণতন্ত্রের বিকাশের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর স্বাধীনতা ও মুক্তি তথা মানবজাতির মুক্তির সনদ হিসেবে জাতিসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণার ২১তম অনুচ্ছেদের ৩নং ধারা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ‘সরকারের কর্তৃত্বের ভিত্তি হবে জনগণের ইচ্ছা যা নির্দিষ্ট সময় অন্তর সর্বজনীন ও সমান ভোটাধিকারের ভিত্তিতে গোপন ভোটের মাধ্যমে অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠান অর্থাৎ জনগণের ইচ্ছার প্রকৃত প্রতিফলন’ জাতিসংঘ ঘোষিত এ নীতিমালা গণতান্ত্রিক ধারাকে সমগ্র বিশ্ব সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে। অনুচ্ছেদের ১নং ধারা বিশ্বের প্রত্যেক ব্যক্তিই স্বাধীনভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে দেশের শাসনকার্য পরিচালনায় অংশগ্রহণের অধিকার অর্জন করেছে। যথার্থ অর্থে জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠার সমুজ্জ্বল গতি-প্রকৃতির অবগাহনে গণতন্ত্র শুধু যে সরকার গঠন সম্পর্কিত বিষয় তা কিন্তু নয়। আধুনিক গণতন্ত্রের বিজ্ঞতাত্ত্বিক লিন্ডসের ভাষায়, গণতন্ত্র একটি সামাজিক প্রক্রিয়াও বটে। এটি মূলত কতগুলো রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও সামাজিক মূল্যবোধের সমন্বিত পরিচর্যা-প্রতিফলন-রোডম্যাপ স্বরূপে বিবেচ্য।

অতিসম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঘোষণা করেছেন। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক কাজগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচনী কর্মকর্তাদের বেশকিছু নির্দেশনা প্রদান করেছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছেÑ সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালার সংশোধনী, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র স্থাপন এবং ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা ও নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিক/গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নীতিমালার সংশোধনী ওয়েবসাইটে প্রকাশের ব্যবস্থা করা, নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধন এবং সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া, জাতীয় নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারীদের প্রশিক্ষণের কর্মপরিকল্পনা ইসিতে উপস্থাপন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ম্যানুয়াল তৈরির জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ ইত্যাদি। তাছাড়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রধান আইন আরপিও সংশোধনীর মাধ্যমে নির্বাচন বন্ধে নির্বাচন কমিশন এবং প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের ক্ষমতা পুনর্বহালের উদ্যোগ নিতে ইসি সচিবালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনী কর্মকর্তাদের ‘প্রো-অ্যাকটিভ’ ও ‘দলনিরপেক্ষ’ হয়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। 

তা ছাড়া নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার সংবাদ প্রকাশিত। এ লক্ষ্যে কয়েকটি বিশেষ কমিটি গঠনসহ ভোট পর্যবেক্ষণে থাকবে ডিজিটাল সার্ভিল্যান্স। নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট কর্তকর্তাদের মারফত জানা যায়, নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসছে বিধায় নির্বাচনের সর্বাপেক্ষা চ্যালেঞ্জিং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়ে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে ইসি। প্রার্থী চূড়ান্ত হওয়ার পর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে সংলাপে বসারও পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্বাচনী প্রস্তুতির অগ্রগতি বিষয়ক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাসঙ্গিকতায় পুলিশ মহাপরিদর্শকের গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রতিফলিত হয়েছে যে, তাদের মতে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট করতে চায় বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। নির্বাচন ঘিরে কী কী প্রস্তুতি নিতে হবে এ ব্যাপারে বিভিন্ন সময়ে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার বিপুল নিদের্শনা উচ্চকিত হয়েছে। ভোট প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এসব নির্দেশনার বাস্তবায়ন চিত্র ও কর্মপরিকল্পনা উল্লেখ্য বৈঠকে তুলে ধরা হয়। তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটি কেন্দ্রে একজন পুলিশ সদস্যকে বডিঅন ক্যামেরা দেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে। আমরা এটির বাস্তবতা যাচাই করছি। এত বড় প্রযুক্তিগত কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়নের সক্ষমতা রয়েছে কি না তা পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে। ভোট প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সারা দেশে দেড় লাখ পুলিশ সদস্যের প্রশিক্ষণ ৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে।’

সভ্য সমাজে দেশি-বিদেশি সব সচেতন মহলের ধারণায় নির্বাচন কমিশনের শক্তিমানতার ওপর নির্ভর করে অবাধ-সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন। পর্যাপ্ত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে সব ধরনের সহিংসতা এড়িয়ে একটি সফল ও সার্থক নির্বাচন উপহার নির্বাচন কমিশনই নিশ্চিত করতে পারে। মোদ্দাকথা, নির্বাচনপূর্ব ও পরবর্তী সময়ে জননিরাপত্তা জোরদার করা গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রধানতম শর্ত হিসেবে প্রতিভাত। নির্বাচনকালীন সরকার-রাজনৈতিক দলসমূহ-আপামর জনগণের সার্বিক সহযোগিতায় নিরপেক্ষ-দক্ষ-যোগ্য পদচারণায় নির্বাচন কমিশনের দূরদর্শী দৃঢ়তাই প্রত্যাশিত। সংখ্যালঘু, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসহ জনগণের সামগ্রিক নিরাপত্তা যাতে কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত না হয় বা এদের আতঙ্কিত না করতে পারে এমন সব সম্ভাব্য অপচেষ্টা প্রতিরোধে সরকারকে অবশ্যই আগে থেকে যথোপযুক্ত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় নির্বাচন কতটুকু গ্রহণযোগ্য হবে তা নিয়ে বিতর্ক লেগেই থাকবে।

  • শিক্ষাবিদ, সমাজ-অপরাধবিজ্ঞানী
শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা