× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

জুলাই অভ্যুত্থান

চব্বিশের লাল জুলাই : ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের প্রেরণা

সালাহউদ্দিন আহমেদ রায়হান

প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৫ ১৬:১৭ পিএম

সালাহউদ্দিন আহমেদ রায়হান

সালাহউদ্দিন আহমেদ রায়হান

দেশের ৫৪ বছরের ইতিহাসে জুলাই মাসে তেমন কোনো ঐতিহাসিক দিন ছিল না। ঘটনাবহুল বাংলাদেশে প্রত্যেক মাসেই কোনো না কোনো দিন থাকে, যা জাতীয়ভাবে পালিত হয় বা রাজনৈতিক দলগুলো নিজস্বভাবে পালন করে। ২০২৪ এর আগে জুলাইয়ে এ রকম কোনো দিন পরিলক্ষিত হয়নি। তবে গত বছরের জুলাইয়ে কোনো একটি বিশেষ দিন শুধু নয়; পুরো একটি মাস বাংলাদেশের ইতিহাসের ভিতকে নতুন করে গড়ে তুলেছে। রক্তে রঞ্জিত এই মাসে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে পুরো জাতি। সব ধর্মের মানুষÑ শিক্ষিত, অশিক্ষিত, উপজাতি, পাহাড়ি, খেটে খাওয়া দিনমজুর, রিকশাওয়ালা, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী কারও মধ্যে কোনো ভেদাভেদ ছিল না। সবার চাওয়ার কেন্দ্রবিন্দু ছিল একটাইÑ ১৬ বছরের ফেসিস্ট শাসকের পদত্যাগ।

জাতি হিসেবে বাংলাদেশিদের গর্ব করার উপলক্ষ মহান মুক্তিযুদ্ধ, যার মাধ্যমে আমরা শুধু একটি স্বাধীন ভূখন্ডই পাইনি, পেয়েছি একটি জাতিসত্তা। ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মুক্তিসংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন হওয়ার পর দেশটি যেভাবে এগোনোর কথা ছিল, তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর অপশাসনে তার উল্টোটি হয়। দেশ গণতন্ত্রহীন হয়ে পড়ে। বাকস্বাধীনতা রুদ্ধ হয়। 

সংগ্রাম, আত্মত্যাগের মাধ্যমে পরবর্তীতে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরে আসে। তারপর ১৯৯০-এ, একইভাবে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ পরাজিত করে দীর্ঘ ৯ বছরের স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে। বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র সংবিধানে সন্নিবেশিত হয়। বাংলাদেশের দীর্ঘ রাজনৈতিক পরিক্রমায় ১৯৯০ সালের পর থেকে চেক অ্যান্ড ব্যালান্সের মাধ্যমে, মোটামুটি একটি রাজনৈতিক সমাঝোতার মাধ্যমে দেশ এগিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু এই পরিক্রমার যবনিকাপাত ঘটালেন শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালে ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম ১৫৪ জন বিনা-প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলো। বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়নের মাত্রা দিনের পর দিন বাড়তে থাকে। ২০১৮তে দিনের ভোট রাতে এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালে ‘আমি আর ডামি’ নির্বাচন সমস্ত নির্বাচনব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিল পরপর তিনটা কলুষিত হাসিনাময় জাতীয় নির্বাচন।

জনগণের এই অধিকার হরণের বিরুদ্ধে ২০২৪-এ কেন ঐক্যবদ্ধ হলো বাংলাদেশ? ৬ জুন ২০২৪ যখন হাইকোর্টের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা পুনর্বহাল হয় তখন থেকেই ছাত্র-ছাত্রীরা ফুঁসে উঠতে শুরু করে। তারা সরকারকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময় দেয় কোটা ব্যাবস্থার যৌক্তিক সংস্কার করার জন্য। বাংলাদেশের গণমানুষ এবং গণমাধ্যম ১৬ বছর ধরে নিষ্পেষণের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। মানুষের সমস্ত মৌলিক অধিকার হরণ করা হয়েছিল। বিরোধী দলগুলোকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার জন্য সব ধরনের পন্থা অবলম্বন করা হয়েছিল। গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড একটা নিত্যনৈমিত্তিক অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছিল। অবর্ণনীয় দুর্নীতিতে ছেয়ে গিয়েছিল দেশ। প্রত্যেকটা উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ বৃদ্ধি করা হতো। গণমানুষের যে কোনো দাবিদাওয়াকে তুচ্ছ করে দেখা হতোÑ কারণ বাংলাদেশের মানুষের ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করার ক্ষমতা পুরোপুরি নিঃশেষ করে দেওয়া হয়েছিল। দেশে গণতন্ত্রের পরিবর্তে কায়েম হয়েছিল হাসিনাতন্ত্র!

১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট (৩৬ জুলাই) বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনার ইতিহাস, যা মূলত বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছেই অকপল্পনীয় ছিল। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে শুরু হওয়া এই আন্দোলন কয়েক দিনের মধ্যেই গণআন্দোলনে রূপ নেয়। খুব সচেতনভাবে ছাত্রছাত্রীরা এবং রাজনৈতিক দলগুলো এই আন্দোলনকে সামনের দিকে, সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। দেশের বৃহত্তম দল বিএনপি অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে এই আন্দোলনের সামনে না এসে পেছনে থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করেছে বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছা পর্যন্ত। ৬ জুলাই বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রেস কনফারেন্স করে ছাত্র-ছাত্রীদের এই আন্দোলনকে সমর্থন জানান। একই সঙ্গে ছাত্রদল, ছাত্র ইউনিয়ন এবং অপরাপর ছাত্রসংগঠনও এই আন্দোলনে সর্বাত্মক সমর্থন জানায় এবং ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

এভাবেই ধীরে ধীরে আন্দোলন একটি ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে রূপ নেয় যেখানে একদিকে বাংলাদেশের গণমানুষ আর অন্যদিকে তাদের প্রতিপক্ষ ফেসিস্ট হাসিনা ও তার দোসর। এই আন্দোলনের ছক ও কর্মসূচিগুলো ছিল খুবই উদ্ভাবনামূলক। প্রথমেই ৬ তারিখে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা বড় ধরনের আন্দোলন শুরু করে। আন্দোলনের টার্নিং পয়েন্ট ১৪ জুলাই এবং ১৬ জুলাই। ১৪ জুলাই সাংবাদিক প্রভাষ আমিন এবং ফারজানা রূপার প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধাদের নাতিপুতিরা পাবে না? তাহলে কি রাজাকারের নাতিপুতিরা চাকরি পাবে?’ 

শেখ হাসিনার এই শ্লেষাত্মক এবং নির্মম উক্তি ছাত্রছাত্রীদের বিক্ষুব্ধ করে তোলে। সব বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্রছাত্রীরা মিছিল নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়ে, তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হয় চারদিকÑ ‘তুমি কে, আমি কে; রাজাকার, রাজাকারÑ কে বলেছে, কে বলেছে; স্বৈরাচার, স্বৈরাচার।’

ফেসিস্ট হাসিনা সরকার এবং তাদের নেতাদের একটি স্বভাবসুলভ আচরণ ছিল, তাদের বিরুদ্ধে কোনো কিছু গেলেই বা কোনো ব্যক্তি কোনো প্রতিবাদ করলেই, তাকে রাজাকার ট্যাগ দেওয়া। বিএনপি ছিল সবচেয়ে বড় ভিকটিমÑ তাদের মূল টার্গেট। অথচ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিএনপির সময় গঠিত হয়েছিল। ১৬ জুলাই আবু সাঈদকে নির্মমভাবে সরাসরি গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ছিল এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য, যা বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষকে বাকরুদ্ধ করে দেয়। একই দিন চট্টগ্রামে ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী ওয়াসিমসহ আরও ৬ জন নিহত হয়। আহত হয় অগণিত। ১৮ জুলাই ছাত্রছাত্রীরা আরেকটি অভিনব কর্মসূচি ঘোষণা করল, ‘কমপ্লিট শাটডাউন’।

নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদসহ চার সমন্বয়ক নিখোঁজ (গুম) হন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অনলাইনে সবসময়ই ছাত্রদেরকে সমর্থন এবং অফলাইনে প্রতিমুহূর্তে সব ধরনের দিকনির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছিলেন। ১৯ জুলাই তারিখে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ৯ দফার ঘোষণা দেয়; কিন্তু সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহর নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধি আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ তিনজন মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে ৮ দফা ঘোষণা করেন। আসলে দেশের জনসাধারণ তখন চাচ্ছিল মুক্তি। শেখ হাসিনার অপশাসন থেকে মুক্তি। প্রতিটি মুক্তিকামী মানুষের মনে তখন ১ দফাÑ শেখ হাসিনার পতন। অগণিত নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করা হচ্ছিল। বাদ যাচ্ছিল না পথের ধারে বাবার কোলে দাঁড়িয়ে থাকা শিশু, পথচারী, সাধারণ মানুষ। হেলিকপ্টার থেকে গুলি করা, মরণঘাতী অস্ত্র ব্যাবহার করাÑ কি না করা হয়েছে এই ন্যায্য আন্দোলনকে নস্যাৎ করার জন্য। এই আন্দোলনের একটা ইউনিক দিক ছিল; নারীদের অংশগ্রহণ, মায়েদের অংশগ্রহণ। মায়েরা পানি নিয়ে এসেছে, খাবার নিয়ে এসেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষকেরা প্রতিবাদ করেছে, হাইকোর্টের সামনে পুলিশ কর্তৃক আন্দোলনকারীদের তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় নারীরা প্রতিবাদ করেছে। ছাত্র-ছাত্রীরা দেয়ালে দেয়ালে গ্রাফিতি এঁকেছেÑ যা সাধারণ মানুষকে সাহসী করে তুলেছিল।

১৯ জুলাই রাতেই কারফিউ জারি করা হয়। সবকিছু বন্ধ করে দেওয়া হয়। ঢাকাসহ সারা দেশে আন্দোলন দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়তে থাকে। প্রতিদিনই অগণিত মানুষ নিহত হতে থাকে। এই আন্দোলনের সবচেয়ে দুঃখজনক দিক ছিল শিশু হত্যা। ৪ বছরের শিশু বাচ্চা আহাদ, সনাতন ধর্মের দীপ্ত দে, রিয়া গোপও বাদ যায়নি। 

দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপিসহ অপরাপর রাজনৈতিক দল, তাদের ছাত্রসংগঠন, যুবসংগঠন সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে ঢাকার প্রতিটি পয়েন্টÑ যাত্রাবাড়ী, মিরপুর, টঙ্গী, আব্দুল্লাহপুর, নারায়ণগঞ্জে কঠিন প্রতিরোধ গড়ে তোলে। পরবর্তীতে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একজন পুলিশ অফিসার সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে বলছেন, ‘স্যার একটা মরে, একটাই যায়, বাকিগুলা ফিরে আসে।’ এ থেকেই বোঝা যায় কতটা শক্ত প্রাচীর তৈরি করেছিল জনতা।

৩ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে নাহিদ ইসলাম শহীদ মিনারে ১ দফার ঘোষণা দেন এবং ৬ তারিখ ‘মার্চ টু ঢাকা ঘোষণা করেন’। প্রতিনিয়ত মানুষ মারা যাচ্ছে। আহত রোগীদের সেবা দিতে হাসপাতালগুলো হিমশিম খাচ্ছে। কিন্তু জনতাকে থামানো যাচ্ছে না। শেখ হাসিনা তার বিদ্বেষের চরম পর্যায়ে পৌঁছে গেছেনÑ কিন্তু নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছেন। আলজাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে ধারাবাহিক ফেসবুক স্ট্যাটাসের শেষে দেখা যায়, ‘নাহিদ ইসলাম কোনো এক মাধ্যমে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে কথা বলেন এবং ৬ আগস্টের মার্চ টু ঢাকা এক দিন এগিয়ে ৫ আগস্ট করার সিদ্ধান্ত হয়।’

শেখ হাসিনা তখনও অনড়। কিন্তু ৩৬ জুলাই (৫ আগস্ট) যখন ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের জনস্রোত গণভবন অভিমুখী, শেখ হাসিনা তখন তার বোন শেখ রেহানাসহ পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পলায়ন করলেন। শেষ হলো এক নারকীয় অধ্যায়ের। মুক্তির আনন্দে মানুষ উৎসবে মেতে উঠল। যে পরিবারগুলো তাদের সন্তান হারিয়েছে, তাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটিকে হারিয়েছে, শিশু বাচ্চাটিকে নিজের কোলে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যেতে দেখেছে; তাদের সবার মনেই একটা অন্তত আনন্দ ছিলÑ এই প্রাণের বিনিময়ে দেশ একটি নৃশংস ফেসিস্টের হাত থেকে মুক্ত হলো।

লাল জুলাই দিয়েছে এক ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ এবং ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী, তার মন্ত্রিসভা, তার দলের সদস্যরা পলায়ন করতে বাধ্য হলেন। যে দম্ভোক্তি শেখ হাসিনা ও তার দলের লোকজন করতÑ এই দম্ভোক্তি এবং মানুষকে মানুষ হিসেবে গণ্য না করাই, তাদেরকে এ রকম ন্যক্কারজনক পতনের সম্মুখীন করেছে। 

লাল জুলাইয়ে নিহত ও আহতদের এই ছিল বাংলাদেশের গণমানুষের কাছে উপহার। ‘দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেব রক্ত, রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়!’Ñ এই স্লোগান বুঝিয়ে দিয়েছে, যখনই কোনো অন্যায় হবে, অবিচার হবে; বাংলাদেশের মানুষ ঠিকই তার গতিপথ খুঁজে নেবে।

  • প্রকৌশলী ও কলাম লেখক
শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা