× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ভারতে নির্বাচনের ফল

জোটের ভোট শেষ, চলছে অঙ্ক কষা

ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী

প্রকাশ : ০৬ জুন ২০২৪ ০৯:২৯ এএম

ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী

ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী

ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল অতি তাৎপর্যপূর্ণ। ভারতের রাষ্ট্রচরিত্রের মৌলিক আদর্শ ছিল গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। উঁচুমার্গের গণতন্ত্রচর্চায় বিশ্বজুড়ে ভারত অন্যতম অপ্রতিদ্বন্দ্বী। ভারত জাতিরাষ্ট্রের মৌলিক চরিত্র ধর্মনিরপেক্ষতার মহিমায় গৌরবোজ্জ্বল। এটি অনুমেয় যে, ধর্মান্ধ উগ্রবাদী রাজনৈতিক অপসংস্কৃতির খোলস থেকে বেরিয়ে আবার আদি নান্দনিক স্বরূপে ভারত সুপ্রতিষ্ঠিত হতে চলেছে। ধর্মীয়-ধার্মিক চিন্তা-চেতনা অবশ্যই প্রতিটি মানুষকে পরিশুদ্ধ করে। কিন্তু বিগত এক দশক ধর্মান্ধ-উগ্র হিন্দুত্ববাদের মোড়কে ভারতের রাষ্ট্রচরিত্র প্রায় কলুষিত-এ অভিযোগ নতুন নয়। সব জল্পনাকল্পনার অবসান ঘটিয়ে দেশটির জনগণ যে অসাম্প্রদায়িক-ধর্মনিরপেক্ষ ভাবনায় সমুজ্জ্বল তা আবার প্রমাণ হয়েছে। ৪ জুন মধ্যরাতে দেশটির ৫৪৩ আসনের মধ্যে একটি ছাড়া সবকটির চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। ভারতের নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফলে জানা যায়, ৫৪২ আসনের মধ্যে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) জয় পেয়েছে ২৪০টিতে। প্রধান বিরোধী দল ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস পেয়েছে ৯৯টি।

অন্য দলগুলোর মধ্যে সমাজবাদী পার্টি (এসপি) ৩৭, তৃণমূল কংগ্রেস ২৯, ডিএমকে ২২, তেলেগু দেশম পার্টি ১৬, জনতা দল (জেডি-ইউ) ১২, শিবসেনা (উদ্ভব) ৯, ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপিএসপি) ৭ ও শিবসেনা (এসএইচএস) ৭টি আসনে জয় পেয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে বিজেপির তৃতীয় বারের মতো ক্ষমতায় আরোহণ অনেকটা সংকটাপন্ন এবং মোদিকে প্রধানমন্ত্রী হতে নির্ভর করতে হবে জোট সঙ্গীদের ওপর। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ বিজেপি অন্যান্য দলের সমর্থনে সরকার গঠনে কতটুকু সফল হবে, তা এখনও অনিশ্চিত। হয়তো প্রথমবারের মতো জোট সরকার গঠন করতে হবে দলটিকে। দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষ চেতনায় এখনও অবিচল থাকা কংগ্রেস অতীতের তুলনায় অনেক ভালো ফল করেছে। তাদের ধারাবাহিক উত্থান অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে।

বাংলাদেশসহ নিকটতম প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে একটি সমৃদ্ধ আঞ্চলিক বলয় তৈরি করতে ভারত যেন মৌলিক রাষ্ট্রীয় চরিত্রে কোনো পরিবর্তন না আনে। সহজ-সরল কথা, ভারতবর্ষের সভ্যজনরা কখনও কোনো জঙ্গিত্ব-ধর্মান্ধ রাষ্ট্রব্যবস্থা মেনে নিতে পারেন না। সব সাম্প্রদায়িক শক্তিকে সংহার করে ধর্ম-বর্ণ-গোত্র-অঞ্চল নির্বিশেষে সৌহার্দ্য-সম্প্রীতির অবারিত পুণ্যভূমিতে ভারত ও ভারতবাসীর ঐক্যবদ্ধতাই প্রত্যাশিত। অবিভক্ত ভারতবর্ষে রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রধান অনুষঙ্গ ছিল ধর্মভিত্তিক নয়, বরং ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ প্রতিষ্ঠা।

দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ ধর্মকে পুঁজি করে বিভাজনের রাজনীতির সূচনা করে। ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে অসহযোগ আন্দোলনসহ সব ধরনের ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রাম ছিল অসাম্প্রদায়িক চেতনায় অগ্রগণ্য। ‘ডিভাইড অ্যান্ড রুল’ কূটচাল অবলম্বন করে ভারত ও পাকিস্তান নামক দুটি ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রের উত্থান ঘটিয়ে ব্রিটিশরাজ শাসন-শোষণ ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করে। তৎকালীন কংগ্রেসের নেতৃত্বে সব সম্প্রদায় ছিল ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে। ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনায় ভারতকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এ ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে সংবিধানের ২৫-২৮ নম্বর ধারায় ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকারকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় সংবিধানের অন্যতম স্থপতি পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু বলেছেন, ‘ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ ধর্মের বিরোধিতা করা নয়। ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হলো সেই রাষ্ট্র যা সব ধর্মবিশ্বাসের প্রতি সমভাবে শ্রদ্ধাশীল এবং সব ধর্মকে সমান সুযোগসুবিধা প্রদান করে। এ ধরনের রাষ্ট্র নিজেকে কোনো বিশেষ ধর্ম বা ধর্মবিশ্বাসের সঙ্গে যুক্ত করে না।’ ভারতীয় ধর্মনিরপেক্ষতা পশ্চিমা ধর্মনিরপেক্ষতা থেকে স্বতন্ত্র হলেও, নানা দিক থেকে এটি অভিনব।

প্রাসঙ্গিকতায় বাংলাদেশের দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অভিন্ন ফসল হচ্ছে গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। ধর্মনিরপেক্ষ জাতিরাষ্ট্র গঠনে বিশ্বের কিংবদন্তি জাতীয়তাবাদী ও শোষিত-বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের অন্যতম কালজয়ী মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রদর্শনের জন্য বিশ্বনন্দিত। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে এহেন অযাচিত-অবাঞ্ছিত-অনভিপ্রেত বিচ্যুতি থেকে পরিত্রাণ লাভে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক মানসে কালপরিক্রমায় অসাম্প্রদায়িক চিন্তা-চেতনার পরিগ্রহে তিনি ঋদ্ধ হয়েছিলেন। ১৯৭২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর গণপরিষদে খসড়া শাসনতন্ত্র অনুমোদন উপলক্ষে প্রদত্ত ভাষণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতির আদর্শের মৌলিক চারটি স্তম্ভ তথা বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা সম্পর্কে বিশদ ব্যাখ্যা দিয়েছেন। চতুর্থ স্তম্ভ ধর্মনিরপেক্ষতা বিশ্লেষণে বঙ্গবন্ধু মনুষ্যত্বের সাবলীল ও স্বাভাবিক প্রকাশে বাঙালি স্বাজাত্যবোধের মূল্যায়নে তাঁর ধর্মনিরপেক্ষ দর্শনকে অসাধারণ বিশ্লেষণে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের ধর্মবর্ণ-দলমত নির্বিশেষে সব নাগরিকের গ্রহণযোগ্য ধর্মপালনের সৌকর্যকে উদ্‌ঘাটিত করেছেন। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়। বাংলার সাড়ে সাত কোটি মানুষের ধর্মকর্ম করার অধিকার থাকবে। আমরা আইন করে ধর্মকে বন্ধ করতে চাই না এবং করব না। মুসলমানরা তাদের ধর্ম পালন করবে, তাদের বাধা দেওয়ার ক্ষমতা এই রাষ্ট্রে কার নাই।’

বঙ্গবন্ধু অত্যন্ত মার্জিত-পরিশীলিত ধর্মচর্চা বা পারস্পরিক প্রাত্যহিক বিনিময় আদানপ্রদান-লেনদেন-শ্রদ্ধা-ভালোবাসা-পুণ্যপ্রীতির সঙ্গত ও সংযত প্রায়োগিক বৈশিষ্ট্যকে ধারণ করার অনুপম ক্ষেত্রের উন্মেষ ঘটিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘হিন্দুরা তাদের ধর্ম পালন করবে, কারও বাধা দেওয়ার ক্ষমতা নাই। বৌদ্ধরা তাদের ধর্ম পালন করবে, খ্রিস্টানরা তাদের ধর্ম পালন করবে তাদের কেউ বাধা দিতে পারবে না। আমাদের শুধু আপত্তি হলো এই যে, ধর্মকে কেউ রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না। ২৫ বছর আমরা দেখেছি, ধর্মের নামে জুয়াচুরি, ধর্মের নামে শোষণ, ধর্মের নামে বেইমানি, ধর্মের নামে অত্যাচার, খুন, ব্যভিচারÑএই বাংলাদেশের মাটিতে এসব চলেছে। ধর্ম অতি পবিত্র জিনিস। পবিত্র ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা চলবে না। যদি কেউ বলে যে ধর্মীয় অধিকার খর্ব করা হয়েছে, আমি বলব ধর্মীয় অধিকার খর্ব করা হয়নি। সাড়ে সাত কোটি মানুষের ধর্মীয় অধিকার রক্ষা করার ব্যবস্থা করেছি। কেউ যদি বলে গণতান্ত্রিক মৌলিক অধিকার নাই, আমি বলব সাড়ে সাত কোটি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে যদি গুটিকয়েক লোকের অধিকার হরণ করতে হয়, তা করতেই হবে।’

লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসের সাউথ এশিয়া সেন্টার আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বিশ্ববরেণ্য নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক অর্মত্য সেন বঙ্গবন্ধু প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘সমাজের সমতা প্রতিষ্ঠা এবং ধর্মকে রাজনীতির বাইরে রাখার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যে মতাদর্শ, তা এখনও সারা পৃথিবীর জন্য প্রাসঙ্গিক। ধর্মের রাজনৈতিক ব্যবহার না করার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর শক্তিশালী স্বতন্ত্র যে ধরন ছিল, বর্তমান সময়ে তার বিস্তৃত ব্যবহার রয়েছে। যা কেবল বাংলার জন্য নয়, সারা পৃথিবীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’ অনবদ্য রচনায় অধ্যাপক সেন বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান প্রণয়নে সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার ধারণাকে বিশেষভাবে উপস্থাপনের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সেক্যুলারিজম ধারণার মানে মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা থাকবে না, এমন নয়। সেটা ছিল ধর্মের রাজনৈতিক ব্যবহার হবে না।’ তিনি বঙ্গবন্ধুর ধর্মনিরপেক্ষতা দর্শন ব্যাখ্যায় ষোড়শ শতকের সম্রাট আকবরের মতাদর্শের তুলনামূলক আলোচনায় বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ও আকবরের মতাদর্শ এখনও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এটা কেবল ভারতে ব্যবহৃত হতে পারে তা নয়, পৃথিবীর অন্যান্য দেশেও প্রাসঙ্গিক।’

আমাদের সবার জানা, ধর্মনিরপেক্ষতা প্রত্যয় বা আদর্শ আক্ষরিক অর্থে সংস্কৃত-বাংলা থেকে উদ্ভূত নয়। এটি ইংরেজি ‘সেক্যুলারিজম’ প্রত্যয়ের অনুবাদ প্রতিশব্দ। ভারতবর্ষে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনে ধর্মনিরপেক্ষতা শিক্ষাচিন্তার ইহজাগতিকতায় সুস্পষ্ট। ১৮০২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট থমাস জেফারসন প্রণীত নীতি-নৈতিকতার ব্যাখ্যাসমৃদ্ধ পত্রের আলোকেই ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠা করে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে প্রথম সংশোধন আনা হয়। ১৭৮৯ সালে ফরাসি বিপ্লবের পর ১৮৪৬ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটেনের লেখক জর্জ জ্যাকব হলিওয়েফ সর্বপ্রথম ভাষা ও সাহিত্যে সেক্যুলারিজম বা ধর্মনিরপেক্ষতা শব্দটি ব্যবহার করেন। প্রায় শত বছর পর খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ অন্নদাশঙ্কর রায়ের মতানুসারে, এ উপমহাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতা প্রথম রাষ্ট্রচিন্তায় ব্যবহার করেন পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু। অবশ্যই ধার্মিকতা ও ধর্মান্ধতার পার্থক্য নিরূপণে প্রতিটি জাতিরাষ্ট্রকে জাগরূক রাখতে হবে। অন্যথায় এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া সমাজকে অন্ধকারের গহ্বরে নিমজ্জিত করবে, নিঃসন্দেহে তা বলা যায়।

এবার লোকসভা ভোটের ফলাফল ভারতের প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের নীতিনির্ধারকদের নতুন বার্তা দিয়েছে। এখন দেখার বিষয় এই বার্তা কে কিভাবে প্রতিপালন করেন। তবে মোদি ম্যাজিক যে ম্লান তা স্পষ্ট। ভারতের রাজনীতিতে এবারের লোকসভা ভোটপর্ব সমীকরণের বিষয় আছে। মমতা ব্যানার্জি যেমন বড় চমক দেখিয়েছেন তেমনি রাহুল গান্ধীও রাজনীতির বাঁক পরিবর্তনে সাফল্যজনক ভূমিকা দৃশ্যমান করেছেন। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার গঠনে এখনও অনেক ‘কিন্তু’ রয়ে গেছে। এই ‘কিন্তু’র সমাধানই কেবল সরকার গঠনের পথ মসৃণ করতে পারে।

  • বিশ্লেষক ও শিক্ষাবিদ। সাবেক উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা