× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সর্বজনীন পেনশন

প্রত্যয়ের প্রত্যাশা পূরণে অসঙ্গতি দূর করুন

ড. মোসলেহউদ্দিন আহমেদ

প্রকাশ : ০৮ জুলাই ২০২৪ ০৯:২৬ এএম

ড. মোসলেহউদ্দিন আহমেদ

ড. মোসলেহউদ্দিন আহমেদ

লুক বিফোর ইউ লিভ কিংবা ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও নাÑএ প্রবাদ বাক্যদ্বয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের অনেকেই যেন বিস্মৃত হয়ে পড়েন। রাষ্ট্রের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ভাবতে হয়। বলা বাহুল্য, নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়া এবং বাস্তবায়নের কাজ করে থাকে প্রশাসন। প্রশাসনের আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থার আদলেই যদি সব জায়গার নীতি নির্ধারণ করা হয় তখন সেখানে ভাবনার কিছু আর থাকে না। দেখা দেয় সংকট। যদিও ম্যাক্স ওয়েবার বলেছিলেন আমলাতন্ত্র কোনো আদর্শবাদী ইউটোপিয়া নয়। কিন্তু ব্যুরোক্রেসিতে যখন দক্ষতা ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বিচ্যুতি ঘটে তখন ডিসফাংশন ঘটা অস্বাভাবিক নয়। এমনই সংকট আমরা দেখতে পাচ্ছি সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয়’ স্কিমের প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একযোগে সর্বাত্মক কর্মবিরতির আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। শিক্ষকদের আন্দোলনের ফলে বিশ্ববিদ্যালয় অচল। স্বল্পমেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয় অচল হয়ে পড়লেও এ আন্দোলনের শিক্ষকদের অবস্থানের যৌক্তিক দিকটি যাচাই করা জরুরি। ১ জুলাইয়ের পর থেকে যোগদান করা স্বশাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বাধ্যতামূলকভাবে এ কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীর মূল বেতনের ১০ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকাÑএর মধ্যে যা কম তা বেতন থেকে কেটে রাখা হবে এবং সমপরিমাণ টাকা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে দেওয়া হবে।

প্রত্যয় স্কিমের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সমস্যা ব্যবস্থাপনাগত। লোকপ্রশাসনিক ক্ষেত্রে আমরা যদি অন্য স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান যেমন আইসিবি কিংবা ব্যাংকের কথা বিবেচনা করি তাহলে মূল সমস্যার দিকে আলোকপাত করা যাবে। সচরাচর এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে প্রথমে একজন প্রবেশনারি অফিসার থেকে শুরু করে আস্তে আস্তে পদোন্নতি পেয়ে থাকেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে পদোন্নতি ঠিক এভাবে হয় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের আমরা প্রভাষক, সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক এবং অধ্যাপকÑএ চারটি পদ দেখি। প্রতিটি পদই আলাদা। সহযোগী অধ্যাপকরা আবেদন করে থাকেন অধ্যাপক পদের জন্য। সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদে মোট ১১টি আবেদন করতে হয়। প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পদের জন্য আবেদন করতে হয় আটটি। প্রত্যয় স্কিম চালু হয়েছে চলতি বছরের ১ জুলাই। বর্তমানে শিক্ষকদের স্বপদে তা ক্ষতিকর হবে না, এ আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু যারা তাদের পদ থেকে নতুন পদে যাবেন তাদের ক্ষেত্রে এ স্কিমের শর্তগুলো কী তা স্পষ্ট করা হয়নি। যিনি বর্তমানে সহযোগী অধ্যাপক রয়েছেন এবং ১ জুলাইয়ের পর যার অধ্যাপক পদে যাওয়ার কথা তিনি বিপদে পড়বেন। সম্পূর্ণ নতুন একটি পদে ১ জুলাইয়ের পর যারা অধ্যাপনা শুরু করবেন তারা এ স্কিমের আওতায় চলে আসবেন। সহযোগী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদে তার প্রত্যয়নপত্র এবং চাকরির শর্ত প্রত্যয় স্কিমের আওতায় পড়ে যায়। বর্তমানে একজন সহযোগী অধ্যাপক ৬৫ বছর বয়সে চাকরিজীবন শেষ করবেন। কিন্তু প্রত্যয় স্কিমের আওতায় তার চাকরির সময়সীমা কমে যাচ্ছে পাঁচ বছর। যিনি সহযোগী অধ্যাপক তার বেতন থেকে এ স্কিমে কোনো টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে না। ১ জুলাই থেকে নতুন পদে যাওয়ার পর তার বেতন থেকে স্কিমের শর্ত অনুসারে টাকা কেটে নেওয়া হবে। তা ছাড়া অবসরের সময় আনুতোষিক বা এককালীন ৮০ লাখ ৭৩ হাজার টাকাও তিনি আর পাচ্ছেন না। প্রত্যয় স্কিমের আওতায় একজন শিক্ষক তার প্রায় ৬০ বছরের জীবনে অবসরের পর ১ লাখ ২৪ হাজার টাকা পাবেন প্রতি মাসে। এ পেনশন তার বেতনের ১০ শতাংশ কিংবা ৫ হাজার টাকা কর্তনের মাধ্যমে দেওয়া হবে। কেউ যদি সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে অবসরের সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করেন তাহলে তিনি অবসরের আগ পর্যন্ত বেতন পাচ্ছেন। কিন্তু ১ জুলাইয়ের পর যখন তিনি অধ্যাপক পদে নিয়োগ পেলেন তখন আর কোনো সুযোগসুবিধাই তিনি পাচ্ছেন না। আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থা যদি শিক্ষা খাতে প্রয়োগের চেষ্টা করা হয় তাহলে এক ধরনের বৈষম্য তৈরি হয়; যা প্রত্যয় স্কিমে দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী বছরের জুলাইয়ে সরকারি কর্মকর্তাদেরও সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় নেওয়া হবে। তাদের ক্ষেত্রে শর্ত প্রত্যয় স্কিম থেকে কতটা আলাদা হবে তা স্পষ্ট করা হয়নি। ফলে শিক্ষকদের মধ্যে এক ধরনের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

২০১৫ সালের আগে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের পে-স্কেলের আগে গ্রেড-১, গ্রেড-২ ও গ্রেড-৩ ছিল। গ্রেড-১ স্কেলে ২৫ শতাংশ শিক্ষক পাচ্ছেন। ২০১৫ সালের আগে সিলেকশন গ্রেড অধ্যাপক নিয়োগ হতো ২৫ শতাংশ শিক্ষক। ওই বছর সুপার গ্রেড তৈরি হওয়ার পর ১০-১২জন সচিব অন্তর্ভুক্ত হলেও শিক্ষকরা ঠাই পায়নি। বাদ পরে সিলেকশন গ্রেড অধ্যাপক। পরে শিক্ষকরা আন্দোলন করলে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা হয়। পুরোনো সিলেকশন গ্রেড অধ্যাপক নিয়োগ ব্যবস্থা ফেরানো হয়। এখনও তাদের গ্রেড-১ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে। সিলেকশন গ্রেড অধ্যাপকের বাইরে যারা আছেন তারাঅতিরিক্ত সচিবের সমমর্যাদা ও বেতন পান। উন্নত বিশ্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সর্বোচ্চ বেতন পান। এমনকি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত, শ্রীলঙ্কা, ভুটানেও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের আলাদা পে-স্কেল রয়েছে এবং তারা সর্বোচ্চ সুযোগসুবিধা পান। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক রয়েছে। সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, তিনি আপাতত প্রত্যয় স্কিমের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করবেন না। সার্বিক পরিস্থিতি দেখার পর কিছু বলবেন। এমন মন্তব্য সঙ্গত কারণেই শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তরফেই যদি আশাব্যঞ্জক কোনো মন্তব্য না পাওয়া যায় তাহলে হতাশা ও ক্ষোভ থাকাটাই স্বাভাবিক। যেহেতু নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়, সম্ভবত সেহেতু শিক্ষামন্ত্রী এ বিষয়ে মন্তব্য করেননি।

প্রত্যয় স্কিমের আগে সার্বিক পেনশন কর্মসূচির সময় শিক্ষকরা আশাব্যঞ্জক মন্তব্য করেছিলেন। এ কর্মসূচিকে অনেকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। সবাই একটি পেনশনের আওতায় আসার সুযোগে প্রীত হন। কিন্তু প্রত্যয় স্কিম চালু হওয়ার পর দেখা গেল, সবাই এ কর্মসূচির আওতায় আসবেন এমনটি নয়। প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার নিয়ম, কোনো কর্মকর্তা যেটুকু সুযোগসুবিধা পেয়ে থাকেন তা থেকে কখনও কিছু কমানো যাবে না। আমার ধারণা, প্রত্যয় স্কিম সাজানোর সময় নীতিনির্ধারকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনার দিকটি ভালোভাবে বিবেচনা করেননি। তারা হয়তো ভেবেছেন, বর্তমানে অধ্যাপক বা স্বপদে থাকা শিক্ষকদের এ স্কিমে কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। পহেলা জুলাইয়ের পর যারা কাজে যোগ দেবেন তাদের ওপর নতুন এ নিয়ম আরোপিত হবে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের তো পদোন্নতি হচ্ছে না। কেউ একজন প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপকের নতুন পদে যোগ দেবেন। সম্পূর্ণ নতুন একটি পদ। এ পদে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে তার যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হয়। নির্দিষ্ট সময় বা আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা এ ক্ষেত্রে কার্যকর নয়। ভারত কিংবা শ্রীলঙ্কায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন স্কেলই রয়েছে। আর এখানে তেমন কোনো স্কেলই নেই। উল্টো শিক্ষকদের বেতন থেকে নির্দিষ্ট অংশ কর্তন করা হচ্ছে। নতুন পদে যোগদানকারী শিক্ষকরা হারাচ্ছেন সুযোগসুবিধাও।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অন্য স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের পার্থক্য রয়েছে। প্রশাসনে কেউ সহকারী সচিব হিসেবে যোগ দেওয়ার পর সহযোগী সচিবের পদে গিয়ে অবসরে যেতে পারেন। যদি সুযোগ তৈরি হয় তিনি সচিব পদেও অবসর নিতে পারেন। প্রশাসনে পদগুলো পদোন্নতির ভিত্তিতে নির্ধারিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের পদগুলো যোগ্যতাভিত্তিক। প্রতিটি পদের জন্য আলাদা যোগ্যতার শর্ত থাকে এবং সেজন্য আবেদন করতে হয়। সহযোগী অধ্যাপক থেকে কেউ যদি অধ্যাপক পদে যেতে চান তাহলে তাকে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। ১৫টি প্রকাশনার পাশাপাশি তাকে পিএইচডি বা সমমানের ডিগ্রি পেতে হবে। এসব বাদে কেউ যদি প্রভাষক হিসেবে যুক্ত হয়ে পিএইচডি বা গবেষণাপত্র না লিখে অধ্যাপক পদে যেতে চান তাহলে তাকে ১৮-২০ বছর অপেক্ষা করতে হবে। শুধু এ একটি ক্ষেত্রেই কেউ শর্ত সাপেক্ষে অধ্যাপক পদে যেতে পারেন। এটিকেও বিশ্ববিদ্যালয়ের পদোন্নতি বলে না। এ ব্যবস্থাকে আপগ্রেডেশন বা রিস্ট্রাকচারিং বলা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পদগুলোর এ অবস্থান এবং ব্যবস্থাপনাগত দিকগুলো কি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কেউ খতিয়ে দেখেননিÑসঙ্গত কারণে এ প্রশ্নই আসে। প্রত্যয় স্কিমের আওতায় প্রশাসনিক এ জটিলতাই বড়।

উপরন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন ২২ হাজার ৫০০ টাকার বেসিক পে-স্কেলে। তিন বছর পর আনুষঙ্গিক সুবিধা মিলিয়ে ৬০ হাজারের কাছাকাছি বেতন তিনি পান। অথচ কলকাতার একজন পিএইচডি শিক্ষার্থী আবাসন ভাতাসহ ৬০ হাজার টাকা পেয়ে থাকেন। প্রত্যয় স্কিমে শিক্ষকদের আনুতোষিক থেকে শুরু করে অন্যান্য সুবিধার বিষয়ে স্পষ্ট কিছু নেই। বরং এ স্কিমে অনেকটা ‘শুভংকরের ফাঁকি’ রয়েছে। শিক্ষকদের বেতন থেকে নির্দিষ্ট অংশ কেটে নেওয়ার পর অবসরের পর ১ লাখ ২৪ হাজার টাকা পাবেন প্রতি মাসে। এ টাকার আর্থিক মূল্য বর্তমানের নিরিখে। আজ থেকে ৩০ বছর পর এ টাকার আর্থিক মূল্যমান ৩০ হাজারের কাছাকাছি হবে। মূল্যস্ফীতির এ প্রভাবটিও বিবেচনা করা জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বর্তমান আন্দোলনে দাবি তিনটি। তাদের সুপার গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করা, প্রত্যয় স্কিমে সংস্কার এবং বর্তমান যে সুযোগসুবিধা রয়েছে সেগুলো যেন থাকে। শিক্ষকদের দাবি আপাতদৃষ্টে খুব বেশি কিছু নয়। প্রশাসনের একজন জয়েন্ট সেক্রেটারিও নিজস্ব গাড়ি পান। শিক্ষকরা এমন কোনো সুবিধার দাবি করেননি। জটিলতার কারণে শিক্ষকরা যেন অনেক কিছুই হারাচ্ছেন। সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে শিক্ষকদের বৈষম্য দূর করার জন্য আশু একটি সমাধান জরুরি। সেজন্য আপাতত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। শিক্ষকরাও অপেক্ষায় রয়েছেন। বিদ্যমান অসঙ্গতিগুলো দূর করে স্কিমটি শিক্ষকবান্ধব করা দরকার।

  • লোকপ্রশাসন ও স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ। অধ্যাপক, লোকপ্রশাসন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা