× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

রাজধানী ঢাকা

উন্নয়নশীল বিশ্বের অনিয়ন্ত্রিত নগরায়ণ!

ড. আলা উদ্দিন

প্রকাশ : ৩১ জুলাই ২০২৫ ১৭:০৪ পিএম

ড. আলা উদ্দিন

ড. আলা উদ্দিন

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা আজ উন্নয়নশীল বিশ্বের অনিয়ন্ত্রিত নগরায়ণের এক জীবন্ত উদাহরণ। দুই কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস এই শহরে। যেখানে প্রতিদিনের জীবনযাপন যেন এক বিশৃঙ্খল বাস্তবতার মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকার লড়াই। একসময় মাত্র কয়েক লাখ মানুষের জন্য পরিকল্পিত এই নগর এখন জনসংখ্যার চাপে দমবন্ধ হওয়ার মতো অবস্থায় পৌঁছেছে।

প্রতিদিন শহরের রাস্তাগুলো দীর্ঘ যানজটে স্থবির হয়ে থাকে। দুর্ঘটনার হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে চলেছে। অতিরিক্ত জনসংখ্যা ও অপরিকল্পিত নির্মাণের ফলে কোনো একটি এলাকা অগ্নিকাণ্ডে আক্রান্ত হলে তা দ্রুতই বড় বিপর্যয়ে রূপ নিচ্ছে। ঢাকার অবকাঠামো, যা মূলত ছোট আকারের জনসংখ্যার জন্য গড়ে উঠেছিলÑ আজ লাখ লাখ মানুষের চাপে ভেঙে পড়ছে।

রাস্তায় পথচারী, রিকশাচালক ও বাসযাত্রীরা প্রতিনিয়ত এমন এক পরিবেশে চলাচল করছে, যা কখনোই এত মানুষের চাপ বহন করার উপযোগী ছিল না। জরুরি সেবা, বিশেষ করে অ্যাম্বুলেন্স ও অগ্নিনির্বাপক বাহিনী, প্রায়ই সময়মতো দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছতে পারে না, সেই একই যানজটের কারণেÑ যা এই দুর্ঘটনাগুলোর কারণও বটে।

পুরান ঢাকার নিমতলী, বেইলি রোড বা চকবাজারের মতো এলাকাগুলোর হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনাগুলো স্পষ্টভাবে দেখিয়ে দেয়, এই নগর আর কেবল জনসংখ্যার চাপে নয়, বরং অনিয়ন্ত্রিত নগরায়ণ, অপরিকল্পিত অবকাঠামো এবং নীতিনির্ধারকদের অবহেলার ফলে এক গভীর সংকটে নিপতিত হয়েছে। সংকীর্ণ গলি, নিরাপত্তাবিধি লঙ্ঘন করে নির্মিত দালান এবং জনঘনত্ব এই শহরকে প্রতিনিয়ত এক একটি সম্ভাব্য দুর্যোগে পরিণত করছে। আর গত ২১ জুলাইয়ের বিমান দুর্ঘটনায় মাইলস্টোন স্কুলের শিশু শিক্ষার্থী ও শিক্ষিকাদের মৃত্যু ও চলমান মৃত্যু আশঙ্কা যেন জ্বলন্ত বিভীষিকা। এই ট্রমা এখনও গোটা জাতিকে নাড়া দিচ্ছে। কেবল তাই নয়, উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুলে সামরিক যুদ্ধ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় হতাহতের পর দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা, বিশেষ করে ইমার্জেন্সি হেলথ রেসপন্স বা জরুরি স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা নিয়েও নানা প্রশ্ন সামনে এসেছে। জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসা এবং হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা নিয়েও হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। ওই দুর্ঘটনার পর আশপাশের হাসপাতালগুলোই ছিল হতাহতদের চিকিৎসার প্রাথমিক গন্তব্য। এরপর পরিস্থিতি বিবেচনায় তাদেরকে বিভিন্ন বিশেষায়িত হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু এই পুরো প্রক্রিয়ায় যে সময় লেগেছে সেটি আহতদের যে মৃত্যু ঝুঁকি বাড়িয়েছে তাতে ক কোন সন্দেহ নেই। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেছেন, এই পুরো প্রেক্ষাপট জরুরি চিকিৎসা সেবা ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দেশের সামগ্রিক দুর্বলতাকে আবারো সামনে এনেছে। কেবল এই দুর্ঘটনা নয়, যেকোনো ইমার্জেন্সি রেসপন্স বা চিকিৎসার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রস্তুতি এখনও কার্যত প্রাথমিক পর্যায়ে। একটা পরিকল্পিত মেগা সিটির চিত্র এমন হতে পারে না, হওয়ার কথাও নয়।

ঢাকার বায়ুদূষণের মাত্রা নিয়মিতভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিরাপত্তা মানদণ্ড উল্লেখযোগ্য মাত্রায় ছাড়িয়ে যায়। যানবাহনের নিঃসরণ, শিল্প বর্জ্য, আর নির্মাণ সাইট থেকে ধুলার সমন্বয় এক বিষাক্ত মিশ্রণ তৈরি করে, যা বাসিন্দারা প্রতিদিন নিঃশ্বাসে নেয়। বিশেষত শীতকালে যখন বাতাসের গতি কম থাকে, তখন ঢাকার আকাশ ধোঁয়াশায় ঢেকে যায়। শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, ফুসফুসের সমস্যা শহরবাসীর নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। শব্দদূষণ আরেকটি চাপের স্তর যোগ করে। যানবাহনের ক্রমাগত হর্ন, নির্মাণ যন্ত্রপাতি, আর শিল্পকার্যক্রম ২৪ ঘণ্টার নগর বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। ঘুমের সমস্যা, শ্রবণ সমস্যা, আর চাপজনিত অসুস্থতা ঢাকার জনসংখ্যার মধ্যে স্থানীয় হয়ে উঠেছে। মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর প্রভাব অপরিমেয়। শিশুদের বিকাশ, বয়স্কদের জীবনযাত্রার মানÑ সবকিছুতেই এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। পানিদূষণ আরেকটি সংকট। শিল্প বর্জ্য আর অপর্যাপ্ত পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা উপলব্ধ পানির উৎসগুলো দূষিত করে। বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ এবং বালু নদীÑ ঢাকাকে ঘিরে থাকা এই চার নদীই আজ মৃতপ্রায়। অনেক বাসিন্দা বোতলজাত পানি বা দামি পরিস্রাবণ ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে, যা পরিবারের ওপর অতিরিক্ত অর্থনৈতিক বোঝা তৈরি করে।

‘বাংলাদেশ মানেই ঢাকা’ বাক্যটি এক অস্বস্তিকর সত্য, যা প্রতিফলিত করে কীভাবে পুরো দেশের প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষাগত, আর সাংস্কৃতিক জীবন রাজধানীকে ঘিরে আবর্তিত হয়। এই অতিকেন্দ্রীকরণ শুধু একটি প্রশাসনিক সমস্যা নয়, এটি একটি জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকিও বটে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, তেজগাঁও বিমানবন্দর, সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সেনা ক্যান্টনমেন্ট, এমনকি নৌবাহিনীর সদর দপ্তরও সবই ঢাকার সীমানার মধ্যে অবস্থিত। এক শহরে সামরিক আর বেসামরিক অবকাঠামোর এই ঘনত্ব আবাসন উন্নয়নের জন্য জমির প্রাপ্যতা সীমিত করে। একই সঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্য কোনো জরুরি অবস্থায় পুরো দেশের কার্যক্রম অচল হয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করে। শিক্ষাব্যবস্থা এই কেন্দ্রীকরণ সমস্যার উদাহরণ। দেশের প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, আর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো প্রধানত ঢাকায় অবস্থিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়Ñ সবগুলোই ঢাকা অঞ্চলে। মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষার জন্য ছাত্রছাত্রীদের রাজধানীতে আসতে হয়, গ্রামীণ এলাকা থেকে মেধা পাচার তৈরি করে। স্বাস্থ্যসেবাও একইভাবে কেন্দ্রীভূত। সবচেয়ে উন্নত চিকিৎসা সুবিধা, বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, আর গবেষণা হাসপাতাল ঢাকায় রয়েছে। বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য রোগীদের প্রায়ই রাজধানীতে ভ্রমণ ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। এর ফলে হাসপাতালগুলোতে অসহনীয় চাপ পড়ে, রোগীরা উপযুক্ত সেবা পান না।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে ঢাকার ভূমিকা দেশজুড়ে চাকরিপ্রার্থীদের জন্য এক অপ্রতিরোধ্য আকর্ষণ সৃষ্টি করে। তৈরি পোশাক শিল্প, যা বাংলাদেশের রপ্তানি অর্থনীতির মেরুদণ্ড, ঢাকা আর তার আশপাশে ব্যাপকভাবে কেন্দ্রীভূত। সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জÑ এই এলাকাগুলোতে শত শত গার্মেন্টস কারখানা রয়েছে। লাখো কর্মী এই কারখানায় কাজ খোঁজার আশায় রাজধানী অঞ্চলে অভিবাসী হয়। আর্থিক প্রতিষ্ঠান, করপোরেট সদর দপ্তর, আর সরকারি অফিসগুলো অপ্রতিরোধ্যভাবে ঢাকায় অবস্থিত। বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান বাণিজ্যিক ব্যাংকের সদর দপ্তর, বীমা কোম্পানি, বহুজাতিক করপোরেশনের অফিসÑ সবই ঢাকা কেন্দ্রিক। এই অর্থনৈতিক ক্লাস্টারিং প্রভাব ব্যবসার জন্য দক্ষতা তৈরি করলেও শহরের জনসংখ্যার চাপে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।

লাখো মানুষ কাজ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা বা প্রশাসনিক উদ্দেশ্যে আশপাশের জেলা থেকে প্রতিদিন যাতায়াত করে। নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর থেকে প্রতিদিন লাখো মানুষ ঢাকায় কাজে আসে। অপর্যাপ্ত গণপরিবহন ব্যবস্থা অনেককে ব্যক্তিগত যানবাহনের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য করে। বাস ব্যবস্থা প্রায়ই অতিরিক্ত ভিড়, অনিরাপদ আর অবিশ্বস্ত। যাত্রীরা প্রায়ই চলন্ত যানবাহনে ওঠা বা দরজা আর জানালা থেকে ঝুলে থাকার মতো জীবনের ঝুঁকি নেয়। একটি সাধারণ যাত্রায়, যা অন্য শহরে ৩০ মিনিট লাগার কথা, ঢাকায় তা ২-৩ ঘণ্টা সময় নেয়।

নানা সমস্যায় জর্জরিত এই রাজধানীর অন্যতম একটি সমস্যা হলো ট্রাফিক জ্যাম বা যানজট। দেশের বিভিন্ন শহরে যানজটের কমবেশি চিত্র চোখে পড়লেও রাজধানী ঢাকায় তা ক্রমেই প্রকট আকার ধারণ করছে। যানজটের তীব্রতায় ঢাকা শহরের বসবাসকারীরা এখন চরম দুর্ভোগের শিকার। যানজটের কবলে পড়ে দেশের পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি ব্যবস্থা সবই এখন হুমকির মুখে। ঢাকার গতিময় যান্ত্রিক জীবন এখন থমকে দাঁড়ায় শুধু যানজটের কাছে। পরিবেশবিদরা বলছেন, তীব্র যানজটের কারণে বায়ুতে ক্ষতিকর গ্যাসের পরিমাণ বাড়ে, যা মানুষের স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এই সমস্যা সমাধানে পরিকল্পিত নগরায়ন, গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমানো প্রয়োজন। জানা গেছে, শুধুমাত্র যানজটের অর্থনৈতিক মূল্য বার্ষিক হাজার কোটি টাকায় পৌঁছে। জ্বালানি অপচয়, কর্মঘণ্টার ক্ষতি, পণ্য পরিবহনে বিলম্বÑ এসবের সম্মিলিত প্রভাব জাতীয় অর্থনীতিতে বিরাট ক্ষতি করে। দূষণ-সংক্রান্ত অসুস্থতা বাড়ায় স্বাস্থ্যসেবা খরচ বেড়ে যায়। সামাজিক খরচও উল্লেখযোগ্যÑ কর্মক্ষম বয়সের সদস্যরা ঢাকায় অভিবাসী হয়ে গ্রামীণ এলাকায় বয়স্ক বাবা-মা আর ছোট শিশুদের রেখে যাওয়ায় পারিবারিক কাঠামো ব্যাহত হয়।

ঢাকার সংকটের সমাধান শহরের মধ্যে আরও বেশি মানুষ ও কার্যক্রম স্থাপনের চেষ্টায় নয়, বরং বাংলাদেশ কীভাবে তার অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক ও সামাজিক ব্যবস্থা সংগঠিত করে তার মৌলিক পুনর্গঠনে। চট্টগ্রাম, দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে, বর্তমানে ঢাকায় অবস্থিত অনেক সরকারি দপ্তর ও করপোরেট সদর দপ্তরের জন্য একটি স্পষ্ট বিকল্প। সিলেট, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশালের মতো অন্যান্য প্রধান শহর নির্দিষ্ট খাত বা সরকারি কার্যাবলির আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করতে পারে। শিক্ষা বিকেন্দ্রীকরণ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকার বাইরে উচ্চমানের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করলে শিক্ষার্থীদের রাজধানীতে অভিবাসনের প্রয়োজন কমবে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করা এবং নতুন বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান তৈরি করা জরুরি।

আধুনিক প্রযুক্তি নগর বৃদ্ধি আরও কার্যকরভাবে পরিচালনার হাতিয়ার দেয়। স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সিস্টেম, ডিজিটাল শাসন সেবা এবং মোবাইলভিত্তিক জনসেবা ঢাকার সরকারি অফিসগুলোতে শারীরিকভাবে যাওয়ার প্রয়োজন কমাতে পারে। সরকার অবশ্যই নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানকে অন্য শহরে স্থানান্তরের জন্য একটি সময়সূচি প্রতিষ্ঠা করবে। অন্য অঞ্চলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে হবে। ভারতের মতো দেশ যেভাবে বেঙ্গালুরুকে আইটি হাব, মুম্বাইকে আর্থিক কেন্দ্র, দিল্লিকে প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে গড়েছে, বাংলাদেশেও তেমন বিশেষায়িত নগর উন্নয়ন দরকার। গণপরিবহন ব্যবস্থার আমূল সংস্কার প্রয়োজন। মেট্রোরেল প্রকল্প একটি ভালো শুরু, কিন্তু এটি যথেষ্ট নয়। বিআরটি, নৌপথের উন্নয়ন এবং ইন্টিগ্রেটেড ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম দরকার। ঢাকার নাগরিকরা জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সেবায় বছরের পর বছর জীবনযাত্রার মান হ্রাসের কষ্ট সহ্য করছেন। এই প্রবৃদ্ধি দেশব্যাপী আরও সমানভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার সময় এসেছে। কেবল ব্যাপক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমেই বাংলাদেশ একটি অপরিকল্পিত মেগা-শহরের ফাঁদ থেকে মুক্ত হতে পারে। তাই এখনই পদ্ধতিগতভাবে বিকেন্দ্রীকরণের পদক্ষেপ নিতে হবে, নতুবা ঢাকাকে এমন প্রত্যাশার ভারে দম বন্ধ হতে থাকবে। অনেক বিলম্ব হলেও, সময় এসেছে একটি টেকসই, বিকেন্দ্রীভূত বাংলাদেশ গড়ার যেখানে ঢাকা হবে দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু একমাত্র কেন্দ্র নয়।

  • অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা