মো. বিল্লাল হোসেন
প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৫ ১৬:৫৩ পিএম
গত ২১ জুলাই ২০২৫ তারিখে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় বহু শিক্ষার্থী নিহত ও আহত হয়েছেন। এত বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীদেরকে জরুরি সেবা দিতে গিয়ে দেখা যায় বেশিরভাগেরই পরিচয় শনাক্ত করা খুব মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। মা-বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের কাছে দুর্ঘটনার তথ্য পৌঁছে দেওয়া কিংবা কারও শরীরে রক্ত সরবরাহ করা কোনোটিই সম্ভব হচ্ছিল না। কারণ কোমলমতি এই শিশুদের আইডি কার্ডে শুধু নাম, রোল ও সেকশন উল্লেখ করা ছিল। অথচ এই আইডি কার্ডে বাবা-মায়ের নাম ও যোগাযোগের মোবাইল নম্বর, বাচ্চার রক্তের গ্রুপ ও ঠিকানা এগুলো অবশ্যই উল্লেখ থাকা উচিত ছিল। এসব তথ্য উল্লেখ থাকলে হয়তো সহজেই রক্ত জোগাড় করা কিংবা বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেত, যা বিপদের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করত। উন্নত দেশগুলোতে শিক্ষার্থীদের আইডি কার্ডে প্রয়োজনীয় সকল তথ্য কার্ডে থাকে। ফলে যেকোনো বিপদে-আপদে খুব সহজেই শনাক্তকরণ বা অন্যান্য যেকোনো সমস্যা সমাধান সহজ হয়। আমাদের দেশের এই পদ্ধতি খুব কম স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুশীলন করা হয়। শিক্ষার্থীর পূর্ণাঙ্গ তথ্য যুক্ত আইডি কার্ডের প্রচলন হোক সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেÑ এটাই কাম্য। আশা করি, সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এসব বিষয়ে আশু পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।