× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

কোটা সংস্কার

আদালতের আদেশে স্বস্তি

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী

প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২৪ ১৭:০৭ পিএম

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২৪ ১৭:০৯ পিএম

আদালতের আদেশে স্বস্তি

আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বাতিল করে যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তা নিশ্চয় সব পক্ষের মেনে নেওয়া উচিত। আদালত সরকারকে প্রজ্ঞাপন জারির আদেশও দিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৫ শতাংশ আদালত বহাল রেখেছেন এবং সরকারি চাকরিতে মেধার ভিত্তিতে ৯৩ শতাংশ নিয়োগের আদেশও দিয়েছেন। এখন শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যাওয়া উচিত। কারও প্ররোচনায় তাদের প্ররোচিত হওয়া আর উচিত হবে না। আদালতের আদেশের পর তাদের আন্দোলনেরও কোনো যৌক্তিকতা থাকছে না। অতএব আমরা চাইব, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা আদালতের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ক্লাসে ফিরে যাবেন। আদালতের রায়ে শান্তিপ্রিয়দের মনে স্বস্তি ফিরেছে। সহিংসতার আগুন নেভার উপায়ের পথ বাতলে দিয়েছেন আদালত। আদালতের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। আন্দোলনকারীদের চাওয়ার সঙ্গে মিলে গেছে আদালতের আদেশ। তারা আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের অভিনন্দন জানাই এই প্রেক্ষাপটে।

২১ জুলাই প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এর শীর্ষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘সহিংসতা কমেছে, প্রাণহানি থামেনি।’ দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতি নতুন করে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের প্রয়োজন রাখে না। কেন পরিস্থিতি এ পর্যায়ে গিয়ে ঠেকল, এর প্রেক্ষাপট সচেতন মানুষ মাত্রেরই জানা। আমরা দেখছি, শান্তিপ্রিয় মানুষ বিদ্যমান পরিস্থিতিতে কতটা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা-অস্বস্তি ও শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থার মধ্যে সময় কাটাচ্ছে। কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরুতে সহিংস ছিল না। অহিংস এই আন্দোলন সহিংস হয়ে ওঠার পেছনে স্বার্থান্বেষী রাজনৈতিক মহলের প্ররোচনার যে অভিযোগ উঠেছে, তা কোনোভাবেই অমূলক বলা যাবে না। কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারীরা স্পষ্ট করেই বলেছেন, সহিংসতার সঙ্গে তারা সম্পৃক্ত নন এবং এ ব্যাপারে তাদের কোনো সমর্থনও নেই। ইতোমধ্যে তাদের কয়েকজনের সঙ্গে সরকারের তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর বৈঠকের খবরও সংবাদমাধ্যমে জানা গেছে। 

আমরা অবশ্যই বৈষম্যমূলক যেকোনো কিছুর বিরুদ্ধে আমরা সাম্যের আলো চাই। কোটা সংস্কারকারী আন্দোলন যে দাবি নিয়ে তারা শুরু করেছিলেন, সেই দাবির সঙ্গে সরকারেরও দ্বিমত ছিল না। ২০১৮ সালে সরকারের পরিপত্রই তার প্রমাণ। কিন্তু হাইকোর্টের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলন শুরু হয় এবং ওই রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত এ কথাও বলেছিলেন, সরকার ইচ্ছা করলে কোটা বাড়াতে-কমাতে পারে। অর্থাৎ পুরো বিষয়টি সরকারের ওপরই নির্ভর করছিল। এমতাবস্থায় সরকার আন্দোলনকারীদের নিয়ে আলোচনায় বসে বিদ্যমান সমস্যার সমাধান করার সুযোগ হাতছাড়া করে কেন তা সংকটে পরিণত করার অবকাশ করে দিল, এমনটি আমাদের বোধগম্য নয়। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির মধ্যে বিগত কয়েক দশক ধরে জেঁকে বসা অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে বরাবরই পরিষ্কারভাবে কথা বলে আসছি। কোটা সংস্কার আন্দোলন যখন একটু ভিন্ন মোড় নিল, তখন সরকারের কেউ কেউ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগকে যে নির্দেশনা দিলেন এর সঙ্গে শুরুতেই দ্বিমত পোষণ করেছিলাম। দুর্ভাগ্যজনকভাবে লেজুড়বৃত্তি ছাত্ররাজনীতির কারণে আমাদের বিগত প্রায় সাড়ে তিন দশকে বেশি সময়ে ইতোমধ্যে মাশুল কম গুনতে হয়নি।

আওয়ামী লীগ কিংবা বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামী এমনকি অতীতে জাতীয় পার্টিও দেশের যেকোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে তাদের অঙ্গ ছাত্র সংগঠনকে অপব্যবহার করেছে। একসময় বলেছিলাম, ছাত্ররাজনীতির অনেক কিছুই প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে ফেলেছে। কেন এবং কী কারণে তা হয়েছে এও বলেছিলাম। আমাদের ছাত্ররাজনীতির অতীত ঐতিহ্য অবশ্যই গৌরবোজ্জ্বল এবং ইতিহাসের পাতায় পাতায় তা জ্বলজ্বল করছে। কিন্তু পঁচাত্তরের মর্মান্তিক পটপরিবর্তনের পর দেশের ছাত্ররাজনীতির হালচাল বদলে যায়। ছাত্রদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ের মধ্যে ছাত্ররাজনীতি সীমিত থাকলে ছাত্ররাজনীতির অধ্যায় এতটা প্রশ্নবিদ্ধ কিংবা বিবর্ণ হতো না। জিয়াউর রহমান এবং হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ শুধু গণতন্ত্রের ঔজ্জ্বল্যই ম্লান করেননি, ছাত্ররাজনীতিকেও বিপথে ঠেলে দেওয়ার জন্য মুখ্যত তারাই দায়ী। এর পরের ইতিহাস সচেতন কারোরই অজানা নয়।

কোটা সংস্কার আন্দোলন আরও কয়েক দিন আগেই শিক্ষার্থীদের হাতছাড়া হয়ে যায় এবং সরকারবিরোধী রাজনীতিকদের কূটচালে ও নিজেদের হীনস্বার্থ চরিতার্থকরণের লক্ষ্যে এর কদর্য রূপ পরিলক্ষিত হয়ে ওঠে। নিঃসন্দেহে এটি চরম নিন্দার এবং পরিস্থিতি আজ এ পর্যায়ে গিয়ে ঠেকার জন্য দায় তাদের নিতে হবে। এই স্তম্ভেই কিছুদিন আগে লিখেছিলাম, যেকোনো ঘটনা কিংবা অঘটনের জন্য প্রথমত দায় সরকারের ওপর বর্তালেও এর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোও দায় এড়াতে পারে না। চলমান সহিংসতায় অনেক মানুষের জীবনপ্রদীপ নিভে গেছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। যারা হতাহত হয়েছেন, তারা যে পক্ষেরই হোন না কেন, পুরো ঘটনাটিই আমাদের জন্য মর্মবেদনার। এমনটি কাম্য ছিল না, কাম্য হতে পারে না কোনোভাবেই। তারপরও আমরা প্রত্যাশা করব, অনতিবিলম্বে রক্তপাত বন্ধ হবে। জীবনের জন্য হীতকর নয়, এমন কোনো কিছুই যাতে চলতে না পারে তা নিশ্চিত করার দায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষেরই। শান্তিপ্রিয় মানুষরা সংঘাত-সহিংসতার বিরুদ্ধে বরাবরই অবস্থান স্পষ্ট করেছে এবং গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা পোষণ করে আসছে।

দুঃখজনক হলেও সত্য, দেশে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সংকট অত্যন্ত প্রকট। তা ছাড়া যারা গণতন্ত্রের জন্য এত মায়াকান্না করেন তাদের নিজেদের আচার-আচরণ কিংবা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড কতটা গণতান্ত্রিক, তাও প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়। আজ দেশব্যাপী যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে তা তো মেনে নেওয়ার নয়। সরকার বাধ্য হয়ে কারফিউ জারি করেছে জনস্বার্থের প্রয়োজনেই। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রয়েছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে সেনাবাহিনীর সদস্যসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সম্পৃক্ততা বিশ্বদরবারে আমাদের অবস্থান অন্য পর্যায়ে নিয়ে গেছে। এজন্য আমরা নিশ্চয়ই গর্ববোধ করি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এই অর্জন বিনষ্ট করতেও রাজনৈতিকভাবে কম অপতৎপরতা পরিলক্ষিত হয়নি। এই প্রেক্ষাপটে বলতে হয়, আমাদের রাজনীতির এত অর্জনের বিসর্জনকারী যারা তারা কি কোনোভাবেই পীড়াবোধ করেন না? তারা কি দায় এড়িয়ে থাকতে পারেন? শিক্ষার্থীদের যে অহিংস আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নিল এর জন্য সরকার ও বিরোধী পক্ষ কেউই রাজনৈতিকভাবে দায় এড়াতে পারে না। আমরা আশা করব, সবার মধ্যে শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং শিক্ষাঙ্গনসহ জনজীবনে স্বাভাবিক ও স্বস্তিকর পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে দায়িত্বশীল প্রত্যেকেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে যথাযথ ভূমিকা পালন করবেন। এ মুহূর্তে প্রত্যাশা একটাই, সর্বাগ্রে শৃঙ্খলা ফিরুক এবং সংকট কাটার পথ সুগম হোক। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক এবং বল প্রয়োগ নয়, আলোচনার মাধ্যমে বিদ্যমান পরিস্থিতির নিরসন ঘটুক। আমরা চাইব, শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় মাঠে কর্তব্যরত সেনা সদস্যরা বেসামরিক প্রশাসনকে যথাযথ সহযোগিতা বরাবরের মতোই দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দিয়ে যাবেন। যূথবদ্ধ প্রচেষ্টায় অন্ধকার নিরসন হয়ে আলো ফুটে উঠুক এবং জনমনে স্বস্তি দৃশ্যমান হোক। এই শুভ আশা শান্তিপ্রিয় সবার।

আরও বলা অত্যাবশ্যক, দ্রুত পরিস্থিতির স্বাভাবিকতা নিশ্চিতক্রমে সেনা সদস্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়ার চিন্তাও সমভাবেই ক্রীড়াশীল থাকুক। বিগত প্রায় এক সপ্তাহে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসহ সম্পদ ধ্বংসের যে দগদগে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে এর উপশম সহজ নয়। নরসিংদীর কারাগারের ফটক ভেঙে অগ্নিসংযোগ, অস্ত্র ও গুলি লুট এবং কয়েকশ জঙ্গিসহ কয়েদিকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার প্রেক্ষাপট নিশ্চয়ই আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা করে দেননি, এও আমরা বিশ্বাস করি। আর তারা তো বরাবরই বলে আসছেন কোনোরকম সহিংসতার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা নেই। টেলিভিশনের চ্যানেলগুলোয় সংবাদের যে ভিডিওচিত্রগুলো দেখেছি এবং অন্য সংবাদমাধ্যমেও যা বলা হয়েছে তাতেও স্পষ্ট বোঝা গেছে অগ্নিসংযোগ-ভাঙচুর-নাশকতাসহ জীবন ও সমাজ বৈরী কোনো কাজের সঙ্গেই ছাত্ররা সম্পৃক্ত নয়। তাদের অতিক্ষুদ্র অংশ হয়তো নীতিহীন রাজনীতিকদের ডাকে সাড়া দিয়ে বেপথে পা বাড়িয়েছে, কিন্তু অধিকাংশই চলমান সহিংসতার সঙ্গে যুক্ত নয়, এই সত্য বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণও অদৃশ্যমান নয়।

আমরা দেখেছি, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকরা ব্যাপকভাবে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং তাদের ক্যামেরা, গাড়ি ভেঙে বা পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। চলমান সহিংসতায় সাংবাদিকসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সদস্যরাও হতাহত হয়েছেন। যেকোনো অপঘাতে প্রাণহানি অত্যন্ত নিন্দনীয়। সুস্থ-স্বাভাবিক-সুচিন্তার অধিকারী কোনো মানুষেরই এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু মেনে নেওয়া দুরূহ। চলমান আন্দোলনে জনজীবনে ব্যাপক অভিঘাত লেগেছে। পরিস্থিতি কেন এমন হলো, সেটা এখন আর রহস্য নয়, বরং স্পষ্ট। আমাদের স্পষ্ট দাবি, সহিংসতা-প্রাণহানির পথ রুদ্ধ করতেই হবে। আমরা আরও আশা করব, আইনশৃঙ্খলাজনিত বিষয় ছাড়াও সার্বিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য যা করার তা সরকারকেই দ্রুততার সঙ্গে করতে হবে। একই সঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদাও যাতে অক্ষুণ্ন থাকে, এও আমলে রাখতে হবে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অপ্রীতিকর কথাবার্তাও বন্ধ রাখতে হবে। দেশের বহু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা আগুনে পুড়ে ছাই হওয়ার যে চিত্র সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। কয়েক শতাধিক যানবাহন পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের ভাষ্য, নাশকতাজনিত কর্মকাণ্ডের কারণেই ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ হয়ে আছে। আজকের বাস্তবতায় ইন্টারনেটের অপরিহার্যতা নতুন করে বলার কিছু নেই। ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে অর্থনীতি, সংবাদমাধ্যমসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও বিরূপ অভিঘাত লেগেছে। দ্রুত ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করা অত্যন্ত প্রয়োজন। বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ বটে, কিন্তু গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বিকশিত হয়নি, সেটাও স্পষ্ট। সহিংসতা, প্রাণহানি কিংবা যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত-অনভিপ্রেত ঘটনা বন্ধের পাশাপাশি জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রথমত দায় বর্তায় সরকারের ওপর। পাশাপাশি বিরোধী রাজনৈতিক দলসহ কোনো পক্ষও এর দায় এড়াতে পারে না, তা আগেই বলেছি। যে রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতি বিরাজ করছে, এর জন্য কমবেশি সব পক্ষেরই অদূরদর্শিতা নিশ্চিতভাবে দায়ী। কোটা সংস্কার কিংবা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীরা অসচেতন নন। বর্তমান প্রজন্মই দেশ-জাতির আগামী দিনের কর্ণধার। প্রজন্ম বিভ্রান্ত হলে চলবে না। প্রজন্ম বিভ্রান্ত হলে দেশ-জাতির ভবিষ্যৎ অন্ধকারাচ্ছন্ন হবে। বিদ্যমান বাস্তবতায় প্রজন্মেরও নতুন করে ভাবতে হবে।  সবার মধ্যে উদয় হোক শুভবুদ্ধির।

লেখক : শিক্ষা-ইতিহাসবিদ ও রাজনীতি বিশ্লেষক

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা