× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বিএমএ, জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি ও শহীদ ডা. মিলন

ডা. কামরুল হাসান খান

প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০২২ ০০:৩১ এএম

অলঙ্করন: জয়ন্ত জন

অলঙ্করন: জয়ন্ত জন

১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের আমলে ‘জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি’ বিষয়টা সামনে আসে। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা এদেশের চিকিৎসকদের জাতীয় সংগঠন ‘বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন’ (বিএমএ) শুরু থেকেই দেশে একটি গণমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থার জন্য দাবি-লড়াই-আন্দোলন করে আসছে। এদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও মেডিকেল শিক্ষার উন্নয়নে বিএমএ’র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ১৯৯০ সালে চিকিৎসকদের প্রাণের দাবি ২৩ দফা বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলন চলছিল। এ দাবিতে চিকিৎসকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোনো বিষয় ছিল না, ছিল গণমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা বাস্তবায়নে নীতিমালা প্রণয়ন, প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগ, অবকাঠামো সংস্কার, বাজেট, মেডিকেল শিক্ষাসংস্কারসহ বিভিন্ন জরুরি বিষয়। ৯০-এর জানুয়ারি থেকেই আভাস পাওয়া যাচ্ছিল, এরশাদ সরকার একটা স্বাস্থ্যনীতি নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে। ৪ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণে জেনারেল এরশাদ জাতির সামনে চিকিৎসকদের অন্যায়ভাবে হেয় করে বক্তৃতা দিলেন। 

চিকিৎসক সমাজ স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ হয়। ডা. মাজেদ-ডা. জালালের নেতৃত্বাধীন বিএমএ তখন একদিকে কর্মসূচি দেয় এবং অন্যদিকে দেশব্যাপী চিকিৎসকদের সংগঠিত করার জন্য সাংগঠনিক সফরে বের হয়। ইতোমধ্যে অনেকটাই পরিস্কার এরশাদের গনবিরোধী স্বাস্থ্য নীতি। বিএমএ-এর নেতৃত্বে গোটা দেশের চিকিৎসকরা নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ঐক্যবদ্ধ। ২৫ জুলাই তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এরশাদ বেতার ও টেলিভিশন ভাষণে এদেশের চিকিৎসকদের চূড়ান্ত সমালোচনা-অবমাননা করে জাতির সামনে জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি ঘোষণা করেন। এ নীতিতে বিএমএ বা চিকিৎসকসহ কোনো মহলেরই কোনো মতামত নেওয়া হয়নি। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ওই স্বাস্থ্যনীতি ছিল একেবারে অবাস্তব। বিএমএ এবং সকল রাজনৈতিক দল তা প্রত্যাখ্যান করে। ২৭ জুলাই ছিল বিএমএ’র পূর্বঘোষিত শহীদ মিনারে জাতীয় চিকিৎসক মহাসমাবেশ এবং বিকালে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে বিশেষ সাধারণ সভা। সেখান থেকে ‘গণবিরোধী স্বাস্থ্যনীতি বাতিল ও ২৩ দফা দাবি বাস্তবায়ন’-এর জন্য চূড়ান্ত কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। চিকিৎসকদের গণপদত্যাগ, কর্মবিরতি, গণসংযোগ, সভা-সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে দেশের চিকিৎসক সমাজ বিএমএ’র নেতৃত্বে ইস্পাতদৃঢ় ঐক্য গড়ে তোলে। অবশেষে ১৪ আগস্ট চিকিৎসকদের তুমুল আন্দোলনের মুখে সরকারের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহমেদ স্বাক্ষরিত একটি প্রেসনোট বিএমএ’র নিকট প্রেরণ করা হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনের কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করা হয়। প্রেসনোটের বক্তব্য ছিল-সরকারের প্রস্তাবিত জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি ১৯৯০-এর রূপরেখা নিয়ে যে উদ্ভুত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তার একটি অবসান হওয়া প্রয়োজন।  


ফাইল ছবি

৫ আগস্ট ১৯৯০ইং চিকিৎসক সম্প্রদায়ের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একটি নতুন স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন করার জন্য আহ্বান জানান। উক্ত আহ্বানের প্রেক্ষিতে সরকার দেশের জনগণের কল্যাণে একটি সর্বজনস্বীকৃত নতুন স্বাস্থ্যনীতি বিএমএ এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত পেশাজীবী ও অন্যান্য জনপ্রতিনিধিমূলক সংগঠন ও সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও মতামত বিনিময়ের মাধ্যমে প্রণয়ন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এই উদ্দেশ্যে সরকার একটি কমিটি গঠন করে।’ বিএমএ আন্দোলন স্থগিত করার কিছুদিন পর সরকার পুনরায় একই স্বাস্থ্যনীতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে। চিকিৎসকরা স্বাস্থ্যনীতির বিরুদ্ধে ছিলেন না, বিএমএ চেয়েছিল সকলের গ্রহণযোগ্য, সংশ্লিষ্ট সকলের মতামতের ভিত্তিতে বাংলাদেশের জন্য উপযোগী একটি স্বাস্থ্যনীতি। সরকারের চুক্তিভঙ্গ করার কারণে বিএমএকে আবার আন্দোলনে নামতে বাধ্য করা হলো। চিকিৎসকদের এ আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছিল শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৫ দল, বেগম জিয়ার নেতৃত্বে ৭ দল এবং বাম জোটের ৫ দল। দেশে তখন চলছিল স্বৈরাচারবিরোধী জাতীয় আন্দোলন আর অন্যদিকে বিএমএ’র নেতৃত্বে চিকিৎসকদের গণবিরোধী স্বাস্থ্যনীতি বাতিল এবং ২৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের আন্দোলন। ২৭ নভেম্বর ছিল বিএমএ’র দেশব্যাপী কর্মসূচি। তৎকালীন পিজি হাসপাতালে কেন্দ্রীয়ভাবে আয়োজিত সভায় যাওয়ার পথে ডা. মিলন টিএসসিসহ চত্বরে শহীদ হন। ডা. মিলনের মৃত্যু এরশাদের পতন ত্বরান্বিত করে এবং ৬ ডিসেম্বর ৯ বছরের স্বৈরশাসনের পতন হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করার পরপরই গণবিরোধী স্বাস্থ্যনীতি বাতিল ঘোষণা করে। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর বেগম খালেদা জিয়া সরকার গঠন করেন, কিন্তু স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেননি।

১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেই জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ১২/১২/৯৬ তারিখে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং-হাস-১/স্বানী-২/৯৫/১১৭ সূত্র মোতাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সভাপতি করে ২৬ সদস্যের ‘জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন কমিটি’ গঠন করা হয়। এতে তৎকালীন বিরোধীদলীয় উপনেতা অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীসহ দেশের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫ (ক) এবং অনুচ্ছেদ ১৮ (১) অনুযায়ী জনগণের পুষ্টির উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধনের লক্ষ্যসহ স্বাস্থ্যনীতিতে ১৫টি লক্ষ্য, ১০টি মূলনীতি এবং ৩২টি কর্মকৌশল নির্ধারণ করা হয়। ২০০০ সালে জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি সর্বস্তরের জনগণের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত করে মহান জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের মাধ্যমে অনুমোদিত হয়। এতে স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও মেডিকেল শিক্ষার উন্নয়নের সকল দিকনির্দেশনা বিদ্যমান। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর ২০১১ সালে এ স্বাস্থ্যনীতি হালনাগাদ করা হয়। এ স্বাস্থ্যনীতি অনুসরণ করে চললে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধিকাংশ সমস্যাই সমাধান হয়ে যাবে। 

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য খাতে জনবল, অবকাঠামো, কর্মবিন্যাস এবং পরিকল্পনা দুর্বল বলা যাবে না। বিগত ১৪ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাস্থ্য খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে দৃশ্যমান উন্নয়ন, আধুনিকায়ন এবং সম্প্রসারণ করেছেন। স্বাস্থ্যব্যবস্থা একটি জরুরি বিষয়, যেখানে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয় দ্রুত, বাস্তবায়ন করতে হয় ত্বরিত, ধীরগতি বা গাফিলতির কোনো সুযোগ নেই। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে নতুন করে ঢেলে সাজানো এখন সময়ের দাবি। এজন্য কিছু সুপারিশ সংক্ষেপে পেশ করছি:

(১) স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং কঠোর নিয়ন্ত্রণ : একটি স্বাস্থ্য কমিশন গঠনের মাধ্যমে অবকাঠামো এবং কর্মচারীদের দায়িত্ব পুনর্গঠন করতে হবে। যেখানে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি কাজের নিবিড় পর্যবেক্ষণ, মনিটরিং এবং ফলো আপ থাকতে হবে।

(২) স্বাস্থ্য জনশক্তি পরিকল্পনা : জনসংখ্যা অনুপাতে চিকিৎসক-নার্স-টেকনোলজিস্ট-কর্মচারীদের একটি দীর্ঘমেয়াদী জনশক্তি পরিকল্পনা থাকতে হবে।

(৩) স্বাস্থ্যবাজেট : প্রয়োজনীয় বাজেট (জাতীয় বাজেটের ন্যূনতম ১০%) বরাদ্দ এবং এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

(৪) নিয়োগ ও বদলি নীতিমালা : চিকিৎসকদের ক্যারিয়ার প্ল্যানিংসহ একটি গ্রহণযোগ্য বদলি-পদোন্নতি কার্যকর নীতিমালা থাকতে হবে, যেখানে সকলের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। বদলির কাজ ও তদ্বির নিয়েই মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরকে বেশি সময় ব্যস্ত থাকতে হয়।

(৫) মেডিকেল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বায়ত্তশাসন : স্বায়ত্তশাসনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় প্রমাণ করেছে শিক্ষা ও সেবার মান কীভাবে উন্নয়ন করা যায়। সে কারণে দেশের প্রতিটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও প্রতিষ্ঠানের স্বায়ত্তশাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।

(৬) ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বেতন-ভাতাদি বৃদ্ধি করতে হবে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসার প্রাণশক্তি হচ্ছে ইন্টার্ন চিকিৎসক। সারাদিন পরিশ্রম করে হাসপাতালকে সচল রাখে এই চিকিৎসকরা। রোগীর চিকিৎসা এবং ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঠিক প্রশিক্ষণের স্বার্থে এদের বেতন-ভাতাদি বৃদ্ধি করা জরুরি।

(৭) বিএমডিসিকে কার্যকর ও শক্তিশালী করতে হবে।

(৮) বেসরকারি কলেজ, হাসপাতাল ও ক্লিনিক পরিচালনা : বেসরকারি খাতকে গুরুত্ব ও সহযোগিতা প্রদানের মাধ্যমে সরকারের নীতিমালা হালনাগাদ করে নিবিড় পর্যবেক্ষণে আনতে হবে, যাতে নীতিমালা বাস্তবায়ন হয়।

(৯) নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে : প্রতিটি চিকিৎসা কেন্দ্রে সুষ্ঠু চিকিৎসার পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে নিরাপত্তাসহ প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

(১০) স্বাস্থ্য প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরণ : কেন্দ্র থেকে আর প্রশাসন গোটা দেশে নিয়ন্ত্রণ বাস্তবসম্মত নয়। তাই, গতিশীল করতে হলে বিভিন্ন অঞ্চলভিত্তিক প্রশাসনিক এবং আর্থিক ক্ষমতা প্রদান করে প্রশাসন পুনর্বিন্যাস জরুরি।

(১১) মেডিকেল ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস) : শক্তিশালী এমআইএস গড়ে তুলতে হবে এবং অবাধ তথ্যপ্রবাহের সুযোগ থাকতে হবে, যা গবেষণা ও নীতিনির্ধারণে ব্যবহার উপযোগী হয়।

(১২) অভ্যর্থনা ও তথ্যকেন্দ্র : প্রতিটি হাসপাতালে অভ্যর্থনা ও তথ্যকেন্দ্র থাকতে হবে, যাতে রোগীরা হাসপাতালে এসে নানা বিড়ম্বনার শিকার না হয়। 

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) এদেশের চিকিৎসকদের একমাত্র জাতীয় সংগঠন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা, মেডিকেল শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। ১৯৯০ সালে ড্যাব সৃষ্টির মাধ্যমে চিকিৎসক সমাজ নানা রাজনৈতিক গোষ্ঠীতে বিভক্ত। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিএমএ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা। রাজনৈতিক মতাদর্শ ভিন্ন ভিন্ন হতেই পারে, কিন্তু বিএমএতে দল-মত নির্বিশেষে গণমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থার স্বার্থে, চিকিৎসকদের উন্নয়ন ও অধিকারের স্বার্থে সকল চিকিৎসকের ঐক্যবদ্ধ থাকা জরুরি। উন্নত বিশ্বে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার নীতিনির্ধারণে মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের ভূমিকা অপরিসীম, কখনও কখনও প্রধান। আমরা শহীদ মিলন দিবসে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনকে সেই উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করতে চাই। সরকারের নেতৃত্বে বিএমএসহ সকল চিকিৎসা পেশার প্রতিনিধির সমন্বয়ে মানুষের আকাক্সক্ষার স্বাস্থ্যব্যবস্থার বাস্তবায়ন অবশ্যই সম্ভব। 


লেখক : অধ্যাপক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। সাবেক উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয়


শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা