× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

রোহিঙ্গা সংকট

পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে নতুন কূটনীতি জরুরি

মোহাম্মদ আলী শিকদার

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ০৯:০১ এএম

মোহাম্মদ আলী শিকদার

মোহাম্মদ আলী শিকদার

মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংকটের বিরূপ মাশুল গুনতে হচ্ছে বাংলাদেশকে দীর্ঘদিন ধরে। কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশের আশ্রয়ে রয়েছে। কক্সবাজার-টেকনাফ ছাড়াও ভাসানচরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে বেশ কিছু রোহিঙ্গা শরণার্থী। বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তন নিয়ে কয়েক বছর ধরে বহু চেষ্টা হয়েছে, আলোচনাও হয়েছে প্রচুর। কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এখন দেখা যাচ্ছে, মিয়ানমারের বর্তমান অভ্যন্তরীণ সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন জটিলতা আরও বেড়েছে। এদিকে বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে নতুন করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আলোচনার প্রসঙ্গটি সামনে এসেছে। অভিযোগ আছে, মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার কথা বলে কিছু কার্যক্রম দেখালেও ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের মধ্যে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সৃষ্টি করছে।

আমরা দেখেছি, বিগত দু-তিন বছরে কক্সবাজার ও বান্দরবানের সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ির শূন্যরেখায় এবং আশপাশের দ্বীপে অপরাধীদের ঘাঁটি গাড়ার তথ্য সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে। কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছে এবং সেখানে প্রাণ ও রক্ত ঝরছে। মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিরোধ, রক্তক্ষয়ী সংঘাত এবং সশস্ত্র লড়াইয়ে ক্রমাবনতিশীল পরিস্থিতির প্রভাব-প্রতিক্রিয়ায় প্রতিবেশী বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তা ছাড়া বাংলাদেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট এবং নিরাপত্তা ও পরিবেশ-প্রতিবেশের ওপর নানা ধরনের বিরূপ আঘাত লাগছে। আমরা আরও দেখেছি, এর আগে কয়েক দফায় মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা পালিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে এবং পরে তাদের আবার সেখানে ফেরতও পাঠানো হয়েছে। মোটকথা মিয়ানমারের ভেতরকার পরিস্থিতি বাংলাদেশের জন্য বড় উপসর্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২৫ আগস্ট প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার দুই রাষ্ট্রেই উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দিয়েছে। ফলে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া অনেকটা অনিশ্চয়তার দিকে যাত্রা করেছে এবং নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গত ছয় বছর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমারে কিছুটা আলাপ-আলোচনা হলেও এক বছর ধরে তা বন্ধ রয়েছে। মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সঙ্গে জান্তা সরকারের যুদ্ধের কারণে এ আলোচনা বন্ধ হয়ে যায়। এর মধ্যে বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলনের পর সরকার পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেছে। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে রোহিঙ্গা নিয়ে আলোচনার জন্য নতুনভাবে কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ জরুরি হয়ে উঠেছে। কারণ এ পরিস্থিতিতে প্রত্যাবাসন কোনোভাবেই হচ্ছে না।

মিয়ানমারে আরাকান আর্মি ও জান্তার লড়াইয়ের কারণে মংডু শহর এবং তার আশপাশে থাকা কয়েক লাখ রোহিঙ্গার জীবন এখন বিপন্ন। ওখানে রোহিঙ্গাদের ঘর থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের তথ্যানুসারে, জান্তা সামরিক বাহিনী ওই অঞ্চলে কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করছে। অনেকটা ফিলিস্তিনি স্টাইলে তারা মিয়ানমারে নানা সংকট সৃষ্টি করেছে। তবে দেশটির ভেতরে অনেক স্থানেই জান্তা সরকার কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি নিয়ে শঙ্কা অনেক বেড়েছে এমনটি অবশ্যই সত্য। বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন করতে চীন, আমেরিকা ও ভারতকে পাশে চায় অন্তর্বর্তী সরকার। এ লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট, চীনের বাংলাদেশ দূতাবাস ও ভারতীয় হাইকমিশনের সঙ্গে একটি বৈঠকের আয়োজন করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর আয়োজক থাকবে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, সমন্বয় করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আসছে সেপ্টেম্বরের সুবিধাজনক দিনে এ বৈঠকের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ইতোমধ্যে সম্মতি দিয়েছেন। নিঃসন্দেহে এটি ইতিবাচক বার্তা।

সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, বৈঠকে রোহিঙ্গা নাগরিকদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করতে একটি কর্মকৌশলও নির্ধারণ করা হবে। এতে আমেরিকা, ভারত ও চীনের সর্বাত্মক সহায়তা চাওয়া হবে। এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবের সারসংক্ষেপ প্রণয়নের কাজ চলছে, যা আগামী মাসের শুরুতে সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হবে। দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হওয়ায় রোহিঙ্গা ইস্যুতে ইতোমধ্যে ভারত ও চীন তাদের নীতিতে কিছু পরিবর্তন এনেছে। আমরা দেখেছি, যুক্তরাষ্ট্র সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। একই সঙ্গে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থাকে (ইউএনএইচসিআর) আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট থেকে অনুরোধ জানানো হবে বলে অন্তর্বর্তী সরকারকে জানানো হয়েছে। এদিকে প্রত্যাবাসনের আগ পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের জীবনধারণ স্বাচ্ছন্দ্য করতে আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। কেননা সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ায় রোহিঙ্গাদের আর্থিক চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার।

অর্থ বিভাগ সূত্র জানিয়েছেন, প্রথম দিকে রোহিঙ্গাদের জীবনধারণের জন্য জাতিসংঘ, ইউএনএইচসিআর, এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), বিশ্বব্যাংকসহ উন্নয়ন সহযোগীরা আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা দিয়ে আসছিল। কিন্তু বৈশ্বিক সংকট, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধসহ নানা কারণ দেখিয়ে সম্প্রতি আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা কমিয়ে দিয়েছে উন্নয়ন সহযোগীরা। ফলে রোহিঙ্গা নাগরিকরা নিজেদের চাহিদা মেটাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে ক্যাম্পের বাইরে চলে আসছে; যা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে। ফলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে আন্তর্জাতিক মহলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সরকার। এমন সময়ে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর আবার নির্যাতনের সংবাদ পাওয়া গেছে। অনেকেই গোপনে সীমান্ত অতিক্রম করে এপারে পালিয়ে এসেছেÑএমনটি শোনা গেছে। এ পরিস্থিতিতে মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা ফিরতে পারবে না। প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এর প্রতিবেদনেই বলা হয়েছে, গত এক মাসে কম হলেও কয়েক হাজার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে। এসব রোহিঙ্গার একটি অংশ সীমান্তরক্ষীরা আটক করলেও বেশিরভাগই ক্যাম্পসহ বিভিন্ন স্থানে গোপনে আশ্রয় নিয়েছে। এখনও সীমান্তের অন্তত ২০টি পয়েন্ট দিয়ে নাফ নদের পারে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশের চেষ্টায় অপেক্ষা করছে। অনেকে অনুপ্রবেশকালে নৌকা ডুবে মারাও যাচ্ছে।

এক মাস ধরে টেকনাফের নাফ নদের সীমান্ত দিয়ে অনেক মরদেহ এপারে ভেসে আসছে। যে মরদেহগুলো আল মানাহিল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ নামের একটি সংস্থার মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে দাফন করা হয়। প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংকটের ফলে দেশে অবস্থিত ক্যাম্পগুলোয় অস্থিরতা বাড়ছে। গত দুই মাসে এসব ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অন্তত ১০টি জি-থ্রি রাইফেলসহ বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বিজিপি এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করে। মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতে বিজিপি পালিয়ে যাওয়ার সুযোগে এসব অস্ত্র রোহিঙ্গাদের কাছে পৌঁছে গেছে। অর্থাৎ ক্যাম্পের ভেতরেই মিয়ানমারের একটি গোষ্ঠী কিংবা অপতৎপরতাকারীরা চক্রান্ত শুরু করে দিয়েছে। বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখনও পুরোপুরি কাজ শুরু করেনি। যেহেতু তারা কাজ শুরু করেনি তাই এ মুহূর্তে কোনো তৃতীয় একটি পক্ষ দেশকে অস্থিতিশীল করে তোলার চেষ্টা করলে এ ক্যাম্পে প্রবেশকৃত অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ক্যাম্পকেন্দ্রিক নজরদারি বাড়াতে ও সশস্ত্র গোষ্ঠী নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ সজাগ থাকা জরুরি। ক্যাম্পকেন্দ্রিক কোনো অপরাধ যেন না হয় সেদিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব না দিলে বাংলাদেশের জন্য সশস্ত্র রোহিঙ্গা গোষ্ঠী হুমকি হয়ে উঠতে পারে। যদি এমনটি হয় তাহলে তা দেশের জন্য মোটেও ইতিবাচক হবে না বরং তা হয়ে উঠবে ক্ষতিকর।

চলমান রোহিঙ্গা সংকট সত্ত্বেও মিয়ানমারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে এবং আন্তর্জাতিক আইনকানুন মেনে বাংলাদেশ সদাচরণ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের সীমান্ত অঞ্চলে মিয়ানমারের চলমান সংকটের কারণে স্থানীয় জনগণ আতঙ্কে আছে এবং আমাদের নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষীদের আচরণে আমাদের জলসীমায় এখনও বেশ কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে। মিয়ানমারের অন্যান্য প্রতিবেশী দেশ তাদের নিজস্ব স্বার্থ রক্ষার জন্য সরকার ও বিদ্রোহী উভয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করছে। রাখাইন রাজ্যের স্থিতিশীলতা রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের আর্থিক, সামাজিক ও নিরাপত্তা সমস্যা মোকাবিলায় এ সংকটের সমাধান জরুরি। চলমান রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে যুগ যুগ ধরে চলা রাখাইন ও রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ইতিহাস তুলে ধরে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। রোহিঙ্গা সমস্যার বিষয়ে বাংলাদেশসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে মিয়ানমার সরকারের পাশাপাশি এনইউজি ও এর সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ও টেকসই সমাধানের পথে এগিয়ে যেতে হবে। রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের একটি অতিগুরুত্বপূর্ণ সমস্যা এবং অন্যান্য প্রতিবেশী দেশের মতো বাংলাদেশকেও নিজস্ব স্বার্থ নিশ্চিত করার জন্য দ্রুত এ সমস্যা সমাধানের সক্রিয় উদ্যোগ নিতে হবে।

বাংলাদেশে ছাত্র-গণ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আসা অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ভারসাম্যমূলক পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণের কথা উল্লেখ করেছে। সম্প্রতি বহির্বিশ্বের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্পর্কে সুষম ভারসাম্য আনার বার্তা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। মিয়ানমার, চীন ও ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক পুনঃসংজ্ঞায়িত করা, বৃহৎ রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখা, অর্থনৈতিক সুষম বিনিয়োগ এবং অঞ্চলে ভূরাজনৈতিক গতিশীলতা পরিচালনা করার কথা বলেছেন তিনি। নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ইতোমধ্যে সব প্রধান দেশের সঙ্গে ন্যায়সঙ্গত ও গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে। এ বিষয়টি ইতিবাচক। দেশের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থেই পরিবর্তিত প্রেক্ষাটে নতুন করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে কাজ করতে হবে। আঞ্চলিক শক্তিগুলোও এখন নানা কারণে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে। আর এ পর্যবেক্ষণলব্ধ অবস্থায় রোহিঙ্গা ইস্যুটিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। মনে রাখতে হবে, আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও সামরিক বাহিনী দেশের অভ্যন্তরীণ সংকট নিরসনে ব্যস্ত। তাই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনই হওয়া উচিত আমাদের মূল ভাবনা।

  • অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল, নিরাপত্তা-বিশ্লেষক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা
শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা