প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৩ ২১:১৭ পিএম
আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০২৩ ১৪:৩৭ পিএম
দৃক বাংলাদেশের একটি স্বাধীন মিডিয়া সংস্থা। ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ও নাগরিক অধিকার কর্মী শহিদুল আলম ও সমমনা কয়েকজনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় দৃক পিকচার লাইব্রেরি।
‘দৃক’ একটি সংস্কৃত শব্দ, যার অর্থ দৃষ্টি। ক্যামেরার মাধ্যমে নিজেদের ছবি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া এবং বাংলাদেশের আলোকচিত্রীদের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা ছিল প্রতিষ্ঠানটির প্রাথমিক উদ্দেশ্য। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ কাজের সঙ্গেও যুক্ত হয়। এ ছাড়াও ভিডিও নির্মাণ, মুদ্রণ, উৎপাদন এবং প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন সেবা প্রদান করে আসছে দৃক। বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা তৈরি, সামাজিক অসাম্য এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধেও সোচ্চার থাকে প্রতিষ্ঠানটি।
দৃকের প্রধান অফিস রাজধানী ঢাকায়। এ ছাড়া ভারত ও যুক্তরাজ্যে প্রতিষ্ঠানটির দুটি শাখা অফিস রয়েছে।
দৃকের অধীনে ১৯৯৮ সালে দক্ষিণ এশিয়ার আলোকচিত্রগ্রাহীদের জন্য ‘পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট’ নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়। এখানে আগ্রহীদের জন্য বিভিন্ন মেয়াদে ফিল্ম ও টিভি, ফটোগ্রাফি এবং সাংবাদিকতা বিষয়ক কোর্স রয়েছে। দৃকের উদ্যোগে ‘ছবি মেলা’ নামে আলোকচিত্রীদের জন্য একটি বার্ষিক মেলার আয়োজন হয়। আলোকচিত্রীদের নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় ‘ছবি মেলা’ই প্রথম আয়োজন।
এ ছাড়াও দৃক বাংলাদেশে একটি মানবাধিকার নেটওয়ার্ক ‘বাংলারাইটস’ এবং স্বাধীন সংবাদ সংস্থা ‘দৃকনিউজ’ প্রতিষ্ঠা করে। দৃকনিউজ একটি স্বাধীন সংবাদ সংস্থা, যা নাগরিক সাংবাদিকদের ব্যবহার করে সংবাদ পরিবেশন করে থাকে।
বৈশ্বিক দক্ষিণ অঞ্চল থেকে আগত আলোকচিত্রগ্রাহকদের কাজ প্রচার এবং ন্যায্য বাণিজ্যের আলোকচিত্র প্রচারের জন্য, দৃক মেজোরিটি ওয়ার্ল্ড নামে একটি ছবি গ্রন্থাগার ও এজেন্সি স্থাপন করে। আলোকচিত্র উৎসব আয়োজনের জন্য দৃক ২০০৫-২০০৭ সালে প্রিন্স ক্লজ ফান্ড থেকে অনুদান পায়।