× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

উন্নয়ন প্রকল্প

পরিবেশ, বাস্তবতা ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় সংকোচনের প্রশ্ন

ড. আদিল মুহাম্মদ খান

প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০২৪ ০৮:৪১ এএম

ড. আদিল মুহাম্মদ খান

ড. আদিল মুহাম্মদ খান

দেশে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে অবকাঠামোগত ও আঞ্চলিক উন্নয়ন সাধন করা হয়। সার্বিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে কিছু কিছু বিষয় অবশ্যই ভাবনায় রাখতে হয়। বিগত সরকার সচরাচর উন্নয়নের ক্ষেত্রে যে বার্তা দিচ্ছিল তা ছিলÑ আগে উন্নয়ন এবং পরে পরিবেশের উন্নয়নসাধন। কিন্তু টেকসই বিশ্বে উন্নয়ন বলতে মূলত তাকেই বোঝানো হয় যা পরিবেশের প্রতি সংবেদনশীল। কোনো অবকাঠামো উন্নয়নই যেন পরিবেশ বা তার সংশ্লিষ্ট সমাজকাঠামোর ওপর বড় বোঝা হয়ে না দাঁড়ায় সেদিকে লক্ষ রাখা জরুরি। এটাই যেকোনো উন্নয়নের প্রাথমিক বৈশিষ্ট্য। এজন্যই অবকাঠামোগত উন্নয়নের আগে বিভিন্ন সমীক্ষা চালানো হয় এবং নানা পরীক্ষানিরীক্ষার মাধ্যমে পরিকল্পনার বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাই করা হয়। দুঃখজনক হলেও সত্য, দেশে দীর্ঘদিন পরিবেশ-প্রতিবেশ, স্থানীয় মানুষ ও সমাজব্যবস্থা যাচাই না করেই অনেক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

বিশেষত বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সার্বিক উন্নয়নের চিত্র দেখাতে গিয়ে পরিবেশের ভয়াবহ ক্ষতির চিত্রও আমাদের সামনে দেখা গেছে। এ ক্ষেত্রে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদাহরণ টেনে আনা যেতে পারে। এ ছাড়া রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মাতারবাড়ী কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের কথা বলা যেতে পারে। এসব প্রকল্পের ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পরিবেশগত প্রাক্কলন করা হয়নি। যদিও দেখানো হয়েছে তারা প্রকল্প প্রাক্কলনের সময় বৈজ্ঞানিকভাবে পরিবেশের বিষয়টি যাচাইবাছাই করেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এ যাচাইবাছাই সরকারি প্রতিষ্ঠান কিংবা বাইরের কোনো প্রতিষ্ঠান দিয়ে করানো হয়েছে। বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানগুলো এ ক্ষেত্রে কাজে লাগানো হয়নি। অথচ এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে স্থানীয় বাসিন্দা, পরিবেশবাদী সংগঠন এমনকি বিভিন্ন সংস্থা লাগাতর প্রতিবাদ জানিয়েছে। তার পরও টনক নড়েনি। বরং এসব এড়িয়েই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

আমরা দেখেছি, হাওরে উন্নয়নের নামে মহাসড়ক করা হয়েছে। এ প্রকল্পেও পরিকল্পনার অভাব থাকায় বৃষ্টিতে কৃত্রিম বন্যা দেখা দেয়। কারণ পানির চলাচলে বড় বিঘ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে এ সড়কগুলো। এ সড়কগুলোর পানিনিষ্কাশন নিয়েও অনেকের অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া আমরা বন ধ্বংস করে সাফারি পার্ক নির্মাণ করতে দেখেছি। প্রকৃতির বিভিন্ন অঙ্গ এভাবেই নানাভাবে ধ্বংস করা হয়েছে যেখানে আধুনিকতার ছোঁয়াই প্রাধান্য পেয়েছে। তবে পট পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে নতুন করে প্রত্যাশা জেগেছেÑ এখন থেকে সবকিছু নতুনভাবে ও পরিকল্পনা অনুসারেই হবে। আগামীতে যত পরিকল্পনা নেওয়া হবে সবই যেন পরিবেশ-প্রতিবেশের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ থাকে সে বিষয়ে লক্ষ রাখতে হবে। বিদ্যমান পরিবেশ আইনের প্রতিপালনের মাধ্যমেই যেন আমাদের ভূপ্রাকৃতিক বৈচিত্র্য নিশ্চিত হয় তা নিশ্চিত করা। বিশেষত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগে পরীক্ষানিরীক্ষা ও প্রকল্প প্রাক্কলনে বিভিন্ন বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করতে হবে। আমাদের দেশে এসব বিষয় নিয়ে কাজ করে এমন প্রতিষ্ঠান কম নয়। বিগত সরকারের সময়ে এসব সংস্থা রাজনৈতিক চাপে সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কাজ করতে পারেনি। কারণ অধিকাংশ প্রকল্পই রাজনৈতিক ব্যক্তিরা সামলাতেন। এখন তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে করতে পারলে ভালো।

বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করতে না পারার বিরূপ ফল আমরা নিজ চোখে প্রত্যক্ষ করেছি। বনের ভেতর সাফারি পার্ক নির্মাণের মাধ্যমে বনায়নের নানা অসুবিধা দেখা দিয়েছিল। ভবিষ্যতে বড় পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রথমে দেখা দরকার স্থানীয়দের ওপর এর কী রকম অভিঘাত পড়ছে। পরিবেশের পরিবর্তনের প্রাথমিক পরিবর্তন স্থানীয়দের জীবনে পড়ে। এসব যাচাই করতে পারলে প্রকল্পের যাচাইবাছাই ও প্রাথমিক বিবেচনার ক্ষেত্রে অনেক ধারণা পাওয়া সম্ভব। কিন্তু দেশে এখনও প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এমন বিবেচনা অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি প্রাধান্য পায়নি। আমাদের বিচার করে দেখতে হবে, কোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের মানুষের জীবনযাপনে অসঙ্গতি দেখা দেয় কি না। এমনকি তা বিশেষ এলাকাভেদে জীববৈচিত্র্যের ক্ষেত্রেও চিন্তা করতে হবে। কিন্তু প্রতিবারই পরিকল্পনায় গাফিলতির বিষয়টি কেন প্রশ্ন হয়ে আসে? এর গুরুত্ব বোঝা দরকার। অবশ্যই এ বিষয়ে অধিক গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

যেকোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে একাধিকবার তার প্রাক্কলন ও যাচাইবাছাই হয়। এজন্য সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান যুক্ত হয় এবং তারা প্রাথমিকভাবে একটি রিপোর্ট প্রদান করে। আমাদের পরিকল্পনা কমিশন এসব পরিকল্পনার রিপোর্টের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পারেনি। রিপোর্টগুলো প্রকল্পের জন্য কাগজ হলে হবে না। বরং এ রিপোর্ট প্রকল্পের সার্বিক দিক সম্পর্কে ধারণা দেবে। পরিকল্পনা উন্নয়ন আইন তৈরি করার বিষয়েও কোনো আগ্রহ দেখা যায়নি। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বাধীনভাবে সুষ্ঠু প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পেরেছে এমন নজির কম। প্রায় নেই বললেই চলে। এমনটি অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিবেশের জন্য একটি বড় অশনিসংকেতই ছিল। দীর্ঘ পনেরো বছর টানা একই সরকার ক্ষমতায় থাকার ফলে ছোটবড় অনেক প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে রাজনৈতিক বিবেচনায়। অনেক পরিকল্পনা আমাদের জন্য এখন দীর্ঘমেয়াদি বোঝা হয়েও দাঁড়িয়েছে। অনেকটি পরিবেশের জন্য হানিকারক বলেও এখন বিবেচিত।

জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা সংস্কারের কথা শুনতে পাচ্ছি। এসব সংস্কার পরিবেশকে মুখ্য কেন্দ্রও করেছে। তাই সঙ্গত কারণেই প্রত্যাশা জাগে এবার আধুনিক, বৈজ্ঞানিক ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার ভিত্তিতে উন্নয়ন করা হবে। এ ক্ষেত্রে শুধু প্রকল্প কেন্দ্রে রাখলে হবে না। প্রকল্পকে স্বীকৃতি দেওয়া সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোও স্বচ্ছ করতে হবে। এমনকি এসব প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির নিরিখে পরিচালনা করতে পারলে পরিকল্পনা অনেকাংশে সুষ্ঠু ও সঠিক হবে। আবার পরিকল্পনা বাস্তবায়নকারী সংস্থার মধ্যে টেকসই ভাবনা অনুপস্থিত। এ ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (সিডিএ) কথা বলা যেতে পারে। তারা পাহাড় কেটে রাস্তা নির্মাণের কথা চিন্তা করছে। অথচ এ প্রতিষ্ঠানেরই সব ধরনের উন্নয়ন করার কথা। অর্থাৎ পাহাড় রক্ষা থেকে শুরু করে পাহাড়ে টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করার কথা। সরকারি সংস্থাগুলোর আমলাতান্ত্রিক কাঠামোয় পেশাদারি ও লোকবলের অভাব রয়েছে। তা ছাড়া এসব প্রতিষ্ঠানে পরিকল্পনাবিদ, পরিবেশবিদ বা এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ কোনো কর্মকর্তা নেই। অনেক ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত না করার ফলেও পরিকল্পনায় ত্রুটি তৈরি হয়। বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রে পরিকল্পনা প্রাক্কলনে এমন মানুষ যুক্ত করা হয় যাদের এসব বিষয়ে কোনো ধারণাই নেই। অর্থাৎ বিদ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোয় বদল আনতে না পারলে আমরা যে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ভাবি তা কখনই বাস্তবায়িত হবে না।

শুধু সরকার পাল্টে গেলেই রাতারাতি সবকিছু বদলে যাবে এমনটি ভাবা ঠিক নয়। বরং বিদ্যমান কাঠামো ও প্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা এবং কাজ করার প্রক্রিয়াও পাল্টে ফেলতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকারকে তাই পরিকল্পনার জন্য একটি কাঠামো তৈরি করতে হবে। এমন একটি কাঠামো দরকার যা শহর, গ্রাম, জেলা, উপজেলা সবখানেই অনুসরণ করা যায়। তা ছাড়া এ কাঠামোর নিরিখে প্রতিষ্ঠানের সক্রিয়তা, স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য আইনও প্রণয়ন করতে হবে যেন কোনোভাবেই বিদ্যমান কাঠামোর বাইরে গিয়ে রাজনৈতিক বিবেচনায় কোনো বড় প্রকল্প বাস্তবায়িত হতে না পারে। অন্তর্বর্তী সরকারও সম্প্রতি একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে এবং প্রকল্পটি নিয়ে প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এ ১৪ অক্টেবর ‘এলজিইডির ৬ হাজার কোটি টাকার প্রশ্নবিদ্ধ প্রকল্প’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ পেয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বিশ্বব‍্যাংকের ঋণে দেশের ছয়টি সিটি করপোরেশন ও ৮১টি পৌরসভার অবকাঠামোর উন্নয়নে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা ব‍্যয়ের একটি প্রকল্প নিয়েছে। 

দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে ৬০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে এলজিইডির। তবু সংস্থাাটি প্রকল্প বাস্তবায়নে ৩১৬ কোটি টাকা পরামর্শক খাতে ব্যয়ের আবদার করেছে। এ ছাড়া দেশবিদেশে প্রশিক্ষণেও ব্যয় ধরেছে ২৫ কোটি টাকা। অবকাঠামোগত উন্নয়নমূলক কাজের অভিজ্ঞতা থাকার পরও পরামর্শক নিয়োগ, বিদেশে প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অভাবনীয় ব‍্যয় প্রস্তাবের কারণে এলজিইডির এ প্রকল্পটির উদ্দেশ‍্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যা নিয়ে পরিকল্পনা কমিশন আপত্তি জানালেও ৭ অক্টোবর অন্তর্বর্তী সরকারের দ্বিতীয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ‘রিজিলিয়েন্ট আরবান অ্যান্ড টেরিটোরিয়াল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’ (আরইউটিডিপি) শীর্ষক এ প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই যে পরামর্শক খাতে ব্যয়, কর্মকর্তা দেশবিদেশে প্রশিক্ষণ খাতে ব্যয়, এ ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়েই মূলত প্রশ্ন উঠেছে। কারণ প্রকল্পের অধীনে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোয় নাগরিক সুবিধা বাড়ানোর সঙ্গে যেসব পার্ক, লাইব্রেরি ও জলাধার তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে, সেগুলো কিন্তু আমাদের বর্তমান অবকাঠামোগত উন্নয়নেরই ধারাবাহিকতা। এখানে নতুন করে কোনো প্রযুক্তির প্রয়োগের বিষয় নেই। এখানে নতুন করে কোনো ভৌত পরিবর্তনও ঘটছে না। ফলে যে কাজগুলো করার পরিকল্পনা করা হয়েছে, তা এলজিইডির স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডের মধ্যেই পড়ে। আর স্থানীয় সরকারের উন্নয়নকাজের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত এলজিইডির কর্মকর্তাদের এ কাজের জন্য প্রশিক্ষণের নামে অর্থব্যয় অপ্রয়োজনীয়ই বটে। 

স্বাভাবিকভাবেই প্রকল্পের যে কাজের ধারা তার সঙ্গে প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা যথেষ্ট ওয়াকিবহাল। ২৬ অক্টোবর প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এ প্রকাশিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য সিগন্যালিংসহ রেললাইন সংস্কার ও নির্মাণ প্রকল্প নিয়েও উঠে এসেছে উদ্বেগজনক একটি প্রতিবেদন। ‘৩৩৫ কোটি টাকার প্রকল্পে ৩১৮ কোটিই অনিয়ম!’ শিরোনামের প্রতিবেদনই ইঙ্গিত দিচ্ছে কেঁচো খুঁড়তে সাপের অস্তিত্বের কথা। আমরা বরাবরই অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের বিরোধী। আমরা বরাবরই বলছি, উন্নয়ন হোক পরিবেশের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে, স্থানীয় বাস্তবতা স্বীকার এবং অপ্রয়োজনীয় সব ব্যয় সংকোচন করে। সেই সঙ্গে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে দেশের উন্নয়নসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা বিশেষজ্ঞদেরও যদি কাজে লাগানো যায় তা হলেও দেশ উপকৃত হবে। কিন্তু অতীতের মতোই যদি অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বাড়তে থাকে তাহলে কোনো লাভ হবে না। অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের অভিজ্ঞতা প্রীতিকর নয়। অতীত থেকে শিক্ষা নিতে হবে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের মানুষ যে পরিবর্তন আশা করেছে, তারা যে স্বপ্ন দেখেছে, সে স্বপ্নের আলোকে আমাদের এখন সময় এসেছে এমন একটি কাঠামো দাঁড় করানোর যেখানে সব প্রকল্পই যথাযথ স্বচ্ছতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করতে হবে। কোনো মহলবিশেষের খুশি বা উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য নয়, বরং উন্নয়ন প্রকল্পগুলো হবে দেশের মানুষের প্রকৃত অর্থেই প্রয়োজন থেকে।

  • পরিচালক, আইপিডি। নগর পরিকল্পনাবিদ ও অধ্যাপক, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা