× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

কপ-২৯ জলবায়ু সম্মেলন

বাংলাদেশের ন্যায্য প্রাপ্তি নিশ্চিতে অনড় থাকতে হবে

ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক

প্রকাশ : ১২ নভেম্বর ২০২৪ ০৮:১৮ এএম

আপডেট : ১২ নভেম্বর ২০২৪ ০৮:১৮ এএম

ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক

ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক

গতকাল আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে শুরু হয়েছে ২৯তম জাতিসংঘ বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন বা কনফারেন্স অব পার্টিজ (কপ-২৯)। চলবে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত। জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সম্মেলন হলো এই কপ। ইতোমধ্যে বিশ্বের জাতিসংঘ সদস্য রাষ্ট্রসমূহের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, তাদের প্রতিনিধি, পরিবেশবাদী সংগঠন ও পরিবেশকর্মী, নাগরিক সমাজ, ব্যবসায়ী, গবেষক, সংবাদিক, লবিস্ট মিলে অন্তত ৩২ হাজার মানুষ সমবেত হয়েছেন জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত বিশ্বের এ বৃহৎ সম্মেলনে। জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত সংকট মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপসমূহ বাস্তবায়ন, অগ্রগতি পর্যালোচনা, নতুন উদ্যোগ গ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্তদের জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিত ও এতদসংক্রান্ত বিশ্বনেতাদের প্রতিশ্রুতি আদায়ের প্রয়াসে ১৯৯৫ সাল থেকে নিয়মিতভাবে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের দরুন ঝুঁকি মোকাবিলায় ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪৪তম অধিবেশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৯৪ সালে রিও ডি জেনেরিওতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলনে গঠিত হয় ইউনাইটেড নেশনস ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (ইউএনএফসিসিসি)। এ কাঠামোর আলোকেই জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের অংশগ্রহণে প্রতি বছর কপ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিগত ২৮টি সম্মেলনের প্রতিটিই কোনো না কোনোভাবে ছিল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি সম্মেলনই জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতিগ্রস্ত দেশসমূহের জন্য আশা জাগায়; অন্যদিকে যারা জলবায়ু পরিবর্তনে ভূমিকা রাখছে অর্থাৎ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন করছে, সেসব দেশ ও সংস্থার জন্য কিছু দায়বদ্ধতা সৃষ্টি করে।

এবারের সম্মেলন দুটি কারণে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। প্রথমত, কপ-২৯ এমন সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে যার সপ্তাহখানেক আগে (৭ নভেম্বর) কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস (সি৩এস) জানিয়েছে, তাপমাত্রা রেকর্ড শুরু হওয়ার পর থেকে বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণ বছর হতে যাচ্ছে ২০২৪ সাল। পাশাপাশি এ বছর বাংলাদেশ ও স্পেন ভয়াবহ ও অকাল বন্যার সম্মুখীন হয়। অনিয়মিত বৃষ্টি, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি (খরা), দীর্ঘায়িত গরমকাল, তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ও তুষারপাত, গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় প্রভৃতি হলো জলবায়ু পরিবর্তনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ফল। আর জলবায়ু পরিবর্তনে ভূমিকা রাখছে গ্রিনহাউ গ্যাসের নির্গমন বৃদ্ধি। আর গ্রিনহাউ গ্যাসের নির্গমনের জন্য মুখ্যত দায়ী জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার। কপ-এর মুখ্য উদ্দেশ্যই হলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন হ্রাস করে জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করা। এজন্য বিগত কয়েকটি কপ-এ ঘুরেফিরে আলোচনায় চলে আসে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে অভিগমন।

এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি তহবিল ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড’-এ ক্ষতিগ্রস্ত দেশসমূহের ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা হলো কপের মূল আলোচ্য বিষয়। উদ্বেগের বিষয় হলো, যেখানে এ সম্মেলন আয়োজন হচ্ছে সেদেশ তথা আজারবাইজানের অর্থনীতির প্রায় অর্ধেকই তেল ও গ্যাস তথা জীবাশ্ম জ্বালানি খাত থেকে আসে। আবার দেশটির ৯০ শতাংশ রপ্তানি আয়ও জীবাশ্ম জ্বালানি খাতের ওপর নির্ভরশীল। আজারবাইজানের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গটিও অনেকে তুলে ধরেছেন। ফলে কপ-২৯-এর আয়োজনকারী দেশ ঘোষণার পর থেকেই সম্মেলনের স্থান নির্বাচনে জাতিসংঘের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে আসছেন অনেকে। উল্লেখ্য, গত বছর কপ-২৮-এর আয়োজক দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতও খনিজ তেলসমৃদ্ধ তথা জীবাশ্ম জ্বালানির অন্যতম রপ্তানিকারী দেশ। জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার ও প্রমোটার দেশে পরপর দুবার কপ আয়োজনের মাধ্যমে জীবাশ্ম জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশগুলো নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির চেষ্টা করে কি না, সেটি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এ ছাড়া কপ-২৮-এ জীবাশ্ম জ্বালানি শিল্পের লবিস্টদের উপস্থিতি ও তাদের তোড়জোড় ছিল লক্ষণীয়। ধারণা করা হয়, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবসায়ী গোষ্ঠিসমূহ অন্তত আড়াই হাজার লবিস্ট প্রেরণ করেছিল, যাতে একটি আপসমূলক সিদ্ধান্ত আসে। এবারও এসব লবিস্ট সোচ্চার থাকবেন।

এসব লবিস্টের কারণে জলবায়ু পরিবর্তন ও এর অভিঘাত মোকাবিলায় কঠোর সিদ্ধান্তে আসা কঠিন হয়ে পড়ে। কপ-২৯-এ এমন কিছু ঘটলে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতির শিকার তথা বাংলাদেশের মতো খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে থাকা দেশসমূহের আগামী দিনগুলোতে টিকে থাকাটাই একটা চ্যালেঞ্জ হবে। তবে আড়াই হাজার লবিস্ট থাকা সত্ত্বেও কপ-২৮-এ ক্ষতিগ্রস্ত দেশসমূহের একটি প্রাপ্তিও ছিল। তা হলো ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য ধনী দেশগুলোকে ৭২৬ মিলিয়ন ডলারের একটি তহবিল প্রতিষ্ঠা করতে রাজি করানো। এ ছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি তিনগুণ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ও গ্রিনহাউস গ্যাস বিশেষত মিথেন নির্গমন হ্রাসের সিদ্ধান্তে আসাটাও জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকিতে থাকা দেশসমূহের জন্য একটি প্রাপ্তি বটে। দ্বিতীয়ত, সদ্য অনুষ্ঠিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয়। গত বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত কপ-২৮-এর পর থেকে আলোচনার শীর্ষে ছিল আজারবাইজানের বাকুর কপ-২৯ শীর্ষ সম্মেলনে দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অর্থায়নে বিশাল বৃদ্ধি নিয়ে সম্মত হবে। যদিও ট্রাম্প এখনও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেননি, তথাপিও জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত ক্ষতিপূরণ প্রশ্নে তার অতীত অবস্থান সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের নতুন ভাবনায় ফেলেছে। কারণ, ২০১৬ সালে প্রথমবারের মতো প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ট্রাম্প পরিবেশ সুরক্ষাসংক্রান্ত নানা আইন বাতিল করেন।

শুধু তাই নয়; তার মাধ্যমেই প্রথম দেশ হিসেবে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। অথচ ২০১৫ সালে ১৯৬ দেশের অংশগ্রহণে প্যারিসে স্বাক্ষরিত বৈশ্বিক জলবায়ু চুক্তিটি হলো প্রথম কোনো চুক্তি, যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার ক্ষেত্রে বিশ্বের দেশগুলোকে একতাবদ্ধ করেছিল। এটি ছিল এক ‘ঐতিহাসিক অর্জন’। মূলত কপ-২১ বা প্যারিস জলবায়ু সম্মেলনের পরবর্তী সবগুলো সম্মেলন এই প্যারিস চুক্তিকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে। অন্যদিকে, কপ-২৯-এর মূল আলোচ্য বিষয় জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার হ্রাসের আশায় গুড়েবালি হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। কারণ, গত জানুয়ারিতে বাইডেন প্রশাসন নতুন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানি অনুমোদন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছিল নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জলবায়ু চুক্তিসংক্রান্ত পরিকল্পনায় সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এতে মূলত এশিয়া ও ইউরোপে এলএনজির বাজার সম্প্রসারিত হবে। ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির পরিকল্পনায় তেল ও খনিজদ্রব্য উত্তোলন বৃদ্ধি প্রসঙ্গও রয়েছে।

এবার বাংলাদেশ প্রসঙ্গে আসা যাক। প্রতিটি কপ-এর ন্যায় কপ-২৯ও জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে জর্জরিত বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চলতি বছর নভেম্বর পর্যন্ত গরমের দাপট, উপর্যুপরি বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও ব্জ্রপাতের আশঙ্কাজনক বৃদ্ধিসহ দেশে ফসলহানিজনিত খাদ্যনিরাপত্তা হুমকিতে পড়া বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা অর্জনের জন্য সমর্থন অর্জন। বাংলাদেশের পরিস্থিতি এমন একপর্যায়ে পৌঁছেছে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে মুক্তি সহজে সম্ভব নয়। সারা বিশ্বে ঘটে যাওয়া হাজার বছরের পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের ফলস্বরূপ জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে মুক্তি পেতে বাংলাদেশের মতো শীর্ষ ক্ষতিগ্রস্ত দেশসমূহকে কত হাজার বছর অপেক্ষা করতে হবে, তা এ মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। এ মুহূর্তে যা প্রয়োজন তা হলো বাংলাদেশের জন্য জলবায়ু পরিবর্তনে অভিযোজন, প্রশমন এবং ক্ষতি ও ক্ষয়ক্ষতি অর্থায়ন (লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড) আদায়ে সর্বোচ্চ দরকষাকষিতে গিয়ে তা নিশ্চিত করা। জলবায়ু ন্যায্যতার সবচেয়ে বড় হকদার হলো বাংলাদেশ। কপ-২৯ সম্মেলনে যে পদক্ষেপই নেওয়া হোক না কেন, তা বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিতে হবে। কারণ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বাংলাদেশের কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের বার্ষিক জিডিপি বিশেষ ক্ষতির সম্মুখীন হবে।

গত জলবায়ু সম্মেলনসমূহে বাংলাদেশের অবস্থানের অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়, বাংলাদেশ ক্ষয়ক্ষতির হিসেবে যথাযথভাবে তুলে ধরতে বা ক্ষতিপূরণ আদায়ে বিশ্বনেতাদের যেভাবে চাপে ফেলা উচিত, তা পারছে না। দরকষাকষির জন্য যে পরিমাণ দক্ষতা ও জনবল প্রয়োজন বাংলাদেশ তা নিশ্চিত করতে পারছে না। আবার বাংলাদেশের জন্য যে বরাদ্দটুকু হয়, সেটিও সঠিকভাবে দেশে নিয়ে আসতে পারছে না। আবার যেটুকু নিয়ে আসছে তার দক্ষ ও স্বচ্ছ ব্যবহারও নিশ্চিত করতে পারছে না। বাংলাদেশ একটি শৃঙ্খলে আটকা পড়ে আছে। এ শৃঙ্খল ভাঙতে কপ-২৯-এ বাংলাদেশকে অবশ্যই মেরুদণ্ড শক্ত করে দাঁড়াতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস কপ-২৯ জলবায়ু সম্মেলনে অংশ্রগহণ করছেন। তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার আগে থেকে জিরো ইমিশন বা গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন শূন্যে নেমে আনার বৈশ্বিক লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন। আশা করা যায় তার মাধ্যমে বাংলাদেশের পাশাপাশি উন্নয়নশীল তথা অন্য ক্ষতিগ্রস্ত দেশসমূহও উপকৃত হবে। বিগত পরপর দুটি জলবায়ু সম্মেলন তথা ২০২২ সালে মিসরের শার্ম এল-শেখে অনুষ্ঠিত কপ-২৭ ও ২০২৩ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত কপ-২৮ সম্মেলনে বাংলাদেশের সরকারপ্রধান অংশগ্রহণ করেননি। এই পরিপ্রেক্ষিতে কপ-২৯ সম্মেলনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার অংশগ্রহণ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কঠিন অভিঘাত থেকে মুক্তির জন্য বাংলাদেশের সামনে প্রধান লক্ষ্য হলো জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিতে বিশ্বনেতাদের বাধ্য করা। জলবায়ুসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বৈষম্য থেকে বের হওয়া।

  • জলবায়ু গবেষক ও অধ্যাপক। উপাচার্য, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি, সিলেট
শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা