× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

রাজনৈতিক দল

শুদ্ধাচারের জন্য সংস্কার অপরিহার্য

ড. আব্দুল্লাহ হেল কাফী

প্রকাশ : ২১ নভেম্বর ২০২৪ ০৮:৪১ এএম

ড. আব্দুল্লাহ হেল কাফী

ড. আব্দুল্লাহ হেল কাফী

রাজনৈতিক দলের সংস্কার নিয়ে অনেক দিন আলোচনা চলছে। সচেতন মহল থেকে দলের মধ্যকার আইডেন্টিটি পলিটিক্সের বেশভূষা পাল্টে নতুনভাবে সংস্কারের দাবি করা হচ্ছে। উপমহাদেশের বাস্তবতার ক্ষেত্রে দলগুলোর তাত্ত্বিক অবস্থান সুদৃঢ় নয়, এমন অভিযোগও বহুদিনের। এর কারণ কী? আমাদের জাতীয় ইতিহাস কিংবা রাষ্ট্রীয় অস্তিত্বের সঙ্গে ব্রিটিশ উপনিবেশের পাশাপাশি পাকিস্তান শাসনামলের ইতিহাসের ঘটনাবলি গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাসে যা একবার ঘটে যায় তা বদলানোর আর সুযোগ থাকে না। আমরা ইতিহাসকে বিভিন্ন আঙ্গিকে দেখতে পারি। এ আঙ্গিক আমাদের রাষ্ট্রের উন্নতিকল্পে সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে থাকে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের উদ্ভবের আগে পাকিস্তান রাষ্ট্রের উদ্ভব নিয়ে এখনও ইতিহাসবিদেরা বিশ্লেষণ করে যাচ্ছেন। সঙ্গত কারণেই এ রাজনৈতিক পদক্ষেপ অর্থাৎ যা অবধারিতভাবেই ঘটে গেছে সেগুলো বিচার-বিশ্লেষণ করে দলকে নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে। একটি দল শুধু জনপ্রতিনিধিত্বের নিরিখে রাষ্ট্রের ক্ষমতায় আরোহণ করলেই যে তা গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করবে তা নয়।

১৯ নভেম্বর প্রতিদিনের বাংলাদেশসহ সহযোগী সংবাদমাধ্যমগুলোয় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারের বার্তা বা বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করছে। তিনি জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ চার বছরের কম হবে। তার এ মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি নেতাদের মধ্যে কিছুটা ক্ষোভ দেখা গেছে। তারা বরাবরই বলে আসছেন নির্বাচন দিলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। বাস্তবে কি তাই? নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হন। কিন্তু জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভোটারদের সচেতনতা এবং তাদের স্বতঃস্ফূর্ততা নিশ্চিত করার পরিবেশ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিগত তিনটি নির্বাচনে ভোটার অংশগ্রহণের জীর্ণদশা থেকে বেরোতে না পারলে নির্বাচন আয়োজনে কোনো ফল মিলবে না। তাই অন্তর্বর্তী সরকার যে সংস্কারের কথা বলছে সেগুলোয় রাজনৈতিক পক্ষের তাত্ত্বিক সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।

রাজনৈতিক দলগুলোর নিজস্ব মতাদর্শ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে কিছু রাজনীতিক থাকেন যারা তাত্ত্বিক ধারা পরিচালনা করেন। আবার যারা মাঠপর্যায়ে কিংবা তৃণমূল চষে বেড়ান তাদের অভিজ্ঞতার নিরিখে মতাদর্শিক তত্ত্ব চৌকশ করে তোলা সম্ভব হয়। কিন্তু বিগত বছরগুলোয় ক্ষমতাসীন তো বটেই, অন্য দলগুলোও পেশিশক্তির প্রদর্শনীতে মত্ত ছিল। ফলে তাদের মতাদর্শিক ধ্যানধারণা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়নি। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বল্পসময় ক্ষমতায় ছিলেন। কিন্তু বিএনপি গঠনকালে থিঙ্কট্যাঙ্ক হিসেবে তিনি বামপন্থি কর্মীদের গুরুত্ব দিয়েছিলেন এবং যে আদর্শিক নীতিমালা প্রণয়ন করেছিলেন সেই নীতিমালার প্রয়োগ করে অল্প দিনে তিনি ব্যাপক পরিবর্তন এনেছিলেন। বিএনপির ওই সময়ের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকলেও এ ক্ষেত্রে দলের তাত্ত্বিক অবস্থান সুদৃঢ় হতে পেরেছিল বলেই আওয়ামী লীগের মতো ঐতিহাসিক দলের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে বিএনপি। যে প্রত্যাশা জাসদকে নিয়ে ছিল তা দলটির ভুল নীতি-আদর্শের কারণে সম্ভব হয়নি। ফলে রাষ্ট্রকাঠামোয় তাত্ত্বিক ধারার রাজনীতিকে গুরুত্ব দিয়ে তরুণ রাজনীতিকদের পরিচর্যা করা জরুরি। এ কাজটি দলগুলো কি করতে পেরেছে?

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মূল ধারণা অনুযায়ী, কোনো রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থা তার অর্থনীতির সঙ্গে উৎপাদনের সম্পর্ক গড়ে তোলে। মাল্টিপোলার বিশ্বে এখন নতুন করে ভূরাজনীতি, আন্তর্জাতিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক, নতুন বাজার খোঁজা, আন্তর্জাতিক আইন অনুসরণসহ নানাবিধ বিষয়ও রাষ্ট্রের ওপর আবর্তিত হতে শুরু করেছে। উৎপাদনের উপকরণগুলোর মালিকানা যার, জমি ও কারখানাগুলো বেশিরভাগ যাদের হাতে, রাজনীতিতে তাদেরই প্রতাপ থাকবেÑ সচরাচর এমনটিই হয়ে থাকে। উদাহরণ হিসেবে ভারতে আদানি-আম্বানি, পাকিস্তানে শরিফ-ভুট্টোদের কথা উল্লেখ করা যায়। আমাদের দেশেও এমন ধনিক গোষ্ঠীদের আধিপত্য দেখা গেছে। নির্বাচনব্যবস্থা সুষ্ঠু হলেও তারাই ‘জনপ্রতিনিধি’ হন বা জনপ্রতিনিধিদের কাছের মানুষ হিসেবে ‘রাজনৈতিক-অর্থনীতি’র অভিভাবক হয়ে ওঠেন। ফলে রাজনৈতিক ব্যবস্থার ‘সংস্কারে’র আন্দোলনে সচরাচর ধনিক গোষ্ঠী ঘাবড়ায় না। সহজে এবং স্বল্পসময়ে তারা এ রকম বাস্তবতার সঙ্গে সমন্বয় করে নিতে পারবে। এ ক্ষেত্রে দক্ষ ‘সমন্বয়কারী’ তারা। হয়তো বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রত্যাশিত মেরামত শেষেও এ রকম সমন্বয়কারীদের জন্য বড় আকারে উদ্বেগের কিছু নেই।

বহু বছর ধরে দেশে রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কার নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। সচেতন নাগরিক সমাজ ও শিক্ষিত জনগোষ্ঠী এ নিয়েও সরব। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশনও দলগুলোর সংস্কার নিয়ে অনেক আগে উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে যতটা আশা করা হয়েছিল, কার্যত সে উদ্যোগ ততটা সফল হয়নি। দলের সংস্কারের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগের একটি ছিল দল নিবন্ধন আইনের অধীনে নিবন্ধিত দলগুলোর জন্য গঠনতন্ত্র কমিশনে জমা দেওয়ার একটি সময়সীমা নির্ধারণ করা। দেশে দলগুলোর নিবন্ধনের পর্যাপ্ত আইন ও বিধি বিদ্যমান থাকলেও দলের সংস্কার বিষয়ে আর তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। কেন হয়নিÑ এ প্রশ্নের উত্তরও পাওয়া যায়নি। তবে অনেকেই বলেন, দলগুলোর সংস্কার নিয়ে দলের নেতৃত্বের মধ্যেই এক ধরনের অনীহা বা অনিচ্ছা কাজ করায় নির্বাচন কমিশনের পক্ষে সংস্কার নিয়ে আর বেশিদূর এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।

অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। স্বাভাবিক কারণেই এ সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক। অন্তর্বর্তী সরকার নিজেই রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছে। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সংস্কারের জন্য খাত অনুযায়ী কমিশনও গঠন করা হয়েছে। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট কমিশন প্রাথমিকভাবে তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রচেষ্টার পাশাপাশি দলগুলোর অভ্যন্তরীণ সংস্কার কাজও শুরু করা দরকার। এক কথায় বলা যায়, বর্তমানে দেশে যে ধরনের রাজনৈতিক স্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করছে, তাতে দলগুলোর সংস্কার অনেক সহজ হবে বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে। শুধু দলগুলোর আন্তরিক ইচ্ছা ও সহযোগিতা এ ক্ষেত্রে জরুরি।

দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে রাষ্ট্র সংস্কার ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি নিয়ে দলগুলো মুখর রয়েছে। কোনো কোনো দল প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে নির্বাচন দাবি করলেও কিছু দল সংস্কারের জন্য বেশি সময় না নিয়ে যত দ্রুত সম্ভব একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশে নির্বাচন আয়োজনের জন্য মত জানিয়ে রেখেছে। লক্ষণীয় বিষয়, বেশির ভাগ দল রাষ্ট্র সংস্কার ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিয়ে দাবি তুললেও নিজেদের দলের সংস্কার নিয়ে তেমন কোনো আগ্রহ প্রকাশ করছে না। অথচ রাষ্ট্র সংস্কারের মতো দলগুলোর সংস্কারও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রতিটি গণতান্ত্রিক দেশেই দলের সক্রিয় উপস্থিতি অপরিহার্য। গণতন্ত্রের স্বার্থেই দেশে বিরোধী বা একাধিক দল থাকা দরকার। সরকারের বাইরে পার্লামেন্টে প্রধান বিরোধী দল ও বিদ্যমান অন্যান্য দলের সহযোগিতা ও সমালোচনার মধ্য দিয়ে দেশে কার্যকর সরকারব্যবস্থা পরিচালিত হয়। বিরোধী দলের ইতিবাচক সহযোগিতা ছাড়া সরকার কার্যকরভাবে পরিচালিত হতে পারে না। এ ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দল উভয়ের লক্ষ্য হওয়া উচিত জনকল্যাণে ভূমিকা রাখা।

আমাদের যে অভিজ্ঞতা রয়েছে, তাতে দেখা যায় সরকারি দল বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিরোধী দল ও মত দমনে অধিক তৎপর থাকে। একইভাবে বিরোধী দলও জনকল্যাণে সরকারকে সহযোগিতার পরিবর্তে প্রায় সব সময় অসহযোগিতা করে। ফলে সৃষ্ট সংঘাতের কবলে পড়ে দেশবাসীকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। ব্যাপক প্রাণহানিও ঘটে কোনো কোনো সময়। এ ধরনের পরিস্থিতি উত্তরণের লক্ষ্যে সরকারি ও বিরোধী উভয় দলকেই ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে জনগণের প্রতি দলের আচরণের পরিবর্তন করতে হবে। দলগুলোর আচরণ হতে হবে ইতিবাচক ও সহযোগিতামূলক। তাদের পারস্পরিক সহনশীলতার প্রতিও গুরুত্ব দেওয়া দরকার। এসব লক্ষ্য নিয়েও দলগুলোর সংস্কার করা জরুরি।

বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত যেসব রাজনৈতিকত দল রয়েছে, তাদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, বেশিরভাগ দল গণতান্ত্রিক রীতিনীতি অনুযায়ী পরিচালিত হয় না। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃত্ব নির্বাচন করতে হলে দরকার গণতান্ত্রিক রীতিনীতি অনুসরণ। অনেক ক্ষেত্রে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্বাচন প্রক্রিয়া জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিনিধি ও কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে সম্পন্ন হলেও তৃণমূলের নেতৃত্ব নির্বাচন করতে গণতান্ত্রিক রীতি অনুসৃত হয় না। রাজনৈতিক দল কীভাবে গঠিত হবে, কীভাবে পরিচালিত হবে এবং দলগুলোর আয়ের উৎস কী, আয়ব্যয় কীভাবে হবে এসব বিষয় নিয়ে স্বচ্ছতার স্বার্থেই অনুপুঙ্খ জানার অধিকার দেশের সাধারণ মানুষের রয়েছে। অথচ দলগুলোকে আয়ব্যয়ের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করতে দেখা যায় না। একটি দলের গঠনতন্ত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, দলের হিসাব প্রতি বছর অডিট করা হবে এবং অর্থবছর সমাপ্তির ছয় মাসের মধ্যে অডিট রিপোর্ট প্রকাশ করতে হবে। এ নিয়ম গঠনতন্ত্রে লিখিত থাকলেও বাস্তবে দলের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের অডিট করা বা কোনো অডিট রিপোর্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করার কোনো খবর প্রকাশিত হতে দেখা যায়নি।

গণতান্ত্রিক দেশে প্রচলিত আইন-বিধির আওতায় উপযুক্ত যেকোনো নাগরিক দল গঠনের অধিকারী হলেও জনগণের সংখ্যানুপাতে অনিয়ন্ত্রিতভাবে দল গঠন কতটুকু সমীচীন, তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। কারণ অনিয়ন্ত্রিতভাবে দল গঠনের কারণে অপরাজনীতির সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। দলের সংস্কারের মাধ্যমে এখন দরকার অপরাজনীতি নিয়ন্ত্রণ। রাজনীতি নয়, অপরাজনীতি নিয়ন্ত্রণে দলগুলোর সিদ্ধান্ত ও সহযোগিতা দরকার। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত তথ্যমতে, দেশে ৪৮টি নিবন্ধিত দল রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে যতগুলো নিবন্ধিত দলের উল্লেখ রয়েছে, বাস্তবে তার সংখ্যা আরও বেশি। সাধারণ মানুষের কত অংশ নিবন্ধিত সব দলের নাম জানে, তা এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। দলের সংখ্যা যা-ই থাকুক না কেন, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি দলের মধ্যে গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখা। দলগুলোর মধ্যে ব্যত্যয় ঘটিয়ে রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। গণতন্ত্রের সাফল্য শুধু সরকারের একক কর্তৃত্ব ও সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে না। একটি নির্বাচনই রাতারাতি সব বদলে দেয় না। শুধু ক্ষমতা হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে।

  • রাজনীতি-বিশ্লেষক ও অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা