× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

টেকসই উন্নয়ন ও বলিষ্ঠ অর্থনীতি

প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও সুশাসন

ড. হোসেন জিল্লুর রহমান

প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০২৫ ০৯:৫৫ এএম

ড. হোসেন জিল্লুর রহমান

ড. হোসেন জিল্লুর রহমান

স্বাধীনতার তিপ্পান্ন বছর অতিক্রান্তে যদি দেশের অর্থনৈতিক অর্জন বিচার করতে চাই তাহলে প্রশংসা করতেই হয়। করোনা মহামারি এমনকি পটপরিবর্তনের পর অর্থনীতি কিছুটা স্থবির হয়ে পড়লেও দেশের মানুষ পরিশ্রমী বলে দ্রুত আমাদের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। মেহনতি মানুষের এ প্রচেষ্টার ফলেই অর্থনৈতিক নানা সূচকে দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি চোখে পড়ার মতো। দেশের অর্থনৈতিক খাত ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান টেকসইয়ের দিকে এগোচ্ছে এবং এ খাতের চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হয়েও নানাভাবে সংকট সমাধান করছে। বিশেষত শিল্পকারখানাগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতের সঙ্গে সংবেদনশীল করে নির্মাণের কাজেও অনেক দূর এগিয়ে গেছে। এখন দেশে গ্রিন শিল্পকারখানাও বেড়েছে। এজন্যই স্বাধীনতার তিপ্পান্ন বছর পর মোটা দাগের অর্থনৈতিক অর্জনগুলো প্রশংসার দাবি রাখে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে নারী ও পুরুষের মধ্যকার অর্থনৈতিক-সামাজিক এমনকি রাষ্ট্রীয় সুবিধা প্রদানের বৈষম্যও অনেকাংশে দূর করা গেছে। বিশেষত বিগত কয়েক দশকে মাঠপর্যায়ে কৃষি অর্থনীতির আধুনিকায়নের জন্য কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা, গবেষণায় উৎসাহ বৃদ্ধির ফলে কৃষি খাতে যে রূপান্তর ঘটেছে তা দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে সহযোগিতা করছে। অর্থাৎ আমাদের অর্থনীতি এখন টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। এ টেকসই ভিত্তি যথাযথভাবে গতিশীল ও বেগবান রাখতে পারাই আমাদের জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

মোটা দাগে দেশের অর্থনীতি নিয়ে সন্তুষ্ট হলেও সূক্ষ্মভাবে দেখলে অর্থনৈতিক-সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক পর্যায়ে এক ধরনের বৈষম্য পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ বৈষম্য দেখার পর দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে ভাবনায় মত বদলাতে হয়। বিগত কয়েক দশকের দীর্ঘমেয়াদি বাস্তবতা বর্তমানের নিরিখে তুলনা করলে এ বৈষম্য আমাদের চোখ এড়াবে না। অতীতের অর্জনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে বর্তমানে সামাজিক বৈষম্যের অসঙ্গতিগুলো অবশ্যই চিহ্নিত করতে হবে। অথচ আমরা বরাবরই সূক্ষ্ম অথচ গুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়গুলো এড়িয়ে যাই।

আমরা দেখছি, আর্থসামাজিক বৈষম্য মাত্রাতিরিক্ত হারে বেড়ে চলেছে। এ বৈষম্য জটিল আকার ধারণ করছে। বৈষম্যের একদিকে রয়েছে ধনাঢ্য শ্রেণি এবং অন্যদিকে দ্রব্যমূল্যের চাপে পিষ্ট শ্রেণির মানুষ, যারা সংখ্যায় অনেক। আর্থিকভাবে স্বাবলম্বীরা কোনো প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই এগিয়ে যেতে পারছে। কিন্তু সংকটের মহাসমুদ্রে ভাসমান মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষ বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। জীবনধারণই যেখানে তাদের জন্য বড় বোঝা সেখানে শিক্ষা ও কারিগরি দক্ষতা অর্জনের চেষ্টা বাতুলতা মাত্র। আমরা জানি, শিক্ষার প্রচার-প্রসারে সরকার ইতোমধ্যে নানা পদক্ষেপ-কর্মসূচি নিয়েছে। কিন্তু মানসম্মত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার প্রচার-প্রসারের বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এখনও মেলেনি। শিক্ষা খাতে তাদের ওপর রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ এবং শিক্ষার মান নিশ্চিতকরণে সদিচ্ছা কতটাÑ এসব প্রশ্ন সঙ্গত কারণেই চলে আসে। শিক্ষার আলোয় দক্ষ ও আত্মসচেতন প্রজন্ম গড়ে তুলতে না পারার ঘাটতি তো রয়েছেই, একই সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে মেধার মূল্যায়ন করার ক্ষেত্রে উদাসীনতা দেখা যাচ্ছে। আমরা জানি, বৈশ্বিক সংকটের চলমান সময়ে বেকারত্ব, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, আর্থিক খাতে সুশাসন, রপ্তানির নতুন বাজার অনুসন্ধান ও সম্প্রসারণে ইতোমধ্যে অনেক উদ্যোগ-প্রকল্প-পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু ফল অর্জনের জায়গা টেকসই না হওয়ায় আমরা বারবার আটকে যাচ্ছি। আমি মনে করি, অর্থনীতিতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সক্ষমতা গড়ে তোলার জন্য তিনটি বিষয় জরুরি। তা হলো মেধা, জবাবদিহি এবং কারিগরি দক্ষতা।

আমাদের দেশের মানুষ মেধাবী ও পরিশ্রমী। দেশের বাইরে গিয়ে এ দেশের মানুষ মেধার স্বাক্ষর রাখছে। নানান প্রতিবন্ধকতা জিইয়ে থাকার পরও দেশের অভ্যন্তরে অনেকেই মেধার পরিচয় দিচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, দেশের মানুষের কারিগরি দক্ষতা থাকলেও মেধার অবমূল্যায়নের কারণে যোগ্যতা অনুসারে তার অবস্থান নির্ধারিত হচ্ছে না। সম্প্রতি বৈশ্বিক মন্দা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিঘ্নিত বাণিজ্য সরবরাহব্যবস্থা, মধ্যপ্রাচ্য সংকট, জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা নেতিবাচক অনুষঙ্গ বিশ্ব অর্থনীতির সামনে বড় কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টেকসই অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা জরুরি। অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে আর্থিক খাতে সুশাসন যেমন জরুরি তেমন প্রয়োজন দক্ষ জনশক্তি। বৈশ্বিক অবস্থা যা-ই হোক না কেন, সংকট মোকাবিলায় কারিগরি সক্ষমতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক প্রক্রিয়াগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে পারলে বৈশ্বিক সংকটে আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে। আমাদের অর্থনীতিকে সময়ের প্রাসঙ্গিকতা যাচাইয়ে টেকসইয়ের দিকে নিয়ে যেতে হবে। ভবিষ্যৎ অর্থনীতির টেকসইয়ের স্বার্থেই সাম্প্রতিক বাস্তবতায় বৈষম্য কেন জিইয়ে আছে এর সদুত্তর খুঁজে বের করা জরুরি।

আর্থিক খাতে অনিয়ম, দুর্বল ব্যাংক ব্যবস্থাপনা, খেলাপি ঋণ, ঋণ অবলোপন, অতি ধনী হওয়ার প্রবণতা, অর্থ পাচারসহ আরও অনেক প্রাতিষ্ঠানিক সংকট আমাদের অর্থনীতি ঝুঁকির মুখে ফেলছে। এই অনিয়ম ও খেলাপি ঋণ আমাদের অর্থনীতির জন্য বিষফোড়া। আর্থিক খাতে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার অভাব থাকায় বিদ্যমান সংকটের প্রাতিষ্ঠানিক সমাধান নিশ্চিত হচ্ছে না। সমস্যা হলো, রাষ্ট্রীয় এবং সামাজিক প্রক্রিয়ার সুসংহত পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ অর্থাৎ জবাবদিহি নেই বিধায় এখানে ‘ক্ষমতা’ই সবকিছু। আমরা দেখছি, মানুষ অভিযোগ করতে পারছে না, এমনকি প্রতিকার পাওয়ারও কোনো সুযোগ যেন তাদের নেই। দিনের পর দিন প্রতিকার না পাওয়ায় মেধার অবমূল্যায়ন বাড়ছে, যা উদ্বেগের। আমরা এও দেখছি, সমাজে অতি ধনী হওয়ার অসুস্থ প্রতিযোগিতা চলছে। ধনতান্ত্রিক বিশ্ব অর্থনৈতিক কাঠামোয় ধনী হওয়ার চিন্তা থাকতেই পারে। তবে অর্থনৈতিক সুশাসনের স্বার্থেই খতিয়ে দেখা জরুরি, যারা অতি ধনী হচ্ছে তারা কোন পন্থা অনুসরণ করছে।

দেশে বর্তমানে বিভিন্ন স্তরের মানুষের আয় তুলনা করলে ফারাকটা স্পষ্ট হয়ে ধরা দেবে। এ প্রবণতা শুধু আমাদের অর্থনীতি নয়, সার্বিকভাবে দেশের জন্যও উদ্বেগের বার্তা বয়ে আনে। কঠোর পরিশ্রম কিংবা অধ্যবসায়ের মাধ্যমে অনেকে ধনী হচ্ছে বলে প্রতীয়মান হয় না। নিজ পরিশ্রমে ধনী হওয়ার ক্ষেত্রে কারওই আপত্তি থাকার কথা নয়। মূলত অন্যায় সুবিধা, দুর্নীতি কিংবা প্রশ্নবিদ্ধ প্রক্রিয়ায় সম্পদ গড়ে রাতারাতি পকেট স্ফীত করছে অনেকে। তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির এ প্রক্রিয়ার কারণে দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়ছে। আর এজন্য তারা নানা ধরনের আইন বা নিয়ম তৈরি করে। আইন এমনভাবে বানায় যাতে তারা নিয়ম ভঙ্গ করলেও তা সিদ্ধ হয়। এমন প্রবণতা কোনো দিন ভালো ফল বয়ে আনে না।

পটপরিবর্তনের পরও সাধারণ মানুষের আকুতি শোনার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। জ্বালানি, বিদ্যুৎ, বাজারব্যবস্থা থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের প্রতিটি সেবা খাতে সেবাগ্রহীতার বঞ্চনার শেষ নেই। বিশেষত বাজারে অব্যবস্থাপনা ও মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা বাড়ছেই। মানুষ এখন সমাধানের জন্য কারও কাছেই আর্তি জানাতে পারছে না। এমনকি জননিরাপত্তার অভিঘাত নিয়েও তাদের রয়েছে নানা শঙ্কা। বাজারে অশুভ মহল ও সিন্ডিকেটের কথা জোরেশোরে বলা হলেও এ অপতৎপরতাকারীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি। বাজারে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পরামর্শ ইতোমধ্যে অনেকেই দিয়েছেন। কিন্তু এ পরামর্শ এবং জনসাধারণের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মানুষের জন্য সহায়ক নীতিমালা গড়ে তোলা হয়নি। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে হাঁপিয়ে ওঠা জীবনযাপনই মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের নিয়তি। কষ্ট করে কোনোভাবে দিন পার করে যেতে হবেÑ এমন ভাবনাই তাদের মধ্যে সক্রিয়। হাঁপিয়ে ওঠা জীবন থাকা সত্ত্বেও আমাদের জিডিপি বাড়তে পারে। কারণ অর্থনৈতিক কার্যক্রম থেমে নেই। সামগ্রিক বা ব্যষ্টিক উভয় অর্থনীতিতে সবার কিছু না কিছু অবদান রয়েছে।

অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অর্থনীতির ভিত্তিটা বোঝা অত্যন্ত জরুরি। এলডিসি থেকে উঠে আসার গল্পের পেছনে সস্তা শ্রমের ভূমিকা বেশি। সস্তা শ্রমের বিনিময়ে রেমিট্যান্স, তৈরি পোশাকশিল্প খাত সচল করা গেছে। এমনকি সস্তা শ্রমের মাধ্যমে কৃষিরও সম্প্রসারণ সম্ভব হয়েছে। এ মুহূর্তে আমাদের প্রয়োজন উৎপাদনমুখী শ্রমনির্ভর অর্থনৈতিক কাঠামো। দুঃখজনক হলেও সত্য, আমরা এখনও কম মজুরি দিয়ে কীভাবে তৈরি পোশাক খাত সচল রাখব তা নিয়েই ভাবিত। এমনকি সম্প্রতি রেমিট্যান্স উপার্জনকারীর সংখ্যা বাড়লেও রেমিট্যান্স প্রবাহ কমেছে, কারণ শ্রমের মূল্য বেশি নয়। দেশ থেকে সস্তা শ্রম বিনিয়োগ করতে পারবে এমন দক্ষতাসম্পন্ন মানুষকেই মানবসম্পদ হিসেবে বিদেশে পাঠানো হচ্ছে। তাই রেমিট্যান্স বাড়ছে না। এমনটা কেন হচ্ছে? এর সঙ্গে মানসম্মত শিক্ষার সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। আমাদের দেশের মানুষ যথেষ্ট পরিশ্রমী এবং সুযোগ পেলে তারা লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম। কিন্তু শিক্ষার সঙ্গে সময়ের প্রয়োজনের ফারাক তৈরি হওয়ায় মেধার মূল্যায়ন হচ্ছে না এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার পথেও প্রতিবন্ধকতা রয়ে গেছে।

স্বাধীনতার পর এনজিওগুলো নানাভাবে অবদান রেখেছিল। একসময় তারা সামাজিক বিষয় নিয়ে কাজ করত এবং সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্থনীতিতেও অবদান রেখেছে। তবে রাষ্ট্র কীভাবে উন্নয়ন করবে কিংবা সাধারণ মানুষের সঙ্গে নানাভাবে যোগ দিতে পারবে, তা দেখিয়ে দেওয়াটাই এনজিওর সবচেয়ে বড় ভূমিকা। জনপ্রশাসন এবং জনগণের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। এ দূরত্ব দূর করার পথ এনজিও ভালোভাবেই দেখিয়েছে। রাষ্ট্রও তাই এগিয়ে আসছে এবং এনজিওগুলোকে নানাভাবে সাহায্য-সহযোগিতার চেষ্টা করছে। সোজা কথা, অংশগ্রহণ উন্নয়ন কীভাবে হয় তার পথিকৃৎ এনজিওগুলো। তবে সময়ের পরিবর্তনে এনজিওগুলো অর্থনৈতিক মডেলে রূপান্তরিত হচ্ছে। এখন আমরা দেখব তারা কি আদৌ সেবা কিংবা সমাজকল্যাণমূলক মনোভাব ধরে রাখতে পারছে বা সজাগ থাকতে পারছে কি-না। অর্থনৈতিক নানান সূচকে আমাদের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। ফলে রাষ্ট্র সবকিছু নিজেই করতে পারবে এমন একটি ভাবনা কাজ করছে। তাই বেসরকারি নানান প্রতিষ্ঠানকে নিয়মের বেড়াজালে আবদ্ধ করে প্রশ্নবিদ্ধ পরিস্থিতির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এ প্রতিবন্ধকতার মুখে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে যাবেÑ সেটাও অর্থনীতির বড় চ্যালেঞ্জ। আমাদের অর্থনীতির সম্ভাবনা অনেক। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক কাঠামোতে যে প্রতিবন্ধকতা জিইয়ে আছে তা নিরসনে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও সুশাসন জরুরি। জবাবদিহি-দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন ও বলিষ্ঠ অর্থনীতির জন্য একটি উপায়ই রয়েছে, তা হলো, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও সুশাসন।

  • অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা
শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা