ঘূর্ণিঝড় রেমাল
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ মে ২০২৪ ১৫:২২ পিএম
আপডেট : ২৬ মে ২০২৪ ১৬:০৮ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে উপকূলের বিভিন্ন এলাকা থেকে ৮ লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান। এ ছাড়া এসব এলাকা থেকে অন্যদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে আহ্বান জানানো হয়েছে।
রবিবার (২৬ মে) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে উপকূলীয় এলাকার ৮ লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমাল সাতক্ষীরা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত পুরো উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানবে। রেমালের প্রভাবে ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে ভারী ও অতি ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাহাড়ি অঞ্চলে ধসের আশঙ্কা রয়েছে। তা ছাড়া জলাবদ্ধতা ও ট্রাফিক জ্যামও হতে পারে।
তিনি বলেন, আজ সন্ধ্যা নাগাদ রেমালের অগ্রভাগ বাংলাদেশে আঘাত হানবে। মধ্যরাতে মূল ঝড় আসবে ও ৬ ঘণ্টার মধ্যে এর প্রভাব কেটে যাবে। এ সময় ৯০ থেকে ১২০ কিমি বা ১১০ থেকে ১৩০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যাবে।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু টানেল আজ সন্ধ্যা থেকে আগামীকাল সোমবার সকাল পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে। অন্যান্য বিষয়ে সার্বিকভাবে প্রস্তুতি রয়েছে। উপকূলীয় লোকদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিতে কার্যক্রম চলছে। আমাদের সামরিক ও বেসামরিকভাবে ঝড়ের পর পরিস্থিতি মোকাবিলারও প্রস্তুতি রয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস প্রস্তুত রয়েছে।